Mr and Mrs Twins

পর্ব - ৩

🟢

("কি গাধা মেয়েরে বাবাহ")

হঠাৎ নিবিড়ের খোচায় আহিশ লক্ষ্য করলো ফোনের ওপাশে দোয়েলকে দেখা যাচ্ছে। টেবিলে বসেছে সে।তাই আহিশ চড়ুইকে বললো...

"বড় পাখি কে দে তো একটু"

"দিচ্ছি "

বলেই চড়ুই দোয়েলের হাতে ফোন ধরিয়ে দিয়ে নিজে দোয়েলের গলা জরিয়ে দরে পেছন থেকে একটু ঝুকে দাড়ালো।

"কি বলবি বল"

দোয়েলের কথায় আহিশ বলে উঠলো..

"ক কি করছিস??"

"পরতে বসেছি।দেখছিস না??তোর মতো ক্যামেরাতো আর অফ করে রাখিনি"

"এত পরে কি আর করবি বলতো?"

"দুদিন পর এক্সাম,,, খেয়াল আছে?"

"এত গরম কেন মাথা?।তখন ছোটপাখিরও দেখলাম মুড অফ।আর এখন তোরও??কাহিনি কি বলতো সত্যি করে??"

দোয়েল একটু সাইডে তাকিয়ে চোখ বন্ধ করে একটা বড় নি:শ্বাস ছাড়লো।তারপী আবার ফোনের দিকে তাকিয়ে শান্ত ভাবে বললো....

"এবার এক্সাম শেষের ছুটির সময়টা কাকাই বিডিতে থাকবে না।ইতালি যাচ্ছে ফর ওয়াব মান্থ।"

"তো তোরা কি বললি??"

পেছন থেকে চড়ুই কর্কশ কন্ঠে বলে উঠলো...

"বলে দিয়েছি এবার বাসায় যাবোনা।এখানেই ছুটির দিন গুলো কাটিয়ে দেবো।"

আহিশ বললো...

"তাহলে তো হয়েই গেলো"

দোয়েল বললো...

"কিন্তু কাকাই কিছুতেই আমাদের এখানে একা রাখতে চাইছে না।"

আহিশ একটু ভেবে বললো...

"হুম,,,তাও তো ভাববার বিষয়।"

দোয়েল তাড়া দিয়ে বললো...

"শুনেছিস কারন? এবার ফ্রী মাইন্ডে একটু পড়তে দে।আর সময় নষ্ট না করে নিজে গিয়েও পড়তে বস।রাখছি।"

বলেই আহিশকে কিছু বলার সুযোগ বা দিয়ে কলটা কেটে দিলো দোয়েল।আহিশ এবার সবার দিকে তাকালো দেখলো সবাই মোটামুটি খুশিই পাখিদের দেখে ও তাদের কথা শুনে।এর মাঝেই নিবিড় সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে হতাশ হওয়ার মতো করে বলে উঠলো....

"ইয়ার,,,,আমার মিস এটম সবসময় এমন বোম হয়ে থাকে কেন বলতো??"

আহিশ বিরক্তি নিয়ে বললো....

"ও এমনই "

জেসি বললো...

"আচ্ছা? এই বড় পাখি, ছোটপাখির মানে কি??"

আহিশ বললো...

"দোয়েল পাখির চেয়ে চড়ুই পাখি সাইজে একটু ছোট হয়। তাই দোয়েলকে বড় পাখি আর চড়ুইকে ছোট পাখি বলে ডাকি আমরা।"

জিসান খুশি হয়ে বললো.....

"বাহ,,,দারুন লজিক তো,,,আমিও এই নামেই ডাকবো ওদেরকে।"

আহিশ একটু সিরিয়াস হয়ে বললো...

"বড় আব্বু,বড় আম্মু।তোমরা হয়তো এখন পাখিদের ভাইয়াদের বউ করার কথা বলছো।কিন্তু আমার মনে হয় ওদের ব্যপারে সব জেনে তোমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। আর ওদেরও মতের দরকার আছে।"

আহিশের কথায় নিবিড় একটু সিরিয়াস হয়ে বললো...

