আদ্রের সম্মোহীনি

পর্ব - ২৬

🟢

(স্কুল ছুটির পরে সানি আর নিডো একসাথে ক্লাস থেকে বেরিয়ে এলো।তারপর আবার তাদের প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপে জয়েন করলো।যেখানে ইমুও ছিলো।)

সানি-এই,, তোমরা গল্প করো,, আমি একটু লাইব্রেরি থেকে আসছি।

ইমু-আচ্ছা,,যা।

(সানি চলে গেলো।এদিকে এই ব্যপারে না চাইতেই যেন হাতে চাদ পেয়ে গেলো রিসব আর সায়মান।)

সায়মান-ইয়েস, ইয়েস,,ইয়েস।পিচ্চি নেই।এটাই সুযোগ কথা বলার।কি বলিস ব্রো??

রিসব-ইয়েস ব্রাদার।বাট কি করে কি করবো??

সায়মান-আরে শালা,,আমি কি মরছি নাকি??শুন তাহলে...

(এরপর সায়মান তার প্ল্যান জানালো রিসব কে।,,)

রিসব-যদি কাজ না হয় তাহলে??

সায়মান-আরে হবে।তুই টেনশন নিস না।

রিসব-ভাই,,, তোরটাতো এখনো পিচ্চি।তেমনকিছু বুঝবে না।তুইই যা আগে।

সায়মান-ওকেয় ব্রো।দেখ তোর ছোট ভাইয়ের কেলমা।

(এই বলেই সায়মান পাওয়ার নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলো।,,,প্ল্যান অনুযায়ী সে পেছন থেকে গিয়ে নিডোকে জরিয়ে ধরে বললো...)

সায়মান-এই তো পেয়ে গেছি।পেয়ে গেছি।আর পালাতে পারবে না।

(এদিকে নিডো সহ বাকি সবাই অবাক।)

নিডো-আরে আরে,, কে আপনি,,ছাড়ুন বলছি।ছাড়ুন আমাকে।কি করছেন কি।

(তখনই সামনে থেকে রিসবের এন্ট্রি)

রিসব-আরে সায়মান,,কি করছিস

তুই ভুল।মানুষকে ধরেছিস।

সায়মান-এ্যা!!কি বললি??

(বলেই নিডোকে ছেড়ে সামনে এসে দাড়ালো।এরপর মুখে হাত দিয়ে অবাক হওয়ার স্টাইলে বললো...)

সায়মান-এমা,৷ কে এটা??ছি,ছি, ছি,,এ আমি কাকে ধরলাম??

নিডো-উপহ,,,রাবিস।

সায়মান- সরি সরি সরি, আসলে আমি পিচ্চি আই মিন ইয়ে আরকি...

রিসব-আরে৷,, আসলে আমরা সানিকে খুজছি।ও ঠিক চিনতে পারেনি।

নিডো-তাই বলে এভাবে কেউ পেছন থেকে ধরে??

(এবার রিসব হাটু গেড়ে বসে ইমুর হাত ধরে বলে....)

রিসব-এই যে,,আপনি একটু আপনার ফ্রেন্ডকে বোঝান প্লিজ।এটা একটা ভুল।

ইমু-আরে,,আপনি আমার হাত ধরেছেন কেন??

(এবার রিসব হাত ছেড়ে বললো..)

রিসব-ওহ,,সরি সরি।আসলে টেনশনে হয়ে গেছে আরকি।

ইমু-ঠিক আছে ঠিক আছে।এবার যান।

রিসন-জান??আপনি ভুল ভাবছেন আমি আপনার জান নাহ৷ আমি রিসব।

ইমু-হোয়াট!!কি সব বলছেন??

রিসব-ওমা, আমি আবার কি বললাম।আপনিই তো একটু আগে আমাকে জান বলে ডাকলেন।

ইমু-আরে পাগল।আমি জান বলিনি যেতে বলেছি যেতে।

রিসব-ওহ আচ্ছা।কি??আমরা যাবো কেন??আমরাতো সানিকে খুজতে এসেছি।ও কই?দেখছিনা তো।

ইমু-কেন,,ওকে দিয়ে কি হবে আপনার??কে হন আপনি ওর??

