অগ্নিকন্যা মহুয়া

পর্ব - ১

🟢

⚠ সতর্কবার্তা ⚠


এই উপন্যাসে এমন কিছু বর্ণনা, ঘটনা ও সংলাপ রয়েছে যা মূলত প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকদের জন্য উপযোগী। এখানে উঠে আসবে সম্পর্কের টানাপোড়েন, আবেগের তীব্র সংঘর্ষ, শারীরিক আকর্ষণের ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত, এবং সহিংসতার নির্মম বাস্তবতা। অনেক জায়গায় ভাষা ও দৃশ্যপট হতে পারে তীক্ষ্ণ, অস্বস্তিকর বা মানসিকভাবে ভারী যা সব বয়সের পাঠকদের জন্য মানানসই নাও হতে পারে।


যারা মানসিকভাবে প্রস্তুত নন কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক, তাদের জন্য এই উপন্যাস পড়া একেবারেই অনুপযুক্ত।


তবে যারা বাস্তব জীবনের অন্ধকার দিক, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং আবেগ-ভাঙা স্বপ্নের তীব্রতা উপলব্ধি করতে চান তাদের জন্য এই গল্প এক অদ্ভুত যাত্রা হয়ে উঠতে পারে।

“ এই মেয়েটা হেব্বি রে! একেবারে তাজা কচি মেয়ে,,যেন রূপের ঝলকেই চারপাশ আলোকিত হয়ে যাচ্ছে। চোখ আটকে যাচ্ছে উফফফ .....! এই অষ্টাদশীর সৌন্দর্য না দেখলে তো জীবনটাই বৃথা যাবে রে! ওকে নজরে রাখিস। এক মুহূর্তও যেন চোখের আড়াল না হয়। আজ রাতে এক ঘন্টার জন্য হলেও ওকে আমার চাই।"

ঠিক আছে বস… আমি ওকে এক মুহূর্তের জন্যও চোখের আড়াল হতে দেব না। আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন, সব ব্যবস্থাই আমি করে ফেলব।” জনির গলায় দৃঢ়তার সঙ্গে সঙ্গে একটা শয়তানি ভয়ও লুকিয়ে ছিল। তবে হঠাৎই সে একটু ইতস্তত করে থেমে গেল।

“কিন্তু একটা সমস্যা আছে, বস…কিন্তু আপনি তো সবসময় কলেজের বাইরে থেকে মেয়েদের নিয়ে আসেন রাত কাটানোর জন্য,তাতে কারও কানে যায় না। কিন্তু এই মেয়েটা তো এখানকারই ছাত্রী। যদি জানাজানি হয়ে যায়, তাহলে আপনার বাবার নাম-মা*ন, সম্মান সবকিছু ধুলোয় মিশে যাবে।”

রাহুল চৌধুরীর চোখে মুহূর্তের জন্য এক অদ্ভুত লালচে ঝিলিক ছড়িয়ে উঠল। সি*গারেটের ধোঁয়া টেনে নিয়ে সে দাঁত চেপে বলল,

“ওসব নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না, জনি। আমি যা বলেছি সেটা কর। আমার মাথা গরম করার চেষ্টা করিস না।”

বসের চোখের সেই দহনদৃশ্য দেখে জনি থরথর করে কেঁপে উঠল। সে মাথা নিচু করে আস্তে করে বলল

“ঠিক আছে, বস…।

_____________

চৌধুরী গ্রুপ অফ ইন্ড্রাস্ট্রির মালিক রায়হান চৌধুরীর একমাত্র ছেলে রাহুল চৌধুরী। যার নাম শুনলেই সবার ভেতর একধরনের অদৃশ্য ভ*য় কাজ করে। তার বখাটে জীবনযাপন আর বেপরোয়া আচরণের জন্য। রাহুলের প্রতিদিনের অ*ভ্যাস যেন রুটিনে বাঁধা । রাত নামলেই শহরের কোনো না কোনো অভিজাত রিসোর্টে সে একেকজন নতুন মেয়েকে নিয়ে হাজির হয়। মদ, সিগারেট, অ*ন্ধকার ঘর আর মেয়েদের কোলাহলে রাত কা*টানোই তার কাছে নেশা, তার কাছে আনন্দের সংজ্ঞা।

আজও সেই রুটিনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ঝল*মলে আলো, দামি গাড়ি, আর অভ্যস্ত রিসোর্টের দরজা খুলে সে ঢুকল স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই। চারপাশ যেন আগের মতোই ,কিন্তু আজকের রাতের সঙ্গিনীটা অন্যরকম। তার চোখেমুখে ভ*য় আর এক অদ্ভুত দৃঢ়তা । যেন নিছক শিকার নয়, বরং লুকিয়ে আছে এক রহস্য। রাহুল নিজেও টের পেল, এই মেয়েটা যেন বাকিদের মতো নয়; তার উপস্থিতিতে আজকের রাতের অন্ধকারে হয়তো জন্ম নিতে যাচ্ছে অন্য কোনো গল্প।

