বিহঙ্গীনির ব্যাকুল মন

পর্ব - ১১

🟢

মেঘ নিঃশব্দে চোখ বুজে ফেলে। আর ঠিক তখনই ছেলেটি তার দিকে কোঁপ বসাতেই কেউ হেঁচকা টানে তাকে নিজের বুকে জরিয়ে নেয়। মেঘ ভয়ে অচেনা সেই মানুষটির শার্ট শক্ত করে খাঁমচে ধরে। হঠাৎই চেনা পারফিউমের ঘ্রাণে তার বুক কেঁপে ওঠে। অজান্তেই চোখ তুলে তাকাতেই সামনে তূর্য—

এক মুহূর্তে মেঘ হতবিহ্বল হয়ে যায়।

কিছু বোঝার আগেই তূর্য আচমকা তাকে কোলে তুলে নেয়। চারপাশে তখন বিশৃঙ্খলা, চিৎকার, দৌড়ঝাঁপ, ধাক্কাধাক্কি। হাজার হাজার মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ছুটছে, কেউ কারো দিকে তাকানোর সময় পাচ্ছে না। এত ভিড়ের মাঝে ছোট্ট একটা মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে বেরিয়ে আসা মোটেও সহজ নয়।

মেঘ প্রাণপণে তূর্য’কে আঁকড়ে ধরে থাকে। তার হৃদস্পন্দন যেন তূর্য’র বুকেও ধাক্কা মারছে। তূর্য দ্রুত পায়ে মেলা ছাড়িয়ে গাড়ির কাছে পৌঁছায়। তাড়াহুড়োয় সে মেঘ’কে প্রায় ছুঁড়ে গাড়িতে তুলে দেয়। ব্যথায় মেঘ’র চোখ ভিজে ওঠে, কিন্তু একটা শব্দও বেরোয় না,

কারণ তূর্য’র চোখে তখন আগুন ঝরছে। পরক্ষণেই তূর্য ড্রাইভিং সিটে বসে তুষার’কে ফোন করে। ওপাশে তুষার তখন আতঙ্কে অস্থির। এত ভিড়ের মধ্যে মেঘ’কে না পেয়ে তার হাত-পা কাঁপছে। এই ছোট্ট মেয়েটাই তার ভাইয়ের প্রাণ—আর সে তার দায়িত্ব রাখতে পারলো না! তখন ভাঙা গলায় বৃষ্টি বলে ওঠে,

– তুষার ভাইয়া, মেঘু’কে পাচ্ছি না… এখন কী হবে?

কয়েক সেকেন্ড নীরবতার পর তুষার চাপা গলায় বলে,

"আমি বুঝতে পারছি না বুড়ি…! ভাই জানতে পারলে কী হবে সেটাই ভাবছি। ভুলটা আমারই। তখন ওকে মাহিমে'র সাথেই যেতে না দিলে আজ এই ভয়ংকর মুহূর্তটা দেখতে হতো না। কোথায় এখন পাবো মেঘু'কে।

আচমকা একটা লাঠির আঘাত এসে বৃষ্টি’র মাথায় লাগে। তীব্র ব্যথায় সে চিৎকার দিয়ে ওঠে,

– আহহ! তুষার ভাইয়া!

পরক্ষণেই আরেকটা লাঠি ছুটে আসে। তুষার মুহূর্তের মধ্যে বৃষ্টি’কে নিজের দিকে টেনে নেয়। লাঠির বাড়িটা সোজা এসে লাগে তার কপালে। কী ঘটছে বোঝার আগেই লোকটা ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যায়।

আঘাতটা ছিল ভীষণ জোরে। তুষার’র কপাল বেয়ে বিন্দু বিন্দু করে রক্ত ঝরতে থাকে। সেই দৃশ্য দেখে বৃষ্টি’র বুক কেঁপে ওঠে। চোখে আতঙ্ক জমে যায়। কিন্তু তুষার’র সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই বরং সে দু’হাতে বৃষ্টি’কে শক্ত করে আগলে ধরে।

"বুড়ি…

ঠিক তখনই তূর্য’র ফোন আসে। তুষার সঙ্গে সঙ্গে কল রিসিভ করে, কাঁপা গলায় বলে ওঠে—

"ভা ভা ভাই… মেঘু’কে…

ওপাশ থেকে তূর্য’র দৃঢ় কণ্ঠ ভেসে আসে,

“মেঘপরি আমার সাথেই আছে। তোরা দু’জন তাড়াতাড়ি মেলা থেকে বেরিয়ে আয়।

কথাটা শুনে তুষার একটু স্বস্তি পেলেও বৃষ্টি’র ব্যথায় কুঁচকে যাওয়া মুখটা দেখে নিজের ওপর প্রচণ্ড রাগ হয়। সে কেন এই মেয়েটাকে একটু ভালো করে সুরক্ষিত রাখতে পারলো না! কোনোরকমে বৃষ্টি’র হাত ধরে তুষার মেলা থেকে বেরিয়ে আসে। বাইরে এসে সে অসহায়ের মতো তাকিয়ে বলে,

