রবিনের চোখে ঘুম নেই।তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে ইশার বলা কথাগুলো।সে যখন ইশা কে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছিল ইশা তখন গাড়িতে একটি কথা বলেছিল যেই কথা এখনো তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।ইশা মূলত বলেছিল,,,,
"সেইদিন পাহাড়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার সময় আমি কিছুটা দূরে ছিলাম বটেই কিন্তু যখন ইফরাহার চিৎকার শুনে এসেছিলাম তখন তো রায়েদ স্যার নিচে পড়ে গিয়েছিল এবং যেই মেয়েটি এই কাজ করেছিল সেই মেয়েটি যখন সেই স্থান থেকে পালাচ্ছিল তখন তার গায়ের চাদর পড়ে গিয়েছিল।আমি তার মুখ দেখতে না পারলেও চোখ দেখতে পেয়েছিলাম।তার মুখ দেখতে পারার আগেই সে সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিল এবং ঘটনা এত তাড়াতাড়ি ঘটে যায় যে আমি কিছুই করতে পারিনি। কিন্তু সেই মেয়েটির চোখ খুব চেনা চেনা লাগছিল আমার কাছে।। মনে হয়েছে আমি খুব দেখেছি চোখ জোড়ার মালিককে।আমার কেন কেন জানি মনে হচ্ছে আমাদের অফিসেই দুই একবার দেখেছিলাম। কিন্তু স্পষ্ট মনে করতে পারছিনা।"
রবিন ইশার বলা কথাগুলো খুব মনযোগ সহকারে শুনেছিল এবং তাকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে আসার আগে বলে এসেছি যে সে যেন এইসব নিয়ে বেশি চিন্তা না করে।
কিন্তু রবিন এখন নিজেই চিন্তা করছে রাতভর না ঘুমিয়ে। হঠাৎ ইশার বলা আরেকটি কথা মনে পড়তেই বিছানা ছেড়ে উঠে বসলো। তারপর নিজের ফোন হাতে নিয়ে দেখল ফোন বন্ধ হয়ে আছে। বাড়ি ফেরার পর ফোন চার্জ দেওয়া হয়নি।তাই হতাশ হয়ে তড়িঘড়ি করে ফোন চার্জে দিল।এই ফোনই পারবে আসল সত্য বের করতে।
________________
ঈশিতা আজ স্বপরিবারে রাজশাহী ফিরল। এখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিনল্যান্ডের জন্য ফ্লাইট বুক করবে।আর সম্ভব না তার পক্ষে বাংলাদেশ থাকা। কারণ সত্য বেশিদিন চাপা থাকে না। একদিন না একদিন প্রকাশিত হবেই।তাই রিস্ক নিতে চায় না সে।চলে গেলে আর কোনো বিপদ নেই।
ঈশিতার মা রুমা সিকান্দার ঈশিতার রুমে এসেই বলতে লাগলো,,,
--"প্রিন্সেস তোমার কথায় তো সবাই আমরা এতদিন কক্সবাজার ছিলাম।কারোর সাথে যোগাযোগ রাখিনি, ফোন বন্ধ করে রেখেছিলাম। কিন্তু এইদিকে যে এক মহা কান্ড হয়েগেছে।রায়াদের নাকি এক ভয়াবহ এক্সিডেন্ট হয়েছিল।সে নাকি রাঙামাটিতে গিয়ে সেখানের এক পাহাড় থেকে চলে গিয়েছিল।রায়েদের নাকি চেহারায় দাগ হয়েগেছে।গাল থেকে নাক পর্যন্ত সেলাই করা হয়েছে। আল্লাহর রহমতে সে সুস্থ আছে।"
কথাগুলো শুনে ঈশিতা শুকনো ঢোক গিলল।সে মূলত সব জানে।জানে বলতে কি ,,সব তো তার কারণেই হয়েছিল। সেদিন পাহাড়ের ঘটে যাওয়া ঘটনার পর ঈশিতা সোজা হোটেলে ফিরে আসে। আকস্মিক ঘটে যাওয়া ঘটনার কারণে তার পালিয়ে আসতে একটুও অসুবিধে হয় নি। কিন্তু যখন হোটেলে ফিরে তখন তার হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসে। ইফরাহার উপর আরো রাগ হয়। ইফরাহ কে ফেলে দিতে চেয়েছিল অথচ রায়েদ নিজের জীবনের পরোয়া না করে ইফরাহ কে বাঁচাল।