__

অগণিত মেয়ের চোখে সে এক স্বপ্নপুরুষ। শুধু দেখলেই অনেকে নিজেদের উজাড় করে দিতে চায়, তার সাথে এক রাত কা*টানোর লোভ সামলাতে পারে না। দিবে নাই বা কেন! অঢেল টা*কা-পয়সা, জমিজমা আর ঐশ্বর্যের অভাব নেই তার জীবনে। রাজপুত্রের মতো আভিজাত্য, হিরোর মতো ব্যক্তিত্ব আর ঝলমলে চেহারার জৌলুসে মেয়েরা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই তার প্রেমে পাগল হয়ে পড়ে। কলেজ ক্যাম্পাসে কিংবা শহরের রাস্তায়, যেখানেই সে পা বাড়ায়, চারপাশ যেন হাওয়ায় ভেসে যায় তার উপস্থিতিতে।

কিন্তু মেয়েরা যতই তার পিছু পিছু ঘুরুক না কেন, তার দৃষ্টি যদি কারও প্রতি না পড়ে, তাহলে সে মেয়ে তার কাছে কেবলই শূন্য। তার অপছন্দ মানেই সরাসরি বা*তিলের খাতা। যেন তার ইচ্ছাই চূড়ান্ত নিয়ম । তার হৃদয়ের দরজা খুলবে কেবল সেই ভাগ্যবতীর জন্য, যাকে সে নিজ হাতে বেছে নেবে।

তার চাই আগুন সুন্দরী, একেবারে কচি ফুলের মতো পবিত্র মেয়ে। যাকে কোনো পুরুষের দৃষ্টি কিংবা স্পর্শ পর্যন্ত ছুঁয়ে যায়নি। তার ঠোঁ*ট হতে হবে কমলার কোয়ার মতো টসটসে, লা*লচে আর সতেজ । চোখে থাকবে নির্মল আকুলতা, ত্বকে ভোরের শিশির ভেজা কচি কুমারীর মতো দীপ্তি। তার সারা শরীর হতে হবে নিষ্পাপ সৌন্দর্যের এক অনিন্দ্য ভাণ্ডার যা প্রতিটি দৃষ্টিকে মুগ্ধ করে রাখবে দীর্ঘক্ষণ।

কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ভিড় জমজমাট পরিবেশটা হঠাৎই স্তব্ধ হয়ে গেল। আলো-আঁধারি মঞ্চের পাশ থেকে জনি আচমকা ঝাঁ*পিয়ে পড়ল। মুহূর্তের মধ্যেই সে মেয়েটার হাত-পা শ*ক্ত করে বেঁধে ফেলল, মেয়েটার মুখ থেকে আত*ঙ্ক-ভরা চিৎকার ছিটকে বেরোতে না বেরোতেই গলার উপর চা*পা কাপড় বেঁধে দিল। ভীতসন্ত্রস্ত দৃষ্টি নিয়ে চারদিকে সাহায্যের আশায় তাকাচ্ছিল মেয়েটি, কিন্তু জনির রুক্ষ হাত তাকে আর কোনো সুযোগ দিল না। সে যেন ঝড়ের বেগে মেয়েটিকে টেনে নিয়ে চলল, প্রোগ্রামের মধুর সুরের ভেতর হঠাৎ জন্ম নিল এক বিভীষিকাময় নীরবতা।

রাহুল :- মেয়েটার হাত পায়ের বাঁ*ধন খুলে দে জনি ।

জনি: ঠিক আছে বস..... আমি এখনি যাচ্ছি।

রাহুল :- তারাতাড়ি কর আমার ধৈর্যের বাঁধ ভে*ঙে যাচ্ছে।

জনি: ওকে বস....।

রাহুল বিয়ারের বোতলের মুখ খুলে পর পর তিন চার ঢোক গিলে , রুমের দিকে এগুচ্ছে । আর তখনই শুনতে পেল --

প্লিজ আমাকে ছে*ড়ে দাও , তুমি আমাকে কেন এখানে নিয়ে এসেছো আমাকে ছেড়ে দাও আমি বাড়ি যাবো । আমার আব্বু আম্মু ভীষণ টেনশন করবে ।তোমরা আমাকে ছাড়ো। মেয়েটি চি*ৎকার দিয়ে উঠলো।

জনি কোন কথা না বলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলো।

"চিৎ*কার করে কোন লাভ হবে না বে*ই*বি । আজ আমার হাত থেকে কেউ তোমাকে বাঁ*চাতে পারবে না ।"

