আদ্রের সম্মোহীনি

পর্ব - ২৪

🟢

(গালের উপর তরল কিছু পরতেই পিটপিট করে চোখ খুললো আদ্র।বুঝতে পারলো মাথার কাছে কেউ আছে।তাই মাথা উচিয়ে দেখলো,,,সানি তাকে নিজের কোলে শুইয়ে এক হাত দিয়ে চুলে বুলাচ্ছে আরেক হাত দিয়ে আদ্রের গলা জরিয়ে আছে।চোখে রয়েছে পানি।এই পানিই আদ্রের গালে পরেছিলো।,,,,)

আদ্র-(আমার পুতুলটা কাদছে কেন?কি হয়েছে আমার পুতুলটার?আমি কি আবার ওকে কষ্ট দিলাম?)(মনে মনে)

(আদ্রকে চোখ খুলতে দেখে মুখে হাসি ফুটিয়ে বলে উঠলো সানি...)

সানি-আ্ আপনার জ্ঞান ফিরেছে??কি করে এমন হলো বলুন??আপনার হাত কাটলো কি করে??এখন ব্যথা করছে আপনার হাতে??কি হলো কিছু বলছেন না কেন??কষ্ট হচ্ছে??

আদ্র-তুমি এখানে কি করছো??কেন এসেছো আমার কাছে??চলে যাও,,থাকা লাগবে না আমার মতো মানুষের কাছে।যাও নিজের রুমে চলে যাও।(হালকা রাগি কন্ঠে)

(আদ্রের এমন ব্যবহারে সানি একটু কষ্ট পেলো।তবুও নিজেকে সামলে নিলো।আদ্র উঠে বসতেই আদ্রের কোলে ঝাপিয়ে পরলো সে।,,সাথে কান্না তো আছেই।৷,,,,,, আদ্র কিছুটা বিরক্ত হয়ে সানিকে সরাতে নিলে সানি আরো শক্ত করে ধরে আদ্রকে।পিঠের উপরের শার্ট খামছে ধরে রাখে।,,,,)

আদ্র-ছাড়ো আমায়।ভালো লাগছে না আমার।ছারো।

(সানি আদ্রের কাধে মাথা গুজেই মাথা নাড়ালো।মানে সে ছারবে না।,,,)

আদ্র-কেন??কি হলো আবার তোমার??

সানি-আমি জানি আপনি আমার উপর রেগে আছেন।আপনার এই অবস্থাতো আমার জন্যই হয়েছে।সব দোষ আমার।আমি খুব পচা।একদম পচা আমি।

(আদ্র কিছুটা অবাক হলো সানির কথা শুনে।হঠাৎ সানি এসব বলছে কেন?এর মধ্যেই ঘটে গেলো এক অবিশ্বাস্য ঘটনা।আদ্রের ভাবনার মাঝেই সানি মাথা উঠিয়ে আদ্রের দু গালে চুমু খেয়ে বসলো।এরপর আদ্রের কপালে কপাল ঠেকিয়ে চোখ বন্ধ করে কাদতে কাদতে বললো...)

সানি-এমন করছেন কেন,,,কথা বলুন না আমার সাথে।দ্ দেখুন,,আমি নিজের ভুল বুঝেছি তো।,,,,কি হলো কথা বলবেন না আমার সাথে??

(আদ্র এখনো ভাবছে কিছুক্ষণ আগে সানি এটা কি করলো।তার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না।)

সানি-ওহ,,কথা বলবেন না তাই তো??আমি জানি আমার মতো খারাপ মেয়ের সাথে আপনি কথা বলতে চান না।ঠিক আছে,,আর বলতে হবে না।আমি চলে যাচ্ছি।ইসস,,আর আপনাকে কথা বলতে হতো না যদি তখনই আমি ঐ পানির মাঝে ডুবে মরে যে......

(কথাটা শেষ হওয়ার আগেই আদ্র সানিকে টাইট করে জরিয়ে ধরে সানির ঠোটে ঠোট মিলিয়ে দেয়।সানিও থেকে যায়।,,,,কিছুক্ষণ পরে আদ্র তার তৃষ্ণা মিটিয়ে সানির ঠোটে ঠোট ছুইয়ে বললো....)