সে এমনটি কল্পনাও করতে পারেনি।তার যতটা না রায়েদের পাহাড় থেকে পড়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তা ছিল তার থেকে হাজার গুণ ভয় এবং চিন্তা ছিল নিজের ধরা পরে যাওয়া নিয়ে এবং ইফরাহ কে পথ থেকে সরাতে পারেনি তার আফসোস ছিল।সে অনেক সাহস জুগিয়ে রায়েদ কে হাসপাতালে দেখতে যাবার সিদ্ধান্ত নিল। সেখানে একটি হাসপাতাল কাছে ছিল তাই তার বেশি সমস্যা হলো না বুঝতে রায়েদ কে কোথায় নেওয়া হয়েছে।সে সেই হাসপাতালে চলে গেল। সে যখন হাসপাতালে গিয়েছিল তখন দেখল ইফরাহ হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আসছে এবং তার পিছনে পিছনে রবিন ও ইশা। রবিন মূলত ইফরাহ কে বলছিল যে বস এইসব মন থেকে বলেনি।
ঈশিতা বিষয়টি কিছুই বুঝতে পারল না। সে জিজ্ঞেসা বাদ করে রায়েদের কেবিনের নাম্বার জানল। তারপর সাহস নিয়ে এগিয়ে গেল রায়েদের কেবিনের দিকে। দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করার আগেই দরজাল গ্লাস দিয়ে রায়েদের চেহারা দেখে সে থমকে গেল। অপারেশনের জন্য চোখ, মুখ ফোলা ফোলা ছিল।গাল থেকে নাক পর্যন্ত সেলাই করা ছিল। ঈশিতা ভিতরে যেতে গিয়েও গেল না। তার কাছে এখন আর রায়েদ কে আকর্ষণীয় লাগছে না।সে মূলত এখানে এসেছিল রায়েদ কে দেখতে এবং ইফরাহার বিরুদ্ধে উস্কানি দিতে।সে মনে মনে কথা সাজিয়ে এসেছিল রায়েদ কে বলবে এখানে ঘুরতে এসেছিল এবং পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে যখন রায়েদ পড়ে গিয়েছিল তখন রায়েদের কাছে পৌঁছানোর আগেই তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। সে আশেপাশের মানুষ থেকে জিজ্ঞেস করে তারপর এখানে এসেছে। এইসব কথাই সে রায়েদ কে বলতো। কিন্তু এখন রায়েদের চেহারা দেখে সে আর ভিতরে গেল না। কারণ রায়েদ কে এখন আর আগের মতোন সুদর্শন লাগছে না। সেলাই খুলে ফেলা হলেও এই সেলাই করা দাগ আজীবন রয়ে যাবে চেহারায়। এই দাগ থাকা কোন চেহারার মানুষের সাথে তার মতোন স্টাইলিশ মেয়ের যায় না। তাই সে আর হাসপাতালে না থেকে হোটেলে ফিরে এলো এবং সেদিন রাতেই রওনা দিল রাজশাহীর উদ্দেশ্যে। এবং রাজশাহী ফিরে এসেই তার মা বাবা কে তাড়া দিতে লাগল কক্সবাজার যাওয়ার জন্য। এবং তার মা বাবাকে বলে নিজেদের ফোন বন্ধ রাখতে। রুমা ভেবেছিল রায়েদ দের পরিবার থেকে না করে দেওয়াতে মেয়ে রেগে আছে তাই মেয়ের কথায় রাজি হয়ে গিয়েছিল।
ঈশিতা ভাবনা থেকে ফিরে এলো মায়ের ডাকে।তার মা আবার বলে উঠলো,,,
--"রায়েদের তো আজকে বিয়ে হয়ে গেছে।"
ঈশিত থমকে গেল।তার মনের মাঝে এক ঝড় বয়ে গেল।যত যাই হোক এক সময় সে তো পছন্দ করতো। এখন তার পছন্দের মানুষের সাথে অন্য কারোর বিয়ে হয়েছে এইটা ঠিক হজম হচ্ছে না তার। সে যদি নিজে নিজের পছন্দের মানুষকে না পায় তাহলে তাকেও শান্তিতে থাকতে দিবে না। তাই আপাতত ফিনল্যান্ডে যাওয়ার চিন্তাভাবনা বাদ দিল। তারপর মা কে বলল,,,
--"কাল আমরা মামার বাড়ি যাব।"
তার তার কথা শুনে সায় জানিয়ে রুম থেকে চলে গেলেন।
ঈশিতা নিজে নিজে বলল,,,