সায়মান-বলছি,,আগে একটু বসি??পায়ে খুব ব্যাথা।আহাহাহ।

(বলেই ঢং করে নিডোর পাশে বসলো।আর রিসব বসলো ইমুর পাশে।,,)

সায়মান-হেই কিউটি,,তোমার ফ্রেন্ড কোথায়??

নিডো-আম নট কিউটি।,,আম নিডো।(ভাব নিয়ে)

সায়মান-হোয়াট!!নিডো মিল্ক সেক??

নিডো-কি বললেন??আমি মিল্ক সেক??

সায়মান-দেখেতো তাই মনে হচ্ছে।নামেও মিল।

নিডো-হুহ।জানু লাইব্রেরিতে আছে।

সায়মান-হোয়াট,,তুমি রিলেশন করো??

নিডো-ইয়েস।আম ইন লাভ উইথ মাই জানু

(কথাটা শুনে সায়মানের মাথায় যেন বাজ পরলো।এদের কথা শুনে রিসব ইমুকে বললো...)

রিসব-আচ্ছা,,আপনার এইটুকু ফ্রেন্ড রিলেশন করে??

ইমু-ও মজা করছে।সানুর কথা বলছে ও

রিসব-ও আচ্ছা।একটা কথা বলবো?.

ইমু-বলুন।

রিসব-কিছু মনে করবেন নাতো??

ইমু-আরে না,, বলুন।

রিসব-আপনার কন্ঠটা অনেক কিউট।

(কথাটা শুনে ইমু রিসবের দিকে ভ্রু কুচকে তাকালো।)

রিসব-দেখুন,,আমি কিন্তু অন্য মাইন্ডে বলিনি।আপনি কিছু মনে করবেন না।

(রিসবের কথা শুনে ইমু এবার হেসে ফেললো।তা দেখে রিসবও হেসে দিলো।এদিকে সায়মানের অবস্থা করুন।তার ওদের কথায় কোনো হুসই নেই।,,,)

ইমু-আমি কিছু মনে করিনি।বাট,,,আপনি মনে হয় আমাকে ইম্প্রেস করার জন্য এসব বলছেন।

রিসব-(এইরে ধরা খেয়ে গেলাম)(মনে মনে)

ইমু-কি তাইতো??

রিসব-না মানে,,ইয়ে...

ইমু-লাভ নেই।আমার কিছুদিন পর বিয়ে হয়ে যাবে।

রিসব-মানে!!!

ইমু-হুম,,,আমার মা আর বাবা কিছু বছরের জন্য ইতালি চলে যাবে।তাই তারা চায় তারা যাওয়ার আগে আমাকে কারোর কাছে সুরক্ষিত রাখতে।আর তারা বিয়ের থেকে ভালো কিছু পায়নি।

রিসব-এ্ এটা...

ইমু-হুম,,,আমি আর কি বলবো।ছেলে দেখছে এখনো।তাই লাইন মেরে লাভ নেই।

(রিসবের প্রান যেন ফিরে এলো।খুশি হয়ে বললো...)

রিসব-তার মানে বিয়ে এখনো ঠিক হয়নি??

ইমু-না,,,

রিসব-ছেলে সিলেক্ট হয়নি??

ইমু-আরে না বাবা।

রিসব-ইয়েস,,,ইয়েস,,ইয়েস।হুহু।

ইমু-আপনার আবার কি হলো।

রিসব-কিছুনা।আমরা কি একটু আলাদা কথা বলতে পারি??

ইমু-কিন্তু..

রিসব-প্লিজ।

ইমু-ওকেয়।

(ইমু নিডোর দিকে তাকিয়ে দেখলো সে নিজের মতো বসে আছে।আর সায়মান তার দিলে গোলগোল চোখে তাকিয়ে আছে।,,)

ইমু-নিডো,,আমি একটু.

