অগ্নিকন্যা মহুয়া

পর্ব - ৮

🟢

আস্তে আস্তে লোকজন সবাই যার যার মতো চলে গেছে । সেখানে রইলো শুধু মোখলেছুর রহমান, রাহুল আর মহুয়া।

রাহুল: জনি আমার প্রাইভেট কার টা নিয়ে আয় । কুইক।

জনি :-ওকে বস আমি ত্রিশ মিনিটের মধ্যে যাবো আর আসবো।

মোখলেছুর রহমান রাহুলের দিকে এগিয়ে এসে বলল:-বাবা রাহুল, আমার মেয়েটা এখনো অনেক ছোট। সবেমাত্র ইন্টারমেডিয়েট ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। ছোটবেলা থেকে আমরা ওকে রাজকন্যার মতোই মানুষ করেছি। একটা কষ্টের কাজও করতে দিইনি। মহুয়ার হাত কখনো বাসনপত্র ছুঁয়েও দেখেনি, রান্নাঘরের ধোঁয়া ওর গায়ে লাগেনি। ওর মা আজও ওকে ভাত তুলে না দিলে খেতে বসে না। যেনো এখনো ছোট্ট সেই মেয়েটাই রয়ে গেছে আমাদের চোখে।

আমি বলতে চাইছিলাম ও কিছুদিন আমাদের কাছেই থাকে। একটু সময় পাক নতুন জীবনের জন্য প্রস্তুত হতে। মায়ের আঁচল থেকে হঠাৎ করে ছিঁড়ে গেলে ও ভেঙে পড়বে।

রাহুল: মাফ করবেন শশুর মশাই! আমি আপনার কথা অমান্য করলাম । বিয়ে করেছি বউকে বাবার বাড়ী রাখার জন্য নয় ।আমি তাকে এই দুই হাতে আগলে রাখতে চাই, প্রতিদিন আমার চোখের সামনে দেখতে চাই।

মোখলেছুর রহমান:- ঠিক আছে বাবা তুমি যেটা চাও সেটাই হবে। আমার মেয়ের ওপর এখন থেকে আমার চেয়ে তোমার অধিকার বেশি।

এই বলে মোখলেছুর রহমান চশমাটা খুলে চোখের পানি মুছে নিলো।

মহুয়া কাঁদতে কাঁদতে বলল - বাবা আমি একবার মায়ের সাথে দেখা করতে চাই ।

মোখলেছুর রহমান বললেন- তোর। স্বামীর থেকে অনুমতি নিতে হবে মা ।

মহুয়া ছলছল নয়নে রাহুলের দিকে তাকালো কিন্তু কোন কথা বললো না।

রাহুল বললো - একবার দেখা করে আসি চলো। শুধু শশুর মশাই এর আশীর্বাদ নিলেই হবে না শাশুড়ি মার থেকেও আশীর্বাদ নিতে হবে তো!

এই বলে তারা মহুয়াদের বাড়িতে গেলো । মনোয়ারা বেগম চুলাই ভাত বসিয়েছেন । মহুয়াকে দেখে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরলো মেয়েকে।

মনোয়ারা বেগম:- তুই ঠিক আছিস তো মহু‌? সবকিছু ঠিকঠাক আছে তো?

মহুয়ার কান্না তখন আর বাঁধ মানছিলো না । কাঁদতে কাঁদতে বলল -: কিচ্ছু ঠিক নেই মা । কিচ্ছু ঠিক নেই! আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।

মনোয়ারা বেগম:- কাদিস না মা আমরা আছি তো তোর পাশে । তোর কিছু হবে না ।

মহুয়া:- যা হবার তা তো হয়েই গেছে মা । আমার বিয়ে হয়ে গেছে।

মনোয়ারা বেগম চমকে উঠে বললো - বলিস কি মহু তোর বিয়ে হয়ে গেছে ? তখন তোর বাবা কোথায় ছিলো? বিয়ে আটকাতে পারলো না। আর কার সাথে বিয়ে হয়েছে ছেলেটা কে ?

