তুমি কোন কাননের ফুল

পর্ব - ১০

🟢

সেদিনের পর কেটে গেলো আরো প্রায় দু সপ্তাহ।প্রনবদের বাড়িতে ব্যাস্ত সকলেই।উর্মির বিয়েটা ধার্য করা হয়েছে বৈশাখের চতুর্থিতে।হিন্দু শাস্ত্রমতে চৈত্র মাসে বিবাহের মতো শুভকাজ করা অনুচিত। তাই এই পুরো চৈত্রমাসখানাই সময় পেলো সকলে।

তবে কেনাকাটা,অতিথি আমন্ত্রণ এখন থেকেই শুরু করেছে সকলে মিলে।

প্রনতি দেবীর যে বউমা পছন্দ হয়নি তা এবাড়ির সকলেই বুঝে গেছে।তবুও উপায় নেই,ছেলে তার ঐ কালো মেয়েকেই পছন্দ করেছে। মনে এক বদ্ধমূল ধারনা প্রনতি দেবীর,কালো নারী মানেই কুটিলতায় ভরা বিষযুক্ত নারী।কিন্তু তিনি কি ঘুনাক্ষরেও টের পাচ্ছেন,কতটা সুশীল, সুশ্রী কণ্যার আগমন ঘটতে চলেছে তার নীড়ে বউমা রুপে?

প্রচ্ছদ সাচ্ছন্দ্যে মেনে নিলো প্রনতী দেবীর নারাজিকে।এমনকি নিজের বড় বোনকে দিয়ে উনাকে আরেকটু উষ্কে দিতেও ভুললেন না।সবটা ঠিক থাকলেও মানতে চাইলো না অভ্রার রূপ নিয়ে বিরূপ উক্তিগুলো।অভ্রাতো সুন্দরী, গায়ের রঙ চাপা হলেও সুন্দরী। অন্তত প্রীথুলার থেকে তো সুন্দরীই বটে।

----

অশোক মজুমদারের ঘরের সামনের কক্ষটায় কাঠের কারুকাজের সোফায় বসে আছে উষ্ণ, প্রচ্ছদ,উর্মি এবং তাদের মামা প্রবন বাসুও।

অভ্রার মা অলকা মজুমদার তাদের আপ্যায়নে ত্রুটি রাখেনি।অশোক বাড়ি নেই।তবে আগত অতিথিদের বিষয়ে সবটাই জানে সে।তবে অভ্রার ছোট ভাই বোন,অঙ্গ আর অর্ক দুজনই উপস্থিত ঘরে।

অঙ্গ একটু উৎফুল্ল চিত্তের অধিকারী,অভ্রাও হয়তো অতীতে এমন ছিলো।উষ্ণ হঠাৎই মন থেকে ইশ্বরের নীকট অঙ্গের জন্য প্রার্থনা করলো,,'ইশ্বর,,, আমার শ্যামা ফুলের মতো অঙ্গের জীবনে কোনো কালোক্ষন দিও না তুমি।নাহলে এই চঞ্চল হরীনির মতো মেয়েটাও যে আমার ফুলের মতো নির্জীবে পরিনত হবে।''

প্রনব বাসু বিনীত হয়ে নিজেদের আগমনের উদ্দেশ্য প্রকাশ করলো অভ্রার মায়ের কাছে।তারা কিছুদিনের জন্য অভ্রা আর অঙ্গকে ও বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়।এই বিষয়ে অশোক বাবুর থেকে অনুমতি নিয়েই নাকি হাজির হয়েছেন তারা।

অভ্রার মা প্রথমেই একটু অমত করলেন,,বিয়ের আগে শশুর বাড়ি যাওয়া কি আদেও ঠিক হবে??এমন যে সচরাচর হয় না।তবে বেশি বাধ সাধতে পারলেন না তিনি।প্রনব বাসু তাকে বুঝিয়েছে,ওটা তো অভ্রার শশুর বাড়ি নয়,মামা শশুর বাড়ি।তাছাড়া যদি একান্তই মতের মিল না হয়, তাহলে এই কটা দিন প্রনব বাসু অভ্রাকে তার মেয়ের মতো করেই রাখবে। বিবাহের কন্যা স্বয়ং উর্মিও বেশ করে বললো বউদিদিকে নেওয়ার জন্য।অবশেষে উষ্ণ ছোট্ট করে একটা কথাই উচ্চারণ করলেন..

