হৃদয়ের অগোচরে

পর্ব - ১৫

🟢

সকাল সকাল ইফরাহ খুব সুন্দর ভাবে তৈরি হয়ে গেল।পরনে তার সাদা রঙের গ্ৰাউন। সাথে সবসময়ের মতো হিজাব। এই গ্রাউনটির সাথে ওড়না ছিলনা বলে একটু বড় হিজাব নিয়েছে এবং সেটি দিয়ে নিজেকে পরিপাটি ভাবে ঢেকেছে।গ্ৰাউন খুব ছাড়ানো না। বরং সাধারণ গোল জামার মতই কিন্তু একটু ফোলা। সাথে হাতায় এবং পায়ের উপরের অংশের গ্রাউনের দিকে ছোট ছোট গোল্ডেন কালারের স্টোন আছে।যা রৌদ্রে চিকচিক করে।চোখে কাজল, ঠোঁটে সবসময়ের মতোন নুড কালার লিপগ্লস। ব্যাস এতটুকুতেই তার সাজা শেষ।

ইফরাহ খুব এক্সাইটেড অবশেষে সে নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করবে আজ। অবশেষে সকল দূরত্ব গুছে যাবে।ইফরাহ এক গুচ্ছ গোলাপ ফুল আনিয়ে ছিল হোটেলের লোক দের দিয়ে।আর যাই হোক খালি হাতে তো আর প্রপোজ করতে পারবে না। ইফরাহ তো সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোজাসুজি বিয়ের প্রপোজাল দিবে। যেহেতু কোনো হারাম সম্পর্কে জড়ায়নি আর জড়াবে না। বরং হালাল পথে যাবে।

ইফরাহ নিজের মনে জমিয়ে রাখা কথা গুলো বারবার নিজের ঠোঁট দিয়ে আওড়ালো। নিজেকে সাহস দিল আর রুম থেকে বের হয়ে গেল।

ইশা আগে থেকেই নিচে দাঁড়িয়ে ছিল। দাঁড়িয়ে ছিল বলতে রবিনের সাথে ঝগড়া করেছিল। আসলে ঝগড়া রবিন শুরু করেছিল।ইশা কালো রঙের জামা পরেছিল।রবিন ইশা কে দেখে বলে ছিল,,,,

--"আজকে তো কালো বিড়ালের সাথে দেখা হলো জানি না কি বিপদ হয় সামনে।" এতটুকু ছিল ইশার শরীরে রাগ উঠিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।সে একদম রেগে মেগে ঝগড়া শুরু করল।আর রবিনও তো কম না সেও ঝগড়া করতে লাগলো। তাদের ঝগড়ার ইতি ঘটায় ইফরাহ নিজে এসে।আর রবিন চলে যায় রায়েদ কে আনতে‌।

রবিনের আগে আগে রায়েদ এলো। পরনে তার ফর্মাল পোশাক। একদম পারফেক্ট পুরুষের মতোন।তার দৃষ্টি সর্বপ্রথম তার কাঙ্ক্ষিত মানুষটির উপর পরলো।তার Little Rosebud এর উপর,যে এখন Little white Rosebud এর রূপ নিয়েছে। ইফরাহ কে দেখে রায়েদের ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠল।সে মনে মনে আওরালো,,,,

--"আজ তোমায় নতুন রূপে দেখে নতুন ভাবে ভালোবাসে ফেলেছি। এবং তোমাকে আবার নতুন করে নিজের মনের কথা বলবো আজ। নতুন ভাবে জীবন সাজানোর জন্য পা বাড়াবো। তোমাকে নতুন ভাবে নিজের জীবনে নিয়ে আসবো।সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। শুধু তোমার আর আমার আলাদা এক জগত থাকবে।না কোনো বাধাঁ আর না কোনো বিপদ। শুধু রায়েদ তার ইফরাহার এবং ইফরাহ তার রায়েদের।"

রায়েদ কথা গুলো মনে মনে বলে মুচকি হাসলো।

রায়েদের দৃষ্টি ইফরাহার দিকে যেতেই দেখলো ইফরাহ ইশার সাথে কথা বলার ফাঁকে ফাঁকে তার দিকে আড় চোখে তাকাচ্ছে। দুজনের চোখাচোখি হয়ে গেল। ইফরাহ সাথে সাথে নিজের চোখ সরিয়ে নিল।রায়েদর সামনে ধরা পরায় যেন তার ভিতরটা কেঁপে উঠলো।সে তো এখন এইটা ভাবছে যে সে মেয়ে হয়ে কি করে নিজ থেকে ভালোবাসার কথা বলবে।যত যাইহোক লজ্জা তো করবেই। ইফরাহ নিজেকে শাসিয়ে বলল,,,,