আদ্র-আর কখনো এমন কথা বলবে না।আমায় মারবে নাকি এসব বলে??কেন বলো এসব??এমনিতেই তখন তোমাকে ঐ অবস্থায় দেখে আমি প্রায় মরেই গেছিলাম।এখন কি এসব বলে একেবারেই মেরে ফেলবে আমায়??

সানি-আপনি তো কথা বলবেন না।আমি কি করবো তাহলে??আর আমিতো খারাপ তাই না??

আদ্র-কে বললো এসব ফালতু কথা??তুমি তো সবার সেরা।আমার দেখা বেষ্ট গুডি গার্ল ইস ইউ মাই লিটেল ডল।তুমি কখনো খারাপ হতেই পারোনা।

সানি-উহুম,,আমি খারাপ।আমার জন্যই আপনার এই অবস্থা হলো।হাতও কেটে গেলো কতো খানি।

আদ্র-ওসব কিছু না ডল।আর তোমার জন্য কেন হতে যাবে এসব??তুমি কি করেছো নাকি??এসব তো আমার জন্য হয়েছে।আর যা হয়েছে বেশ হয়েছে।এই হাতটা আমার পুতুলটাকে কষ্ট দিয়েছে।একে তো শাস্তি পেতেই হতো।

সানি-কেন করলেন এমন??আমি তো ভুল করেছিলাম।তাই বলে এমনটা করবেন?.

আদ্র-কে বললো তুমি ভুল করেছো??ভুলতো আমি করেছি।

সানি-উহুম,,,আমিই করেছি।

আদ্র-হঠাৎ এটা কেন মনে হলো তোমার??

(এবার সানি কিছুক্ষণ আগের কথা আদ্রকে বলতে লাগলো.)

******ফ্ল্যাসব্যাক*******

(ওয়াশরুম থেকে চেঞ্জ করে এসে খাটে আরিফার বুকে মাথা গুজলো সানি।)

সানি-উনি এমন কেন করে মামনি??কি করেছি আমি??

রুসা-পিচ্চি,,,তুই ভুল বুঝিস না।ভাইয়া এসব ইচ্ছে করে করেনি।

সানি-মানে??

(এরপর রুসা সবটা খুলে বললো।)

সানি-আ্ আমি উনাকে ভুল বুঝলাম???উ্ উনি আমার জন্য কষ্ট পেলো??

(হঠাৎ সানি দৌড়ে বেরিয়ে গেলো রুম থেকে।)

আরিফা-মামনি৷ দাড়া।আস্তে যা।

(কে শুনে কার কথা।সানি দৌড়ে চলে গেলো আদ্রের রুমে।দরজা ভেরানো ছিলো।হালকা ধাক্কা দিতেই দরজা খুলে গেলো।ভেতরে ঢুকতেই সানি দেখলো আদ্রের হাতে রক্ত।সে অজ্ঞান হয়ে ফ্লোরে পরে আছে।এতেই যেন সানি থমকে গেলো।....)

সানি-আদ্র স্যার৷ ,,,, (চিৎকার দিয়ে।)

(সে দৌড়ে গিয়ে আদ্রের মাথাট নিজের কোলে রাখলো।তারপর পাগলের মতো কাদতে কাদতে বললো...)

সানি-ক্ কি হলো আপনার???উঠুন না।এই যে,,,কি হলো চোখ খুলুন না??আরে উঠুন না,,,কি করে হলো এমন টা??

(এদিকে সানির চিৎকার শুনে বাড়ির সবাই ঐ রুমে এসে পৌছালো।আদ্রের এমন অবস্থা দেখে আরিফা ওখানেই জ্ঞান হারালো।সফিক গিয়ে আদ্রকে ডাকলে লাগলো...)

সফিক-আ্ আ্ আদ্র বাবা,,,কি হলো তোর বাবা??এই,,,উঠ না।কি হলো তোর??দেখ,, তোর বাবাই তোকে ডাকছে।উঠ না বাবা।,,,,আমার ছেলে,,ক্ কি করে এমনটা হলো??ম্ ম্ মামনি,,কি হলো আমার ছেলের??ও কথা বলছে না কেন??