নিডো-যাও,, যাও,,বলা লাগবে না।

(ইমু মুচকি হেসে রিসবের সাথে হাটা ধরলো।,,এদিকে সায়মান রিসবের দিকে করুন চোখে তাকিয়ে আছে।কিন্তু রিসব তা পাত্তা না দিয়েই চলে গেলো।)

নিডো-আপনি কি কিছু বলবেন??নাকি যাবেন।

সায়মান-তুমি সত্যিই....

(এটুকু বলতেই পেছন থেকে সানির কন্ঠ ভেসে এলো...)

সানি-জানু,,,,

(শুনেই তারা দুজন পেছনে তাকালো।দেখলো সানি আর আদ্র তাদের দিকেই আসছে।দেখতে দেখতে তারাও এসে বসলো।)

আদ্র-তুই এখানে??ওর সাথে কি করছিস??

নিডো-দেখুন না জিজু,,থুরি স্যার।এই লোকটা সেই কখন থেকে অদ্ভুত আচরন করে যাচ্ছে।

সানি-মানে??সায়মান ভাইয়া আবার কি করলো??

নিডো-তুই একে চিনিস জানু??

সানি-হুম

সায়মান-জানু??

নিডো-ইয়েস,,দিস ইজ মাই জানু।এন্ড আই এম হার জানু।উই আর ইন রিলেশনশিপ।

সায়মান-এই তোমার সেই জানু??

নিডো-হ্যা,,

সায়মান-থ্যাংক গড

নিডো-কি বললেন??

সায়মান-না,,না,,কিছু না।এমনিই।

আদ্র-আচ্ছা,,,এখন যাবে নাকি??

সানি-হুম,,, এই জানু ইমু আপু কই??

নিডো-সেতো এই লোকটার পার্টনারের সাথে গেলো।

আদ্র-পার্টনার??

সায়মান-হিহিহি,,রিসব আর কি।

আদ্র-ও ইমুর সাথে কি করছে??

সায়মান-আমি জানিনা।

+++++

ইমু-কি বলবেন বলুন।

রিসব-আমাকে তোমার কেমন লাগে বলো।

(রিসবের কথায় ইমু অবাক হয়ে তাকালো।,,)

ইমু-মানে??

রিসব-মানে,আই ওয়ান টু ম্যারি উথ ইউ।উইল ইউ ম্যারি মি?

ইমু-কি!!

রিসব-দেখ ইমু।আমি যা বলার সরাসরি বলছি।কারন আমার মনে হয় এখন না বললে দেরি হয়ে যাবে।আর আমি তোমাকে সেইদিন দেখেই ভালোবেসে ফেলেছি।প্লিজ আমার কথাটা বোঝার চেষ্টা করো।

ইমু-তার মানে আজকে যেটা হলো।

রিসব-সবটা আমাদের করা প্ল্যান।কিভাবে তোমাদের সাথে কথা বলা যায় তার জন্যই এসব করা।

ইমু-মানে??

রিসব-মানে আমি তোমাকে আর সায়মান নিডোকে ভালোবাসে।তাই আর কি।এখন প্লিজ তুমি আমায় ফিরিয়ে দিও না।

(ইমু এবার শক্ত কন্ঠে বলল..)

ইমু-দেখুন।আমি এই ব্যপারে কিছুই বলবো না।আমার মা বাবার সীদ্ধান্তই বেস্ট।

রিসব-ওকেয়।যদি তোমার মা বাবা আমাকে মেনে নেয় তাহলে??

ইমু-আমি জানিনা।আমার মনে হয় এবার আমাদের যাওয়া উচিৎ।

রিসব-ওকেয়,,এজ ইউর উইশ।তবে আমি যদি পারি তাহলে তুমি না করবে না প্লিজ।

ইমু-ওকেয়।এবার চলুন

(তারা আবার চলে এলো গ্রুপে।)

আদ্র-রিসব,, কোথায় গিয়েছিলি তোরা??

রিসব-না,,এমনিই।

আদ্র-আমারতো অন্য কিছু মনে হচ্ছে।

(কথাটা শুনেই রিসব হাসফাস করতে লাগলো।)

সায়মান-হইছে আর লাগবে না।এবার চলো।

নিডো-ইয়ে স্যার,,বলছিলাম যে..