মহুয়া:- বাবা তখন নিরূপায় ছিলো মা । পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছিল যে .........।

কথা শেষ না হতেই রাহুল জোরে একটা ডাক ছাড়লো - শাশুড়ি মা আমাদের আশীর্বাদ করুন । যেন আমাদের বিবাহিত জীবন সুখের হয় ।

মনোয়ারা বেগম রাহুলের দিকে তাকিয়ে মহুয়া কে বললো - এটাই তোর স্বামী ? দেখতে শুনতে তো মাশাআল্লাহ।

মহুয়া মনে মনে বললো - তুমি এর ভেতরের খবর জানো না মা । তাই একে সুন্দর বলছো।

মনোয়ারা বেগম: কিন্তু তুমি হটাৎ করে আমার মেয়েকে কেন বিয়ে করলে‌ বাবা? আমার একটা মাত্র মেয়ে কতো আশা ছিল ধুমধাম করে বিয়ে দেবো। এভাবে যে বিয়ে হবে এটা একেবারের জন্য ও মাথায় আসেনি।

রাহুল :- সমস্যা নেই শাশুড়ি মা দ্বিতীয় বার আবার ধুমধাম করে বিয়ে করবো আপনার মেয়েকে ।

মহুয়া তুই একটু আমার সাথে চলতো মা। তোর সাথে আমার কিছু কথা আছে।

মনোয়ারা বেগম মহুয়াকে নিয়ে ঘরের মধ্যে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো।

মনোয়ারা বেগম: তুই ঠিক নেই মহু , তোর সাথে নিশ্চই খারাপ কিছু হয়েছে।কি হয়েছে সেটা আমাকে খুলে বল মা ।

মহুয়া:- কালকে রাতে এই ছেলেটাই আমাকে রেপ করেছে মা। এই বলে মহুয়া হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো। আর আজকে রাতে বিয়ে করতে বাধ্য করেছে আমাকে।

জানিনা কেন এমন করছে ও ।

কিন্তু যে জন্য করুক না কেন আমি এসবের প্রতিশোধ নিয়েই ছাড়বো ।

মনোয়ারা বেগম:- কাঁদিস না মা সব ঠিক হয়ে যাবে । আমার মেয়ে সবকিছু সামলে নিতে পারবে এই বিশ্বাস আমার আছে রে মা । কিন্তু আরিয়ান কোথায়? ও কি জানে তোর বিয়ের কথা।

মহুয়া:- মা আরিয়ান এখন হসপিটালে ভর্তি হয়ে আছে। এই লম্পট টা‌ ওর নাক ফাটাইছে। আর আরিয়ানে নাক দিয়ে এতো পরিমাণ রক্ত বের হচ্ছে যে ওকে হসপিটালে নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না।

মনোয়ারা বেগম:- ছেলেটা কতো দিন ধরে তোকে ভালোবেসে আসছে ,, এতো দিন ও তোর গায়ে একটা ফুলের টোকাও পর্যন্ত দেয়নি । ছেলেটা আজ তার ভালোবাসার মানুষটিকে হারিয়ে ফেললো শুধু এই লম্পটার জন্য। আমার এই নিষ্পাপ মেয়েটা কি অন্যায় যে করেছিল ওদের কাছে যে আমার মেয়েকে.......!

মহুয়া : - মা আমি এদের এই পাপের খেলা বন্ধ করবো । আমি ওকে ভালোবেসে বিয়ে করিনি , বিয়ে করেছি ওকে শেষ করে দিতে।

মা, তুমি জানো না এদের আসল রূপ। এরা শুধু আমাকে নয়, আরো অনেক মেয়ের স্বতীত্ব নষ্ট করেছে । ওকে আমি ধ্বংস করে দেবো। ওর অহংকার, সব আমি মাটিতে মিশিয়ে দেবো। যেন পৃথিবী মনে রাখে, মহুয়ার সঙ্গে খেলা করার ফল কত ভয়ংকর হতে পারে!”