"বুড়ি, আই’ম সরি…! আমি থাকা সত্ত্বেও তোকে কেউ আঘাত করলো।

বৃষ্টি কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলে ওঠে,

– তুষার ভাইয়া, আমি ব্যথা পাইনি। কিন্তু তোমার কপাল থেকে রক্ত পড়ছে। প্লিজ, তাড়াতাড়ি হসপিটালে চলো।

"বুড়ি, সত্যি খুব বেশি ব্যথা লাগেনি…?

বৃষ্টি আর সহ্য করতে পারে না। গলা শক্ত করে বলে,

– তুষার ভাইয়া, তুমি আমার কথা বুঝতে পারছো না? তাড়াতাড়ি হসপিটালে চলো।

সে প্রায় টেনেই তুষার’কে বাইকের কাছে নিয়ে যায়। তুষার বাইকে উঠে বসতেই বৃষ্টি মৃদু অথচ ভয়ার্ত কণ্ঠে বলে,

– তুষার ভাইয়া, প্লিজ… বাইকের স্পিড বাড়িয়ে দাও।

"এতো হাইপার হচ্ছিস কেন বুড়ি? আমার তেমন কিছু হয়নি। আর স্পিডে বাইক চালালে তুই ভয় পাবি।

বৃষ্টি বুঝে গেছে, এই মানুষটা নিজের জন্য কিছুই করবে না। তাই অসুস্থতার ভান করে কাঁপা কণ্ঠে বলে ওঠে,

– কিন্তু তুষার ভাইয়া, আমার মাথা খুব ব্যথা করছে। কেমন যেন লাগছে… তুমি এখনই হসপিটালে না গেলে আমি মরেই যাবো।

কথাটা শুনেই তুষার’র বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠে। আর এক মুহূর্ত দেরি না করে সে বাইকের স্পিড বাড়িয়ে দেয় এবং এক হাত পেছনে দিয়ে বৃষ্টি'কে ধরে রাখে। বৃষ্টিও শক্ত করে তাকে জড়িয়ে ধরে। চোখ বন্ধ করে রাখে, ভয় এখন আর টের পাচ্ছে না, হয়তো কাঙ্ক্ষিত কারো স্পর্শে!

এদিকে—

মেঘ গুটিশুটি হয়ে বসে আছে, আর তূর্য ক্রুদ্ধ হাতে গাড়ির স্পিড বাড়িয়েই চলেছে। এতটাই দ্রুত যে রাস্তা-ঘাটে কোনো মানুষজন চোখে পড়ছে না। মেঘে'র বুক ধড়ফড় করছে, ভয়ে যেন প্রাণ বেরিয়ে আসার জোগাড়। নিচু স্বরে সে কাঁপতে কাঁপতে বলে ওঠে,

"শু… শুনছেন, গাড়িটা একটু আস্তে চালান। নইলে এক্সিডেন্ট হয়ে যাবে…

কথা শেষ হওয়ার আগেই গালে বিকট শব্দে একটা থাপ্পড় লাগে। তূর্য দাঁত চেপে গর্জে ওঠে,

“হুসস! যখন মাহিমে'র সঙ্গে বাইকে উঠে রং ঢং করতে করতে মেলায় গেলি তখন তোর মরার ভয় মনে ছিল না? আমাকে দেখেই তোর মরার কথা মনে পড়ে?

তার চোখে আগুন জ্বলছে। কণ্ঠে জমে থাকা ক্ষোভ উগরে দিয়ে সে বলে,

“কু*ওার বাচ্চা আমি কাছে থাকলে তোর ঘৃণা লাগে, আমার স্পর্শ তোর অসহ্য লাগে আর না*ঙ্গ নিয়ে ঘুরতে যাস তখন খুব ভালো লাগে?

মেঘ কিছু বলে না শুধু চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছে! তাকে এমন অকথ্য ভাষায় গালি শুনতে হবে কোনো দিন ভাবতে পারেনি।

পুরো রুমজুড়ে নিস্তব্ধতা!

তুষার, মেঘ আর বৃষ্টি তিনজনই নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দূরে একপাশে দাঁড়িয়ে রেখা চৌধুরী। সে খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে, তূর্য ভীষণ রেগে আছে।

সবার নীরবতা দেখে তূর্য কর্কশ কণ্ঠে বলে ওঠে,

“কথা বলছিস না কেন? কার পারমিশন নিয়ে তোরা মেলায় ঘুরতে গেলি?

