বিহঙ্গীনির ব্যাকুল মন

পর্ব - ২

🟢

তূর্য শাওয়ার শেষ করে শুধু তোয়ালে পড়ে রুমে ঢুকে। বেডশিটের উপর তার টাওজার ও টি শার্ট। সে ধীরে ধীরে বেডের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। কোমড় থেকে তোয়ালে খুলে মেঝেতে ফেলে দেয়। হঠাৎ একটা মেয়ের চিৎকারে সে দরজার দিকে তাকায়।

"মামনি কাইলা ইন্দুর …

সঙ্গে সঙ্গে তূর্য তোয়ালে আবার নিজের কোমড়ে গুঁজে নেয়। এবং মেঘ ফের চিৎকার দেওয়ার আগেই সে দৌড়ে মেঘে'র মুখ চেপে ধরে। এবং চোখ রাঙিয়ে উঠে,

“ফুটবল টিমের আম্মা তুমি এখানে? আর তুমি আমার সব দেখো ফেলেছো, ও আল্লাহ এখন আমার কি হবে?

মেঘ নিজেকে ছাড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠে তবে নিজেকে ছাড়াতে বার বার বার্থ হয়। তার চিৎকারের শব্দে আনোয়ারা চৌধুরী, রেখা চৌধুরী, তুষার, বৃষ্টি তড়িঘড়ি হয়ে রুমে ঢুকে। তূর্য আর মেঘ'কে এই অবস্থায় দেখে সবার চোখ কপালে উঠার মতো উপক্রম। তাদের দেখে তূর্য মেঘ'কে ছেড়ে দূরে সরে আসে।

"মামনি এই কাইলা ইন্দুর এখানে কেন? এই কাইলা ইন্দুর তুই আমার পিছু নিয়ে এখানে এসে পড়েছিস। মানলাম আমি সুন্দর তাই বলে আমার সামনে ল্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবি।

“ছিহ্ ছিহ্, কি নাউজুবিল্লাহ্ মার্কা কথা!

"বদমাইস, নির্লজ্জ, কইলা ইন্দুর তুই আমার রুমে ঢুকে আবার আমারই সাথে চোখ রাঙিয়ে কথা বলিস, দাঁড়া আজকে তোর হচ্ছে?

মেঘ পুরো রুম চোখ বুলায়। একটা ঝাড়ু দেখতে পেয়ে সেটা হাতে তুলে নিয়ে ঠাসস করে তার পিঠে বারি বসিয়ে দেয়। তূর্য ছটফট করে সরে আসে। এই প্রথম কোনো মেয়ে তার শরীরে আঘাত করলো, সে যাকে তার প্রথম দেখায় ভালো লেগে যায়! মেঘ আবার হামলা করার আগেই তুষার আঁটকে দেয়।

– মেঘু শান্ত হ প্লিজ! শুধু শুধু তুই আমার …

"তুই চুপ কর শা*লা আজকে এর খবর আছে। এই মেহেরুন মেঘে'র সাথে কেউ চোখ তুলে কথা বলতে পারে না আর কাইলা ইন্দুর আমাকে চোখ রাঙায়।

– বইন থাম, আগে শুনে তো নে এই কাইলা ইন্দুর কে?

"আমি কিছুই শুনতে চাই না।

– মেঘু এটাই আমাদের তূর্য ভাইয়া! যে আট বছর আগে বাসা থেকে রাগ করে চলে গিয়েছিল। কারণ তোর সাথে ভাইয়াকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

মেঘ পুরো পৃথিবী যেন থমকে যায়। মূহুর্তেই চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। আপনা আপনি চোখের কোনে অশ্রু জমে যায়। হাত থেকে ঝাড়ুটা মেঝেতে গড়িয়ে পরে। চোখের সামনে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত মানুষ'টা, যাকে সে সবচেয়ে ঘৃণা করে।

“হোয়াট? তুষার… তুই কি বলছিস এসব?

তূর্য'র কণ্ঠ কেঁপে ওঠে।

– আমি ঠিকই বলছি ভাইয়া, মেঘ'ই তোমার ওয়াইফ। যার সাথে তোমার বিয়ে হয়েছে।

এক মুহূর্তে তূর্য'র মাথার ওপর যেন বজ্রপাত হলো।

যার জন্য সে নিজের কাছের, আপন জনদের ছেড়ে দূর দেশে পাড়ি জমিয়েছিল। যে মেয়েকে ভুলে থাকতে চেয়েছিল,

আজ সেই মেয়েই প্রথম দেখায় মনে ধরেছে। এটা কি নিয়তির ব্যঙ্গ?

