অগ্নিকন্যা মহুয়া

পর্ব - ১০

🟢

রাহুল মহুয়ার মুখের ওপর ঝুঁকে বলল- আমাকে কখনো পরিবর্তন করার চেষ্টা করো না । আর সেটা করেও লাভ নেই।

এই বলে শাওয়ার নিতে চলে গেল রাহুল আর মহুয়া ওখানেই শুয়ে রইলো।

ওয়াশ রুম থেকে বেরিয়ে এসে রাহুল বললো - নিচে চলো সুইটহার্ট আমার বন্ধুরা পার্টির আয়োজন করেছে। তুমি না থাকলে পার্টি জমবে না।

মহুয়া দাঁতে দাঁত চেপে বললো- আপনার ঐসব বা'দর বন্ধুদের সাথে আপনি একাই পার্টি করুন আমি যেতে পারবো না।

রাহুল ব্ল্যাক কালার টিশার্ট, ব্ল্যাক কালার প্যান্ট আর একটা নরমাল জুতা পরে নিচে নামার জন্য দরজা খুলতেই পিছন থেকে মহুয়া ডাক দিলো - ওয়েট ওয়েট ওয়েট! মি . রাহুল চোধুরী এরকম নরমাল ড্রেস এ পার্টিতে যাবে?

রাহুল:- নিজের বিয়ে করা বউই আমার দিকে তাকাচ্ছে না ! আর কোন মেয়ে আমার দিকে তাকাবে বলো,?

এই বলে রাহুল নিচে নেমে গেল।

সবাই হা করে তাকিয়ে আছে রাহুলের দিকে।

শুভ বললো -কিরে দোস্ত রোজ রোজ তুই পার্টি বাদ দিয়ে মেয়ে নিয়ে রিসোর্টে যাইতি আর আজ নতুন বউকে বাসর ঘরে রেখে পার্টিতে আসলি কেন? ব্যাপারটা কি বলতো?

মুহিব বলল- নববধূ একটু রেস্ট নিচ্ছে , একটু পর আমাদের রাহুল চোধুরী গিয়ে ফাইনাল খেলা শুরু করবে।

মুহিব এর কথা শুনে সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।

রাহুল জনিকে ডেকে বললো - এই জনি এক বোতল বিয়ার এনে দে তো।

স্টোররুমে গিয়ে জনি এক বোতল বিয়ার এনে দিলো।

রাহুল সেটা নিয়ে সুইমিং পুলের পাশে গিয়ে একটা বেঞ্চে শুয়ে পড়লো। পিছন পিছন জনি ও গেল । কিন্তু রাহুল তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বললো।

রাহুল বিয়ারের বোতল খুলে এক ঢোক খেয়ে নিলো আর মনে মনে বলতে লাগলো - মহুয়া মাহী তোমার রুপের আগুনে আমি পুরে ছাই হয়ে যাচ্ছি। আমি কিছুতেই কালকে রাতের দৃশ্য চোখের সামনে থেকে সরাতে পারছি না। তুমি কি আদৌ বুঝবে আমাকে? আমার বুকের রক্তক্ষরণের কথা তুমি জানবে? তুমিই একমাত্র মেয়ে যে এই রাহুল চোধুরী কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে দিয়েছো। সেখান থেকে এই আমি আর কখনো বেরিয়ে আসতে পারবো না?

আরো এক ঢোক খেয়ে নিলো!

মিনির কি হবে! যে মেয়েটা সবসময় আমার হওয়ার স্বপ্ন দেখতো ! এতোক্ষণ মনে হয় ওরা সবাই জেনে গেছে যে আমি বিয়ে করেছি।

মিনি তুই ভীষণ করে ভেঙে যা এতে আমার কোন সমস্যা নেই। কিন্তু মহুয়া যদি আমাকে ভালো না বাসে তাহলে এই পৃথিবীর বুকে আমি আগুন জ্বালিয়ে দেবো। আমি সবকিছু শেষ করে দেবো।