"আহিশ,,,তুই আমাদের থেকে ছোট হলেও যথেষ্ট বুঝবান ছেলে।তাই আমি তোকে একটা কথা বলতে চাই সবার সামনে।ভনিতা ছাড়াই আমি বলছি,,,আজকে যখন মিস এটমকে প্রথম দেখেছিলাম তখন কেন জানি আমার হার্টবিট কিছু সময়ের জন্য থমকে গিয়েছিলো।মনে হচ্ছিলো কিছু একটা আছে মিস এটমের কাছে।যেটা আমার খুব করে চাই।মনে হচ্ছিল আমি ঐ জিনিসটা না পেলে মরেই যাবো।তবে হঠাৎ আম্মুর ইচ্ছার কথা মাথায় এলো।"

আবেগ জড়ানো কন্ঠে এতটুকু বলেই সাবিহার দিকে একবার তাকালো নিবিড়।তারপর বাকিদের দিকে তাকিয়ে দেখলো সবাই উৎসুক ভাবে তাকিয়ে আছে তার দিকে।এবার সে গলার জোর বাড়িয়ে দিয়ে বডি ল্যাংগুয়েজ চেঞ্জ করে বললো...

"আরেহ,,,আম্মু বলেছিলো না??টুইন্স বউ মাই চাই।তাই তখন নিজেকে থামিয়ে স্বাভাবিক করে নিয়েছিলাম।,,,যদি তখন জানতাম ওরাও টুইন্স তাহলে আই সোয়ার আমি তখনই মিস এটমকে প্রপোজ করে বসতাম।"

নিবিড়ের কথা শুনে জিসান আর জেসি হাত তালি দিয়ে একত্রে বলে উঠলো...

"আরেহ বাহ,,,,জিও ব্রো জিও।"

জেসির বাবা এসে নিবিড়ের কাধে হালকা চাপর দিতে দিতে বললো...

"সাবাশ বেটা।আমাদের বংশের ধারা অখুন্ন রেখেছিস।তোর বাপ চাচা সবাই লাভ ম্যারেজ।জিসানও লাভ ম্যারেজ।এখন তুইও।বাহ,,, লাইক ফাদার লাইক সান(বাপকা বেটা)"

আবিরদের বাবা বললো...

"আহিশ,,, তুই মনে হয় কিছু বলতে চাইছিলি?"

"হ্যা বড় আব্বু।আসলে,,,ফ্রেন্ড হিসেবে আমি পাখিদের ব্যপারে যতটুকু জানি তা তোমাদের বলতে চাইছিলাম।"

সাবিহা বললো...

"কি ব্যপার আহিশ??এভাবে বলছিস যে??"

আহিশ একটু থেমে একটা নি:শ্বাস ফেলে বলতে লাগলো....