মেঘ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না। বুকের ভেতর তীব্র যন্ত্রণা।পুরোনো ক্ষতগুলো নতুন করে ফুটে উঠছে। তার সামনে দাঁড়িয়ে শ্বাস নেওয়া কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সে গলা শুকিয়ে আসা কণ্ঠে শুধু বলল—

"সরি… আমি বুঝতে পারিনি।

তারপর পিছু ফিরে দৌড়ে বেরিয়ে গেল। মেঘ সোজা আনোয়ারা চৌধুরী'র রুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেয়। তারপর হাওমাও করে কান্নায় ভেঙে পড়ে—

"কেন এত কষ্ট হচ্ছে আমার?

কেন বুকটা হাহাকার করছে? লোকটার আসল পরিচয় জানার পরে কেন এত ব্যথা হচ্ছে? মনে হচ্ছে বুকের ভেতর কেউ আগুন ধরিয়ে দিয়েছে, আর সেই আগুনের দহনে নিঃশব্দে পুড়ে যাচ্ছে আমি।

রুমের বাহির থেকে রেখা চৌধুরী ও বৃষ্টি তাকে ডাকছে কিন্তু সে কোনো কথা বলছে না।

– মেঘ দরজাটা খোল মা, তোর মামনি তোকে ডাকছে তবুও দরজা খুলবি না?

মেঘ নিজের মনে বিরবির করে,

"আমি তোমাদের কিভাবে বুঝাবো মামনি, আমার ঠিক কতটা কষ্ট হচ্ছে। মনে হচ্ছে বুক ছিঁড়ে ক'লি'জা বেরিয়ে আসবে। এই যন্ত্রনা সহ্য করতে পারছি না কি করবো আমি?

– মা'রে এমন করিস কেন? আচ্ছা তুই যদি বলিস আজকেই তূর্য'কে বাসা থেকে বের করে দেবো তবুও নিজের কোনো ক্ষতি করিস না মা। তোর কিছু হলে নিজেকে ক্ষমা করতে পারবো না আমি।

মেঘ দুহাত দিয়ে নিজের চোখ মুছে নেয়।

"আমি কাঁদছি কেন? আমি আর কাঁদবো না। মেঘ তো দুর্বল নয়, সে সবার সাথে ফাইট করতে পারে তাহলে ওই লোকটার সাথে কেন পারবো না। সে আমার আপন বলে? না, সে তো আমার আপন নয়। সে আমাকে আপন ভাবেইনি কখনো, তাউ চলে গিয়েছিল। আমি পারবো, কাঁদবো না আর।

সে কিছুক্ষন পর দরজা খুলে দেয়। সাথে সাথে রেখা চৌধুরী তাকে বুকে জরিয়ে নেয়। মনে হয় এতোক্ষনে প্রাণটা ফিরে এসেছে। সে কিছু বলার আগেই মেঘ বলে উঠে,

"না মামনি ওনাকে কোথাও যেতে হবে না। এটা ওনার বাসা, আমার নয়। শুধু তোমাদের দয়ায় এ বাড়িতে থাকতে পেরেছি এটাই আমার জন্য অনেক। আর আমি কাঁদছি না তো, একটুও কাঁদছি না।

রেখা চৌধুরী কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলে,

– মেঘ তুই কিভাবে বলতে পারলি আমরা তোকে দয়া করছি? তোর এটা অধিকার তবুও বারবার নিজেকে কেন ছোট করিস? নিজেকে বড় ভাবতে শিখ মা, ছোট বানানো জন্য চারপাশে লোকজন তো আছেই।

—————

------------------------

তূর্য বেলকনির রকিং চেয়ারে বসে আছে। রাতের বাতাস তার মুখে লাগছে, কিন্তু ভেতরের ঝড় কোনো ভাবেই থামছে না।সে এখনো বিস্মিত—

যে মেয়েকে নিজের জীবনের রানী বানাতে চেয়েছিল, সে নাকি বহু আগেই তার সত্যিকারের রানী হয়ে গেছে!

কিন্তু প্রশ্নটা অন্য জায়গায়, সে যা করেছে সেগুলো জন্য ক্ষমা করতে পারবে তো সবাই?

মেঘ… সে কি পারবে? অতীতের ক্ষত ভুলে গিয়ে তূর্য'কে আপন করতে। নাকি প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য দূরে ঠেলে দেবে। তূর্য আবারও গভীর নিশ্বাস নেয়। একটা জিনিস তার মাথায় কাঁটার মতো বিঁধে আছে—মেঘের মধ্যে তো বিবাহিত মহিলাদের মতো কোনো চিহ্ন নেই।

না হাতে চুরি…

না নাকে নাকফুল…

কোনোভাবেই বোঝার উপায় ছিল না যে সে কারও স্ত্রী।

তাহলে সত্যিটা কী?এই প্রশ্নের উত্তর একমাত্র একজনই দিতে পারে,তুষার! তূর্য রকিং চেয়ার থেকে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ায়। তার চোখে এখন বিভ্রান্তির বদলে দৃঢ়তা। এখন গন্তব্য দাদিজানে’র কক্ষ। কারণ তুষারসহ পুরো টিমের আড্ডা হয় সেখানেই। যদিও তুষার কিছুক্ষণ আগেই সেটা বলে গিয়েছে।

“আসতে পারি?”