এক নিঃশ্বাসে পুরো বোতল টা শেষ করে সেখানেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে রইলো।

মহুয়া ড্রেস চেঞ্জ করে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখে রাহুলের বন্ধুরা সবাই ড্রিংকস করে টলোমলো করছে। মহুয়া মনে মনে বললো - এটাই মোক্ষম সুযোগ একে একে এদের সবাইকে শেষ করে দেবো ।এই বলে নিচে নেমে এলো ।

শুভ মহুয়ার একেবারে কাছে এসে বললো - ওয়াও ভাবি আপনি ভীষণ সে,ক,সি। একবার কাছে আসবেন ?

মহুয়া - অবশ্যই শুভ ভাইয়া । আচ্ছা ভাইয়া এখানে সুইমিং পুল নাই?

শুভ - চলো ভাবি আমি তোমাকে সুইমিং পুলের কাছে নিয়ে যাই। কিন্তু ভাবি আমি তো সাঁতার কাটতে জানি না!

তারা গল্প করতে করতে সুইমিং পুলের কাছে এসে দেখলো রাহুল সেখানে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে!

শুভ - এই শালা প্রতিদিন এভাবেই পরে থাকে মাল খেয়ে। বাদ দাও ওর কথা ও তো তোমাকে জোর করে বিয়ে করেছে....।

কথা শেষ না হতেই মহুয়া এক ধাক্কায় শুভকে সুইমিং পুলের মধ্যে ফেলে দিলো।

রাহুল চোখ মেলে দেখে মহুয়া দাঁড়িয়ে আছে সুইমিং পুলের পাশে।

রাহুল: সুইটহার্ট তুমি এখানে কি করছো । আর শুভ তো সাঁতার জানে না ও পানিতে নামলো কেন?

মহুয়া কাঁদতে কাঁদতে বলল - দেখুন না আপনার বন্ধু আমাকে জোর করে জরিয়ে ধরার চেষ্টা করছিলো , আর আমি ওর হাত থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ওকে এক ধাক্কা দিয়েছি আর ও পানিতে পড়ে গেছে।

রাহুল সেটাই বিশ্বাস করে নিলো । আর শুভর কলার ধরে টেনে তুলে কানের নিচে দুইটা থাপ্পড় বসিয়ে দিল।

বল মহুয়াকে নিয়ে আর কোন কথা বলবি । একটা কথা মনে রাখিস আমার বউ এর দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহসও করবি না । ভালো করে শুনে রাখ এটা রাহুল চোধুরীর বউ। মাইন্ড ইট!

এই বলে শুভকে ওখান থেকে চলে যেতে বললো।

রাহুল ভেজা গায়ে সুইমিং পুল থেকে উঠে মহুয়ার সামনাসামনি দাঁড়ালো। এক দৃষ্টিতে মহুয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে মহুয়াকে জিজ্ঞেস করল - সুইটহার্ট তুমি ওর সাথে কেন এখানে আসতে গেলে ? তুমি এখানে আসবে আমাকে বলতে পারতে না ?

মহুয়া:- বলবো না আপনাকে , এতে কোন সমস্যা? আমি একটা ছেলের সাথে আসতেই পারি , আমি ওর সাথে বেডশেয়ারও করতে পারি । ইটস্ নরমাল।

রাহুল:- কি বললে তুমি? তুমি ওর সাথে বেডশেয়ার করতে পারো?আর তুমি এটাকে নরমাল বলছো?

তুমি জানো তুমি কার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছো?

মহুয়া:- আমি আপনাকে মোটেও ভয় করি না মি.রাহুল চৌধুরী! আপনি যদি বিয়ের আগে একশোটা মেয়ের সাথে রাত কাটাতে পারেন তাহলে আমি কেন পারবো না । আপনার কাছে এটা যদি নরমাল হয় , তাহলে আমি করলে দোষ কোথায়?

