বৈরীতা ও অনুরক্তি

লেখক: তিয়াশা চৌধুরী

তিয়াশা চৌধুরীর লেখা গ্রামীন সামাজিক গল্প “বৈরীতা ও অনুরক্তি” অয়ন ও নূপুরের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কাহিনি। ভুল বোঝাবুঝি, অভিমান আর রাজনৈতিক বৈরিতার মাঝেই একসময় তারা আবার মুখোমুখি হয়। অনিচ্ছা, তর্ক আর জেদের আড়ালে ধীরে ধীরে জন্ম নেয় অদেখা অনুরাগ। বৈরিতা ও অনুরক্তির দ্বন্দ্বেই এগিয়ে চলে তাদের ভালোবাসার গল্প।
পর্ব ১

পর্ব ১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২

পর্ব ২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩

পর্ব ৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪

পর্ব ৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫

পর্ব ৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬

পর্ব ৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭

পর্ব ৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৮

পর্ব ৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৯

পর্ব ৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১০

পর্ব ১০ (সমাপ্ত)

সম্পূর্ণ পড়ুন

📖 গল্প সম্পর্কে

‘বৈরীতা ও অনুরক্তি’ একটি গ্রামীণ সামাজিক ও রোমান্টিক গল্প, যেখানে অয়ন শেখ ও নূপুর সিকদারের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে কাহিনি এগিয়ে যায়। চেয়ারম্যান নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হওয়া তাদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত আবেগের রূপ নেয়। নূপুর একজন আত্মপ্রত্যয়ী ও জেদী তরুণী, যে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য লড়াই করে। অন্যদিকে অয়ন একজন দায়িত্বশীল, জনপ্রিয় এবং হৃদয়বান মানুষ, যে নীরবে নূপুরকে ভালোবেসে এসেছে বহু বছর। ভুল বোঝাবুঝি ও অভিমানের কারণে তাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিন দূরত্বে আটকে ছিল। কিন্তু ভাগ্য আবারও তাদের মুখোমুখি দাঁড় করায় এবং সেই দূরত্ব কমতে শুরু করে। খুনসুটি, তর্ক, অভিমান এবং মায়ার মধ্য দিয়ে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়। গল্পে গ্রামীণ জীবন, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক বাস্তবতার সুন্দর প্রতিফলন রয়েছে। ভালোবাসা এখানে শুধু আবেগ নয়, বরং ধৈর্য, অপেক্ষা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতীক। শেষ পর্যন্ত বৈরিতার দেয়াল ভেঙে অনুরক্তির জয়ই গল্পটির মূল সৌন্দর্য হয়ে ওঠে।

✍️ লেখক পরিচিতি

তিয়াশা চৌধুরী সমকালীন বাংলা পারিবারিক ও রোমান্টিক গল্পধারার একজন জনপ্রিয় লেখিকা। তাঁর গল্পে ভালোবাসা, পরিবার এবং সম্পর্কের আবেগময় দিকগুলো সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে। তিনি বাস্তবধর্মী চরিত্র নির্মাণে দক্ষ এবং তাদের অনুভূতিকে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন। তাঁর কাহিনিগুলোতে ভুল বোঝাবুঝি, অভিমান, আত্মত্যাগ এবং সম্পর্কের গভীরতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রামীণ ও শহুরে— উভয় প্রেক্ষাপটেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে গল্প নির্মাণ করেন। পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়তার সম্পর্ক তাঁর লেখার অন্যতম শক্তি। অনেক গল্পে রহস্য ও অতীতের গোপন সত্য কাহিনিকে নতুন মাত্রা দেয়। তাঁর সংলাপভিত্তিক বর্ণনা গল্পকে প্রাণবন্ত ও সহজপাঠ্য করে তোলে। ভালোবাসাকে তিনি শুধু আবেগ নয়, বরং দায়িত্ব, বিশ্বাস ও গ্রহণযোগ্যতার রূপে তুলে ধরেন। পরিবার, প্রেম এবং মানবিক অনুভূতির সমন্বয়ই তিয়াশা চৌধুরীর লেখালেখির প্রধান বৈশিষ্ট্য।

📝 সম্পাদকীয় মন্তব্য

‘বৈরীতা ও অনুরক্তি’ তিয়াশা চৌধুরীর একটি হৃদয়ছোঁয়া গ্রামীণ রোমান্টিক উপন্যাস, যেখানে বৈরিতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভালোবাসার গল্প ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয়েছে। শুরুতে অয়ন ও নূপুর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে একে অপরের মুখোমুখি হলেও সময়ের সঙ্গে সেই বিরোধ রূপ নেয় গভীর অনুরাগে। লেখিকা গ্রামীণ সমাজ, নির্বাচন, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং মানুষের সহজ-সরল জীবনকে অত্যন্ত জীবন্তভাবে তুলে ধরেছেন। গল্পের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর প্রাণবন্ত সংলাপ এবং স্বাভাবিক হাস্যরস। অয়ন ও নূপুরের খুনসুটি পাঠককে যেমন হাসায়, তেমনি তাদের আবেগঘন মুহূর্তগুলো হৃদয় স্পর্শ করে। সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভুল বোঝাবুঝি এবং অপেক্ষার অনুভূতিগুলোও সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে কাহিনিতে। গল্পে ভালোবাসাকে কখনো নাটকীয় নয়, বরং ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা এক আন্তরিক অনুভূতি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পারিবারিক বন্ধন এবং পারস্পরিক সম্মানও কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। লেখিকার সাবলীল ভাষা ও গ্রামীণ আবহ গল্পটিকে আরও বাস্তব ও উপভোগ্য করে তুলেছে। সব মিলিয়ে ‘বৈরীতা ও অনুরক্তি’ প্রেম, অভিমান, হাসি এবং হৃদয়ের টানাপোড়েনের এক মুগ্ধকর উপাখ্যান।