রিক্ত বসন্ত

পর্ব - ৪৪

🟢

লাবিবার বিয়ের আয়োজন কমিউনিটি সেন্টারে করা হয়েছে। কি সুন্দর করে চারিদিক সাজানো হয়েছে। কত আলো, ফুল সব কিছু মিলে পরিবেশটা দেখতে অপরুপ সুন্দর লাগছে। কত আত্মীয়-স্বজনের ভিড়, সবার মুখে হাসি। স্টেজে বসা লাবিবার মুখেও হাসি। মিলি খেয়াল করেছে লাবিবা একটু পর পর পাশে বসা নিজের জীবন সঙ্গীর সাথে কি সব যেন বলছে আর হাসছে। চোখে মুখে তার খুশির ঝলক। আনন্দ হওয়াটাই স্বাভাবিক। আজ একটা নতুন জীবনে পা রাখছে মেয়েটা। নিজের প্রিয় মানুষকে সারাজীবনের জন্য নিজের করে পেতে চলেছে তাও নিজের পরিবারের সম্মতিতেই। সবাই মিলেই বিয়েটা দিচ্ছে, আনন্দ হবে এটাই তো স্বাভাবিক।

মিলির মনে পড়লো নিজের বিয়ের কথা। মিলির বিয়েতে এত জাকজমকপূর্ণ আয়োজন ছিল না, ছিল না কোন আত্মীয়-স্বজনের ভীড়। কাজী অফিসে বিয়েটা হয়েছিল। একদম সাদামাটা পোশাকে। বিয়ের জন্য আলাদা করে কোন শাড়িও কেনা হয়নি, মিলির সাজগোজ কিচ্ছু হয়নি শুধু পাশে ছিল সেদিন তন্ময়। মিলির হাতটা শক্ত করে ধরেছিল। মিলি কাঁদলে চোখের জলটা খুব সযত্নে মুছে দিচ্ছিল। ব্যস! অতটুকুই মিলির জন্য যথেষ্ট ছিল। অতটুকুই মিলির শান্তি ছিল আর কোন ভয় ছিল না।

মিলির হাসি পাচ্ছে সে সব কথা মনে করে। খুব তাড়াতাড়ি নিজের জীবন থেকে সেই হাসি খুশিতে কাটানো দিনগুলো চলে গিয়েছে। মিলির গোটা জীবনটা এখন বিষন্নতায় ভরে উঠেছে। না আছে জীবনে সুখ আর না আছে সেই ভরসা দেওয়ার মানুষটা।

লাবিবার এত আনন্দ দেখে মিলির যেমন আনন্দ হচ্ছে ঠিক তেমনি আবার ভয়ও হচ্ছে। বিয়ে শব্দটাতে যে মিলির এখন ভীষণ ভয় জমেছে। কোনমতেই যেন আর ভরসা করতে পারে না। ভয় হচ্ছে এটা ভেবে যে লাবিবা আজ এত খুশি নিজের মন মত জীবনসঙ্গীকে কাছে পেয়ে, যাকে ভালোবেসেছে তাকেই স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতে পারছে কিন্তু যদি কখনো মিলির মত লাবিবার ভালোবাসা বদলে যায়? যদি কখনো এই সংসারটাও ভেঙে যায় কারো ছোট্ট একটা ভুলে? এমন তো অহরহ হচ্ছে এখন। কিছু সময়ের আনন্দের জন্য মানুষ নিজের সারা জীবনের শান্তিকে হারিয়ে ফেলছে।

নিজের ভাবনাগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেললো মিলি। না এমন কিছুই হবে না। সবার ভাগ্য নিশ্চয়ই মিলির মতন খারাপ হবে না। লাবিবা নিশ্চয় অনেক ভালো থাকবে। সবাই তো আর তন্ময়ের মতন হয় না, সবার ভাগ্যও মিলির মতন হয় না।

নিজের এসব ভাবনার মাঝে অয়নের কান্নার শব্দ ভেসে এলো মিলির কানে। সামনে তাকিয়ে দেখলো তাকদীর অয়ন কে কোলে নিয়ে আসছে।

“সিনিয়র দেখুন তো কি হলো? শুধু কাঁদছে। লাবিবাকে দেখেই কেঁদে দিয়েছে।”

“লাবিবাকে দেখে কাঁদবে কেন? নিশ্চয় অন্য কোন কারণে কাঁদছে।”

তাকদীর অসম্মতি জানিয়ে বলল,

“না। অন্য কোনো কারণ নেই। যেই না লাবিবা ওর দিকে তাকিয়েছে অমনি কেঁদে দিয়েছে।”

“সব সময় তোমার ওই মেয়েটার পেছনে পড়তেই হয়? আমাকে বলেছো বলেছো, এই কথাটা গিয়ে যেন আবার ওকে বলো না।”