রাহুল:-কারন তুমি একটা মেয়ে! চাইলেই তুমি সবকিছু করতে পারবে না।

মহুয়া:- আমি আপনার নিষেধ অমান্য করতে চাই মি. রাহুল।

রাহুল মহুয়ার বাহু শক্ত করে ধরে বলল তুমি সফল হবে না মহুয়া । আমি তোমাকে কোন ছেলের সাথে মিশতে দেবো না ।

মহুয়া রাহুলের হাত ছাড়ানোর জন্য হাত ধরে ঝাড়ি দিতেই দুজনই সুইমিং পুলের মধ্যে পড়ে গেল।

রাহুল মহুয়ার মাথাটা পুরোটাই পানির মধ্যে ডুবিয়ে দিলো । মহুয়ার নিঃশ্বাস প্রায় যায় যায় অবস্থা। এবার রাহুল মহুয়ার মাথাটা ওপরে তুলে বললো -আমি ছাড়া অন্য কোন পুরুষের নাম মুখে আনলে ঠিক এভাবেই পানিতে চুবিয়ে মারবো ।

হাঁপাতে হাঁপাতে মহুয়া বললো - আমি নয় মি. রাহুল আপনি সেটার যোগ্য। আমিতো শুধু বলেছি , আমি শুভর সাথে বেড শেয়ার করবো। এতেই আপনি আমাকে মেরে ফেলতে চাইছেন। আর আপনি শত শত মেয়ের সাথে রাত কাটিয়েছেন তাহলে আপনার অবস্থা আমি কি করবো একবার ভাবুন ‌। আপনি যেভাবে অন্যের জীবনে বিষ ঢেলেছেন, আজ সেই বিষের স্বাদ আপনাকেই পেতে হবে। আপনাকে পবিত্র করার একমাত্র উপায় হচ্ছে আপনার মৃত্যুদণ্ড! মি. রাহুল আপনার মৃত্যু হবে আপনার পাপের শুদ্ধি। মনে রাখবেন কথাটা।

এই বলে মহুয়া গটগট করে ভেজা কাপড়েই সেখান থেকে চলে গেল ।

রাহুলও মহুয়ার পেছন পেছন চলে গেল।

বিজ্ঞাপন

তখন চারদিকজুড়ে ভোরের কোমল আলো ছড়িয়ে পড়ছে। কুয়াশায় ভেজা বাতাসে ঘুম ভাঙার মতো এক শান্ত নিস্তব্ধতা। সেই নিস্তব্ধতাকে ভেদ করে ভেসে এলো ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি।

“আল্লাহু আকবার… আল্লাহু আকবার…”

মসজিদের মিনার থেকে ভেসে আসা সেই ডাক যেন আকাশের নীলচে পর্দা ভেদ করে পুরো শহর ছড়িয়ে পড়ছে। পাখিরা ডানা ঝাপটিয়ে জেগে উঠছে, বাতাসে মিলছে আজানের প্রতিধ্বনি। মনে হচ্ছিল, পুরো পৃথিবী যেন নতুন এক পবিত্রতার আবেশে জেগে উঠেছে।

______________

সারা রাত মিনির ঘুম হয়নি শুধু রাহুলের কথা ভেবে। সকালে উঠেই সে রাহুলের নরক রাজ্যে যাওয়ার বায়না ধরেছে।

মিনি :- মামী আমি ব্ল্যাকথর্ন হাউসে যেতে চাই , আমি একবার রাহুলের মুখোমুখি হতে চাই।

রওশন আরা বেগম:- এমন বায়না করিস না রে মা । তুই তো জানিস তোর মামা ঐ জায়গাটা পছন্দ করে না একবার যদি জানতে পারে তুই কিংবা নিপা ওখানে গিয়েছিস তাহলে ভীষণ রাগ করবে ।

তারচেয়ে বরং আমি রাহুল কে ফোন দিয়ে আসতে বলবো।

মিনি: ছোট বেলা থেকেই আমি তোমাদের সব আদেশ নিষেধ মেনে চলি কিন্তু আজ আর মানবো না মামি ।

