
পর্ব ১
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৮
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৯
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১০
সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১১ (সমাপ্ত)
সম্পূর্ণ পড়ুন
ভাগ্যের নির্মম মোড়ে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এক তরুণী এমন এক অজানা জগতে প্রবেশ করে, যেখানে ইতিহাস, রহস্য এবং নিয়তির অদৃশ্য স্রোত একাকার হয়ে গেছে। অতীতের শতাব্দী, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, অচেনা সম্পর্ক ও অনিবার্য আকর্ষণের ভেতর দিয়ে তার অস্তিত্বের নতুন অর্থ খুঁজে পাওয়ার যাত্রাই এই কাহিনির মূল উপজীব্য।
"শতাব্দী পেরিয়ে" গল্পটি লেখিকা সূচনা জাফরিন-এর অনুমতিক্রমে ১২ জুন ২০২৬ তারিখে গল্পের বাহার-এ প্রকাশিত হয়েছে।

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন

সম্পূর্ণ পড়ুন
“শতাব্দী পেরিয়ে” ডালি নামের এক তরুণীর জীবনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি সায়েন্স ফিকশন ও রোমান্টিক গল্প। পারিবারিক কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে তার জীবন যখন অস্থির হয়ে ওঠে, তখন একটি দুর্ঘটনা তাকে এক অদ্ভুত বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়। হঠাৎ করেই সে নিজেকে খুঁজে পায় বহু শতাব্দী আগের এক রাজকীয় পরিবেশে। সেখানে তার পরিচয় হয় জুলকারনাইন বা কারনাইনের সঙ্গে, যার জীবনও নানা রহস্য ও দায়িত্বে ঘেরা। প্রথমে অপরিচিত হলেও ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বিশ্বাস এবং গভীর অনুভূতির সম্পর্ক তৈরি হয়। অতীতের সেই জগতে ডালিকে নানা বিপদ, ষড়যন্ত্র এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বের মুখোমুখি হতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে নিজের অস্তিত্ব এবং ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কিছু গোপন সত্য জানতে শুরু করে। এক পর্যায়ে ভালোবাসা এবং নিয়তির কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে তাদের জীবন নতুন মোড় নেয়। গল্পের শেষভাগে বাস্তবতা, স্মৃতি এবং অনুভূতির সীমারেখা এক অদ্ভুত প্রশ্নের জন্ম দেয়। শেষ পর্যন্ত এটি এমন এক কাহিনি, যেখানে সময়ের ব্যবধান পেরিয়েও ভালোবাসা মানুষের হৃদয়ে অমলিন থেকে যায়।
সমকালীন বাংলা গল্পসাহিত্যের পরিচিত মুখ লেখিকা সূচনা জাফরিন প্রেম, বিচ্ছেদ, সমাজ এবং মানবিক অনুভূতির গল্প রচনায় নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য গড়ে তুলেছেন। তাঁর গল্পে ভালোবাসা শুধু আবেগ নয়, বরং বিশ্বাস, ধৈর্য এবং আত্মমর্যাদার এক গভীর প্রকাশ। মানুষের জীবনের বাস্তব সংগ্রাম এবং হৃদয়ের সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলো তিনি অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে তুলে ধরেন। তাঁর নারী চরিত্রগুলো সাধারণত দৃঢ়চেতা, আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন এবং জীবনের প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। অন্যদিকে পুরুষ চরিত্রগুলোর মধ্যে দায়িত্ববোধ, মমতা এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার পরিচয় পাওয়া যায়। সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত স্বপ্ন তাঁর গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। রহস্য, আবেগ এবং মানবিকতার সুন্দর সমন্বয় তাঁর কাহিনিগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। সহজ ভাষা ও হৃদয়ছোঁয়া বর্ণনাভঙ্গি তাঁর লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। প্রতিটি গল্পে নতুন আবহ ও ভিন্ন অনুভূতির ছোঁয়া এনে তিনি পাঠকের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন। ভালোবাসা, সংগ্রাম এবং জীবনের নানা রঙে গড়ে উঠেছে লেখিকা সূচনা জাফরিনের স্বতন্ত্র গল্পভুবন।
“শতাব্দী পেরিয়ে” সূচনা জাফরিনের লেখা একটি ব্যতিক্রমধর্মী সায়েন্স ফিকশন, ঐতিহাসিক ও রোমান্টিক উপন্যাস। গল্পটিতে সময়, নিয়তি, ভালোবাসা এবং আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন এক অনন্য আঙ্গিকে উঠে এসেছে। লেখিকা অতীত ও বর্তমানকে এমনভাবে মিলিয়েছেন, যা পাঠককে শুরু থেকেই কৌতূহলী করে তোলে। ডালি চরিত্রের মাধ্যমে অজানা এক জগতে টিকে থাকার সংগ্রাম এবং মানসিক বিকাশ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে কারনাইন চরিত্রটি ভালোবাসা, ক্ষমতা এবং আত্মত্যাগের এক গভীর প্রতীক হয়ে ওঠে। গল্পে ইতিহাসের আবহ, রাজনীতি এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্ব কাহিনিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। লেখিকা দেখিয়েছেন, সময়ের ব্যবধান ভালোবাসাকে মুছে ফেলতে পারে না, বরং কখনো কখনো আরও গভীর করে তোলে। রহস্য, অভিযান এবং আবেগের সমন্বয়ে গল্পটি ভিন্ন স্বাদ সৃষ্টি করেছে। বাস্তবতা ও কল্পনার মিশ্রণ কাহিনিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। সব মিলিয়ে “শতাব্দী পেরিয়ে” ভালোবাসা, নিয়তি এবং সময়কে অতিক্রম করার এক স্মরণীয় উপাখ্যান।