তাকদীর বোকা বোকা হেসে বলল,

“আপনাকে বলার আগে তো ওকেই বলে এলাম।”

মিলি একটা হতাশার শ্বাস ফেলে বলল,

“তোমার মুখের কোন লাগাম নেই।”

মিলি অয়নকে কোলে নিল তবে অয়নের কান্না থামলো না। বেশ অনেকক্ষণ চেষ্টা করেও অয়নের কান্না থামাতে পারলো না মিলি। চিন্তিত গলায় তাকদীর কে উদ্দেশ্য করে বলল,

“তাকদীর, কি হলো ওর? ও তো এত কাঁদে না।”

“আমি বললাম আপনাকে ওই মুটকি কে দেখে ভয় পেয়ে গেছে। দেখছেন না কেমন পেত্নীর মতন সেজেছে। মানুষ লাগছে না তো ওকে দেখতে। ছোট বাচ্চা ভয় পাওয়াটাই তো স্বাভাবিক।”

মিলি এবার ধমক দিয়ে বলল,

“চুপ! সব সময় সবকিছু তে লাবিবা কে টানবে না। অয়নের অন্য কোন সমস্যা হয়েছে।”

তাকদীর চুপ করে গেল। এক মধ্যবয়স্ক ভদ্রমহিলা মিলির দিকে এগিয়ে এসে বলল,

“ওকে খাওয়াতে হবে মনে হয়। ক্ষুধা লেগেছে হয়ত।”

“দশ মিনিট আগেই খাইয়ে ঘুরতে পাঠিয়েছিলাম। এর মাঝে ক্ষুধা লেগে গেল!”

তাকদীর ভদ্র মহিলাকে উদ্দেশ্য করে বলল,

“আরে আন্টি ওর ক্ষুধা লাগেনি। আপনার ছেলের বউকে দেখে কাঁদছে। এত সাজায় নাকি ছেলের বউকে? পরের দিন সকালে উঠে ছেলের বউকে দেখলে তো আর চিনতেই পারবেন না। আপনার ছেলে ভয়ে দেশ ছেড়ে না পালালে হয়।”

মিলি প্রশ্নাত্মক গলায় তাকদীর কে উদ্দেশ্য করে বলল,

“কার কথা বলছো তুমি?”

“আরে লাবিবার কথাই বলছি।”

মিলি বিস্ময় ভরা কন্ঠে বলল,

“ওর শাশুড়ির কাছে তুমি ওর নামে দুর্নাম করছো? কি সব আজেবাজে কথা বলছো এসব? মেয়েটা একটুও বেশি সাজেনি।”

“আরে চিন্তা করছেন কেন কিছু হবে না ওর সংসারের। প্রেম তো করেছে খালাতো ভাইয়ের সাথে। ওর খালা ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছে ওকে। কোনটা আসল চেহারা কোনটা মেকাপে লুকোনো চেহারা সবই চেনে।”

মিলি এবার একটু নিশ্চিত হলো। তবে তাও হালকা একটু ভয় থেকেই গেল। ভদ্র মহিলাকে উদ্দেশ্য করে বলল,

“আন্টি ওর কথা আপনি ধরবেন না। পা'গল একটা। লাবিবা এমনিতেই অনেক মিষ্টি দেখতে। আর বিয়ের দিন একটু সাজবে এটাই তো স্বাভাবিক।”

মিলির ভয়টা বোধহয় ভদ্রমহিলা বুঝতে পারলেন। আলতো হেসে বললেন,

“কোন ব্যাপার না। আমার বোনের মেয়েকে আমিও পছন্দ করেই বাড়িতে এনেছি।”

মিলি আলতো হাসলো। ওদের কথাবার্তা শুনে অয়নের কান্না থেমে গেছে। ভদ্রমহিলা অয়নকে একটু আদর করে বললেন,

“ছেলে কার মতন হয়েছে দেখতে? বাবা-মা কারো সাথেই তো চেহারার মিল পাচ্ছি না।”

ভদ্রমহিলার কথা শুনে মিলির মুখের হাসিটা উড়ে গেল। তবে তাকদীরের ঠোঁটের হাসি চাওড়া হলো।

উচ্ছ্বসিত গলায় হেসে বলল,

“একদম ঠিক কথা বলেছেন। আমারও একই কথা ছেলেটা যে কার মতন হলো দেখতে! আমার চেহারার সাথে একটুও মিল খুঁজে পাই না। এত ভালোবাসি তাও একটু দেখতে আমার মতন হলো না। স্বভাবটাও পেয়েছে একদম মায়ের মতন শান্ত। আমার মতন একটু চঞ্চলও হলো না।”

মিলি বিস্ফোরিত নয়নে তাকদীরের দিকে তাকালো। বিস্ময় ভরা কন্ঠে বলল,

“কি বলছো এসব?”