আমি ওখানে গিয়ে কিছুদিন থাকতে চাই তুমি আর আমাকে বাধা দিও না প্লিজ।

এখন আমাকে আমার মত করে বাঁচতে দাও।

রওশন আরা বেগম চোখ মুছতে মুছতে বলল- ঠিক আছে মা তুই যা।

অনুমতি পেয়ে মিনি আর এক সেকেন্ড দেরি না করে নিজের ছোট লাগেজটা গুছিয়ে নিয়ে ব্ল্যাকথর্ন হাউসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলো।

এই প্রথম সে এই ব্ল্যাকথর্ন হাউসে যাচ্ছে । রাহুলের থেকে শুধু এটার নামই শুনে আসছিলো এতো দিন কিন্তু কখনো সেই কালো দুনিয়ায় যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি মিনি। কিন্তু রাহুলের অনুপস্থিতি তাকে বড্ড জ্বালাচ্ছে। সবসময় যে মেয়েটা রাহুলের আসেপাশে ঘুরাতো , রাহুলের সব আদেশ মেনে চলতো । আজ ছত্রিশ ঘন্টা হচ্ছে সেই রাহুলের দেখা না পেয়ে মিনির যেন সবকিছু উল্টোপাল্টা হয়ে গেছে। পাগলের মত ছুটে যাচ্ছে রাহুলের কাছে।

কলিং বেল বাজাতেই রাহুল এসে দরজা খুলে দিয়ে মিনিকে দেখে অবাকের চরম সীমায় পৌঁছে গেলো।

কাঁপা গলায় বলল - মিনি তুই এখানে কেন এসেছিস? তোকে এখানে কে আসতে বলেছে।

মিনি এসে সোজাসুজি কোন কথা না বলে রাহুলকে জড়িয়ে ধরে বললো - বাহ রে ! আমার জানের জান প্রানের প্রান বিয়ে করেছে আর আমি আসবো না ? এটা হয় নাকি? সারারাত খুব জ্বালাতন করেছো রাহুল একটুও ঘুমাতে দাওনি । রাতে কেমন মজা হয়েছে?

রাহুল মিনিকে এক ধাক্কায় নিজের শরীর থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বললো- একদম কোন বাজে কথা বলবি না। নয়তো এখান থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেবো।

মিনি: আমাকে না জানিয়ে তুমি বিয়ে কেন করেছো? বিয়ে করার সময় একটি বারের জন্যও কি আমার কথা তোমার মনে পড়ে নি? আমি কি তোমার কেউ ছিলাম না?

রাহুল এবার জোরে চিৎকার দিয়ে উঠলো - না মিনি তুই আমার কেউ ছিলি না । এই রাহুল চোধুরী কাউকে ভালোবাসতে পারে না। আর যদি কাউকে ভালোবেসে থাকে তবে সেটা হবে মহুয়া!

রাহুলের চিৎকারে পুরো বাড়িটা ঝংকার দিয়ে উঠলো।

মহুয়া তখন নিজের কাপড় গুলো আলমারিতে তুলে রাখার জন্য নিয়ে যাচ্ছে রাহুলের চিৎকারে সে বাইরে এসে দেখে , মিনি রাহুলের সাথে এমনভাবে চেপে আছে মনে হচ্ছে একে অপরে স্বামী স্ত্রী‌।

মিনি:- চিৎকার করে কোন লাভ হবে না বেইবি! অনেক দিন ধরে নিজেকে কন্ট্রোল করেছি আজ তোমাকে আমার সঙ্গ দিতেই হবে। মিনি আজ কন্ট্রোললেস হয়ে গেছে রাহুল। এই বলে রাহুল কে ধাক্কা দিয়ে সোফায় ফেলে দিয়ে নিজেও রাহুলের উপর ঝুঁকে পড়লো।

মহুয়া নিজের মতো করে কাজ করছে ।

রাহুল মিনি কে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতেই মিনি গিয়ে ফ্লোরে আছড়ে পড়ল আর সাথে সাথে মাথার কিছু অংশ ফেটে গিয়ে রক্ত বের হতে লাগলো ।

রাহুল মিনিকে উপেক্ষা করে মহুয়াকে নিয়ে ঘরে এসে মহুয়াকে শুইয়ে দিয়ে, মহুয়ার মুখের কাছে মুখ নিয়ে এসে বললো একটা কিস করবো তোমাকে সুইটহার্ট। মহুয়া চুপচাপ শুয়ে আছে কিছু বলছে না । রাহুল আস্তে আস্তে এগিয়ে গিয়ে...........