--"যখন নিজ থেকে এসে প্রপোজ করেছিল তখন রিজেক্ট করার সময় মনে ছিল না? এখন লজ্জা টজ্জা কে উসঠা মেরে আকাশে ফালিয়ে রেখে তারপর নিজ থেকে প্রপোজ করতে হবে। নয়তো দেখা যাবে সারাজীবন আফসোস করেত হবে।"

এইসব বলে ইফরাহ নিজেকে সামলে নিল।

আর অন্যদিকে রায়েদ ইফরাহার দিকে তাকিয়ে বলল,,,,

--" অনেক দূরে থেকেছো Little Rosebud এখন আমার কাছে ধরা দেওয়ার পালা। আজকেই নিজের অনুভূতির কথা বলে আগে তোমার সম্মতি চাইব। কিন্তু এবার যদি তেরিং বেরিং করেছো তাহলে সোজা এখান থেকে কিডন্যাপ করে তোমার বাড়ি নিয়ে যাব তারপর তোমার বাবা-মার সাথে ভালোভাবে কথা বলব তখনও যদি নাটক করো তখন একদম জোর করে বিয়ে করবো। আমার পক্ষে আর ভালো মানুষ গিরি দেখানো সম্ভব হচ্ছে না।"

আর তাদের থেকে অনেকটা দূরে ঈশিতা দাঁড়িয়ে ছিল।তার দৃষ্টি ছিল রায়েদের উপর এবং সে এইটা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিল যে রায়েদের দৃষ্টি ইফরাহার উপর। ঈশিতার আর সহ্য হচ্ছিল না।সে ঠোঁটে শয়তানি হাসি ফুটিয়ে একা একা বলল,,,,

--"যত ইচ্ছে নিজের ইফরাহ কে দেখে নাও রায়েদ। কারণ এই দেখা হবে শেষ দেখা।এর পর আর দেখতে পারবে না নিজের ভালোবাসা কে। খুব শীঘ্রই তাকে আমি না ফেরবার দেশে পাঠিয়ে দিব। তখন তুমি খুব কষ্ট পাবে ঠিক সেই মুহূর্তে গিয়ে নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে তোমাকে নিজের করে নিব। তুমি শুধু আমার। আমি মেরে ফেলব ইফরাহ কে আমি মেরে ফেলব আমি মেরে ফেলব ইফরাহ কে।"

ঈশিতা পাগলের মতো একই কথা পুনরাবৃত্তি করতে লাগলো। একদম সাইকোদের মতোন।

_________________

সবাই মিলে রাঙ্গামাটি শুভলং ঝর্ণা পৌঁছে গেল।সবাই অবাক দৃষ্টিতে চারপাশ দেখতে লাগলো। প্রকৃতির সৌন্দর্য আসলেই মন এবং নজর কেড়ে নেওয়া সৌন্দর্য।যার সাথে অন্য কিছুর তুলনা করা সম্ভব নয়।এই ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ে, যা কাপ্তাই হ্রদের জলে মিশে এক নয়নাভিরাম দৃশ্যের সৃষ্টি করে। এই ঝর্ণার কাছেই রয়েছে প্রায় ২০০০ ফুট উঁচু শুভলং পাহাড়, যেখান থেকে রাঙামাটি শহর ও কাপ্তাই লেকের প্যানোরামিক দৃশ্য দেখা যায়।পাহাড়ের উপরে নির্মিত সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এবং তারা সবাই সেখানে যাবে।

রায়েদ আগে থেকেই রবিনকে আদেশ দিয়ে রেখেছিল গোলাপ ফুলের তোড়ার ব্যবস্থা করে রাখতে। যাতে রায়েদ পাহাড়ের সেই উঁচু জায়গায় গিয়ে ইফরাহ কে নিজের ভালবাসার কথা প্রকাশ করতে পারে। প্রকৃতি থাকবে তার ভালোবাসার প্রমাণ।

আর অন্যদিকে ইফরাহ নিজের ব্যাগে আনা গোলাপ ফুলের তোড়ার দিকে বারবার ব্যাগ খুলে নজর দিচ্ছে। কারণ নষ্ট হয়ে গেলে সব শেষ। এখনো পর্যন্ত নষ্ট হয়নি ফুলগুলো। সে খুব সযত্নে এগুলো রেখেছিল। তার ইচ্ছে সে পাহাড়ের উঁচুতে গিয়ে নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করবে। রায়েদ কে জানাবে সেও রায়েদ কে ভালোবাসে।ভিশন ভিশন ভালোবাসে।