সানি-দেখোনা ব্ বাবাই।উনি আমার উপর রাগ করেছে,,,ত্ তাই উঠছে না।তোমরা ব্ বলো না উনাকে উ্ উঠতে।দেখো,,ত্ তোমাদের কথা ঠিক শুনবে উনি।বলো না তোমরা।

(কাদতে কাদতে সানির হিচ্কি উঠে যাচ্ছে।যার জন্য ঠিক মতো কথাও বলতে পারছে না।রুসা গিয়ে সানিকে ধরলো...)

রুসা-পিচ্চি।।শান্ত হ তুই।দেখ ভাইয়ার কিচ্ছু হবেনা।।।এক্ষুনি ঠিক হয়ে যাবে।তুই শান্ত হ বোন।আয় উঠে আয় তুই।বিহান,,, কিছু করো প্লিজ।

বিহান-কেউ ডক্টরকে কল করো।

(এসব বলতে বলতে বিহান এসে আদ্রকে সানির কাছ থেকে ছাড়াতে লাগলো...)

বিহান-পিচ্চি,,,ওকে ছাড়।আমি ওকে খাটে তুলছি।

সানি- না না না,,,আ্ আমি ছারবো না।আ্ আগে উনাকে বলো চোখ খুলতে।বলো??নাহলে ছ্ ছারবো না।আমি।

বিহান-পিচ্চি,,শান্ত হ প্লিজ।দেখ,,তুই ওকে না ছারলে আমি ওকে উঠাবো কি করে??,,,রুসা,,ওকে সরাও না প্লিজ।

রুসা-হ্যা,,,আয় বোনু,,একটু।।দেখ পরে আবার যাস তুই।

(শেষমেষ রুসা আর শারমায়া মিলে জোর করে সানিকে ছাড়ালো আদ্রের থেকে।তারপর বিহানরা সবাই মিলে আদ্রকে খাটে উঠালো।কিছুক্ষণ পরে ডক্টর এসে আদ্রের হাতে ব্যন্ডেজ করে দিলো।এরপর তিনি জানালেন....)

ডক্টর-ভয়ের কিছু নেই,,,কিছুক্ষণের মধ্যে জ্ঞান ফিরে আসবে।মনে হয় কোনো ব্যপার নিয়ে চিন্তায় ছিলো।

(এরপর ডক্টর আরিফাকে চেকআপ করে চলে যায়।আরিফার জ্ঞান ফিরেছে।সে এখন নিজেকে অনেকটা সামলে নিয়েছে।ডক্টরের কথায় কিছুটা শান্তি পেলো সে।এরপর সবাই চলে যায় আদ্রের রুম থেকে কিন্তু সানি যায় না।সে তখন থেকে আদ্রের মাথার কাছে বসে আছে।,,,,,,,)

********খাতাম ফ্ল্যাশব্যাক :>**********

(আদ্র সানিকে নিজের বুকে জরিয়ে রাখলো।আর সানির মাথায় স্বযত্নে হাত বোলাতে লাগলো।আদ্র খেয়াল করলো সানির মুখ থেকে তখনকার ফ্যাকাসে ভাবটা যায়নি এখনো।মেয়েটা কেমন যেন নির্জিব হয়ে গেছে।চুপচাপ শুয়ে আছে আদ্রের বুকে।,,আদ্র একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে হালকা হাসলো......)

আদ্র-(ইসস,,কত কষ্টই না দিলাম আমার এই ছোট্ট পুতুলটাকে।এত কিছু সহ্য করলো এই টুকু মেয়ে।সবটা আমার জন্য হলো।হুহ।এবার আমিই ওকে আবার হাসি খুশি জীবনে ফিরিয়ে আনবো।আর কষ্ট দেবোনা আমার এই ছোট্ট পুতুলটাকে।)(মনে মনে)

(তখনই দরজার সামনে দাড়িয়ে আরিফা বললো...)

আরিফা-আসবো বাবা??