বিজ্ঞাপন

তাকদীর নিজের আবেগটাকে একটু সংযত করে বলল,

“না মানে বলছিলাম আমি ওকে এত ভালোবাসি আমার মতন তো একটু দেখতে হওয়া উচিত ছিল তাই না? আমার সাথে এত সময় থাকে, তবুও আমার মতন একটু চঞ্চলও হলো না। চেহারা তো আপনার সাথেও মেলে না তবে হলো কার মতন?”

মিলি ভদ্র মহিলার দিকে তাকিয়ে বলল,

“ভীষণ অদ্ভুতভাবে ওর আমাদের কারো চেহারা সাথেই মিল নেই আন্টি। এই বিষয়টা নিয়ে আমারও অনেক অভিযোগ। আমি ওর মা, এত ভালোবাসি, জন্ম দিলাম অথচ আমার চেহারার সাথে একটুও মিল নেই। আর ওর বাবা নেই আন্টি। তাই ওর চেহারার সাথে যদি মিল থেকেও থাকে তবে আপনি ধরতে পারবেন না। তবে আমার মনে হয় না মিল আছে। ও সবার থেকে বেশ আলাদা হয়েছে। আর ওকে আমি বড়ও করে তুলবো একদম আলাদাভাবে। আমার সাথে চেহারার মিল না থাকলেও ওকে একদম আমার মনের মতন করে মানুষ করবো।”

ভদ্রমহিলা একটু দ্বিধা দ্বন্দ্বের মাঝে পড়লেন। একবার তাকদীরের মুখের দিকে তাকালেন তো একবার মিলির। তাকদীর চোখ ছোট ছোট করে মিলির দিকে তাকিয়ে আছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে রেগে গেছে। তবে মিলি সেসবে পাত্তা দিলো না। ভদ্রমহিলা আবারও মিলির দিকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে বললেন,

“ও আচ্ছা মা। আমি আসলে ভুল ভেবে নিয়েছিলাম। তা ওর বাবা কোথায় থাকে?”

মিলি বেশ স্বাভাবিক গলায় বলল,

“নেই আন্টি। ওর বাবা নেই। আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে।”

ভদ্রমহিল এবার একটু লজ্জিত হলেন। এভাবে হুটহাট সম্পর্কটা বানিয়ে ফেলা তার উচিত হয়নি। খুব বেশিক্ষণ আর সেখানে থাকলেন না। দু একটা কথা বলে চলে গেলেন। উনি চলে যেতেই তাকদীর গম্ভীর কণ্ঠে মিলিকে উদ্দেশ্য করে বলল,

“আপনি খুব খারাপ। আপনি লাবিবার থেকেও বেশি খারাপ।”

কথাটা মেনে নিয়ে মিলি বলল,

“একদম ঠিক বলেছ আমি ভীষণ খারাপ একটা মেয়ে। কিন্তু তোহা খুব ভালো, খুব মিষ্টি একটা মেয়ে।”

তাকদীর চোখ গরম করে কিছুক্ষণ মিলির দিকে তাকিয়ে থাকলে। তবে মিলিকে বেশ গা ছাড়া দেখালো। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর তাকদীর বিড়বিড় করে কি সব বলতে বলতে সেখান থেকে চলে গেল।

_______

লাবিবার বিদায় এর পরে মিলিরা যাবে বলে ঠিক করলো। অবশ্য লাবিবার কথাতেই এই সিদ্ধান্তটা হয়েছে। এদিকে সবার এত কান্নাকাটিতে তাকদীরের ভীষণ বিরক্ত লাগছে। মিলির কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বলল,

“আপনি বলুন লাবিবার কি এসব ন্যাকামো না? যদি কাঁদারই ছিল তবে বিয়ে করলো কেন? আর তার থেকেও বড় কথা যাচ্ছে তো খালার বাড়িতে, পরিচিত পরিবেশ।”

মিলি শান্ত দৃষ্টিতে তাকদীরের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বলল,

“তুমি বুঝবে না। যখন তোমার মেয়ে হবে, মেয়েকে বিয়ে দিয়ে অন্যের ঘরে পাঠাতে হবে তখন এই কষ্ট বুঝবে।”

মিলির কথাটা তাকদীরের ঠিক ভালো লাগলো না। বোঝালে তো বুঝতোই, কিন্তু মিলি তো বোঝালোই না।

কিছু একটা ভাবনা চিন্তা করতে করতে তাকদীরের মুখে হঠাৎ করে হাসি ফুটে উঠলো। আবারও মিলির কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বলল,

“সিনিয়র চিন্তা করবেন না আপনাকে কাঁদতে হবে না। শুধু এপাশ থেকে ওপাশে আসবেন।”

তাকদীরের কথাটা মিলি শুনতে পেয়েছে ঠিকই তবে এমন ভাব করলো যেন আশে পাশের এত চেঁচামেচি তে কিছু শুনতেই পায়নি।

