আদ্রের সম্মোহীনি

পর্ব - ৩১

🟢

***বিকেল প্রায় ৪ টা।***

(আদ্র সোহার রুমে এলো,,দেখলো সোহা পড়ার টেবিলে বসে কিছু একটা নোট করছে।আদ্র তার কাছে গিয়ে পাশে একটা চেয়ার টেনে বসলো।,সোহার কাধে হাত রেখে বললো...)

আদ্র-কি করছে আমার পুতুলটা?

সোহা-এইতো,,,প্র্যাক্টিকেলের আর্টগুলো কমপ্লিট করছি।

আদ্র-এসব তো আরো পরে লাগবে ডল?

সোহা-হুম,,করে রাখলে ভালো হয় না??আর এখন তো ফ্রীটাইম।তাই করছি।

আদ্র-মাথা ব্যাথা কমেছে?

সোহা-হুম।

আদ্র-আচ্ছা,,তাহলে উঠো।এখন আর এসব করতে হবে না।চলো রেডি হবে।

সোহা-কেন,,,এখন আবার রেডি হবো কেন??

আদ্র-আমি বলছি তাই।চলো তো..

(বলেই আদ্র সোহাকে জোর করে উঠিয়ে কাবার্ডের সামনে নিয়ে গেলো।তারপর কাবার্ড খুলে বললো..)

আদ্র-উমম,,কোনটা পরবে তুমি??আমি বলি,, কোনটা কোনটা,,

(এসব বলে এক এক করে ড্রেস দেখতে লাগলো।অবশেষে রেড &হোয়াইট কম্বিনেশনের একটা ওয়ানপিসের দিকে নজর গেলো তার।,,,)

আদ্র-এইতো,,,দেটস নাইস।ইট উইল বি সুট ইউ।নাও ডল,,এটা পরে রেডি হয়ে এসো।

সোহা-কিন্তু আমরা যাচ্ছি কোথায়?

আদ্র-ওটা পরে জানলেও চলবে।

সোহা-আহা,,,বলবেন তো??

(আদ্র এবার সোহার কানের কাছে এসে ফিসফিসিয়ে বললো...)

আদ্র-যদি বলি তোমাকে বিক্রি করে দিতে যাচ্ছি??

সোহা-আমার সাথে মজা করছেন তাই না??(ভয় পেয়ে বললো)

আদ্র-একদম না,,,আমি সত্যিই বলছি।(গম্ভীর হওয়ার ভাব ধরে)

সোহা-আ্ আমি যাবোনা।,,,আ্।আ্ আমি মাম্ মামনিকে বলে দেবো।

আদ্র-তাতে কি হবে,,আমি যা বলি তা করিই।

(সোহা এবার প্রায় কান্নারত হয়েই জোরে জোরে ডেকে উঠলো...)

সোহা-ম্ মামনি,,,ও মামনিইইইইই,,,দেখোনা তোমার ছেলে আবার বিক্রি কর....

(এটুকু বলতেই আদ্র সোহার মুখ চেপে ধরলো হাত দিয়ে।আর বা হাত দিয়ে সোহার কোমর পেচিয়ে নিজের কাছে টেনে আনলো।)

আদ্র-হুশশশ,,,একদম কথা বলবে না।এটুকুর্ জন্য আবার মামনিকে ডাকা লাগে??

সোহা-উমম,,উমম।

আদ্র-ওহ সরি।

(বলেই সোহার মুখ ছেড়ে দিলো।,,,)

সোহা-আমি যাবো না আপনার সাথে।ছাড়ুন আমাকে।

আদ্র-আমার কথা শুনতেই হবে।নাহলে...

সোহা-নাহলে??না হলে কি হ্যা??

আদ্র-না হলে কিসি দিয়ে দেবো।কোথায় যানো??

সোহা-ক্ কোথায়?

আদ্র-তোমার কাছে যে গোলাপি রঙের মিষ্টি আছে।সেটায়।।। একদম খেয়ে ফেলবো।কি বলো??শুনবে কথা??

সোহা-শ্ শুনবো।

আদ্র-এবার আমার লক্ষী বিবির মতো গিয়ে ড্রেসটা চেঞ্জ করে আসো।

সোহা-লক্ষী বিবি??এটা আবার কে??