মহুয়া রাহুলকে সরিয়ে দিয়ে বললো - কি করছেন এমন হুটহাট আমার ওপর অধিকার ফলাতে আসবেন না।

রাহুল:- তোমার সমস্যা কি বলোতো আমি কাছে এলে এমন করো কেন? তুমি কি চাও আমি মিনির সাথে টাইমপাস করি?

মহুয়া :- সেটা কি বাকি রাখছেন নাকি? বিয়ের আগেই তো...... কথা শেষ না হতেই রাহুল মহুয়ার মুখ চেপে ধরে বললো - খবরদার আর একটা কথাও বলবে না ।

মহুয়া - বললে কি করবেন শুনি?

রাহুল: সুইটহার্ট আমার মাথা গরম করাও না তাহলে কিন্তু ভীষণ খারাপ কিছু হবে।

মহুয়া: খারাপ মানুষেরা কি ভালো কাজ করে নাকি?

রাহুল :- তোমার মুখ বন্ধ রাখতে পারো না , কেন সারাদিন আমার সাথে লাগতে আসো ।

মহুয়া : - আপনি কেন আমার কাছে অধিকার ফলাতে আসেন?

রাহুল:-কারন আমি তোমার স্বামী! আর তুমি আমার বিয়ে করা বউ।

মহুয়া:- সেটা আমিও জানি। কিন্তু আপনি আমাকে জোর করে বিয়ে করেছেন।

রাহুল:- তাই নাকি তাহলে আজ থেকে জোর করে আমি আমার অধিকার আদায় করে নেবো।

__

মিনি লাগেজ নিয়ে সোজা রাহুলের ঘরে ঢুকলো। মহুয়া একটু ও অবাক হলো না । মিনি আবার রাহুল কে জড়িয়ে ধরে বললো তোমার বউটা ভীষণ সুন্দরী,রাহুল, কিন্তু আমার চেয়ে কম । দেখো একবার আমার দিকে। আমাকে কি তোমার মনে ধরে না?

রাহুল আস্তে করে মিনিকে সরিয়ে দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

মহুয়া মিনির কাছে এসে বললো এই ঘরটা আমার তুমি এই ঘরে কেন এসেছো ? কারো ঘরে ঢুকতে গেলে না করে ঢুকতে হয় সেটা তুমি জানো না? এই বলে মহুয়া মিনির লাগেজ নিয়ে ঘরের বাইরে ফেলে দিয়ে বললো এই ঘর ছাড়াও এখানে আরো অনেক গুলো ঘর আছে তুমি সেখানে যাও।

রাহুল দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে থেকে বলল- বাহ সুইটহার্ট তুমি তো দেখছি আমাকে ভালোবেসে ফেলেছো।

মহুয়া :- আপনার কেন এমন মনে হলো?

রাহুল:- তুমি মিনিকে আমার সাথে দেখে এরকম জেলাস ফিল করছো কেন?

মহুয়া: আমি যখন শুভর সাথে ছিলাম তখন আপনি জেলাস ফিল করেছিলেন কেন মি . রাহুল?

রাহুল : কারন আমি তোমাকে ভালোবাসি সুইটহার্ট।

মহুয়া:- আর আমি আপনার বউ । তাই আপনার পাশে অন্য কাউকে আমার সহ্য হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন
অগ্নিকন্যা মহুয়া গল্পটি আজেরিন হিরানুর-এর লেখা একটি জনপ্রিয় সামাজিক ও থ্রিলারভিত্তিক গল্প