--"তোমাকে আমি পাইনি রায়েদ শুধু মাত্র তোমার করা বোকামির জন্য। যদি তুমি নিজের কথা ভাবতে এবং ইফরাহ বাঁচানোর চেষ্টা না করতে তাহলে তুমি এখনো সেই আগের মতোই সুদর্শন থাকতে। এবং আমি তোমাকেই বিয়ে করতাম। কিন্তু এখন যে তোমার চেহারা নষ্ট হয়ে গেছে। আমার সাথে তোমাকে একদম মানাবে না। তাই তো নিজের ভালোবাসাকে ভুলে যাচ্ছি আমি। তাই তোমাকেও সুখে থাকতে দিব না আমি।ফিনল্যান্ডে যাওয়ার আগে তোমার সংসারে অশান্তি বাড়িয়ে তারপর যাবো। যেহেতু ইফরাহ কে এত ভালোবাসো সেহেতু নিশ্চয়ই তাকে বিয়ে করেছ। কিন্তু ইফরাহ কে তো সুখী থাকতে দিব না আমি"
এই বলে পাগলের মতো হাসতে লাগলো।
________________
রায়েদ আধ ঘন্টা নাগাত ঘুমের ভান করে সোফায় শুয়ে ছিল। তারপর আস্তে আস্তে উঠে বসলো। একবার বিছানায় আরামে শুয়ে থাকা ইফরাহ এবং Momo কে পর্যবেক্ষণ করে নিল। তারপর শব্দহীন ভাবে সোফা ছেড়ে উঠে পড়ে বিছানার দিকে এগিয়ে যেতে লাগল। বিছানার নিকটে গিয়ে দেখল ইফরাহ Momo কে নিয়ে বাম পাশে শুয়ে আছে।ডান পাশের অনেকটা জায়গা খালি।রায়েদ মুচকি হেসে বিছানাম বালিশ রেখে তারপর উঠে পড়লো। এবং একদম আস্তে আস্তে বিছানায় শুয়ে পড়লো। ইফরাহ রায়েদের উপস্থিত টের পেয়ে বাঁকা হাসলো কিন্তু রায়েদ তা দেখলো না। ইফরাহ মূলত জানতো রায়েদ ঠিকই আসবে বিছানায় তাই একপাশে শোওয়ার মতো জায়গা রেখে দিয়েছিল। রায়েদ সাহস করে ইফরাহা কে জড়িয়ে ধরার জন্য হাত আগে নিতে লাগল। কাঁপা কাঁপা হাতে ইফরাহার কোমরে হাত রাখল। ইফরাহার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠল।সে শক্ত করে চোখ বন্ধ করে রেখেছে।রায়েদ কাঁপা কাঁপা হাতে নিজের হাতে বাঁধন দৃঢ় করল। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিয়ে ইফরাহ কে জড়িয়ে ধরলো। ইফরাহ অস্পষ্ট শব্দ করে উঠলো।রায়েদ বুঝতে ইফরাহ জেগে আছে। তারপর একদম ইফরাহার সাথে মিশে গেল।তার বুক ইফরাহার পিঠের সাথে লেগে আছে।সে ইফরাহার কানের কাছে ফিসফিস করে বলল ,,,,,
--"এই ঘনিষ্ঠতার জন্য কত গুলো বছর যাবত অপেক্ষা করেছি তা তোমাকে বলে বোঝাতে পারবো না Little Rosebud।আর যে সহ্য হচ্ছে না এই দূরত্ব। পাহাড় থেকে যখন পড়ে যাচ্ছিলাম তখন মৃত্যু কে ততটা ভয় পাইনি যতটা তোমাকে হারানোর কথা ভেবে পেয়েছি। আমার হৃদয়ে তুমি,নয়নে তুমি, আমার ওষ্ঠাধরে তুমি। তোমাকে আমি কতটা ভালোবেসে এসেছি এবং এখনো ভালবাসছি তা কখনো আমি তোমাকে বোঝাতে পারবো না। তুমি শুধু অনুভব করে রয়ে যেও আমার পাশে ,আমি তোমাকে আগলে রাখবো। "
কথাগুলো বলে রায়েদ ইফরাহার গলায় মুখ গুঁজে দিল। ইফরাহ কেঁপে উঠল।চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ল রায়েদের কথাগুলো শুনে।সে আস্তে আস্তে রায়েদের দিকে ফিরতে লাগলো।রায়েদ নিজের মুখ তুলে নিয়ে ইফরাহার দিকে তাকালো। ইফরাহ মেয়েলি লজ্জা ভেঙ্গে নিজের মুখ একদম রায়েদের কাছে নিয়ে গেল। দুজনের মুখের ওপর দুজনের নিঃশ্বাস পরছে। ইফরাহ চোখ বন্ধ করে রায়েদের ললাটে শব্দ করে চুমু খেল।রায়েদ যেন হিম হয়ে গেল।তার বিশ্বাস হচ্ছে না তার Little Rosebud নিজ থেকে তাকে স্পর্শ করল। ইফরাহ তারপর রায়েদের নয়নে নিজের ওষ্ঠ ছোঁয়াল। তারপর রায়েদের দু-গণ্ডদেশে ইচ্ছে মতন চুমু খেতে লাগল।