(আরিফার কন্ঠ শুনে সানি সরে যেতে নিলে আদ্র তাকে ধরে রাখে।আর মনে মনে বলে..)

আদ্র-(বাহ,,আমার পিচ্চিটা দেখছি লজ্জা পাচ্ছে আমার কাছে থাকতে।গুড,গুড।)(মনে মনে)

আদ্র-মাম্মাম,,তুমি অনুমতি চাইছো কেন?আসো না

আরিফা-না,,তোরা কথা বলছিলি তো তাই।

(বলতে বলতে ভেতরে আসলো আরিফা।তারপর আদ্রের কাছে বসে বললো...)

আরিফা-এখন কেমন লাগছে বাবা??

আদ্র-আমি ঠিক আছি তো মাম্মাম।দেখো কিছু হয়নি আমার।

আরিফা-পাগল ছেলে আমার।এত কিছুর পরেও বলছিস কিছু হয়নি?এমন কেন করলি বাবা,,,আমাদের কি কষ্ট না দিলেই নয়??

আদ্র-মাম্মাম,,,আমি তো হালকা জ্ঞান হারিয়েছি।আর কিছুই তো হয়নি।

আরিফা-হ্যা,,আমাদের ব্যপারটাতো তুই বুঝিসই না।

সানি-ছেড়ে দিন না।আমি ঠিক করে বসি।

আদ্র-ডল,,এতক্ষণ তো ঠিকই ছিলে।এখন কেন উঠতে চাইছো..??

আরিফা-কি আবার,,আমার মামনি আমার সামনে লজ্জা পাচ্ছে।থাক আর লজ্জা পেতে হবে না।যেভাবে আছিস সেভাবেই থাক তুই।এমনিতেই যা করেছিস তুই...

আদ্র-কেন??ও আবার কি করলো??

(তখনই রুসা আর শারমায়া রুমে ঢুকতে ঢুকতে বললো....)

রুসা-আর বলিস না।তখনতো ওকে তোর কাছ থেকে সরানোই যাচ্ছিলো না।আমি আর শামু জোর করে টেনেটুনে সরিয়েছি।সেই পরে আবার তোর কাছে গেলো।

শারমায়া-হুম,,,,যা কান্না করেছিলো পিচ্চি।এমন ভাবে হিচ্কি তুলছিলো,,আমিতো ভাবলাম এই বুঝি ও জ্ঞান হারালো।

আদ্র-(আমার পুতুলটা এতটা করেছে আমার জন্য??আচ্ছা,,,পুতুলও কি আমাকে ভালোবেসে ফেললো??)(মনে মনে)

রুসা-আর ভাইয়া,,তখনতো চাচিও জ্ঞান হারালো।কি যে হয়েছে না,,বলে বোঝানো দায়।প্রথমেই পিচ্চির ঐ রকম অবস্থা এরপর তোর অবস্থা দেখে চাচিতো অজ্ঞান, এদিকে চাচাকেও সামলানো যাচ্ছিলো না।তার উপর আবার পিচ্চির ওমন কান্ড।সব মিলিয়ে একদম এলাহি কারবার।

শারমায়া-থ্যাংক গড এখন সব ঠিক হয়ে গেছে।আজকের দিনটার কথা ভুলার মতো নাহ।

আদ্র-মাম্মাম,,তুমি জ্ঞান হারিয়েছো??ডক্টর চেকআপ করেছে??এখন তোমার শরীর কেমন আছে??

আরিফা-আরে বাবা,,আমি একদম ঠিক আছি।এতক্ষণতো রেস্ট নিয়েছিলামই।তুই আমার কথা চিন্তা না করে মামনির কথা ভাব।তখন থেকে মেয়েটা একটুও রেস্ট নেয়নি।রাত প্রায় ২টো বাজে।এখনো ঘুম নেই তার চোখে।এমনিতেই তো অসুস্থ, এখন বলতো না ঘুমালে হয়??শরীর তো আরো খারাপ করবে।ভাগ্যিস রুসা জোর করে দুটো খাইয়ে দিয়ে অষুধ খাওয়ালো।নাহলে তো আরো অসুস্থ হয়ে পরতো।

(আদ্র এবার তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে সানির দিকে তাকালো।)

আদ্র-এসব কি শুনছি ডল??এগুলো কি সত্যিই??তুমি তখন থেকে একটুও রেস্ট নাওনি??এত কেয়ারলেস কেন তুমি নিজের প্রতি??আমার খেয়াল রাখতে চলে এলে নিজের কথা না ভেবে।এমন কেউ করে??এই,,তোমার একটুও ক্লান্তি লাগছে না?কি হলো এখন চুপ করে আছো কেন??উত্তর দাও??