আদ্র-না বুঝলেও চলবে।যাও।আর তারাতাড়ি আসবে।একদম লেট নয়।আমি এখানেই আছি।

(সোহাকে ছেড়ে দিতেই সে দৌড়ে ওয়াশরুমে ঢুকে গেলো ড্রেস নিয়ে।,,,,,কিছুক্ষণ পরেই ওয়াশরুমের দরজা হালকা খুলে সোহা মুখটা বের করে বললো......)

সোহা-এই যে,,,আপনি কি আছেন??আমি ওরনাটা আনিনি,, একটু দেবেন??

(কারোর কথার শব্দ না শুনে সোহা আস্তে করে বেরিয়ে এলো।নাহ বাবা,,আদ্র রুমে নেই।খাটের ওপর ওরনাটা রাখা।তারাহুরো করে ওরনাটা নিতে যায় সে।কিন্তু নেওয়ার আগেই পেছন থেকে আদ্রের কন্ঠ ভেসে এলো...)

আদ্র-উহুম।।

(শুনেই পেছনে ঘুরতে নিলেই আদ্রের বুকের সাথে ধাক্কা খায় আর টাল সামলাতে না পেরে বিছানায় পেছনের দিকে ঝুকে বসে পরে।,,,চোখে মুখে অস্বস্তির ছাপ।সাথে হাজারো লজ্জার আবরন।আদ্রের ঠোটের কোনে একটা টেডি স্মাইল ঝুলছে।,,,,সোহাকে ভয় পেতে দেখে খুব মজাই লাগছে ওর।,,,,বাকা হেসে বললো.....)

আদ্র-এভাবে কি না আসলেই হতো না??

সোহা-আ আমি আসলে।্ আ্ আপনি তো রুমে ছ্ ছিলেন না,,,,

আদ্র-কে বললো আমি রুমে ছিলাম না??

সোহা-আ্ আমিতো ডেকেছিলাম।আ্ আপনি ক্কোনো সারা দেন নি ক্ কেন??

আদ্র-ইচ্ছে হয় নি।

(আদ্র এসব বলতে বলতে সোহার দিকে ঝুকতে লাগলো।,,,দুহাত দিয়ে সোহাকে আটকে রাখলো।সোহা এখন চাইলেও আদ্রের কবল থেকে বাচতে পারবে না।,,,,)

সোহা-আ্ আমি রেডি হয়েছি তো।,,আপনি এভাবে...... এগোচ্ছেন ক্ কেন??

আদ্র-তুমি রেডি??

সোহা-হ্ হুম।

আদ্র-শিওর তো??

সোহা-শ্ শিওর।

আদ্র-আর কিছু বাকি নেই তো?

সোহা-ন্ না।

(আদ্র এবার উঠে গিয়ে সোহাকে টেনে তুললো।তারপর দাড় করিয়ে বললো...)

আদ্র-তুমি তো রেডি।তো এখন আমি যা যা দিবো সব কিন্তু আমার।আমি যখন ইচ্ছে তখন নিয়ে নিতে পারি।।

সোহা-মানে??

আদ্র-ওয়েট বলছি।

(এবার আদ্র সোহাকে নিয়ে ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসালো।তারপর সুন্দর করে সোহার চুল বেধে দিলো।আর শেষ পর্যায়ে বললো...)

আদ্র-এই যেমন আমি এখন তোমার চুল এলোমেলো থেকে ঠিক করে দিয়েছি।তো আমি যখন চাইবো এগুলা আবার এলোমেলো করে দিতে পারবো।তাই না??

সোহা-এটা আবার কেমন কথা??

আদ্র-এটাই কথা।

(আদ্র এবার সোহাকে সিম্পল ভাবে সাজিয়ে দিলো নিজের মতো করে।তারপর গিয়ে খাট থেকে ওরনাটা নিয়ে সোহাকে পরিয়ে দিলো।আর ফিসফিসিয়ে বললো...)