"পাখিরা অন্য মেয়েদের মতো এত সহজে মানুষ হয়নি।ওদের জীবনটা অনেকটা স্ট্রাগলের মধ্যে দিয়ে গেছে।ইভেন এখনো যাচ্ছে।,,,,,ওদের জন্মের সময়ই ওদের মা মারা যায়। বলতে গেলে চোখ খুলেই মায়ের লাশ দেখেছে ওরা।প্রথমত তাদের কারনে তাদের মায়ের মৃত্যু, দ্বিতীয়ত তারা টুইন্স আর দুজনই মেয়ে।এই নিয়ে তাদের বাবা তাদের দু চোখের বিষ মনে করেন।তাই ওদের জন্মের ৬ মাসের মাথায় তিনি আবার বিয়ে করেন।তখনও তেমন সমস্যা হয় নি।বাচ্চা দুটোকে ফেলনা ভাবলেও দুবেলা দুটো খেতে দিতো।ওদের বয়স যখন দু বছরের মাথায় তখন ওদের বাবা আর দ্বিতীয় মায়ের একটা ছেলে হয়।তখন থেকেই ওদের প্রতি অবহেলার চরম রুপ দেখানো শুরু হয়।সময় মতো খাবার পেতো না।দু বছরের বাচ্চা দুটো কিই বা বুঝতো ওরা।দু বোন মিলে যেখানে পারতো সেখানেই থাকতো,ঘুমাতো।আরো তিন মাস ওভাবেই কেটে গেলো।তারপর ওদের কাকাই এলো ওদের ভাগ্য হয়ে।সাথে এলো তার বিদেশি বউ।পারিবারিক ব্যবসায় তার তেমন আগ্রহ ছিলো না।তিনি একজব প্রফেশনাল চিত্র শিল্পী। তখন থেকেই পাখিরা তার কাকাই আর কাকিয়ার কাছে। কাকাই ই ওদের সময় করে খাওয়াতো,গোসল করাতো,ঘুম পাড়াতো।ওরাও বড় হতে থাকে ধীরে ধীরে।ওদের ভরনপোষন,স্কুল খরচ সবই তিনিই চালান।তবুও একই বাড়িতে থাকার কারনে বাবার আর মায়ের অধিকারের নাম নিয়ে ওদের নাম মাত্র সৎ মা আর বাবা নানা রকম জুলুম করতেন।তাই ওদের এস এস সির পরই সুযোগ পেয়ে ওদের একটু ভালো থাকার জন্য নরাইল থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এখানে।আর এখানে এসে ওরা দুজন আর আরো দুজন রাবতি আর কেয়া মিলে ব্যচেলর বাসা নিয়ে থাকছে আজ প্রায় একবছর ধরে। আর তখন থেকেই আমাদের ফ্রেন্ডশিপ। "

কথা গুলো বলেই নিচের দিকে তাকিয়ে রইল আহিশ।কারোর দিকে তাকানোর প্রয়োজন বোধ করলো না।তাকালে হয়তো নিজের পাখিদের জন্য সবার চোখে ঘৃণা দেখবে। সেই ভয়ে।

অনেকক্ষন নিস্তব্ধতার পর আবিরের ভারী কন্ঠ ভেসে এলো কানে....

"আমি কয়েকদিনের মধ্যে তোর কলেজ যাবো আহিশ"

আহিশ চমকে আবিরের দিকে তাকালো। তখন নিবিড়ও সায় জানিয়ে বললো....

"হুম আমিও যাবো।মিস এটমের সাথে দেখা করতে।আরে আজকের প্রপোজটা বাকি রয়ে গেলো না??"

সাবিহাও বলে উঠলো...

"শুধু কি তোরাই দেখা করবি??আমরাও দেখবো তো নাকি?"

আহিশের চোখে বিষ্ময়।ছলছল চোখে হালকা হেসে বললো....

"বড় আম্মু??তোমরা পাখিদের অতীত সব জেনেও এই বাড়ির বউ করতে চাও??সত্যিই,,,,"

আবিরদের বাবা বলে উঠলো....

"বাড়ির বউ নয়,,,আমি আমার মেয়েদের বাড়িতে আনতে চাই।"

আহিশের বাবা বললো...

"এই এক্সামের পর কোথায় যেন যাওয়ার কথা বললো??"

আহিশ বললো...

"নরাইল। তবে ওরা চায়না ওদের কাকাইয়ের অনুপস্থিতিতে ওখানে যেতে।"

জিসান বললো...

"তাহলে এই ছুটিতেই এখানে আনা হোক ওদের।"

"কিন্তু পাখিরা কি আসতে চাইবে? আর ওরা ওদের কাকাইয়ের অনুমতি ছাড়া তো আসবেই না।আর আসার জন্য তো কাকাইকেও একটা প্রপার কারন দেখানে হবে।"

জিসানের বাবা বললো...