(সানির কোনো কথাই নেই)

আদ্র-কি হলো,,চুপ করে আছো কেন??কথা বলো??

(এবারও সানি চুপ।,,,,আদ্র এবার একটু সন্দেহ নিয়ে আলতে হাতে সানির মুখখানা নিজের বুক থেকে উপরে উঠালো।একি,,,মেয়েটা তো ঘুমিয়ে পরেছে।এই শীতের মধ্যে আদ্রের বুকের উষ্ণতা পেয়ে ক্লান্ত শরীরে ঘুম চলে এলো।)

আদ্র-হায়,,কাকে কি বলছি।আমি ওকে ঘুমানোর জন্য বকছি,আর ও অলরেডি ঘুমিয়েই পরেছে।

(সানির এমন কান্ড দেখে আরিফা,রুসা আর শারমায়া হেসেই দিলো।,,)

আরিফা-থাক,,ক্লান্ত মেয়ে,,একটু আরাম পেতেই বিড়াল ছানার মতো ঘুমিয়ে পরলো।

(এদিকে শারমায়া রুসার কাধে ধাক্কা দিয়ে ফিসফিসিয়ে বললো....)

শারমায়া-ঘুমানোর জন্য প্রেমিকের বুক ছাড়া আর বেস্ট তো কিছু হতেই পারেনা।দেখ,,আমাদের পিচ্চিও তা বুঝে গেছে।হিহিহি।

রুসা-হুম,,দেখ কেমন আরামে ঘুমিয়ে আছে।যেন ইহজগতের কোনো বিপদই তাকে ছুতে পারবে না আর।,,,

আরিফা-বাবা,,তুইও একটু রেস্ট নিয়ে নে।আমি বরং মামনিকে ডেকে দিই ওর রুমে গিয়ে ঘুমানোর জন্য।

আদ্র-না মাম্মাম।থাক না ও।শুধু শুধু এত মিষ্টি একটা ঘুম নষ্ট করার কি দরকার??

আরিফা-সেকিরে,,তুই তো রেস্ট নিবি।ও না উঠলে রুমে যাবে কি করে??

আদ্র-এখানেই থাক না আমার কাছে।

আরিফা-তোর কাছে??

আদ্র-কেন মাম্মাম,,তোমার কি আমার উপর ভরসা নেই??

আরিফা-তুই আমাকে এমন ভাবিস নাকি।আমিতো বলতে চাইছিলাম ও এখানে থাকলে তুই রেস্ট নিতে পারবি??

আদ্র-পারবো না কেন??ও আমার কাছে থাকলে আরো বেশি ভালো লাগবে আমার।থাক না ও আজ এখানে।

আরিফা-আচ্ছা,,,আমরা তাহলে গেলাম এখন।এই তোরাও যা ঘুমিয়ে পর গে।

(বলেই আরিফা চলে গেলো।)

শারমায়া-এতোই যখন কাছে পেতে ইচ্ছে করছে।তাহলে এভাবে না রেখে বিয়েই তো করে নিতে পারিস ভাইয়া।(দুষ্টুমি করে)

রুসা-হুম,,শুধু শুধু,,,এত কষ্ট। ভাবতো ভাইয়া পিচ্চিকে এত কাছে পেয়েও প্রায় পেলোনা।এর থেকে তো ভালোই,,বিয়ে করে আজীবনের মতো তোর কাছে রেখে দে।

আদ্র-তবেরে দুষ্টুগুলা।

(বলতেই রুসা আর শারমায়া চলে গেলো।)

আদ্রের সম্মোহীনি পর্ব ২৪