..…....?

“কি হলো? কারো মুখে কথা নেই কেন?

........?

“আমার কথা কারো কান অবধি পৌঁছাচ্ছে না!

তবুও সবাই নিশ্চুপ তা দেখে তূর্য ধীরে ধীরে তুষারে'র সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। চোখে আগুনের ঝিলিক।

“তোকে আমি আগেই বলেছিলাম, আমার পারমিশন ছাড়া ‘মেঘপরি’ যেন কোথাও না যায়। ওর খেয়াল রাখার দায়িত্ব তোর ছিল। আর তুই কী করলি? ওদের নিয়ে শহর থেকে এত দূরে চলে গেলি! চুপ করে আছুস কেন বল?

রাগে তূর্যে'র পুরো মুখ লাল হয়ে উঠেছে। সে আর নিজেকে সামলাতে পারে না। তুষার'কে থাপ্পড় মারার জন্য হাত তোলে। ঠিক সেই মুহূর্তে কেউ তার হাত শক্ত করে টেনে ধরে! তূর্য ঘুরে তাকাতেই দেখে—মেঘ!

মুহূর্তেই তার রাগ দ্বিগুণ হয়ে যায়। মেঘ'কে দেখলেই তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেই দৃশ্য, অন্য একজন পুরুষকে জড়িয়ে ধরা, হাতে হাত ধরে ঘুরে বেড়ানো। অত্যাধিক রাগে তার কপাল, হাতের সমস্ত রগ ফুলে উঠে!

নিজেকে আর কন্ট্রোল করতে না পেরে তূর্য ঠাস ঠাস করে মেঘে'র গালে থাপ্পড় বসিয়ে দেয়। মেঘ ভারসাম্য হারিয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে।

তূর্য গর্জে ওঠে,

“জা*রকের বাচ্চা! কোন সাহসে আমার হাত টেনে ধরলি?

ঘরটা আরও ভারী হয়ে ওঠে। মেঘ ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ায়। চোখে একফোঁটা অশ্রু নেই, শুধু তীব্র আগুন। সে তূর্যে'র ঠিক সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। চোখে চোখ রেখে বলে—

"আপনি কোন সাহসে তুষার'কে মারতে গিয়েছিলেন? সবাইকে জোর করে আমি নিয়ে গেছি। দোষ যদি কারো থাকে, সেটা আমার।

আর আপনি কিসের অধিকারে আমার ওপর হম্বিতম্বি করছেন? আমি কোথায় গেলাম, কার সাথে গেলাম, কার বাইকে উঠলাম, কার হাত ধরে হাঁটলাম এতে আপনার কী?

কে আপনি?

আর আমার ওপর আপনার কোনো অধিকার নেই বুঝতে পেরেছন!

অধিকারের কথা শুনেই তূর্যে'র রাগ বেড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সে মেঘে'র থুতনি চেপে ধরে চিৎকার করে বলে....

“অধিকারের কথা বলিস আমাকে? তুই জানিস না আমি কে? কোন অধিকার তোর উপর খাটাই ?

তাহলে শোন, তুই আমার তিন কবুলে বিয়ে করা বউ! যাকে আমি পবিত্র কালেমা পড়ে বিয়ে করেছি। আমি তোর স্বামী, স্বামীর অধিকার ত ফলাই তোর উপর বুঝতে পেরেছিস?

মেঘ প্রচণ্ড জোরে তার হাত সরিয়ে দিয়ে কর্কশ কণ্ঠে বলে ওঠে,

"স্বামী? কিসের স্বামী? আপনি আমার কেউ নন। আর না আমি আপনার কেউ! তাই আপনার কোনো অধিকার নেই আমার উপর বুঝতে পেরেছেন।

এই কথা শোনা মাত্রই তূর্য নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সে হঠাৎ মেঘে'র গলা চেপে ধরে। এতটাই শক্ত করে ধরে যে মেঘে'র দম আঁটকে আসে। তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যেতে থাকে। তার চোখ থেকে আপনা আপনি অশ্রু ঝরছে, তবে অবাক করার বিষয় হচ্ছে, সে নিজেকে ছাড়ানোর জন্য কোনো চেষ্টা করছে না। তূর্য নিজের শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে মেঘ'কে কাবু করে ফেলে।

অন্য দিকে রেখা চৌধুরী, তুষার আর বৃষ্টি— তিনজনই একসাথে মেঘ'কে ছাড়ানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ক্রুদ্ধ তূর্যে'র শক্তির সামনে তারা অসহায়।

“ভাই, ছাড়ো! মেঘু কষ্ট পাচ্ছে ভাই!

