ইফরাহ সবসময়ের মতোন তারাতাড়ি ঘুম থেকে উঠে পড়ল। আগে গোসল করে নিল। তারপর নামাজ আদায় করে তারপর তৈরি হওয়া শুরু করল। আগে থেকেই সব গুছিয়ে রেখেছিল। ইফরাহ কি একটা মনে করে লাল রঙের গোল জামা সাথে ম্যাচিং করে লাল রঙের হিজাব নিল।তার অবশ্য লাল রঙ তেমন প্রিয় না। কিন্তু আজ কেন জানি না তার লাল রঙের কিছু পড়তে ইচ্ছে হলো।তাই আর মনের ইচ্ছে অপূর্ণ রাখলো না।সে সুন্দর করে জামার উপর ওড়না কাঁধের দুপাশে দিয়ে পিন দ্বারা আবদ্ধ করে নিল। তারপর সুন্দর করে হিজাব বেঁধে নিল। মুখে শুধু রেগুলার ক্রিম। অতিরিক্ত প্রলেপ নেই।আর ঠোঁট হালকা লাল রঙের লিপগ্লস।ব্যাস এটুকুই তার সাজ। ঘড়ির কাঁটায় চোখ বুলাতে দেখল ৬ টা বাজতে এখনো দশ মিনিট বাকি। হঠাৎ কানে আসলো গাড়ির হর্নের আওয়াজ।তার বুঝতে বাকি রইলো না রায়েদ এসে পড়েছে।সে দৌড়ে বারান্দায় গেল।
সম্পুর্ণ ফর্সা হয়নি এখনো।হালকা হালকা আলো আশেপাশে এবং বাড়ির সামনে ল্যাম্পপোস্টের আলোতে ইফরাহ দেখতে পেল রায়েদ কালো গাড়ির দরজার পাশে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সে।এক হাত পকেটে এবং অন্য হাত দিয়ে বারবার চোখের চশমা ঠিক করছে।পরনে তার গাঢ় নেভি ব্লু শার্ট, হালকা ধূসর ব্লেজার, আর কালো ডেনিম। হাতের কব্জিতে চকচকে ঘড়ির হালকা ঝিলিক পড়ছে ল্যাম্পপোস্টের আলোয়। পায়ে কালো লেদারের লোফার, গাড়ির ধাতব রঙের সঙ্গে মানিয়ে গেছে নিখুঁতভাবে।
ইফরাহ শুকনো ঢোক গিলল।আজ কাল তো তার মনও শুধু রায়েদ রায়েদ করে। আগে করতো না বিষয়টি এমন না। কিন্তু আগে সে নিজের মন কে মানিয়ে নিতো। নিজেকে বোঝাতো এইসব শুধু ভালোলাগা,রায়েদের প্রতি তার সহানুভূতি। কিন্তু রায়েদের দূরত্ব তাকে প্রতি নিয়ত মনে করিয়ে দিত যে তার রায়েদ কে ভিশন প্রয়োজন। ইফরাহ এক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়লো। তারপর সামনে তাকাতেই দেখল কারোর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি তার উপর।
ইফরাহ নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠলো।দেখলো রায়েদ তার দিকে এক নজরে তাকিয়ে আছে। ইফরাহ বারান্দায় লাইট ছিল।সেই লাইটের আলোতে তাকে স্পষ্ট দেখা যায়।
রায়েদর নজর যখন ইফরাহার দিকে পড়লো তখন তার মনে হলো তার চোখের সামনে যেন এক ফুটন্ত গোলাপ দাঁড়িয়ে আছে।রায়েদ নিজের অজান্তেই নিজের বুকের বাঁ পাশে হাত রাখলো। মনে হচ্ছে সে ছোটখাটো হার্ট ফেল করলো।তার বুক ধড়ফড় ধড়ফড় করছে। মনে হচ্ছে এখুনি বের হয়ে আসবে।
ইফরাহ রায়েদর এমন তীক্ষ্ণ দৃষ্টি বেশিক্ষণ সহ্য করতে না পেরে বারান্দা থেকে দৌড়ে নিজের রুমে চলে এলো। রুমে এসে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে লাগলো। বয়ঃসন্ধির সময় যেই আবেগ কে সে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল,সে সকল আবেগ যেন এখন এক সাথে দিগুন হয়ে প্রকাশিত হতে চাচ্ছে। ইফরাহার এখন নিজেকে ১৭ বছরের সপ্তদর্শী মনে হচ্ছে।যার মনে অনেক আবেগ, অনেক আশা,সেই বয়সে কারোর প্রতি ভালোবাসা জন্ম নিলে যেমন লাগে ঠিক তেমন মনে হচ্ছে। লজ্জায় মুখ লাল হয়ে গেল। ইফরাহ আর দেরি না করে নিজের ব্যাগ নিয়ে নিজের রুম থেকে বের হয়ে গেল।