"কিছুদিন পরেই জিসানের বিয়ে।কারনটা না হয় এটাই ধরা হোক।কিন্তু ওদের কাকাই??"

আবিরের বাবা বললো...

"আমি কথা বলবো ওদের কাকাইয়ের সাথে। আহিশ তুই ওদের কাকাইয়ের ফোন নম্বর যোগার কর।"

"নম্বর আছে আমার কাছে।বড় আব্বু।"

বলেই ফোনে নম্বর খুজতে লাগলো আহিশ।,,,,আবির একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো....

"এতক্ষণ তোমরা সব বললে।এবার আমি একটু বলি।আশা করি আমার এই কথাটা সবাই রাখবে।"

আবিরের বাবা বললো...

"তোদের বিয়ে। তাই তোদের কথা তো রাখতেই হবে।বল কি কথা?"

"আমি চাইনা এই বিয়ের কথা এখন ওরা,, আই মিন,,,পাখিরা ঘুনাক্ষরেও যাতে টের না পায়।আর ভাইয়ের ক্ষেত্রে লাভ এট ফার্স্ট সাইট হলেও আমার ক্ষেত্রে তা মোটেও নাহ।আমি ঐ মেয়েকে কখনোই বিয়ে করবো না।আরে আমার সাথে ওর যায় না।সারাক্ষণ শুধু পাতিহাঁসের মতো লাফায় আর প্যাক প্যাক করে।আই কান্ট।"

উপস্থিত সবাই আবিরের কথায় হা করে তাকিয়ে আছে।তা দেখে আবির বললো...

"আজব,,এভাবে তাকিয়ে আছো কেন??আমার পুরো কথাটাতো শেষ করতে দাও।,,,আমি চেষ্টা করবো,,,আমি চেষ্টা করবো এ পাতিহাঁসের আচার আচরণ চেঞ্জ করার।যদি চেঞ্জ করতে পারি তাহলে আমি করবো ওকে বিয়ে।আর যদি না পারি,তাহলে আমার পক্ষে এই বিয়ে করা পসিবল না।দ্যাটস এইট"

বলেই হন হনিয়ে সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেলো আবির।ও যেতেই নিবিড় বলে উঠলো..

"আহ,,আরে তোমরা এতো সিরিয়াস হচ্ছো কেন?ভাই নিশ্চিত রাজি হবে।আরে আমারই তো জমজ ভাই।আমি ওকে ভালো করেই চিনি।তোমরা টেনশন নিও না চিল।"

জেসি বললো...।

"তাহলে বড় আব্বু,, তুমি পাখিদের কাকাইয়ের সাথে কথা বলে নাও"

"হুম,,আমি এক্ষুনি কথা বলতে চাই"

আহিশ ফোন দিয়ে বললো..

"নাও বড় আব্বু। আমি কল দিয়েছি কথা বলো।।"

"দে।"

দুবার রিং হতেই কল রিসিভ করলো আনোজ রাহমান।,,,সালাম বিনিময় করে আমোজ বললো...

"জ্বী আমি তো আপনাকে চিনলাম না।"

"মি:রাহমান। আমি রয়াল ইন্ড্রাস্টিস এর ওনার আলতাফ চৌধুরী। "

"ওহ বিজনেস রিলেটেড।সরি মি:আলতাফ,,আপনি ভুলে আমাকে ফোন দিয়ে ফেলেছেন।আসলে আমার বড় ভাই এসব বিষয় হ্যান্ডেল করে।আপনি কাইন্ডলি ওনার সাথে.....

" না,না মি:আমোজ।আমি বিজনেস রিলেটেড কিছু নিয়ে কথা বলতে না,,আপনার মেয়েদের নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই।"

আমোজ একটু চিন্তিত স্বরে বললো..

"মেয়েদের বিষয়ে.... মানে?

" আসলে এসব কথা এভাবে ফোনে না বলে সরাসরি বললে ভালো হতো আরকি।,,,আমরা কি একটু সময় করে মিট করতে পারি?"