"প্লিজ মা।"

ছেলেটির কথার সাথে তার চোখ মুখের ভাবভঙ্গি এমনভাবে মিলে যায়,যে কেউই তার কথা শুনতে বাধ্য।অলকাও আর না করতে পারলেন না।তবে অঙ্গ এখন যাবেনা,তিনদিন পরেই মিডেলটার্ম পরিক্ষা শুরু তার।উষ্ণ বললো,বেশ তবে অঙ্গের পরিক্ষা শেষ হলেই ওকে নিয়ে যাবে,আপতত অভ্রাই চলুক।

অভ্রা বাড়ি নেই।তবে কোথায় আছে জানে তার পরিবার।অলকা অঙ্গকে বললো অভ্রাকে নিয়ে আসতে।ফোনটাও নিয়ে যায়নি মেয়েটা।অঙ্গ যেতে নিলেই উষ্ণ উর্মি সঙ্গ দিলো তার।প্রচ্ছদকেও নিয়ে চললো সাথে।প্রনব বাসু যায়নি,।তিনি অভ্রার বড় জেঠুর সাথে মাত্রই গল্প জুড়েছেন,একই বাড়িতে ভিন্ন ঘরেই বসবাস তার পরিবারের।

"বাড়িতে থাকলে এই বিকেলের সময়টা দিদি মাঠেই থাকে।আমিও যাই,তবে আজ নেয়নি আমায়,পরিক্ষা বলে পড়তে বসিয়ে নিজেই গেলো। "

অঙ্গের কথায় উষ্ণ প্রশ্ন করে...

"মাঠে?"

"হুম,,আমাদের স্কুল মাঠটায়,,।ক্রিকেট খেলতে যায় আরকি।ওর বাকি বন্ধুরাও থাকে তো।চলো, দেখতেই পাবে।"

উষ্ণ নিচে তাকিয়ে হাসলো,,মেয়েটা এসবও করে??,

মিনিট চারেক হাটা পথ শেষ করেই চোখে পড়লো বিশাল গেইটের উপরের লিখাটি...

"প্রতাপপুর উচ্চ বিদ্যালয়।"

মাঝখানে মাঠটায় ক্রিকেট খেলা চলছে তরুনদের মাঝে।দু তিনজন তরুনীও লক্ষ্য করা যায়।ঐ যে,,অভ্রায়ীনি মজুমদারও রয়েছে। আশপাশের বেশ কয়েকজন মনোযোগ দিয়ে খেলা দেখছেও।গ্রামীন পরিবেশের মাঝে এমন দৃশ্য এখন বীরল হয়ে পড়েছে।প্রযুক্তির যুগে এসব তো দেখাই যায় না।

অভ্রা বলিং করছে।প্রতিপক্ষের হয়ে ব্যাটিংয়ে আছে একটি ছেলে,একে চেনে উষ্ণ। অভ্রাদের ইভেন্ট টিমেরই একজন।নাম যেন কি??ওহ৷ ওমর।,

অঙ্গ বললো..

"এক মিনিট দাঁড়াও, আমি দিদিকে ডেকে আনছি।"

তবে যেতে পারলো না।উর্মি উৎফুল্ল মনে টেনে ধরলো অঙ্গের হাত..

"এই এই অঙ্গ।এখন ডেকো না।দেখো কি দারুন খেলছে বউদিদি।".

হবু বৌদির এমন ধামাকাদার খেলায় বেশ খুশিই হলো উর্মি।তাদের বউটা একটু অন্যরকমই হবে বটে।উষ্ণও সায় দিয়ে বললো...