আদ্র-হুম বলো।

নিডো-অনেক দিন হলো আমরা তিনজন একসাথে রেস্টুরেন্টে যাইনা।আজ যদি জানুকে একটু...

ইমু-হ্যা,স্যার।ওকে নিয়ে আমরা.

আদ্র-রেস্টুরেন্টে যাবে???

নিডো-না মানে আপনি যদি ওকে ছাড়েন আরকি।

আদ্র-ডল,,তুমি কি যাবে??

সানি-ওদের সাথে,,,,,, আপনি যেতে দেবেন??

আদ্র-না,৷ দেবোনা।

(কথাটা শুনেই সানি নিডো আর ইমুর মন খারাপ হয়ে গেলো)

আদ্র-তবে আমি চাই আজ আমরা সবাই মিলে রেস্টুরেন্টে যাই..

সানি-আপনি যাবেন??

আদ্র-হুম,,যদি তোমরা যেতে দাও।

নিডো-আরে দেবোনা কেন।অবশ্যই যাবেন।

ইমু-হ্যা,,এটাতো আরে ভালো খবর।

আদ্র-কিরে রিসব,,তোরা যাবি??

রিসব-হুম,,গেলাম না হয়।সায়মান??

সায়মান-আমিতো রেডি।

আদ্র-ওকেয়।তাহলে আর দেরি কিসের।চলো।

(এরপর সবাই মিলে উঠে ক্যাম্পাসের বাইরে চলে গেলো।এদের যাওয়ার পেছনেই গাছের আড়াল থেকে তানিশা বেরিয়ে এলো।মুখে এক বাকা হাসি...)

তানিশা-(যাও সম্মোহীনি সিনহা যাও।আরতো কিছুদিন।এরপরতো তোমার ঐ যায়গায় থাকবো আমি।হাহাহাহা)(মনে মনে)

++++++++++

(সবাই মিলে রেস্টুরেন্টে গেলো।যারযার মতো খাওয়া দাওয়া করে নিলো।এরপর আদ্র বিল পে করে বাইরে এলো।তারপর নিডো আর ইমু তাদের বাড়ি চলে গেলো।আর সায়মান,রিসব,আদ্র আর সানি রওয়ানা দিলো তাদের বাড়ির উদ্দেশ্যে।,,,বাড়ি পৌছেই সানি একটা যব্বর শাওয়ার নিলো।এরপর সবাই মিলে লাঞ্চ করে নিলো।তারপর সানি চলে গেলো তার অতিপ্রিয় স্থান ছাদে।ছাদটা সাজানোর পরই এটি সানির প্রিয় হয়ে গেলো।বাতাস বইছে ছাদে।এই হাওয়ায় একটা গান হলে খুব একটা মন্দ হবে না।কিন্তু খালি গলায় গান কেমন র‍্যেন লাগে না??কিছুক্ষণ ভেবে সানি আবার নিচে নেমে এলো।চলে গেলো আদ্রের রুমে।...)

সানি-একি,,,রুমে তো কেউ নেই।তাহলে উনি কোথায়??

(ওয়াশরুমের দিকে তাকাতেই দেখলো দরজা বন্ধ।)

সানি-তার মানে উনি ওয়াশরুমেই আছে।কিন্তু আমি এখন কি করি...

(এসব ভাবতে ভাবতেই ওয়াশরুমের দরজা খুলার আওয়াজ পেলো সানি।পেছনে ঘুরতেই তার চোখ আটকে গেলো আদ্রের মেদহীন সিক্সপ্যাগ বডিতে।উপহহ,,,সদ্য শাওয়ার নেওয়ায় আদ্রের গায়ে বিন্দু বিন্দু পানির কনা রয়ে গেছে।পরনে শুধু একটা টাওজার।আদ্র চুল মুছতে মুছতে বাইরে বেরিয়ে এলো।এদিকে সানি পুরে ফ্রীজ হয়ে গেলো আদ্রের এমন রুপ দেখে।)

সানি-(কি হচ্ছে আমার সাথে??এমন কেন লাগছে??আমি উনার প্রতি এমন ফিল করছি কেন??কি এই অনুভুতি?)(মনে মনে)

(এদিকে আদ্র চোখ তুলতেই দেখলো সানি তার দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে।আদ্র ভ্রু কুচকে ভাবতে লাগলো...)