তুষার প্রায় কান্নার সুরে চিৎকার করে। কিন্তু সেই চিৎকার তূর্য'র কান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। তা দেখে রেখা চৌধুরী কঠিন কণ্ঠে বলে ওঠেন,

"তূর্য, মেঘ'কে ছাড়ো বলছি!

কিন্তু কারো কথাতেই তূর্যে'র হাত ঢিলে হয় না। মেঘ ধীরে ধীরে চোখ বুজে ফেলে। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে, শরীর নিস্তেজ হতে থাকে। তুষার আবারও অনুনয়ের সুরে বলে,

"ভাই, মেঘ'কে ছাড়ো প্লিজ! ওর খুব কষ্ট হচ্ছে কেন বুঝতে পারছো না, ও মরে যাবে ভাই প্লিজ ছাড়ো এবার।

হঠাৎ করেই তূর্য মেঘ'কে ছেড়ে দিয়ে দূরে সরে আসে। মেঘ মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে, হাঁপাতে থাকে।

পরক্ষণেই তূর্য তুষারে'র দু’হাত শক্ত করে চেপে ধরে গর্জে ওঠে,

“তুই ওর কষ্ট দেখতে পাচ্ছিস, অথচ নিজের ভাইয়ের কষ্ট দেখতে পাচ্ছিস না? জানিস না তোর ভাই বেঁচে থেকেও জিন্দা লাশ হয়ে আছে?

সবাই শুধু ওর বুকের ভেতরের হাহাকার দেখতে পাস, কিন্তু আমার বুকের ভেতরের হাহাকার তোদের চোখে পড়ে না? আমার কষ্ট তোদের কাছে কিছুই না! ওর মন ভাঙা তোদের কাছে অনেক কিছু কিন্তু আমার মন ভাঙা তোদের কাছে কিছুই না।

হঠাৎ মেঘ কাশতে শুরু করে। কাশতে কাশতে দম বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। তার শরীর কাঁপতে থাকে। তূর্য এক পলক তাকিয়েই দৌড়ে গিয়ে এক গ্লাস পানি এনে তার মুখের সামনে ধরে।

মেঘ সঙ্গে সঙ্গে তার হাত থেকে গ্লাসটা ছিনিয়ে নিয়ে মেঝেতে ছুড়ে ফেলে দেয়। কাচ ভেঙে শব্দ করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

সে চিৎকার করে ওঠে—

"কষ্ট! কষ্ট! কষ্ট!

আপনি দুই দিনের কষ্ট'ই সহ্য করতে পারেন না, আর সেই কষ্টকে আমার কষ্টের সাথে তুলনা করেন? মাত্র কয়েক দিনের এড়িয়ে চলায় আপনার বুক ছিঁড়ে যাচ্ছে, অথচ এই আপনিই একদিন আমাকে কথার আঘাতেই জিন্দা লাশ বানিয়ে রেখে চলে গিয়েছিলেন!

কি ভুল ছিল আমার?

কেন আমাকে সেদিন এতটা আঘাত দিয়ে আপনি পালিয়ে গিয়েছিলেন?

মেঘের গলা ভেঙে আসে।

ঘরের বাতাস ভারী হয়ে যায়, যেন অতীতের সব না-বলা যন্ত্রণা একসাথে বিস্ফোরিত হচ্ছে।

“তোর মতো নষ্টা মেয়েকে এই তূর্য চৌধুরী কখনোই নিজের বউ মানবে না! যে মেয়ে বিয়ের আগেই নিজের সতিত্ব হারিয়ে ফেলে তাকে আমি সমাজের কৃট ছাড়া কিছুই মনে করি না। শুধু মাএ তোর জন্য আম্মু'র চোখে আজ আমি অপরাধী। আমি চলে যাবো, অনেক দূরে চলে যাবো। তবুও তোর মতো বা* মা* সাথে সংসার করবো না।

মেঘ দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে আবারও বলে,

"এই কথাটুকু কি যথেষ্ট ছিল না দশ বছরের অবুজ মেয়ের কোমল হৃদয় ভাঙার জন্য? আপনি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ হয়েও এতোটাই ঘৃণা নিয়ে কথাটা বলেছিলেন যে তার দাগ এখনো আমার ভাঙা হৃদয়ে জ্বল জ্বল করছে। আর আপনি সেই যন্ত্রনাকে……

বিহঙ্গীনির ব্যাকুল মন গল্পটি বন্যা সিকদার-এর লেখা একটি জনপ্রিয় ক্ষয় থেকে ওঠা পুনরুত্থানের গল্প