মোখলেছুর রহমান দরজায় টোকা দিতেই মনোয়ারা বেগম দরজা খুলে দিল । মহুয়া শেষ বারের মত বাবাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লো।

মহুয়া: আমার জন্য দোয়া করবে বাবা।

মোখলেছুর রহমান মেয়ের মাথায় হাত রেখে বললেন- ঠিক আছে মা । সবসময় আমরা তোর জন্য দোয়া করবো। চির সুখী হ ।

মহুয়া এক হাতে নিজের ছোট্ট লাগেজটা শক্ত করে ধরে রাহুলের পেছন পেছন হাঁটতে লাগল। লাগেজের চাকাগুলো কাঁচা রাস্তায় টেনে নেওয়ার শব্দ যেন নীরব রাতটাকে আরও ভারী করে তুলছিল। মহুয়া হটাৎ রাহুলের দিকে একবার তাকিয়ে দেখলো, বুকের ভেতর কেমন একটা ধকধক অনুভূতি হচ্ছিল তার।

______

ডাক্তার আমার ছেলেকে বাঁচান । যতো টাকা লাগুক না কেন আপনি ওর অপারেশন করুন । আমার একটা মাত্র ছেলে । ও না থাকলে। আমার কি হবে বলুন। ওকে ছাড়া আমি এক মুহুর্তও বাঁচবো না ডাক্তার সাহেব। আমার আরিয়ান যে আর কথা বলছে না ।

কাঁদতে কাঁদতে আরিয়ান এর মা আকলিমা বেগম কথাগুলো বললো ।

ডাক্তার: আপনি কোন চিন্তা করবেন না আমি আরিয়ান এর অপারেশন এর সব ব্যবস্থা করতেছি আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন ।

আকলিমা বেগম: ও আম্মা আপনি বলেন আমার আরিয়ান বাঁচবে তো । আপনার নাতির কিছু হবে না তো ?

পান চিবুতে চিবুতে আহেরজান বিবি বললো - কিছু হবে না বৌমা তুমি শান্ত হও। একটা কথা আরিয়ান কে স্পষ্ট করে বলে দিও এই মহুয়া নামের ভুত যেন ও মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দেয়।

স্বার্থপর মেয়ে কোথাকার আমার নাতিটার মাথা খাইয়া এখন অন্য ছেলেকে বিয়ে করে নিলো। যেখানে আর এক মাস পর ওদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।

পাশে থেকে আরিয়ানের ভাই আফরান বললো দাদিমা , মহুয়া আপুও পরিস্থিতির চাপে পড়ে এ বিয়েটা করেছে। মহুয়া কে ভুল বুঝবেন না।

আহেরজান বিবি: চুপ কর আফরান ওই বান্দীর বাচ্চার সাফাই গাওয়া বন্ধ কর। ওর কথা শুনলে আমার। পায়ের রক্ত মাথায় উঠতেছে।ওর জন্য আমার আরিয়ান এর এই অবস্থা। আমি ওকেই দায়ী করবো।

বিজ্ঞাপন

____

রাহুল : গাড়িতে উঠে বসো সুইটহার্ট।

মহুয়া চুপচাপ গাড়িতে গিয়ে বসলো।

জনি: বস আপনিও গাড়িতে উঠে বসুন আমি ড্রাইভ করতেছি।

রাহুল: জনি তুই কি আমাকে পাগল মনে করিস নাকি? আগে সেটা বল তো।

জনি :পাগল কেনো মনে করবো । সবসময় তো আমিই‌ গাড়ি ড্রাইভ করি , সেজন্য বললাম।

রাহুল : সেটা ঠিক আছে কিন্তু আজ গাড়িতে আমার নববধূ বসে আছে । আমাদের একটু প্রাইভেসির দরকার আছে জনি ।

হাত দিয়ে রাস্তা দেখিয়ে দিয়ে রাহুল বললো - এই রাস্তা দিয়ে সোজা ব্ল্যাকথর্ন হাউসে যা। আর আমার বন্ধু বান্ধব সবাইকে আসতে বল।

জনি:- বস এতো দূর পর্যন্ত কি করে পায়ে হেঁটে যাবো ?

