তোর পিরীতে পাগল হইলাম রে

লেখিকা: খুশবু আকতার

কিছু সম্পর্কের শুরু হয় অন্ধকার থেকে, যেখানে ভালোবাসার চেয়ে ভয় আর অনিশ্চয়তাই বেশি জায়গা দখল করে থাকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অতীতের গোপন ক্ষত, মানুষের লুকানো সত্য এবং হৃদয়ের অপ্রকাশিত অনুভূতিগুলো একে একে সামনে আসতে শুরু করে।

"তোর পিরীতে পাগল হইলাম রে" গল্পটি লেখিকা খুশবু আকতার-এর অনুমতিক্রমে ১ জুন ২০২৬ তারিখে গল্পের বাহার-এ প্রকাশিত হয়েছে।

পর্ব ১

পর্ব ১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২

পর্ব ২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩

পর্ব ৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪

পর্ব ৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫

পর্ব ৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬

পর্ব ৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

তোর পিরীতে পাগল হইলাম রে গল্পটি খুশবু আকতার-এর লেখা একটি জনপ্রিয় চমৎকার একটি সামাজিক গল্প
পর্ব ৭

পর্ব ৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৮

পর্ব ৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৯

পর্ব ৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১০

পর্ব ১০

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১১

পর্ব ১১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১২

পর্ব ১২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৩

পর্ব ১৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৪

পর্ব ১৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৫

পর্ব ১৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৬

পর্ব ১৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৭

পর্ব ১৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৮

পর্ব ১৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৯

পর্ব ১৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২০

পর্ব ২০

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২১

পর্ব ২১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২২

পর্ব ২২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২৩

পর্ব ২৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২৪

পর্ব ২৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২৫

পর্ব ২৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২৬

পর্ব ২৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২৭

পর্ব ২৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২৮

পর্ব ২৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২৯

পর্ব ২৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩০

পর্ব ৩০

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩১

পর্ব ৩১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩২

পর্ব ৩২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩৩

পর্ব ৩৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩৪

পর্ব ৩৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩৫

পর্ব ৩৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩৬

পর্ব ৩৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩৭

পর্ব ৩৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩৮

পর্ব ৩৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩৯

পর্ব ৩৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪০

পর্ব ৪০

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪১

পর্ব ৪১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪২

পর্ব ৪২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪৩

পর্ব ৪৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪৪

পর্ব ৪৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪৫

পর্ব ৪৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪৬

পর্ব ৪৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪৭

পর্ব ৪৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪৮

পর্ব ৪৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪৯

পর্ব ৪৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫০

পর্ব ৫০

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫১

পর্ব ৫১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫২

পর্ব ৫২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫৩

পর্ব ৫৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫৪

পর্ব ৫৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫৫

পর্ব ৫৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫৬

পর্ব ৫৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫৭

পর্ব ৫৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫৮

পর্ব ৫৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫৯

পর্ব ৫৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬০

পর্ব ৬০

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬১

পর্ব ৬১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬২

পর্ব ৬২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬৩

পর্ব ৬৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬৪

পর্ব ৬৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬৫

পর্ব ৬৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬৬

পর্ব ৬৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬৭

পর্ব ৬৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬৮

পর্ব ৬৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬৯

পর্ব ৬৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭০

পর্ব ৭০

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭১

পর্ব ৭১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭২

পর্ব ৭২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭৩

পর্ব ৭৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭৪

পর্ব ৭৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭৫

পর্ব ৭৫ (সমাপ্ত)