সবাই মিলে একে একে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে। সেখানে অসংখ্য পর্যটকের মেলা। হাঁটার জায়গা নেই বললেই চলে। সবাই নিজেদের মতো হেঁটে প্রকৃতির সৌন্দর্য ঘুরে দেখছে। কেউ নিজেদের ক্যামেরায় প্রকৃতির সৌন্দর্যের ছবি বন্দি করছে। ভিডিও করছে তো কেউ লাইভ করছে। সবাই আনন্দে মেতে আছে।

বিজ্ঞাপন

সবার আগে রবিন তার পিছনে ইশা এবং ইশার পিছনে ইফরাহ আর ইফরাহার পিছনে রায়েদ। মূলত ভিড়ের ভেতর যাতে মেয়েদের কোন অসুবিধা না হয় তাই একজন পুরুষ সামনে এবং একজন পুরুষ পিছনে আছে। দুজন পুরুষ মিলে এই দুজন মেয়েকে প্রটেকশন দিচ্ছে।

রায়েদের পিছনে ঈশিতা।পরনে তার ওয়েস্টার্ন ড্রেস কিন্তু একটি কালো চাদর দিয়ে নিজেকে মুড়ে রেখেছে। নিজের মুখ ঢেকে রেখেছে যাতে রায়েদ তাকে চিনতে না পারে।তার ইচ্ছে ছিল ইফরাহ কে এই সিঁড়ি থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেবে। কিন্তু রায়েদ ইফরাহ কে যেভাবে প্রটেক্ট করছে সেই ভাবে সম্ভব হয়ে উঠছে না। এতে ঈশিতার রাগ এবং জেদ আরো বেড়ে গেল। সে আরো ভিন্ন ফন্দি আঁটটে শুরু করল ইফরাহ কে মেরে ফেলার জন্য।সে সিদ্ধান্ত নিল ইফরাহ কে অনেক ভয়ানক মৃত্যু দিবে।

অবশেষে সবাই পাড়ারের চূড়ায় উঠে পড়ল।সবাই মুগ্ধ হয়ে আশে পাশের দৃশ্য দেখছে। এখান থেকে আশেপাশের অনেক কিছুই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে এবং আরো সুন্দর করে দেখা যাচ্ছে। এক ঠান্ডা শীতল হাওয়া। মনে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি বয়ে যাচ্ছে সবার।

ইশা চারপাশের পরিবেশ দেখে থেকে বলল,,,,

--"ওয়াওওওওও!!"

রবিন ইশার দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে যাবে তার আগেই থেমে গেল।সে এই প্রথম ইশাকে এত কাছ থেকে এবং এত ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সে তো সবসময় শুধু ইশার সাথে ঝগড়া করেছে। কিন্তু এই প্রথম ইশাকে দেখে তার মনে এক অদ্ভুত অনুভূতির জন্ম নিল। হয়তো এই অনুভূতির জন্ম আগেই নিয়েছিল কিন্তু সেটা উপলব্ধি করতে দেরি করে ফেলেছে। রবিন দেখলো ইশার ঠোঁটে হাসি যখন সে চারপাশের সৌন্দর্য দেখছিল। এবং এই হাসি দেখে রবিনের ঠোঁটেও হাসি ফুটে উঠলো সে আনমনে বিড়বিড় করে উঠলো,,,,

--"এই একটি মাত্র হাসি যথেষ্ট মন কেটে নেওয়ার জন্য। এই হাসি আর যাই হোক কখনো হারিয়ে যেতে দেব না।"

কিন্তু তার কথাগুলো শুধুমাত্র সে একাই শুনলো। হয়তো এখন ইশা শুনলে তার সাথে একবার ঝগড়া করে নিত অথবা তাকে এখান থেকে ফেলে দিত। এসব ভেবে রবিন আর মনে হেসে উঠলো।

আর রায়েদ সে তো সব সময়ের মতন তার Little Rosebud দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। তার যেন চোখের পলক পড়ছে না। অনেক কষ্টে নিজের চোখের দৃষ্টিকে হেফাজত করল।ইফরাহ এটি খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারছে। ইফরাহ মিটমিট করে হেসে মনে মনে বলল,,,

--"আর মাত্র কিছুক্ষণের অপেক্ষা মিস্টার আক্করা। তারপর আপনার Little Rosebud শুধুমাত্র আপনার হয়ে যাবে।"

দূর থেকে ঈশিতা লক্ষ্য করছিল।এই শীতল আবহাওয়াতেও যেন তার শরীরে আগুন জ্বলছিল।সে বলল,,,