আদ্র-(একি,,, পুতুল এমন করে তাকিয়ে আছে কেন??কি হয়েছে ওর??আর ও এখানে??)(মনে মনে)

(এরপর আদ্র সানির দৃষ্টি অনুসরণ করে নিজের দিকে তাকালো।তারপর ভাবলো...)

আদ্র-(ওহ,,,তাহলে এই ব্যপার।আমার পুতুলটা আমার প্রতি আকর্ষীত হচ্ছে।গুড,গুড,,,টিনেজ বলে কথা,,একটু আকটুতো হবেই,)(মনে মনে)

(আদ্র টেডি স্মাইল দিয়ে এগিয়ে গেলো সানির দিকে।সানি এখনো সেই আগের মতো তাকিয়ে আছে।আদ্র হঠাৎ সানির কোমর পেচিয়ে ধরে হেচকা টানে নিজের উপর ফেললো সানিকে।এতে সানির ঘোর কাটলো।আর প্রচুর লজ্জা এসে ঘিরে ধরলো।,,,)

সানি-এ্ একি,,,কি করছেন??

আদ্র-আমাকে দেখছিলে না???দুর থেকে দেখতে ভালো লাগে নাকি,,কাছ থেকে দেখো।

সানি-না মানে,আ্ আমি আসলে...

(আদ্র আরেকটু চেপে ধরে বলে উঠলো....)

আদ্র-তুমি আসলে??আসলে কি হুম??আমিও তো দেখছি তোমায়।তোমার এই ভীতু চেহারা আমাকে অনেক কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।কিন্তু কি করার তুমি যে এখনো ততদুর পৌছানোর সুযোগ দিলেনা।আচ্ছা??তুমি আরেকটু বড় হলে কি এমন ক্ষতি হতো বলো??

(সানির মাথায় ঢুকছে না ইনি এসব কি বলছে??আরেকটু বড় মানে?আমি কি নিজের ইচ্ছায় বড় ছোট হতে পারবে নাকি??)

সানি-ম্ মানে??

আদ্র-তুমি বুঝবেনা মাই ডল।

(বলেই সানির বা গালে টুপ করে একটা কিস করে দিলো।এতে সানি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো আদ্রের দিকে।তা দেখে আদ্র হেসে সানিকে ছেড়ে দিলো।তারপর নিজে গিয়ে খাটে বসলো...)

আদ্র-আর অবাক হওয়া লাগবে না প্রিন্সেস। আসুন,,,বসুন এখানটায়।

(আদ্রের কথায় সানি স্বাভাবিক হয়ে আদ্রের পাশে গিয়ে বসলো।ততক্ষণে আদ্র টিশার্ট পরে নিলো।সে খেয়াল করলো সানি কিছু বলার জন্য হাসফাস করছে।)

আদ্র-কিছু বলবে ডল??.

সানি- না মানে,,,হ্যা।,,,

আদ্র-তাহলে এতো ভয় না পেয়ে নির্দিধায় বলে ফেলো।

সানি-আসলে আমি একটা জিনিস চাইবো আপনার কাছে।

আদ্র-বলোনা কি লাগবে তোমার।আমি এক্ষুনি এনে দিচ্ছি।

সানি- না এনে দেওয়া লাগবে না।ঐটা আপনার কাছেই আছে।আমি শুধু কিছুক্ষনের জন্য নেবো।

আদ্র-আচ্ছা।বলোই না কি নিবে তুমি।আমি দিচ্ছি।

সানি-আপনি রাগ করবেন নাতো??

আদ্র-আজব,আমি রাগ করবো কেন।তুমি বলেতো দেখো।বলো কি লাগবে তোমার।

আদ্রের সম্মোহীনি পর্ব ২৬