আদ্র-এটাও কিন্তু আমার জিনিস।যখন ইচ্ছে তখন নিয়ে নিতে পারি।

সোহা-এ্যা!!!(অবাক হয়ে)

(মুচকি হেসে আদ্র সোহার হাত ধরে নিয়ে গেলো ড্রয়িং রুমে।সেখানে যেতেই দেখলো সায়মান,শারমায়া,রুসা,রিসব,আয়ন্তি,রাহুল,রাহিল,,, সবাই রেডি হয়ে বসে আছে।)

শারমায়া-এতক্ষনে হলো তোদের???

রিসব-বাহ,, পিচ্চিকেতো বেশ ভালোই সাজিয়েছিস দেখছি।তা কোথায় শিখলি এসব??

আদ্র-টাইম নাই।বের হ এবার।

সোহা-আমাকে কেউ বলোতো যে আমরা কোথায় যাচ্ছি??

রাহিল-আরে বিয়াইন,আমরা তো ম....

আদ্র-গেলেই দেখবে।

রুসা-এই,, আজ গাড়ি ছাড়া গেলে কেমন হয়??

সোহা-ওয়াও,,,তাহলে রিক্সারাইড(খুশি হয়ে)

আদ্র-একদম নয়।এমনিতেই লেট হচ্ছে।কিছুক্ষণ পরে সন্ধ্যা নামবে।।

(আদ্রের কথায় সোহা আবার মুখ কালো করে ফেললো।,,,,আদ্র তার দিকে একবার তাকিয়ে আবার সবার উদ্দেশ্যে বললো...)

আদ্র-বের হও সবাই।

(আদ্রের কথা মতো সবাই বেড়িয়ে পরলো।

বড় হাইস গাড়িটার একদম পেছনের সীটে বসেছে আয়ন্তি আর রাহুল।আর তাদের মাঝখানে শারমায়া।তার একটাই লক্ষ। আয়ন্তি আর রাহুলের রোমান্সে ডিসট্রাব করা।,তাদের সামনের সীটে বসেছে রাহিল,সায়মান।তাদের সামনে সোহা আর রুসা।ড্রাইভ করবে আদ্র আর তার পাশে রিসব।,,,গাড়ি চলতে শুরু করলো।সোহা এখনো জানে না সে কোথায় যাচ্ছে।যদি একা হতো তাহলে এতক্ষণে চিল্লিয়ে সব উল্টে ফেলতো।কিন্তু এখন প্রায় সবাই আছে।তাই সব কিছু কৌতুহল নিয়ে দেখে যাচ্ছে।,,,,,,কিছুক্ষণ পরে গাড়ি থামতেই সোহার সামনে ভেসে উঠলো রমনা বটতলা।যেখানে হাজার হাজার মানুষের ভীর বিদ্দমান। আর নানান রকম দোকান পাট।সোহা তো সেই খুশি।খুশিতে সে সবার আগে গাড়ি থেকে নেমে সবকিছু দেখতে লাগলো।এক এক করে সবাই নেমে এলো।আদ্রও নেমে এলো মুখে মাস্ক আর মাথায় কালো ক্যাপ পরে।এখন তাকে পরিচিত ছাড়া,আর কেউই চিনবে না।।সে নামতেই সোহা এসে তাকে খুশিতে জরিয়ে ধরলো।আদ্র যেন আকাশের চাদ হাতে পেয়ে গেলো।সে বিশ্বাসই করতে পারছে না সোহা যে এমন কিছু করেছে।,,সবাই তাকিয়ে আছে তাদের দিকে।হঠাৎ সোহা আদ্রের বুকে শার্টের উপর দিয়েই কামর লাগিয়ে দিলো।আদ্র বলে উঠলো....)

আদ্র-আউচ ডল,,বাইট দিচ্ছো কেন??

(সোহা ওভাবে থেকেই বললো....)