" ওর খেলা শেষ হোক,তারপর ডেকো।কি বলিস প্রচ্ছদ ভাই?"

এতোক্ষণে প্রচ্ছদের মুখ দিয়ে একটা কথা বের হলো..

"হুম থাক।ভালোই তো খেলছে দেখছি।দেখি কি হয়।"

ওমরকে আউট করেই ক্ষ্যান্ত হলো অভ্রা। জিতের পর ঠোঁটের কোনের হাসিটাও পরিলক্ষিত হলো সবার।ওমর মাঠ ছাড়তে ছাড়তে ব্যাটের আগা দিয়ে অভ্রার মাথায় হালকা টোকা দিয়ে বললো..

"শা**, কাউকেই একটু শান্তি মতো খেলতে দিস না।তুই মাঠে মানেই প্রতিপক্ষ পগারপার। তোর তো ন্যাশনাল টিমে খেলা উচিৎ।"

অভ্রা শুধু একটু হাসলো।চৈত্রের তাপে শরীর হতে স্বেদজল বের হচ্ছে তার।একটানা বেশ অনেকক্ষণ খেলেছে,তাই ক্লান্তও লাগছে খুব।পেছন ফিরে বলটা ছুড়ে মারলো তুহিনের দিকে বললো..

''নে, বলিং কর তুই এবার।"

স্কুলের একটা বিল্ডিংয়ের বারান্দার সিঁড়িতে গিয়ে বসলো সে।কোমড়ে জড়ানো ওড়নাটা খুলে ঘাড় গলার ঘাম মুছতে মুছতেই খেয়াল পড়লো উষ্ণদের দিকে।তারাও প্রায় অভ্রার কাছেই চলে এসেছে।সামনে আসতেই অভ্রা জিজ্ঞেস করলো..

"আপনারা এখানে?"

উত্তরের আগেই উর্মি ঝাপিয়ে পড়লো একপ্রকার তার উপর..

"বউদিদি,কি দারুন খেলেছো তুমি।আউটস্ট্যান্ডিং।"

অভ্রা একটু হাসলো।উর্মিকে ছাড়িয়ে বললো...

'ধন্যবাদ। "

অঙ্গ বললো...

"জিজু তোকে নিতে এসেছে দিদি।চল বাড়িতে,মা ডাকছে।"

সবটা পরিষ্কার শুনলো অভ্রা।মা বাবা রাজি আছে শুনে ইচ্ছে না থাকলেও রাজি হতে হলো তাকে।

উঠতে উঠতে অঙ্গকে বললো...

"চল,বাড়ি চল।"

উষ্ণদের দিকে তাকিয়ে বললো...

"আপনারাও আসুন।"

----

অভ্রা স্নানে গেছে।আর অঙ্গের সাথে উষ্ণটা উঠলো তাদের ঘরের ছাঁদে। একপাশে প্রচুর ফুলগাছ। সবগুলোই সাদা রঙের।প্রচ্ছদের মনে পড়ে গেলো কিছু স্মৃতি।একদিন এই জায়গাটায় দাঁড়িয়েই বুঝি অভ্রা তার সাথে ফোনে কথা বলছিলো?,,হুম,এটাই।অভ্রার সুমিষ্ট সুরে বলেছিলো,ঘরের ছাঁদে সে সাদা ফুলের কালেকশন করছে।গাছেই জল দিচ্ছিলো তখন।প্রচ্ছদও কত স্বাভাবিক ভাবে জিজ্ঞেস করছিলো কত রকমের ফুল গাছ হলো,কটা ফুল ধরেছে,ছবি তুলে পাঠিয়ে দিও,আরো কত কি।সেই মুহুর্তেই তো ইনিয়ে বিনিয়ে প্রচ্ছদ বলেছিলো..