“কি বললে? ঠিক শুনতে পারিনি এত চেঁচামেচির মাঝে।”

তাকদীর আবারও ভ্রুঁ কুঁচকে তাকালো মিলির দিকে। জানে মিলি ঠিকই শুনেছে তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এমন বলছে যে শুনতে পায়নি। তাকদীর মুখ ভেংচিয়ে বলল,

“সব বুঝি আমি। আশেপাশে আওয়াজ হচ্ছে ঠিকই তাই বলে এতটা আওয়াজও হচ্ছে না যে আপনি আমার কথা শুনতে পাবেন না।”

“আরে না সত্যি শুনতে পাইনি। তবে জানো তো লাবিবার কান্না দেখে একটা জিনিস মনে হচ্ছে। তোহাকেও এত কাঁদতে হবে না। ও তো তোমাকে ভালোবাসে, আর তাছাড়া আন্টির মতন শাশুড়ি যে বাড়িতে আছে সেই বাড়িতে আসার সময় তোহা কাঁদবেই না।”

তাকদীর বিরক্তিকর গলায় বলল,

“সব সময় এমন তোহা তোহা করবেন না। আর একবার তোহার নাম মুখে তুললে আপনার সাথেই তোহার বিয়ে দিয়ে দেবো।”

“যদি সেটা সম্ভব হতো তবে সত্যি আমি তোহা কে বিয়ে করে নিতাম। অত ভালো একজন জীবনসঙ্গী কে ছেড়ে দেবে? তুমি বোকা জন্য ছেড়ে দিচ্ছো।”

“আপনিও বোকা জন্যই ছেড়ে দিচ্ছেন।”

তাকদীরের আর এখানে এক মুহূর্ত থাকার ইচ্ছে হলো না। একেই তো মিলির এসব কথাবার্তা তার উপরে আবার লাবিবার এমন চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে কান্নাকাটি। ইচ্ছে করছে ঠাস করে একটা থা'প্পর দিয়ে তারপর গাড়িতে তুলে দিতে। আর ওর সাথে যারা কাঁদছে সেই সবারও একটা ব্যবস্থা করবে। যদি কাঁদারই ছিল তবে মেয়ের বিয়ের দিচ্ছে কেন? জানে না যে বিয়ে দিলে বিদায় দিতে হবে।

তাকদীর মিলির হাতটা ধরে বিরক্তিকর গলায় বলল,

“চলুন তো এখান থেকে। আমার আর এই কান্নাকাটি সহ্য হচ্ছে না।”

মিলি হাতটা ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তাকদীর কে ধমকের সুরে বলল,

“এই ছেলে হাত ছাড়ো। এত মানুষের মাঝে এভাবে হাত ধরবে না। সবাই খারাপ ভাববে।”

তাকদীর ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে বলল,

❝ধার ধারিনা পাড়া পড়শীর, ধার ধারিনা কারো!

প্রেমেরপথে আসবে বাঁধা, আসতে পারে ঝড়ও!❞

বিস্ময়ে মিলির মুখ হা হয়ে গেল। মিলির সেসব অভিব্যক্তিকে পাত্তা না দিয়ে তাকদীর ওর হাত ধরে সবার মধ্যে দিয়েই টেনে বাইরে নিয়ে গেল।

_________

ক্লাস শেষ করে সবেমাত্র কলেজ থেকে বেরিয়েছে মিলি। কোলে আয়ন আছে। অয়ন কে নিয়ে কলেজ করতে মিলির কোনো অসুবিধা হয় না। কলেজে স্টাফদের বাচ্চাদের দেখাশোনার জন্য ডে কেয়ার এর ব্যবস্থা আছে। মিলিকেও তাই অয়ন কে নিয়ে কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে এসে ছেলে কে দেখে যায়।

গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছে মিলি। সকালে বৃষ্টি হয়েছে জন্য আবহাওয়াটা বেশ ঠান্ডা আছে তাই গরম নিয়ে কোন সমস্যা হচ্ছে না। হঠাৎ মিলির কানে একটা ডাক ভেসে এলো। কন্ঠটা মিলির পরিচিত লাগলো। পাশ ফিরে তাকাতেই মানুষটাকে দেখে মিলি চমকালো।

যেই মানুষটার সাথে কখনো কথা হয়নি সেই মানুষটা এখানে মিলির কাছে এসেছে, আবার ডাকলোও ওকে ব্যাপারটা কি? প্রশ্নাত্মক গলায় জিজ্ঞেস করলো,

“আপনি এখানে?”

বিজ্ঞাপন
রিক্ত বসন্ত গল্পটি খুশবু আকতার-এর লেখা একটি জনপ্রিয় সামাজিক ও পারিবারিক উপন্যাস