সোহা-কেন আবার।আমাকে মিথ্যা কেন বললেন??এটা কি বিক্রি করার জায়গা??আপনি সত্যিই অনেক অনেক অনেক পচা।শুধু শুধু আমাকে ভয় দেখান।হুহ,,আর কথা বলবো না আপনার সাথে।

আদ্র-আরে ডল,,আমি তো মজা করেছিলাম।

সোহা-যান,,দুরে যান আপনি।আপনার সাথে আরি।

(বলেই আদ্রকে ছেড়ে দিয়ে আয়ন্তির হাত ধরে দাড়ালো।আদ্রতো তার পিচ্চির এহেন কান্ড দেখে প্রাপ্তির হাসি হাসছে।)

আয়ন্তি-এবার সবাই ভেতরে চলো তো।

রিসব-হ্যা,হ্যা,চলো

(সবাই মেলার দিকে রওয়ানা দিলো।আদ্রও হাটতে যাবে তখন সায়মান তার কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বললো...)

সায়মান-এটাই প্রথম নাকি আরো দিয়েছে ব্রো??

আদ্র-মানে??

সায়মান-মানে আবার কি??পিচ্চি কি স্মুথলি তোকে লাভবাইট দিলো।

আদ্র-একটা থাপ্পড় দেবো।চল হাট।

(সায়মান আদ্রের কথা শুনে হাসতে হাসতে হাটতে শুরু করলো।সাথে আদ্রও।,,,,,,,,অনেকক্ষণ ঘুরাঘুরির পর তারা সবাই একটা পিঠার দোকানের ছাউনিতে এসে বসলো।আইডিয়াটা সোহারই।সেই জেদ ধরেছিলো এখানে আসার জন্য।,,)

আদ্র-ডল,,এবার তো বলো এখানে কেন আনলে সবাইকে।তুমি কি খাবে বলো আমি এনে দিচ্ছি।

সোহা-আরে তার জন্যই এখানে এনেছি।আমরা সবাই মিলে ভাপা পিঠা খাবো।শীতের রাতে বেশ জমবে।

রাহুল-ওয়াও পিচ্চি,,,আইডিয়া তো সেই।

রিসব-সত্যিই বেশ জমবে।এমনিতেই অনেকদিন খাওয়া হয় না।

শারমায়া-আমাদের কারোর মাথায়তো আসেইনি এই আইডিয়াটা।

রাহিল-সত্যিই বিয়াইন।ইউ আর জিনিয়াস।

আয়ন্তি-দেখতে হবে না কার বোনু??(ভাব নিয়ে)

আদ্র-তারমানে তোরা সবাই এখন এই ফাস্টফুড খাবি

সায়মান-আরে তুই এটার টেষ্ট কিকরে বুঝবি।কখনো তো খাসইনি।

আদ্র-হয়েছে।নে এবার অর্ডার কর।

(এরপর সায়মান গিয়ে ৮ প্লেট ভাপা পিঠা অর্ডার দিলো।কিছুক্ষণ পরে চলেও এলো।এক প্লেটে দুইটা পিঠা সাথে গুড় আর নারকেল।সবাই খাওয়া শুরু করলো।আর আদ্র বসে বসে ফোন টিপতে ব্যস্ত। কারন সে এসব একদমই খায় না।,,,হঠাৎ সোহা একটু পিঠায় গুড় আর নারকেল মাখিয়ে আদ্রের মুখের সামনে ধরলো।আদ্র একবার সেদিকে তাকিয়ে আবার ফোনে মনোযোগ দিলো...)

আদ্র-আমি এসব খাইনা ডল।তুমি খাও।

সায়মান-খেয়ে নে না ব্রো।পিচ্চি খাইয়ে দিচ্ছে তো।

রাহিল-আরে বিয়াইন।আদ্র ভাইয়া খায় না বললো তো।আপনি বরং আমাকে খাইয়ে দিন।আমি আরো সুইটলি ফিনিস করতে পারবো।

(সোহা বিরক্ত নিয়ে একবার রাহিলের দিকে তাকালো।আবার আদ্রের দিকে করুণ ভাবে তাকিয়ে বললো...)