নিচে তার মা বসা ছিল।এত সকালে তো আর মেয়ে কিছু খাবে না। কিন্তু তিনি তো মা তাই খাবার প্যাক করে দিল। শুধু ইফরাহার জন্য না সাথে রায়েদের জন্যও।
ইফরাহ খাবার নিয়ে নিজের মার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলো।বের হবার আগে তার মা তার কপালে চুমু খেল এবং আয়াতুল কুরসি পাঠ করে শরীরে ফুঁ দিয়ে দিল।কোনো যাত্রার আগে আয়াতুল কুরসি পড়লে আল্লাহর সুরক্ষা ও রহমত লাভ হয়, যা যাত্রাকে নিরাপদ করে তোলে। হাদিস অনুযায়ী, এটি শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করে এবং যেকোনো বিপদের মুহূর্তে আল্লাহর কাছে আশ্রয় লাভের মাধ্যম।
ইফরাহ বাড়ির গেটের সামনে পর্যন্ত গেল। দেখল রায়েদ এখনো গাড়ির দরজায় হেলান দিয়ে দাড়িয়ে তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। ইফরাহ রায়েদর চোখে চোখ রাখার দুঃসাহস দেখালো না।
রায়েদের এতক্ষণ সব ঠিক থাকলেও এখন যেন সব উল্টেপাল্টে গেছে।তার Little Rosebud তার সামনে তার প্রিয় রঙের পোশাক পড়েছে।রায়েদের এই রঙ প্রিয় ছিল না কখোনোই। কিন্তু যখন প্রথমবার ইফরাহ কে এই পোশাকে দেখেছিল তখন থেকেই তার এই রঙ প্রিয় হয়ে যায়।
রায়েদ নিজেকে অনেক কষ্টে সামলালো। তারপর ইফরাহার জন্য গাড়ির দরজা খুলে দিল একজন সুপুরুষের মতো। ইফরাহ মুচকি হেসে গাড়িতে উঠে পড়ল।আর রায়েদ সেই মুচকি হাসি দেখে খুব ডিপলি ব্লাশ করল। তারপর নিজেকে স্বাভাবিক করে তার সিটে বসে পড়লো।
গাড়িতে পিনপতন নীরবতা। শুধু মাত্র গাড়ির জানালা থেকে আশা বাতাসের শো শো শব্দ। দুজনেই চুপচাপ বসে আছে হঠাৎ ইফরাহ নিরবতা ভেঙ্গে বললো,,,,
--"স্যার আপনি সকালের নাস্তা করেছেন?"
রায়েদের মেজাজ বিগড়ে গেল সকাল সকাল ইফরাহার মুখ থেকে স্যার শব্দ শুনে। কিন্তু প্রকাশ করল না।সে জবাবে বলল,,,
--"এত সকালে কি খাওয়া যায়? তাই খাই নি। তুমিওতো মনে হচ্ছে খাও নি। সামনে কোনো হোটেলে পেলে গাড়ি দাঁড়া করাবো নে। তারপর না হয় দুজনে মিলে কিছু খেয়ে নিব।"
রায়েদ থামল।
ইফরাহ মুখে হাসি বজায় রেখে বলল,,,
--" তার কোনো প্রয়োজন নেই।আমি খাবার নিয়ে এসেছি দুজনের জন্যই।মা রান্না করে দিয়েছে।"
রায়েদ মুচকি হাসলো। ইফরাহ কিছুক্ষণ সেই হাসি দেখলো তারপর আবার জানলার বাইরে চোখ রাখলো।রায়েদের মাথায় হঠাৎ এক দুষ্টু বুদ্ধি আসলো।সে বেশি কিছু না ভেবে গাড়ির অডিও সিস্টেমে গান চালু করে দিল।গান শুনে ইফরাহার বুক কেঁপে উঠলো।সেই পুরনো গান, সেই পুরনো স্মৃতি। মনে হচ্ছে সব আগের মতোই। কিছুই বদলায়নি।না ইফরাহ, না রায়েদ এবং না তাকে ভালোবেসে রায়েদের এই গান গাওয়া বা বাজানো।
ইফরাহ রায়েদের দিকে তাকালো।দেখলো রায়েদও গাড়ি চালানোর ফাঁকে ফাঁকে তার দিকে তাকিয়ে আছে। রাস্তা একদম ফাঁকা।রায়েদ গাড়ির গতি কমিয়ে দিয়ে গাড়ি চালাতে লাগল এবং তার দিকে তাকিয়ে রইল।রায়েদের দৃষ্টি যেন কিছু না বলা কথা প্রকাশ করছে। এবং ইফরাহ যেন তা পড়তে পারছে ।
গান চলতে লাগলো,,,,, ___
--"চোখে চোখে চেয়ে থাকা
কবে হবে বলো কথা বলা?