--"এখনই সময় এসেছে নিজের পথের কাঁটাকে পথ থেকে সরিয়ে ফেলতে। অনেক দিন বেঁচেছো তুমি ইফরাহ। এখন না হয় মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করো।"

এই‌ বলে ঈশিতা তার আশপাশে ভালোভাবে চোখ বুলিয়ে নিব। দেখল আশেপাশে তেমন মানুষ নেই। সবাই কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে। এই সুযোগ টা ঈশিতা নিল।সে আস্তে আস্তে রায়েদ দের দিকে‌ এগিয়ে যাচ্ছে।

রায়েদ রবিন কে ইশার দিতেই রবিন বুঝলো তার এখন কি করণীয়।সে অনেক ভুলিয়েভালিয়ে ইশা কে এইখান থেকে নিয়ে গেল।সে মূলত ইশা কে চ্যালেঞ্জ করেছে যে ইশা অন্য পাশে তার আগে যেতে পারবে না তাই ইশা এক দৌড় লাগালো।এতে রবিনের কাজে সুবিধা হয়ে গেল।সে আগে থেকেই কিছু লোককে টাকা দিয়ে বলে রেখেছিলো যে গোলাপ ফুলের তোড়া নিয়ে এইখানে উপস্থিত থাকে।তারা রবিনের বলা মতোন কাজ করল।রবিন গিয়ে তাদের কাছ থেকে ফুলের তোড়া নিয়ে তাদেরকে টাকা দিয়ে বিদায় করলো এবং রায়েদ দের দিকে ফিরে এলো।

ইফরাহ একদম পাহাড়ের কিনারায় ছিল। তার আবার উঁচুতে ভয় নেই।সে নিজের মতোন চারপাশের সৌন্দর্য দেখাতে হারিয়ে গিয়েছিল। তার আশেপাশে কি হচ্ছে এই সম্পর্কে তারা অজানা।

রায়েদ রবিনের দিকে কিছুটা এগিয়ে এলো। তারপর রবিনের হাত থেকে ফুলের তোড়া নিল এবং রবিন কে বললো যে সে এই মুহূর্তে একটি ভিডিও ক্যামেরায় বন্দি করে। রবিন তার কথা মতোন ক্যামেরা চালু করল।

রায়েদ ধীর গতিতে ইফরাহার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। হাতে তার রক্ত লাল গোলাপ ফুলের তোড়া। মনে একরাশ আশা এবং আকাঙ্ক্ষা।রায়েদ নিজের চোখ বন্ধ করলো। নিজের মনের কথা গুলো গুছিয়ে নিল। কিন্তু চোখ খোলার পর যা দেখল তা দেখার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিল না।

একজন কালো চাদরে মোড়া একটি মেয়ে ইফরাহ দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এবং হঠাৎ ইফরাহ কে জোরে ধাক্কা দিতে নিল।রায়েদ হাত থেকে ফুলের তোড়া পড়ে গেল।সে চিৎকার করে ডাকলো পিচ্চি।

ইফরাহ থমকে গেল। অনেক বছর পর রায়েদ ইফরাহ কে এই নামে ডাকলো। ইফরাহ হাসি মুখে পিছনে তাকালো কিন্তু দেখল একটি মেয়ে একদম তার নিকটে। মনে হচ্ছে এখনই তাকে ধাক্কা দিবে।

ঈশিতা যেই না ইফরাহ কে ধাক্কা দিতে নিবে ততক্ষণে রায়েদ দৌড়ে ইফরাহার কাছে চলে এলো এবং ইফরাহার হাত ধরে টেনে তাকে সরিয়ে আনল এবং নিজে পা পিছলে ইফরাহ যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে চলে গেল। ঘটনা এত তাড়াতাড়ি ঘটে গিয়েছিল যে ঈশিতা ইফরাহ কে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে গিয়ে রায়েদ কে ধাক্কা দেয়। এবং রায়েদ যখন বুঝতে পারি সে পড়ে যাচ্ছে সাথে সাথে ধাক্কা দিয়ে দূরে ফেলে দেয় যাতে ইফরাহার কোনো ক্ষতি না হয় এবং সে পাহাড় থেকে নিচে পড়ে যায়।

রায়েদের দেওয়া ধাক্কায় ইফরাহ কিছুটা পিছিয়ে এসেছিল। সামনে তাকিয়ে রায়েদ কে নিচে পড়ে যেতে দেখে ইফরাহ চিৎকার করে উঠল,,,,,,,

--"নাহহহহহহহহহহহহহ!"

বিজ্ঞাপন
হৃদয়ের অগোচরে গল্পটি নাজনীন নেছা নাবিলা-এর লেখা একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক ও থ্রিলারভিত্তিক গল্প