হৃদয় পথে এ কার ছায়া

লেখিকা: নুসরাত জাহান লিজা

দুই বিপরীত মেরুর মানুষের অনিচ্ছুক সম্পর্ক যখন বারবার সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, তখন তর্কের আগুনের মাঝেই অদ্ভুত এক টান জন্ম নিতে শুরু করে। হাস্যরস, অভিমান, পারিবারিক চাপ আর অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির ভিড়ে গল্পটি ধীরে ধীরে রূপ নেয় হৃদয়ের গভীর আবেগময় যাত্রায়।

"হৃদয় পথে এ কার ছায়া" গল্পটি লেখিকা নুসরাত জাহান লিজা-এর অনুমতিক্রমে ২৮ মে ২০২৬ তারিখে গল্পের বাহার-এ প্রকাশিত হয়েছে।

পর্ব ১

পর্ব ১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২

পর্ব ২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩

পর্ব ৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪

পর্ব ৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫

পর্ব ৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬

পর্ব ৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

হৃদয় পথে এ কার ছায়া গল্পটি নুসরাত জাহান লিজা-এর লেখা একটি জনপ্রিয় হাস্যরসভিত্তিক পারিবারিক সামাজিক গল্প
পর্ব ৭

পর্ব ৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৮

পর্ব ৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৯

পর্ব ৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১০

পর্ব ১০

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১১

পর্ব ১১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১২

পর্ব ১২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৩

পর্ব ১৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৪

পর্ব ১৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৫

পর্ব ১৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৬

পর্ব ১৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১৭

পর্ব ১৭ (সমাপ্ত)

সম্পূর্ণ পড়ুন

📖 গল্প সম্পর্কে

বিয়ে ভাঙার উদ্দেশ্যে এক হওয়া দুই মানুষ যদি শেষ পর্যন্ত একে অপরের সবচেয়ে বড় আশ্রয় হয়ে ওঠে, তাহলে তাকে কি কাকতাল বলা যায়, নাকি নিয়তির খেলা? “হৃদয় পথে এ কার ছায়া” এমনই এক গল্প, যেখানে প্রথম পরিচয়ের বিরক্তি ধীরে ধীরে জায়গা করে দেয় কৌতূহলকে, আর কৌতূহল একসময় রূপ নেয় গভীর টানে। নওমী ও মিফতা কেউই নিজেদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী ছিল না। বরং তারা দুজনই নিশ্চিত ছিল যে একে অপরকে ছাড়া জীবন আরও সহজ হবে। কিন্তু মানুষ সবসময় নিজের হৃদয়ের হিসাব বুঝতে পারে না। একসঙ্গে কাটানো কিছু মুহূর্ত, কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং কিছু নিঃস্বার্থ উপস্থিতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে শুরু করে। গল্পটির বিশেষ সৌন্দর্য হলো, এখানে ভালোবাসা কোনো নাটকীয় ঘোষণার মাধ্যমে আসে না। তা ধীরে ধীরে চরিত্রগুলোর আচরণ, সিদ্ধান্ত এবং অনুভূতির ভেতর ফুটে ওঠে। হাস্যরস, পারিবারিক উষ্ণতা এবং আবেগের মিশেলে গড়ে ওঠা এই কাহিনি শেষ পর্যন্ত পাঠককে মনে করিয়ে দেয়— অনেক সময় হৃদয় আগে চিনে নেয়, তারপর মানুষ বুঝতে শেখে।

✍️ লেখক পরিচিতি

রোমান্টিক ও পারিবারিক গল্পের জগতে নুসরাত জাহান লিজা একটি পরিচিত নাম। তাঁর লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সম্পর্কের গভীর অনুভূতি এবং মানবমনের সূক্ষ্ম আবেগকে জীবন্ত করে তোলা। ভালোবাসা, অভিমান, অপেক্ষা, বিচ্ছেদ এবং পুনর্মিলনের মতো বিষয়গুলো তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে উপস্থাপন করেন। পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা ও দাম্পত্য জীবনের বাস্তব চিত্র তাঁর গল্পে বিশেষ গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে রহস্য, গোপন সত্য এবং অতীতের অমীমাংসিত ঘটনার সংযোজন তাঁর কাহিনিকে আরও সমৃদ্ধ করে। চরিত্রগুলোর মানসিক দ্বন্দ্ব ও আবেগঘন মুহূর্তগুলো পাঠকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। সহজবোধ্য ভাষা এবং বাস্তবধর্মী উপস্থাপনার কারণে তাঁর গল্পগুলো সব বয়সী পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। আবেগের পাশাপাশি জীবনের বাস্তব শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধও তাঁর লেখায় প্রতিফলিত হয়। সম্পর্কের সৌন্দর্য ও মানুষের অন্তর্জগতের নানা দিক তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। তাঁর গল্পগুলো প্রেম, পরিবার এবং জীবনের নানা অনুভূতির এক হৃদয়স্পর্শী প্রতিচ্ছবি।

📝 সম্পাদকীয় মন্তব্য

“হৃদয় পথে এ কার ছায়া” নুসরাত জাহান লিজার লেখা একটি প্রাণবন্ত রোমান্টিক উপন্যাস। গল্পটি শুরু হয় অনীহা, আপত্তি এবং একের পর এক ভুল ধারণা দিয়ে। নওমী ও মিফতা কেউই প্রথমে একে অপরকে নিজের জীবনের অংশ হিসেবে ভাবতে রাজি ছিল না। অথচ পরিস্থিতির পরিক্রমায় তাদের মধ্যেই তৈরি হয় সবচেয়ে অদ্ভুত বোঝাপড়া। লেখিকা সম্পর্কের পরিবর্তনকে খুব স্বাভাবিকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। গল্পে হাস্যরস আছে, তবে তার চেয়েও বেশি আছে অনুভূতির ধীরে ধীরে বদলে যাওয়ার সৌন্দর্য। দুই পরিবারের মানুষজনও কাহিনিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। চরিত্রগুলোর কথোপকথন গল্পকে জীবন্ত ও উপভোগ্য করে তুলেছে। ভালোবাসার উপলব্ধি এখানে হঠাৎ করে আসে না; সময় নিয়ে হৃদয়ের ভেতরে জায়গা তৈরি করে নেয়। সব মিলিয়ে এটি ভুল ধারণা থেকে শুরু হয়ে গভীর আন্তরিকতায় পৌঁছানোর এক মুগ্ধকর কাহিনি।