সোহা-প্লিজ।একটু মুখে নিন না।

(আদ্র আড়চোখে রাহিলের দিকে তাকালো।তারপর সোহার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে ফোনটা পকেটে ঢুকিয়ে নিলো।এরপর সোহার আরেকটু কাছে ঘেসে বসলো।হাসি মুখে হা করলো।সোহাও একগাল হেসে পিঠার টুকরোটা আদ্রের মুখে পুরে দিলো।,,,,)

আদ্র-ওয়াও,,,,সো টেষ্টি।আরেকটু দাও তো ডল।

সোহা-এইতো দিচ্ছি তো।(হাসি মুখে)

(এইভাবে সোহা আর আদ্র মিলে পুরোটা ফিনিশ করলো।,,,,,,এরপর বিল মিটিয়ে দিলো।)

সায়মান-ব্রো।বলছিলাম যে রাত তো বারছে।

রাহুল-ভাইয়া,,,

আদ্র-হ্যা,,বলো।

রাহুল-বলছিলাম যে,,আমি আর আয়ন্তি একটু ঐদিক থেকে ঘুরে আসি।

সায়মান-আরে দুলাভাই।তুমি সরাসরি বলো না যে তোমরা একটু আলাদা থাকতে চাও।এতো ঘুরানোর কি আছে???হিহিহি।

আদ্র-স্টপ সায়মান।,,,রাহুল। তোমরা যাও না,,নো প্রবলেম।সময় মতো গাড়ির সামনে চলে এসো।ওকেয়,,

রাহুল-ওকে ভাইয়া।

রুসা-আমি, শারমায়া আর পিচ্চি না হয় একদিকে যাই।আর তোরা আলাদা ঘুর।কেমন হয়??এতে ভালোই হয়।আমরাও নিজেদের চয়েজ মতো কিছু কিনতে পারি।

সায়মান-হ্যা,ব্রো।এই লেডিসদের সাথে থাকার দরকার নেই।চল আমরা আলাদা ঘুরি।

আদ্র-তোরা যা।আমি পারছি না।

শারমায়া-ওকেয়।চল পিচ্চি।

আদ্র-হেই ওয়েট।ওকে কোথায় নিচ্ছিস??ও আমার সাথে যাবে।

রুসা-ওওওওও,,,আরে বলবি তো তোরও স্পেশ দরকার।

আদ্র-রুসাআআআআ

রুসব-ওকে ওকে।তোরা যা,,আমরাও নিজেদের মতো যাই।

(এরপর রুসা আর শারমায়া গেলো একদিকে।রিসব,সায়মান,আর রাহিল গেলো আরেক দিকে।আয়ন্তি আর রাহুল গেলো একসাথে।আর আদ্র সোহার হাত ধরে হাটা ধরলো।)

সোহা-আমাকে আপুদের সাথে যেতে দেননি কেন??

আদ্র-তুমি ওদের সাথে চলে গেলে আমি একা হয়ে যেতাম না??তাই।

সোহা-আপনিতো ভাইয়াদের সাথে যেতে পারতেন।

আদ্র-টপিক চেঞ্জ করো প্লিজ।

(সোহা আর কোনো কথা বললো না।হাটছে আর আশপাশের সবকিছু দেখছে।,,,,হঠাৎ সোহা খুশি হয়ে বলে উঠলো...)

সোহা-দেখুন দেখুন।কি সুন্দর চুড়ির দোকানটা।রঙ বেরঙের চুড়ি।সব মনে হয় কাচের।সুন্দর না???

(সোহার কথা শুনে আদ্রও সেদিকে তাকালো।মুচকি হেসে বললো....)

আদ্র-হুম,,অনে সুন্দর। পছন্দ হয়েছে তোমার??

সোহা-হুম,,প্রচুর।,,,

(তখনই রাহুলের কল এলো...)

রাহুল-হ্যালো ভাইয়া।তোমরা কোথায়??আমরা সবাইতো গাড়ির সামনে পৌছে গেছি।

আদ্র-আমরা আসছি।

(বলেই ফোন রেখে দিলো।)

আদ্র-চলো ডল।

(বলেই সোহাকে নিয়ে গাড়ির সামনে চলে গেলো।)

আদ্র-ডল তুমি আপুদের সাথে থাকো। আমি আসছি।

সায়মান-সে কি রে।তুই আবার কোথায় যাচ্ছিস??

আদ্র-পাচ মিনিট আসছি।তোরা গাড়িতে উঠে বস।

(বলেই চলে গেলো আদ্র। আর বাকি সবাই তার কথা মতো গাড়িতে উঠে বসলো।,,,)

আদ্রের সম্মোহীনি পর্ব ৩১