দরজা লাগিয়ে দিতে দিতে বলল রাহুল।

বিয়ারের বোতল থেকে আরো এক ঢোক গিলে মেয়েটির দিকে তাকালো ।

বিজ্ঞাপন

মেয়েটির দিকে চোখ পরতেই দেখলো গুটিসুটি মেরে বিছানার এক কোণে বসে অঝোরে কাঁদছে। অতিরিক্ত কান্নার ফলে চোখ দুটো ফুলে গেছে ,কাজল লেপ্টে গেছে , গাল দুটো লাল হয়ে গেছে ,ঠোঁটের লিপস্টিক এবরোথেবরো হয়ে গেছে, হাঁটু অব্দি লম্বা চুলগুলো এলোমেলো হয়ে পুরো পিঠ *জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ।

মেয়েটির বয়স আনুমানিক সতেরো আঠারো সে এক অপরূপ সুন্দরী ।প্রথম চোখে পড়লেই মন বাঁধা পড়ে। তার মুখমণ্ডলের কোমল রেখা, উজ্জ্বল ত্বক, লম্বা চোখের ভাঁজ এবং সুনিপুণ ভ্রু কুঁচি এক নিখুঁত শি*ল্পকর্মের মতো। নিখুঁত proportion-এর দেহ, কোমর থেকে হাঁটুর নরম বাঁক, আর *কোমরের হালকা ঢেউ খেলানো চুল সব মিলিয়ে তাকে এমনভাবে গড়ে তুলেছে, যে কাউকেই তার দিকে না তাকাতে উৎসাহ দেয় না। প্রকৃতপক্ষে, এমন একটি মেয়েকে কেউ অপবিত্র করার সাহসও পাবে না; তার সৌন্দর্য যেন শুদ্ধতার এক প্রতীক।

কিন্তু রাহুলের কাছে এই শুদ্ধতার কোনো মান নেই। তার চোখে মেয়েটি শুধু এক প্রলোভনের বস্তু। তার নে*শা মেয়েদের দেহকে নিজের দখলে নেওয়া, সৌন্দর্যকে নিজের লোভের শিকার বানানো। এমন চমকপ্রদ রূপের সঙ্গে মিশে থাকা দুর্বলতা, নির্দোষতা, কিংবা সংযম কিছুই তার জন্য বাধা নয়। বরং, এই সৌন্দর্যই তাকে আরও তীব্রভাবে টানছে, মনকে আকৃষ্ট করছে, যেন প্রতিটি নজর, প্রতিটি স্পর্শ, প্রতিটি দেহের খোঁচা তার নেশাকে আরও জাগিয়ে তুলছে।

মেয়েটির কোমলতা, তার ছুঁয়ে নেওয়া না হওয়া স্পর্শ, চোখের এক নীরব আবেদন সবই রাহুলের নে*শা*র কাছে এক অবর্ণনীয় প্রলয়। তিনি জানেন, এই নিখুঁত রূপকে ভোগ করাই তার একমাত্র লক্ষ্য, আর সেই নেশার কাছে সবকিছু তুচ্ছ।

রাহুল মেয়েটির কাচ্ছাপ্ন চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমার নাম কী, বেইবি?” তার শব্দের সঙ্গে একটা অদ্ভুত চাপ, হঠাৎ ঘন অ*ন্ধকারের মতো ভর করে মেয়েটির মনকে।

মেয়েটি অবিলম্বে মুখ ঘুরিয়ে নিল, তার চোখে স্পষ্টতই ঘৃণা আর ভয় ছড়িয়ে পড়ল। রাহুলের দেহ থেকে আসা ঘৃণাজনক ঘ্রাণ, আর নিকটে থাকা তীব্র উপস্থিতি সহ্য করতে না পেরে সে গলগল করে বমি করে দিল সরাসরি রাহুলের ওপর।

“প্লিজ… আমার থেকে দূরে থাকুন। এই গন্ধ… আমি সহ্য করতে পারছি না।” মেয়েটির কণ্ঠে কেঁপে ওঠা ভয় এবং অসহায়তা ছিল, যেন প্রতিটি শব্দ তার অদৃশ্য বাঁচার আকুল ডাক।

রাহুল হেসে বলল, “দূরে থাকার জন্য তো তোমাকে এখানে আনা হয়নি, বে*ইবি।” তার চোখে এক অদ্ভুত জে*দ আর অধীরতা, কণ্ঠে মিষ্টি কিন্তু ভয়ঙ্কর আঙ্গিক। “একটু পরে সব সহ্য হবে, । আমার ভালোবাসায় তুমি সবকিছু ভুলে যাবে।”

মেয়েটির শরীর কেঁপে উঠল। রাহুলের মৃদু হাসি, ঘ্রাণ এবং আঙ্গিকের মিশ্রণে তার মন যেন এক অন্ধকার স্রোতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ল যেখানে ভ*য় আর অস্বস্তি এক মিষ্টি দংশনের মতো মিলিত হয়েছিল।