"হ্যা,,, অবশ্যই।আমি তো ঢাকাতেই আছি।আপনি চাইলে আমরা কাল পরশু দেখা করতে পারি।কোথায় আসতে হবে বলুন??"

"জ্বী অবশ্যই।আমাদের অফিসেই আসুন না কাল আপনি।"

"আচ্ছা। আমি আসবো কাল।

" ওকেয়।আল্লাহ হাফেজ "

বলেই কল রাখলো তারা।,,,

----------------

পরদিন রোজকার মতো কলেজে আসলো আহিশ,কেয়া,রাবতি,চড়ুই, দোয়েল,,,,।সুহাস তাদের থেকে ১ইয়ারের বড়।সে এসেই তার ক্লাসে চলে গেলো,,ইনফরটেন্ট এসাইনমেন্ট আছে বলে।ক্লাসে বসে আছে সবাই।তবে তারা এই মুহূর্তে একটা জিনিস নিয়ে ভাবছে।তা হলো ক্লাসের কিছু ওভার টাউড মেয়েদের কথা।তাদের কথা শুনে যতটুকু বুঝলো তা হলো কলেজে একটু আগেই নরমাল লুকের এক আগুন পোলা আসছে।তাকে নিয়েই মেয়েদের এতো আহাজারি।এর মধ্যেই আহিশের ফোনে টুং করে একটা মেসেজ এলো।তখনই আহিশ তাড়া দিয়ে বললো...

"ছোট পাখি,,,ত্ তোকে সুহাস ভাই ডাকছে আইটি ভবনের চার তলায়।"

দোয়েল একটু ভ্রু কুচকে বললো...

"ওখানে তো কলেজের পুরাতন লাইব্রেরি ছাড়া আর কিছুই নেই।তেমন কেউ যায়ও না ওদিকে।,,,"

চড়ুই কিছু না ভেবেই বললো...

"হয়তো কোনো দরকার হবে সুহাস ভাইয়ের।আমি বরণ গিয়ে দেখে আসি।"

দোয়েল উঠতে উঠতে বললো....

"আচ্ছা চল। আমিও যাবো তোর সাথে।"

উঠতে গেলেই আহিশ দোয়েলকে টেনে আবার বসিয়ে দিয়ে তারাহুরো করে বললো....

"আরেহ তুই কোথায় যাচ্ছিস।তোর সাথে আমার কাজ আছে।"

"কি কাজ?"

"আআআহ,,কি কাজ,, কি কাজ,,,প্ ফিজিক্স,,, হ্যা,হ্যা,,ফিজিক্স ""

"ফিজিক্স? "

"হ্যা,ফিজিক্স বুঝিয়ে দিতে হবে আমায়।"

"তুই আবার কবে থেকে পড়া নিয়ে এত সিরিয়াস হলি??"

"আ্ আজকে থেকে।আরে কাল পরিক্ষা না??তাই।, এই ছোট পাখি,, তুই যাতো,,আবার ক্লাস শুরু হয়ে যাবে।"

"হুম যাচ্ছি "

বলেই ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেলো চড়ুই।

---------আইটি ভবনের চার তলার বারান্দা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আর এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। পুরাতন লাইব্রেরির সামনে আসতেই হালকা ঢোক গিললো।কেন জানি ভয় লাগছে তার।কাপা কাপা কন্ঠে ডাকলো...

"সুহাস ভাই???সুহাস ভাই??আমায় ডেকেছিলে??সুহাস ভাই?"

আওয়াজ না পেয়ে একপা একপা করে ভেতরে ঢুকলো,,,তেমন আলো না তাকলেও হালকা আছে।এদিক ওদিক তাকিয়ে সুহাস কে খুজতে লাগলো।তখনি পেছন থেকে একটা ভারী কন্ঠের আওয়াজ ভেসে এলো.....

"পাতিহাঁস?? "

মি. এন্ড মিস. টুইন্স পর্ব ৩ গল্পের ছবি