হঠাৎ দরজার দিক থেকে তূর্যর ঠান্ডা কণ্ঠ শোনা যায়। সবার চোখ দরজার দিকে ঘুরে যায়, তূর্য দরজার ফ্রেমে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মুখে সেই আগের মতোই শান্ত কিন্তু গভীর ভাবের ছাপ। তাকে দেখেই মেঘ নিচু স্বরে ভেংচি কাটল।

ঘরের কেউ খেয়াল না করলেও, তূর্য খেয়াল করল। খুব ভালো করেই।

তূর্য ধীরে ধীরে হাঁটতে হাঁটতে তুষারে'র সামনে এসে দাঁড়ায়। এবং গম্ভীর, কাঁপাহীন স্বরে বলে—

“তুষার, তুই আমার সাথে আয়। তোর সাথে কিছু পার্সোনাল কথা আছে।

তুষার উঠে দাঁড়াতে যাবে, এক পা মেঝেতে রাখতেই ঠিক তখনই অন্য পা মেঘ টেনে নেয়। মেঘের' চোখে কটু রাগের ঝিলিক—

"তুষার কোথাও যাবি না।

তুই এখানেই থাকবি, কারো কথা থাকলে কাল সকালে যেন বলে।

মেঘে'র সেই রাগী অথচ স্বাভাবিক ভঙ্গি দেখে তূর্য'র ভ্রু কুঁচকে যায়। মুহূর্তের মধ্যে নিজের চোখে বিশ্বাসই হয় না, কিছুক্ষণ আগেও যে মেয়েটা বাচ্চার মতো কাঁদছিল, সেই মেয়েটাই এখন হাসি মুখে আড্ডা দিচ্ছে, সবাইকে এড়িয়ে নির্লিপ্ত অভিনয় করছে!

এ কারণেই হয়তো নারীদের রহস্যময়ী বলা হয়— তাদের চোখের জল আর হাসির ফারাক কখনও কখনও মাত্র কয়েক সেকেন্ড। আর তূর্য বুঝতে পারছে, মেঘ তার দুর্বলতা কাউকে দেখাতে চায় না।

বিশেষ করে তাকে তো নয়'ই।

তূর্য আবারও গম্ভীর স্বরে আওরায়,

“তুষার তোকে আসতে বলছি।

"না তুষার যাবে না।

তূর্য মেঘে'র দিকে তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে তাকিয়ে চোখ রাঙায়,

“তুষার আমার ভাই, সো আমি ওকে যা বলতো ও তাই করবে। তুষার, চল!

মেঘ মুখ ভেংচি কেটে বলে,

"ভাই না ছাঁই, তুষার আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড ওকে আমি যা বলবো তাই করবো।

“আমি যা বলবো তাই করবে।

"না, আমি যা বলবো তাই করবে।

এদের চক্করে তুষারে'র অবস্থা বেহাল। সে চিৎকার দিয়ে উঠে,

– থামো তোমরা দুজন। মেঘু তুই একটু বসে থাক, ভাইয়ের দরকার বলেই এসেছে। আমি যাবো আর আসবো।

তুষারে'র উওরে তূর্য বাঁকা হাসে। সে বরাবরই নিজের জেদে অঁটল। আজ জেদ করার আগেই জিতে গেল। দুজনেই দরজার কাছে যেতেই মেঘ বাজ খাই মেজাজে বলে উঠে,

"সামনে কিন্তু এক্সাম, মনে রাখিস তুষারে'র বাচ্চা! গতবারের ঘটনা ভুলে গেলি নাকি?

তুষার'কে আর পায় কে, সে এক দৌড়ে আবার মেঘে'র সামনে গিয়ে বসে। তা দেখে তূর্য গজগজ করে উঠে। সে দাঁতে দাঁত কটমট করে বলে,

“তুষার …

– সরি ভাই। এক ক্লাসে তিন বছর ছিলাম অনেক কষ্টে কলেজে উঠতে পেরেছি। আর এখন যদি ফেইল করি তাহলে আমার আর মান ইজ্জত থাকবে না। তার উপর আজকে একটার উপর ক্রাশ ও খইছি। তোমার সাথে কালকে কথা হবে বাই।

তূর্য রক্তিম দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। তা দেখে তুষার শুকনো ঢোক গিলে মিনমিন স্বরে বলল,

– ভাই, ওভাবে তাকিও না… আমার ভয় লাগে।

মেঘ চোখ পাকিয়ে ওঠে,

"চুপ কর শা*লা! মেঘে'র শিষ্য হয়ে ভয় পাচ্ছিস? সেটাও আবার এই কাইলা ইঁদুরটাকে দেখে, হাও ফানি! কাইলা ইঁদুর দেখে তো কুওা ও ভয় পায় না!