আবেগী মন বাঁধা মানে না
তুমি ছাড়া কিছু চাই না
কি নেশা ছড়ালে!
কি মায়ায় জড়ালে?
কি নেশা ছড়ালে!
কি মায়ায় জড়ালে?"
গানের তালে তালে ইফরাহার অতীতের কথা মনে পড়ে গেল।
অতীত_____
রায়েদ বেশিরভাগ তার স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতো। এবং তার স্কুল শেষ হলে তার পিছন পিছন বাড়ি পর্যন্ত যেত। মানে এক কথায় তার বডিগার্ড।যেন ইফরাহার নিরাপত্তা তার উপর। অবশ্য ইফরাহ কখনো কিছু বলতো না। কারণ রায়েদ তো তার সাথে সাথে আসতো না।তার পিছন পিছন থাকতো।যেন সে তার রাস্তায় যাচ্ছে। অবশ্য মাঝে মাঝেই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো অথবা কিছু না কিছু নিয়েই কথা কাটাকাটি হতো।
এইতো সেদিন ইফরাহ স্কুল শেষে নিজের স্কুল থেকে বের হচ্ছিল দেখল রায়েদ তার স্কুলের সামনে সবসময়ের মতোন দাঁড়িয়ে আছে। ইফরাহার মাথায় এক সয়তানি বুদ্ধি আসলো।সে স্কুলের সামনের গেইট দিয়ে না বের হয়ে পিছনের গেট দিয়ে স্কুল থেকে বের হল। তারপর চুপচাপ রায়েদের পিছনে গিয়ে দাঁড়ালো। আর অন্যদিকে রায়েদ বেচারা এখনো দাঁড়িয়ে আছে তার Little Rosebud এর অপেক্ষায়। বারবার উঁকি ঝুঁকি পারছে কিন্তু সে তার Little Rosebud কে দেখতে পাচ্ছে না। সে নিজে নিজে বের করে বলল ,,,
--"হয়তো আজ স্কুলে আসেনি পিচ্ছিটা।"
তখনি পিছন থেকে ইফরাহ বলে উঠলো,,,,
--"কে আসেনি ভাইয়া? আর কাকে খুঁজছেন? তাও বাচ্চাদের স্কুলের সামনে এসে।"
আকস্মিক কন্ঠ ভেসে আসতেই রায়েদ লাফ দিয়ে উঠলো।সে পিছনে তাকিয়ে ইফরাহ কে দেখতে পেয়ে নিজের বুকের বাঁ পাশে হাত রাখলো তারপর এক হাত দ্বারা তার পরনের গেঞ্জিটা কিছুটা ফাঁক করে ভিতরে ফুঁ দিল তারপর থু--থু দিল। মানে মানুষ ভয় পেলে যা করে আরকি।
রায়েদের এমন কান্ডে ইফরাহ হাসতে হাসতে কুটিকুটি।তার তো হাসি থামছেই না।রায়েদ বিরক্ত নিয়ে বলল,,,
--"একেই তো পেতনির মতো হঠাৎ করে এসে ভয় দেখালে তার উপর এখন আবার পেতনির মতো হাসছো?"