রাহুল শয়তানী হাসি দিয়ে মেয়েটির পাশে এগিয়ে বসল, যেন তার প্রতিটি অঙ্গ কেবল প্রলোভন ছড়াচ্ছে।

“ওফ, বেবি, এতো দূরে বসে আছো কেন? আমার কাছে আসো।”

মেয়েটি কিছুটা সরে গিয়ে আরেকটু দূরে বসল, পুরো শরীর কাঁপছে ভয় আর অস্থিরতায়।

“প্লিজ… আমার সঙ্গে কিছু করবেন না। যদি এমন হয়, আমি আর সমাজের সামনে মুখ দেখাতে পারবো না।” তার কণ্ঠ কেঁপে উঠছিল।

রাহুল হেসে বলল, “আরে এখানে যা হবে, তা শুধু তুমি আর আমি জানবো। সমাজ তো আর জানবে না। আর জানতেও পারে যদি তুমি জানাও। কিন্তু আমি মনে করি একটা মেয়ে এমন ঘটনা সবাইকে বলে বেড়াবে নিজেকে এক পুরুষের কাছে এক রাতের জন্য তুলে দেওয়ার মতো সা*হস সে দেখাবে কি!” তার চোখে অন্ধকারী প্রলব্ধি, কণ্ঠে মৃদু হুমকি, মেয়েটিকে সটান কেঁপে উঠতে বাধ্য করছে।

মেয়েটির হৃদয় যেন এক মুহূর্তে এক ভয়ঙ্কর স্রোতের মাঝে নেমে গিয়েছিল, প্রতিটি শ্বা*স যেন দম বন্ধ করার মতো, আর রাহুলের উপস্থিতি যেন তার চারপাশে নিঃশ্বাসের মতো চাপ সৃষ্টি করছে।

প্লিজ… প্লিজ, আমাকে এতো বড় সর্বনাশের দিকে ঠেলবেন না। যদি সব সত্যি জেনে যায়, আমার বাবা-মায়ের বুক চিরে শোকের অগ্নিঝড় এসে পড়বে। তাদের প্রাণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আমি আপনাকে ভরসা দিচ্ছি । আমি কোনো পরিস্থিতিতেই আপনার কথাগুলো কাউকে বলব না। আমাকে ছেড়ে দিন, প্লিজ…

তোমাকে যদি ছেড়ে দিই… তাহলে আজকের রাতের আমার রানী কে হবে বলো? কার কোলে আমি হারিয়ে যাব? কার আলিঙ্গনে আমি আমার শূন্যতা মেটাব? এই উদগ্রীব মন, এই তৃষ্ণার্ত হৃদয়, কে পূর্ণ করবে আমার সমস্ত মনোবাসনা? তুমি না থাকলে, আমার রাতের অন্ধকারে কে দেবে সেই উষ্ণতা, সেই তৃষ্ণার তাপনামুক্তি?”

"অতএব আজ রাতে তোমার মুক্তি নেই।"

মেয়েটির অন্তরাত্মা কেঁপে উঠলো।

"রাহুল আবার বললো তোমার নাম কি বেইবি আমার সাথে শেয়ার করো । "

-"নাম বললে ছেড়ে দিবেন?"

-"সেটা পরে দেখা যাবে।"

-"আমার নাম 'মহুয়া মাহী।'"

-"ওয়াও নাইস নেইম! তাহলে বেইবি এখন শুরু করা যাক? আমার আর ত*র সইছে না বেইবি ।,"

এই বলে মহুয়ার চিবুক স্পর্শ করতেই সে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল। কিন্তু শক্তপোক্ত হাতের বাঁধন থেকে বেরিয়ে আসার শক্তি আর হলো না মহুয়ার । এক নষ্ট পুরুষের কাছে শপে দিতে হলো নিজেকে।

-"তুমি এমন করছো কেন বেইবি । আর একটু প্লিজ।"

মহুয়ার চোখ দিয়ে দু ফোঁটা পানি গড়িয়ে পরলো।

রাহুল মহুয়ার ওপর থেকে উঠে শার্টের বোতামগুলো লাগিয়ে নিলো আর বসে বসে হাসছে আর জোরে জোরে শ্বাস ফেলাচ্ছে।

আহ্!যেখানে মানুষ একটাই পায় না, আর সেখানে আমি প্রতি রাতে একটা করে নতুন মেয়ে পাই। জীবনে আর কিই চাইই!

বিজ্ঞাপন
অগ্নিকন্যা মহুয়া গল্পটি আজেরিন হিরানুর-এর লেখা একটি জনপ্রিয় সামাজিক ও থ্রিলারভিত্তিক গল্প