“এই মেশে! ফাজলামো করছো আমার সাথে? আমি কাইলা ইঁদুর নই, ডিড ইউ আন্ডারস্ট্যান্ড?

"ঘোড়ার মাথা...

তূর্য আনোয়ারা চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে আওয়াজ তোলে,

“দাদিজান! প্লিজ এই মেয়েকে কিছু বলো! এত তেড়ামি আমি টলারিট করবো না!

"আমি একশো বার তেড়ামি করবো, তাতে আপনার কি, কাইলা ইঁদুর?

তূর্য রেগে আগুন, পা ঠুকে বলে উঠে,

“দাদিজান! ওকে কাইলা ইঁদুর বলতে মানা করো! আমার মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে কিন্তু!

"তাই তো ভাবি রুমের তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে গেল কেন। কাইলা ইন্দুর আছে যে তাই।

তূর্য বড় বড় শ্বাস নিয়ে নিজেকে কন্টোল করার চেষ্টা করে। আপাতত ঝগড়া করার কোনো মুড নেই। তূর্য নাক কুঁচকে বলে,

“শুনো মেয়ে আমি কালো নয় শ্যাম বর্ণের বুঝতে পেরেছো? সো আমাকে কইলা ইন্দুর বলবে না।

মেঘ ও মুখ বাকিয়ে আওরায়,

"দুনিয়ায় মানুষের গায়ের রং দুইটা। সাদা, কালা আর কালা মানেই কইলা। শ্যাম বর্ণ বলে কিছু হয় না। আপনি কইলা, কাইলা ইন্দুর!

মেঘে'র কথা শুনে পুরো রুমের হাসির রোল পড়ে যায়। বৃষ্টি হাসতে হাসতে আনমনে বলে উঠে,

– দোস্ত তুই একদম ঠিক ব ব ব....

তূর্য দৃষ্টিতে সে চুপ হয়ে যায়। তারপর আনোয়ারা চৌধুরী'র আঁচলে গিয়ে মুখ লুকায়। কারণ ছোট থেকেই শুনে আসছে তূর্য'র অনেক মাথা গরম। সে যখন ছোট ছিল, তখন ভুল করে তার ফোনে হাত দিয়েছিল। তাতেই তূর্য বৃষ্টি'কে এক থাপ্পড় দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলেছিল। এরপর আর কখনে তূর্য'র আগে পেছনে কোথাও যায়নি।

আনোয়ারা চৌধুরী বিপদের সংকেত বুঝতে পেরে তিনি কাঁশতে কাঁশতে বলেন,

– দাদাভাই! ঝগড়া বাদ দিয়ে এই বুড়িটার পাশে বস। অনেক বছর তোকে দেখলাম, আয় একটু সুখ দুঃখের গল্প করি।

“ঝগড়া আমি করছি নাকি এই মেয়েটা করছে? শয়তানের হাড্ডি একটা, পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করছে।

মেঘ কোমড়ে হাত গুঁজে কর্কশ কন্ঠে প্রতিধ্বনিত করে,

"আমি না, আপনি ঝগড়া করছেন। আমি শয়তান হলে আপনি খবিশ, রাক্ষস, ইতর আর আর কি যেন? ধুর ভুলেই গেলাম।

“আমি এগুলো হলে তুমি, খবিশি,রাক্ষসী,ইতরনী। আর তোমাকে দেখেই মনে হচ্ছে ঝগড়াটে মেয়ে, যার তার সাথেই ঝগড়া করে।

মেঘ এখন কি বলবে বুঝতে পারছে না। কিন্তু সে ঝগড়া করে হাড়তেও শেখেনি দরকার হলে তাকে মাইর দিয়ে দৌড় দেবে তবুও ঝগড়ায় হাড়া যাবে না। মেঘ হুট করেই তূর্য'র সামনে এসে তার হাতে কামড় বসিয়ে দেয়। তূর্য চিৎকার দিয়ে উঠে,

“তুষারে'র বাচ্চা এই রাক্ষসীকে আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দে। আমার রক্ত, মাংস ……

বিহঙ্গীনির ব্যাকুল মন গল্পটি বন্যা সিকদার-এর লেখা একটি জনপ্রিয় ক্ষয় থেকে ওঠা পুনরুত্থানের গল্প