রাহুল: আহ্ জনি ! এতো প্রশ্ন কেন করতেছিস?

এই বলে রাহুল গাড়িতে উঠে মহুয়াকে বলল-সামনে আসো সুইটহার্ট ।

মহুয়া মুখ ভেংচিয়ে বললো আমি সামনে যেতে পারবো না।

রাহুল আবার গাড়ি থেকে নেমে পেছনের দরজা খুলে কোন কথা না বলে মহুয়াকে কোলে তুলে নিয়ে বললো - এখন ঠিক আছে?

মহুয়া দাঁতে দাঁত চেপে বললো - কি করছেন টা কি । নামিয়ে নিন দিন আমাকে । নয়তো আমি চিৎকার করবো কিন্তু।

রাহুল: তোমার মুখ আর আমার মুখের দূরত্ব প্রায় পাঁচ ইঞ্চির মতো হবে, চিৎকার করলে লিপ কিস ফ্রি পাবে ।

তখন তোমারও লাভ হবে আমার ও লাভ হবে।

মহুয়া:-অসভ্য কোথাকার। আপনার বাবা মানুষ তৈরীর কারিগর আর আপনি একটা অমানুষ।

রাহুল:- ক্লাস সিক্সে একটা বাগধারা পরেছিলাম , হেডমাস্টারের ছেলে গোবর গনেশ। আর সেটা আমার সাথে মিলে গেছে।

মহুয়া : আপনার সাথে কথা বলে পারা যাবে না ।

রাহুল: তাহলে চুপচাপ আমার পাশে বসে যাও নইলে গাড়ি চালানোর এনার্জি পাবো না সুইটহার্ট।

রাত তখন প্রায় একটা ছুঁই ছুঁই।

পুরো শহর নিস্তব্ধ কিন্তু মাঝে মাঝে দূর থেকে কুকুরের ডাক ভেসে আসছে।

রাহুলের কালো গাড়িটা নির্জন রাস্তা দিয়ে সাঁই সাঁই করে ছুটে যাচ্ছে। হেডলাইটের আলোয় যেন রাতের আঁধার ভেদ করে এগিয়ে যাচ্ছে এক অজানা গন্তব্যের দিকে।

পাশের সিটে বসে আছে মহুয়া। মেয়েটা একদম পাথর হয়ে গেছে মনে হচ্।ছে

রাহুল এক হাতেস্টিয়ারিং ধরলো আর এক হাত মহুয়ার হাতে রেখে মহুয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল -

“তুমি চুপ কেন, সুইটহার্ট। তোমার নিরবতা আমাকে বড্ড বেশি পোড়াচ্ছে।

মহুয়া কোনো জবাব দিল না। শুধু জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকলো । রাতের নিঃসঙ্গ আলো গিয়ে পড়ছে তার চোখে মুখে। মহুয়ার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পরতে লাগলো।

রাহুল আবার বলল -

“তুমি আমাকে যা ইচ্ছা তাই ভাবতে পারো সমস্যা নেই। একটা কথা মনে রেখো , এই রাহুল চোধুরী একটা মেয়েকে দুইবার ইউস করতো না । কিন্তু তোমাকে দেখার পর থেকে আমি জাস্ট পাগল হয়ে যাচ্ছি । কন্ট্রোললেস হয়ে যাচ্ছি মহুয়া । শুইতে গেলে তোমার চেহারা চোখের সামনে ভেসে উঠতেছে, খাইতে গেলে , যেখানে যাচ্ছি সেখানেই তুমি আমাকে পাগল করে দিচ্ছো। তাই বাধ্য হয়ে তোমাকে বিয়ে করেছি। পারলে আমাকে মাফ করে দিও।"