সম্পূর্ণ পড়ুন

📖 গল্প সম্পর্কে

“তোর পিরীতে পাগল হইলাম রে” মূলত আরজু ও আরমানের জীবনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি সামাজিক, পারিবারিক ও রোমান্টিক উপন্যাস। গল্পের শুরুতেই আরজুর জীবনের কঠিন বাস্তবতা সামনে আসে। নিজের পরিবার থেকেই সে অবহেলা, অপমান এবং ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়। বিশেষ করে তার বাবা ও ভাইয়ের আচরণ তার জীবনকে আরও কঠিন করে তোলে। অন্যদিকে ফিরোজ নামের এক প্রভাবশালী ও ভয়ংকর ব্যক্তির একতরফা আসক্তি তার জীবনের বড় সংকটে পরিণত হয়। ফিরোজের ভয়ের কারণে অনেকেই আরজুর পাশে দাঁড়াতে সাহস পায় না। তবে আরজু নিজের আত্মসম্মান এবং স্বাধীনতা নিয়ে কখনো আপস করতে চায় না। চট্টগ্রামে নিজের পরিশ্রমে জীবন গড়ে তোলার চেষ্টা করে সে। এই সময় তার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে আরমান। শুরুতে আরমানকে সাধারণ একজন মানুষ মনে হলেও ধীরে ধীরে তার ব্যক্তিত্বের ভিন্ন দিক সামনে আসে। আরমান দায়িত্বশীল, সাহসী এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে জানে। আরজুর প্রতি তার অনুভূতি ধীরে ধীরে গভীর হতে থাকে। কিন্তু সে কখনো জোর করে নিজের ভালোবাসা চাপিয়ে দিতে চায় না। অন্যদিকে আরজুও জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কারণে সহজে কাউকে বিশ্বাস করতে পারে না। তাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, বিশ্বাস এবং নির্ভরতার জায়গায় পৌঁছায়। গল্পে পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রার্থনার জীবনের কষ্ট এবং তার প্রতি হওয়া অন্যায় কাহিনিকে আরও আবেগঘন করে তোলে। ফিরোজ চরিত্রটি গল্পের অন্যতম জটিল চরিত্র হিসেবে উঠে আসে। তার ভালোবাসা অনেক সময় অধিকারবোধ এবং ভয়ংকর আসক্তির রূপ নেয়। ক্ষমতা ও প্রভাব ব্যবহার করে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতাও তার মধ্যে দেখা যায়। গল্পে সমাজের কিছু অন্ধকার বাস্তবতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। নারীকে ঘিরে সামাজিক বিচার এবং দ্বৈত মানসিকতার বিষয়গুলোও কাহিনিতে উপস্থিত রয়েছে। একই সঙ্গে পরিবার নামের প্রতিষ্ঠানের ভেতরের ভাঙন ও সংকটও ফুটে উঠেছে। আরমানের পরিবার গল্পে এক ভিন্ন আবহ তৈরি করে। সেখানে ভালোবাসা, হাসি, বন্ধুত্ব এবং পারিবারিক উষ্ণতা রয়েছে। একাধিক পার্শ্বচরিত্র কাহিনিকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। গল্পের মাঝামাঝি অংশে নানা রহস্য, সংঘাত এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনার মাধ্যমে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। অতীতের কিছু সত্য ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে শুরু করে। সম্পর্কের প্রকৃত রূপও সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হয়। শেষ পর্যন্ত গল্পটি ভালোবাসা, আত্মমর্যাদা, সাহস এবং নিজের জীবনের জন্য লড়াই করার এক শক্তিশালী কাহিনিতে পরিণত হয়।

✍️ লেখক পরিচিতি

খুশবু আক্তার এমন একজন গল্পকার, যিনি মানুষের জীবন, সম্পর্ক এবং অনুভূতির গল্প বলতে ভালোবাসেন। তাঁর লেখায় ভালোবাসা, পরিবার, অভিমান, অপেক্ষা এবং আত্মমর্যাদার বিষয়গুলো বারবার ফিরে আসে। তিনি সাধারণ মানুষের জীবনের ছোট ছোট ঘটনা থেকে গল্পের উপাদান খুঁজে নেন। তাঁর চরিত্রগুলো বাস্তব জীবনের মানুষের মতোই হাসে, কাঁদে, ভুল করে এবং নতুন করে পথ খুঁজে নেয়। পারিবারিক সম্পর্কের উষ্ণতা ও জটিলতা তাঁর গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একই সঙ্গে সামাজিক বাস্তবতা এবং মানুষের মানসিক সংগ্রামও তাঁর লেখায় স্থান পায়। তিনি ভালোবাসাকে কেবল একটি সম্পর্ক নয়, বরং বিশ্বাস, দায়িত্ব এবং পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখেন। আবেগঘন মুহূর্তের পাশাপাশি রহস্য এবং জীবনের অপ্রত্যাশিত বাঁকও তাঁর গল্পে দেখা যায়। সহজ ভাষায় গভীর অনুভূতি প্রকাশ করা তাঁর লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তাঁর গল্পে কষ্ট আছে, কিন্তু সেই কষ্টের মাঝেও থাকে আশার আলো। মানুষ, সম্পর্ক এবং জীবনের নানা রঙ নিয়েই গড়ে উঠেছে খুশবু আক্তারের গল্পজগৎ।

📝 সম্পাদকীয় মন্তব্য

“তোর পিরীতে পাগল হইলাম রে” খুশবু আক্তারের লেখা একটি সামাজিক, পারিবারিক ও রোমান্টিক উপন্যাস। গল্পটিতে প্রেমের পাশাপাশি সমাজের কিছু কঠিন বাস্তবতা এবং মানুষের জীবনসংগ্রামকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। লেখিকা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে একাধিক চরিত্র ও তাদের জীবনের ঘটনাগুলোকে একই সূত্রে গেঁথেছেন। আরজু ও আরমানের সম্পর্ক গল্পটির প্রধান আকর্ষণ হলেও পার্শ্বচরিত্রগুলোর কাহিনিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং গ্রহণযোগ্যতার বিষয়গুলো গল্পজুড়ে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। গল্পে এমন কিছু চরিত্র রয়েছে, যারা ভুল করে, ভেঙে পড়ে, আবার নতুন করে জীবন শুরু করার সাহসও খুঁজে পায়। লেখিকা মানবিক আবেগ এবং সামাজিক বাস্তবতার মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রেখেছেন। বিভিন্ন রহস্য, অপ্রত্যাশিত ঘটনা এবং অতীতের কিছু গোপন সত্য কাহিনিকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। ভালোবাসাকে তিনি শুধু রোমান্টিক অনুভূতি হিসেবে নয়, বরং আশ্রয় এবং পরিবর্তনের শক্তি হিসেবে দেখিয়েছেন। সব মিলিয়ে এটি সম্পর্ক, সংগ্রাম এবং নতুন জীবনের আশাকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি হৃদয়স্পর্শী উপন্যাস।