রায়েদ ইফরাহ কে জড়িয়ে ধরে তার স্পর্শ অনুভব করতে লাগলো। চোখ বন্ধ করে নিজেকে সঁপে দিল তার Little Rosebud এর নিকট। ইফরাহ যেন আজ রায়েদের গালে চুমু খেতে খেতে লাল বানিয়ে ছাড়বে কিন্তু তারপরও থামবে না এমন ভাবে চুমু খাচ্ছে।তার ঠোঁট নোনা জল অনুভব করতেই আবার ঠোঁট ছোঁয়ায় রায়েদের চোখে। অশ্রু শুষে নেয়। তারপর রায়েদের সেলাই করা দাগে চুমু খেয়ে রায়েদের দিকে মুখ তুলে তাকায়।ডিম লাইটের আলোতে দুজন দুজনকে দেখতে পাচ্ছে। ইফরাহ বিনা দ্বিধায় নিজের দু হাত দুদিকে ছড়িয়ে দিল।রায়েদ বুঝতে পারলো ইফরাহ কিসের জানান দিচ্ছে।তাই সে নিজের বালিশ থেকে মাথা তুলে ইফরাহার বুকে মাথা রাখলো। ইফরাহ নিজের এক হাত রাখলো রায়েদের পিঠে এবং অপরটি রায়েদের চুলে। খুব যত্ন সহকারে রায়েদের চুলে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো।রায়েদ ইফরাহার বুকে মুখ গুঁজে দিয়ে ইফরাহ কে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে চোখ বুজে রাখল। এবং এভাবেই দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লো। এবং তাদের পাশে শুয়ে আছে Momo.
_______________
রবিনের চোখে যেধ ঘুম নেই।তার তখন ইশার বলা একটি কথা মনে পড়ে যায় তাই তড়িঘড়ি করে বিছানা ছেড়ে উঠে আগে ফোন চার্জে লাগায়। তখন গাড়িতে ইশা আনমনে বিরবির করছিল ,,,,
--"ইশ আমি যদি অন্যদিকে না গিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকতাম এবং ফোন দিয়ে আশেপাশের ভিডিও করতে থাকতাম তাহলে অবশ্যই সেই ঘটনাটা ভিডিও করে ফেলতাম আমার ফোনে। কিন্তু আফসোস আমি সেখানে ছিলাম।"
তার বলা কথায় মাঝে একটা শব্দ ছিল যা রবিনের কানে বারবার বাজছে তা হলো ভিডিও। রবিনের হঠাৎ মনে পড়ে গেল সে তো সেদিন রায়েদের কথা মতোন সে মূহুর্ত ভিডিও করেছিল। এবং রায়েদ পাহাড় থেকে পড়ে যাওয়া পর ইফরাহার কাছে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তার ফোনের ক্যামেরা অন ছিল। তারপর সে ভিডিও অফ করে দৌড় দিয়েছিল সেখানে। তারমানে তার ফোনে সেই ভিডিওটা থাকার কথা।
রবিন ফোন হাতে নিয়ে দেখল ফোনে চার্জ ফুল। সে গ্যালারিতে ঢুকে গেল তারপর ভিডিওর ফাইলে গিয়ে দেখল সেই ভিডিওটি আছে তাই আর দেরি না করে ভিডিওটি প্লে করল। কিন্তু ভিডিওটি শেষ হতেই সে একদম থমকে গেল। তার মানে ইশার কথায় যুক্তি আছে। এই কারণেই ইশার কাছে রায়েদ কে ফেলে দেওয়া মেয়েটির চোখ এত চেনা চেনা লাগছিল।এই কারণেই ইশার মনে হয়েছিল যে সে এই চোখ জোড়ার মালিক কে তাদের অফিসে দেখেছে। কারণে ভিডিওতে স্পষ্ট সেই ব্যক্তির চেহারা ফুটে উঠেছে।রায়েদ পাহাড় থেকে পড়ে যাওয়ার সময় যখন কাঙ্খিত ব্যক্তিটি দৌড় দিয়েছিল তখন তার মুখ থেকে চাদর সরে যাওয়ার কারণে তার মুখ ক্যামেরায় বন্দি হয়ে যায়। এবং তাকে স্পষ্ট দেখা যায়। এবং এটাই সবথেকে বড় প্রমাণ। এই প্রমাণের মাধ্যমেই এখন অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া যাবে। রবিন সিদ্ধান্ত নিল কাল ইশা কে নিয়ে তারপর যাবে রায়েদের কাছে