গাড়িটা থামলো একটা বিউটি পার্লারের সামনে।

রাহুল দরজা খুলে নামল, তারপর মহুয়ার দিকে তাকিয়ে বলল-

“চলো, আজ তোমাকে নববধূর মতোই সাজাবো। সবাই যেন দেখে রাহুল চৌধুরীর বউ কেমন দেখতে সুন্দরী।”

মহুয়া স্থির চোখে তার দিকে তাকিয়ে রইল।

রাত তখন আরও গভীর। ঘড়ির কাঁটা একটাকে পার করে দুইয়ের দিকে এগোচ্ছে।

মহুয়া এখন আয়নার সামনে বসে আছে। মেকআপের ব্রাশ তার গালে ছুঁয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সে নিস্তব্ধ একটা কথাও বলছে না। চোখের নিচের দাগ ঢেকে গেছে ফাউন্ডেশনে, কিন্তু মনের ভেতরের ভাঙন কেউ ঢাকতে পারেনি।

চুলে জুঁইফুলের মালা, ঠোঁটে গারো লিপস্টিক, মেরুন রঙের ওপর সোনালি কাজের শাড়িটা যেন মহুয়ার গায়ে ময়ূরপঙ্খীর পালকের মতো লাগছে।

রাহুল বাইরে গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরালো।

ধোঁয়া উঠতে উঠতে তার মুখে অদ্ভুত এক প্রশান্তি নেমে এলো।

মাঝেমাঝে কাচের ভেতর দিয়ে তাকিয়ে মহুয়াকে দেখার চেষ্টা করতেছে। কিন্তু ব্যর্থ হচ্ছে।

অবশেষে সাজানো শেষ।

পার্লারের মেয়েরা এসে বলল, আকাশ থেকে পরি নেমে এসেছে স্যার । একবার দেখুন।

রাহুল হালকা হাসল, তারপর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মহুয়ার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।

মহুয়া ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালো। চুড়ির টুংটাং শব্দ ভেসে এলো রাহুলের কানে।

গাড়ির দরজা খুলে দিল রাহুল, মহুয়া ভিতরে বসল। ইঞ্জিনের গর্জন আবারও রাতের নিস্তব্ধতা ভেদ করে উঠলো।

রাহুল - জানো সুইটহার্ট জীবনে অনেক মেয়ের সাথে রাত কাটিয়েছি কিন্তু কোনোদিন কারো প্রেমে পারিনি। কিন্তু আজ তোমাকে দেখে ভীষণ প্রেম প্রেম ফিল হচ্ছে ।

প্রেম করবে আমার সাথে? এইযে তুমি নড়ছো আর তোমার চুড়ি গুলো ঝুনুর ঝুনুর শব্দে বাজতেছে । চোখে কাজল , মাথায় বেলী ফুলের খোঁপা ঠোঁটে গাঢ়ো লিপস্টিক উফফফফ ...! এসব দেখে একটা ছেলে কি করে প্রেমে না পড়ে থাকতে পারে বলো? Will you give me permission for a kiss? জাস্ট একটা প্লিজ সুইটহার্ট ।

মহুয়া মুখ ফিরিয়ে অন্যদিকে হলো । কিন্তু কোন কথা বললো না

রাহুল মহুয়ার হাত ধরে বলল- এরকম স্ট্যাচু হয়ে বসে না থেকে একটু রোমান্স করো বেইবি।

বিজ্ঞাপন
অগ্নিকন্যা মহুয়া গল্পটি আজেরিন হিরানুর-এর লেখা একটি জনপ্রিয় সামাজিক ও থ্রিলারভিত্তিক গল্প