"শোনো না অভ্রা,,তোমাকে একটা কথা বলার ছিলো।আমি জানি তুমি হয়তো খুব কষ্ট পাবে,,কিন্তু কথাটা তোমায় বলা উচিৎ। "

"বলেই ফেলুন না দাভাই।আমি শুনছি।"

"আসলে অভ্রা,,আমাদের সম্পর্কটা আর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।আমি আগে থেকেই অন্য একজনকে ভালোবাসি।"

অভ্রার দিক থেকে কিরূপ প্রতিক্রিয়া হলো তা নিজ চোখে দেখতে পেলো না প্রচ্ছদ তখন।দেখতে চাইলোও না,তখন তার কাজ হাসিল হলেই চলতো।,,অভ্রা শুধু চুপ রইলো তখন।প্রচ্ছদ আবারো বললো...

"আ'ম সরি অভ্রা।আমি জানি তুমি খুব কষ্ট পাচ্ছো,,কিন্তু বিশ্বাস করো,আমি এমনটা চাইনি।আমি তো তোমার বিষয়টা শুধুই মজা হিসেবে নিয়েছিলাম।কিন্তু কি থেকে কি হয়ে গেলো,, আমি..আমি বুঝিনি অভ্রা।"

অভ্রা তখনও চুপ রইলো।তা দেখে প্রচ্ছদ ডাকলো তাকে কাতর কন্ঠে...

"অভ্রা?? শুনতে পাচ্ছো তুমি??"

"বলুন?"

"ঐ দিন ছাঁদে আমি তোমার সাথে দেখা করতে চেয়েছিলাম প্রীথুলার বিষয়ে সত্যটা বলার জন্যই।কিন্তু,,আমি কেন যেন পারিনি বিশ্বাস করো।ছাঁদে তোমার সাথে দেখা হয়েছে ঠিক,কিন্তু তখন কথা গুলো আমার গলায় আটকে আসছিলো।মনে হচ্ছিল এই বুঝি তুমি কান্না করে দেবে নীরবে।তা আমি সহ্য করতে পারতাম না অভ্রা।সত্যিই পারতাম না।,,,,আমার উপর রাগ করেছো তাই না অভ্রা,, আমাকে মেরে ফেলতে ইচ্ছে করছে এখন তাই না?তুমি যা শাস্তি দেবে আমি মেনে নেবো অভ্রা।"

অভ্রা সেদিন প্রচ্ছদকে বুঝিয়েছিলো সে কষ্ট পায়নি।একটুও কষ্ট পায়নি।বরং বলেছে...

"স্ সমস্যা নেই দাভাই।আ্ আপনি ভয় পাবেন না,,আমি ঠিক আছি। এই কটা দিন এরকম মজা না করলেই পারতেন।আ্ আমি তো সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছিলাম।"

প্রচ্ছদ যেন মোক্ষম সুযোগটা পেয়েছিলো।নেকি সুরে বললো...

"অভ্রা,তুমি সত্যিই মেনে নিলে??"

"হুম"

"একটা সাহায্য করবে অভ্রা?"..

" বলুন?"

"প্রীথুলা কোনো ভাবে জেনে গেছে আমি যে তোমার সাথে কথা বলি।আমি ওকে অনেক বুঝিয়েছি।কিন্তু ও মানছে না।এখন ও চাইছে তুমি যাতে আমাকে ভাই মেনে নিয়ে রাখী পড়াও।"

প্রচ্ছদ নিজের স্বার্থের তাগিদে একের পর এক বাজ ফেলে গেলো অভ্রার মাথায়।বুঝতেও চাইলো না বিপরীত পাশের মেয়েটার ঠিক কেমন অনুভূতি হচ্ছিলো তখন।কিন্তু বোকা অভ্রা প্রচ্ছদকে বিশ্বাস করলো,নিজেরটা ছেড়ে প্রচ্ছদের ভালোবাসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য অনুভূতি গুলো লুকিয়ে গেলো প্রচ্ছদের কাছ থেকে,এটা ভেবে যে,সে এখন প্রচ্ছদের সামনে নিজের কান্না প্রকাশ করলে প্রচ্ছদও কষ্ট পাবে।অথচ অভ্রা জানতেও পারলো না তখন,যে প্রচ্ছদ নামক ব্যক্তিটির কাছে অনুভূতি বোঝার কোনো ক্ষমতাই নেই।শুধু আছে,নিজের কাব্যিক কথা দিয়ে মানুষকে ভোলানোর মতো অসীম ক্ষমতা।

-----

"দিদিকে নিচ্ছো ঠিক আছে। কিন্তু খেয়ালও রাখতে হবে ওর।"

অঙ্গের কথায় ধ্যান ফিরলো প্রচ্ছদের।উষ্ণ মিষ্টি হেঁসে বললো...