ইফরাহার হাসি নিমিষেই রাগে পরিনত হলো।কত বড় সাহস তাকে পেতনি বলা।সে তো ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী না।সে দাঁত কিড়মিড় করে বলল,,,
--" আমি পেতনি? জি নাহ!! আপনার বউ হবে পেতনি আর আপনি তো জন্মগতই আক্করা।আর আপনার ফিউচার বাচ্চা ছেলে হলে আপনার মতোন আক্করা এবং মেয়ে হলে হবে আপনার বউয়ের মতোন পেতনি।হুমমম। আসছে আমাকে পেতনি বলতে।"
ইফরাহ থামল।রাগে তার মুখ লাল হয়ে গেল।নাক ফুলে গেল।আর রায়েদ মিটমিট করে হাসছে। ইফরাহ তো কোনো অংশে ভুল বলে না।সে আক্করা তাই তার ছেলে তার মতোই আক্করা এবং তার বউ হবে ইফরাহ মানে পেতনি এবং তারদের মেয়েও হবে ইফরাহার মতোন পেতনি। ইশ্ কি সুন্দর হ্যাপি ফ্যামিলি। ভাবতেই তো রায়েদের নিজেকে সংসারী সংসারী মনে হয়।
সে দাঁত বের করে ইফরাহ কে বলল,,,
--"আমার মেয়ে পেতনি হলে হবে শুধু তোমার জন্য। কারণ তুমি নিজেও তাই।"
এই বলে রায়েদ সামনের দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো।আর ইফরাহার বোধগম্য হলো না রায়েদের বলা কথা।সে কিছুক্ষণ ভাবলো কিন্তু বুঝলো না।সেও এইবার দৌড় লাগালো রায়েদের পিছনে। তারপর বলল,,,
--"আপনি যেমন আক্করা, আপনার কথা বার্তাও তেমন আক্করা মার্কা।But You Know What??? আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম যে আপনার তো কখনো বিয়েই হবে না। কারণ আপনি তো আবার বুড়ো। মানে দাদা।কিন্তু এইটা তাও মানা যায়, কিন্তু আপনি তো আবার মাঝে মাঝে দাদা থেকে দাদিমা হয়ে যান।"
এই বলে ইফরাহ শব্দ করে হাসতে লাগলো।আর রায়েদ থ হয়ে গেল। মানে যার জন্য চুরি করে সেই বলে চোর। ইফরাহার জন্য বেচারা পুরুষ থেকে দাদিমা সাজলো আর শেষে কিনা ইফরাহ তাকে নিয়ে মজা নিচ্ছে।রায়েদ অসহায় কন্ঠে বলল,,,,,
--" ওহে নারী তুমি তো ছলনাময়ী।"
এই শুনে ইফরাহার হাসির গতি আরো বেড়ে গেল।আর রায়েদ,সে এক নজরে তার Little Rosebud এর হাসি দেখে যাচ্ছে।
বর্তমান_________
এইসব ভাবতে ভাবতে ইফরাহ অতীত থেকে ফিরে এলো।দেখলো রায়েদ এক মনে ড্রাইভ করছে। ইফরাহ জানালার বাইরে দৃষ্টি রাখলো। তারপর এক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে মনে মনে বলল,,,,
--"আমারো তো ইচ্ছে করে কাউকে নিয়ে ভাবতে। কাউকে ভালোবাসতে। কাউকে নিজের মনের সমস্ত কথা খুলে বলতে। এবং যখন আপনি আমার জীবনে এসেছিলেন তখন আমার বয়ঃসন্ধির আবেগ খুব নাড়া দিয়ে ছিল। খুব ইচ্ছা ছিল আপনার ভালোবাসায় নিজেকে আবদ্ধ করতে কিন্তু দায়িত্বের কারণে পারিনি। সবসময় আমার ফ্রেন্ড রা আমাকে বকতো কেন আপনাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।আমি যখন বলতাম শুধু মাত্র নিজের পরিবারের কারণে, পরিবারের দায়িত্ব পালনের কারণে তখন তারা আমাকে কথা শুনাতো যে এমন তো নয় আমার পরিবার গরিব।মা বাবা দুজনেই চাকরি করে। কিন্তু আমি তাদের কখনো বোঝাতেই পারতাম না যে আমি অন্য সব মেয়েদের মতো ভাবি না যে মা বাবার ইনকাম আছে আমার ইনকাম না করলেও চলবে। বিয়ে করে সংসার সামলালেই হবে। আমারো তো ইচ্ছা হয় মা বাবা যেমন আমার প্রতি নিজেদের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পূর্ণভাবে পূরণ করেছে আমিও তাদের জন্য কিছুটা করি। নিজে ইনকাম করে তাদেরকে কিছু উপহার দিতে পারি। এবং ভালো কোন চাকরির জন্য অথবা নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য পড়াশোনার খুব প্রয়োজন। এবং নিজের পড়াশোনায় যাতে কোন ব্যাঘাত না ঘটে সেই কারণে তখনকার সেই আবেগকে নিজের ভুল বলে নিজেকে শান্তনা দিয়েছি। কিন্তু এখন প্রতিনিয়ত আপনার সামনে দুর্বল হয়ে পড়ছে। যতবার আপনাকে দেখছি ততবার পুরনো সেই মধুর স্মৃতি মনে পড়ে যাচ্ছে। আমি যে ধীরে ধীরে আপনার প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছি মিস্টার আক্করা।"
ইফরাহ মনে মনে এইসব ভেবে জানালার বাইরে তাকিয়ে রইল।
আর রায়েদ গাড়ি চালানোর ফাঁকে ফাঁকে তার Little Rosebud এর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল,,,
--" আমি জানিনা তুমি কি ভাবছো। আমি জানিনা তুমি আমাকে কখনো ভালবাসবে কিনা। কিন্তু আমি শুধু এতোটুকু জানি তুমি শুধু আমার। আমার ছিলে আমার আছো এবং সারা জীবন আমার থাকবে।My Little Rosebud Only Belong To Me. "