"সবটা দিয়ে তোমার দিদির খেয়াল রাখার চেষ্টা করবো।"

অঙ্গের কন্ঠে ভাব প্রকাশ পেলো।মেয়েটা সিরিয়াস হয়ে বললো...

"দিদি কিন্তু একা ঘুমাতে পারে না এখনো।সব সময় আমিই থাকি ওর সাথে।আর রাতে পুতুল জড়িয়ে না ধরলে ওর ঘুমই আসে না।যাওয়ার সময় মনে করে পুতুলটা নিয়ে যেও জিজু।"

উষ্ণ গাছ থেকে একটা সাদা নয়নতারা ফুল তুলে বললো...

"আচ্ছা। আরো বলো??"

"আমার দিদি, চিংড়ি ইলিশ, এসবে এলার্জি আছে।এই জাতীয় কিছু খাওয়ার আগে মনে করে ওকে একটা এলার্জির ঔষধ খাইয়ে দিও জোর করে।নিজ থেকে নিয়ে কখনোই খায়না ও।ঘুরতে যেতে ভীষণ পছন্দ করে ও।পারলে মাঝেমাঝে একটু ঘুরতে নিয়ে যেও ওকে।দুরে না হলেও কাছেপিঠে কোথাও।আর হ্যা,,ওর গিটারটাও নিয়ে যেও।মুড সুইং হলে ও লুকিয়ে গান ধরে।,,ওওহ মোস্ট ইনফরট্যান্ট থিংকস,,ও ঘুমালে হুট করে চেচিয়ে ডেকো না ওকে।মাথা ধরে যায় এমন হলে ওর।আস্তে ধীরে ঘুমভাঙিও।"

উষ্ণ শুনলো অঙ্গের প্রতিটি কথা।অঙ্গ যথেষ্ট যত্নশীল তার বড় বোনের প্রতি,,আজ কাল এমন ছেটবোন খুজে পাওয়াই দায়।শুনলো উর্মি আর প্রচ্ছদও।উর্মিতো খুশি হয়ে জিজ্ঞেস করেই ফেললো...

"বাহ,,,ছোট বোন হয়ে বড়বোনের এতোটা খেয়াল রাখো?"

অঙ্গ মুচকি হেঁসে উর্মির কথার জবাব দিলো..

"দিদি আমার থেকে বয়সে পাঁচ বছরের বড় হলেও ম্যাচিউরিটির দিক দিয়ে ঠিক পাঁচ বছরেরই ছোট।আমরা তিন ভাইবোন নিজেকে নিয়ে ভাবতে হয়না,অন্য দুজনই যথেষ্ট।এই যেমন আমি দিদি আর ভাইকে নিয়ে ভাবি,তেমনি দিদিও নিজের আগে আমার আর ভাইয়ের সবকিছুই চিন্তা করবে।ছোট্ট হলেও আমার ভাইও এই বিষয়টা এতোদিনে ঠিক নিজেও আয়ত্ত করে নিয়েছে।''

অঙ্গের উত্তরে মুগ্ধ হলো তিনজনই।তবুও হঠাৎ করেই প্রচ্ছদের মনে হলো...

" উষ্ণের থেকেও অভ্রাকে সে বেশি চেনে,,এমনকি অঙ্গের থেকেও বেশি।"

তুমি কোন কাননের ফুল গল্পটি অভ্রায়ীনি ঐশি-এর লেখা একটি জনপ্রিয় সাংসারিক রোমান্টিক গল্প