রোদ্দুরের ঝিলমিলের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুলগুলো ঠিক করতে করতে বলল, 'এভাবে তেড়ে এলি কেনো?'
'তুই বলিস কেনো বাজে কথা? অসভ্য ছেলে কোথাকার!'
'কিচ্ছু বলি নাই আমি। যেটা বলেছি সেটা দিনের আলোর মত ফকফকা, পরিষ্কার। তুই কিনা কি মাইন্ডে নিলি, ছিঃ। অভদ্রতামি আমার মধ্যে না, তোর মনের মধ্যে। ভালো হ, ভালো হ ঝিলমিল। ভালো হইতে পয়সা লাগে না। বাই দা ওয়ে, তুই কি ভেবেছিস বল তো?' রোদ্দুর ঝিলমিলের দিকে তাকাল।
ঝিলমিল বিছানা থেকে বালিশ তুলে নিয়ে একেরপর এক রোদ্দুরের গায়ে ছুঁড়ে মারল। ইচ্ছেমত রাগে গজগজ করতে লাগল।
রোদ্দুর বলল, 'ঠিক আছে, তুফান থামা প্লিজ। কিছু বলা লাগবে না তবুও আমার উপর এত অত্যাচার চালাস না। যা, গিয়ে ফ্রেশ হ। অন্ধকারের মধ্যে যে তান্ডব লীলা শুরু করেছিস, আলো জ্বললে কী করবি কে জানে?'
রোদ্দুর ফোনের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে ফ্রেশ হয়ে বসল। হাতমুখ ধুয়ে আসার পর মাইন্ড'ও ফ্রেশ লাগছে।
ঝিলমিল বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল। রোদ্দুর চেঁচিয়ে বলল, 'এই ঠান্ডার মধ্যে ওখানে একা একা কি করিস? দরজা খুলে রেখেছিস কেনো? হু হু করে বাতাস ঢুকতেছে।'
'তুই বাতাস খা। আমি তোর আশেপাশেও ঘেঁষব না। অভদ্র কোথাকার! মানুষ এত খারাপ হয়, জানা ছিল না।'
রোদ্দুর এসে ঝিলমিলের পাশে দাঁড়াতেই ঝিলমিল সরে গিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নিল। রোদ্দুর বলল, 'পৃথিবীর সব মানুষ'ই এইরকম খারাপ।'
'উহুঁ, মোটেও না।'
'অবশ্যই, আমি তোকে বিষয়টা এক্সপ্লেইন করি ওয়েট...'
ঝিলমিল রোদ্দুরকে হাতের ইশারায় থামিয়ে দিয়ে বলল, 'তোর কোনো এক্সপ্লেইন শুনতে চাই না। তোর কাছ থেকে বাঁচার জন্য এইখানে এসে দাঁড়িয়েছি। তুই'ও পিছু পিছু চলে এসেছিস! এত বউয়ের আঁচল ধরা স্বভাব ভালো না।'
'জীবনের থেকে অর্ধেক সময় পার হয়ে যাওয়ার পর বউ পেলে যা হয় আর কী!' রোদ্দুর হাসতে হাসতে বলল। তারপর পুনরায় বলল, 'আমি ঘুমাতে যাচ্ছি। এখানে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না, পরে ঠান্ডা লাগবে। ঘরে আয়।'
রোদ্দুর চলে গেল। ঝিলমিল পিছু পিছু গিয়ে বারান্দায় দরজা লাগিয়ে দিয়ে ফের দাঁড়াল। যতটা না রোদ্দুরকে এড়াতে চেয়েছে তার থেকেও বেশি চায় নিজেকে বুঝতে। নিজেকে নিয়ে সে ভীষণ সংকীর্ণ বোধ করছে। নৈঃশব্দ্যের মধ্যে নিজের অনুভূতিকে খোঁজার চেষ্টা করল। ইদানিং কেমন কেমন যেনো লাগে! রোদ্দুরের খুব কাছে পাশে, হুটহাট হাত ধরা, ওর কথাবার্তা শুনলে মুখে যতই রাগ করুক না কেনো; মনের মধ্যে ভীষণ দুর্বলতা অনুভব করে। ঠান্ডা লাগছিল বলে ঝিলমিল ঘরে চলে এলো। এক পলকের জন্য বায়ে তাকাল দু'টো অন্তর্ভেদী শীতল দৃষ্টিতে। দেখতে লাগল ওই ঘুমন্ত মানুষটাকে। কী নিষ্পাপ চাহনি, একদম ছোট্ট বাচ্চাদের মত। কোথায় সেই ক্ষিপ্র চালনার দাপুটে স্বভাব, কোথায় বা দৃঢ় প্রতিজ্ঞার একাগ্রচিত্তের দুষ্টু স্বভাব? ঝিলমিল একদৃষ্টিতে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারল না। কেমন লজ্জায় গাল দুটো টাকা টমেটোর মত লাল টুকটুকে হয়ে এলো। আপনাআপনি দৃষ্টি নত হলো। সে এগিয়ে গিয়ে রোদ্দুরের গায়ে ভালো করে কম্বলটা দিয়ে নিজেও অপরপাশে শুয়ে পড়ল। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেল।
.
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করতে করতে রোদ্দুরের একটা বিষয় নজরে এলো। একটা লোক ছোট চাচ্চুর খোঁজে আসত, রোদ্দুরের সাথে তার দেখা হয়েছিল তখন সে বলেছিল, কেউ একজন ছোট চাচ্চুর সাথে দেখা করতে চায়। রোদ্দুর লোকটার ফোন নম্বর, ঠিকানা রেখেছিল। ছোট চাচ্চুকে বলে নাই এই ভেবে যে, এমনিতেই তাদের শত্রুর শেষ নাই। এই লোক কে না কে, কী মতলবে এসেছে! উনি তো একটা লোকালয়ের ঠিকানা দিয়েছেন, রোদ্দুর সিদ্ধান্ত নিল আজ যাবে সেখানে। তবে ঝিলমিলকে এ কথা বলতেই সে'ও বায়না ধরল, তাকে নিয়ে যেতে হবে। অগত্যা বেলা বারোটার আগে আগেই রওনা দিতে হলো।
এটা একটা ছোটোখাটো গ্রাম। পৌঁছাতে পৌঁছাতে একটা বেজে গেল। রোদ্দুর ওই লোকটাকে ফোন করেছিল, তিনি বলে দিলেন ঠিক কোথায় আসতে হবে।
সেখানে পৌঁছে ওরা অনেক মানুষজন দেখতে পেল। একটা বাড়ি, সেই বাড়িটাকে ঘিরে শুধু মানুষজনের আনাগোনা।
ঝিলমিল জিজ্ঞেস করল, 'এখানে কি মানুষ মা'রা গেছে নাকি?'
'তাইতো মনে হচ্ছে। ওয়েট, আমি ওই লোকটাকে একটা ফোন দিই।' রোদ্দুর পকেট থেকে ফোন বের করতেই একটা মেয়ে তাদের দিকে এগিয়ে এলো, ঠিক মেয়ে না মহিলা বলা চলে। ঝিলমিলের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, 'আপনারা কি মনোয়ার ভাইয়ের বাড়ি থেকে এসেছেন?'
ঝিলমিল রোদ্দুরের দিকে তাকাল। রোদ্দুর উত্তর দিল, 'জি।'
তিনি বললেন, 'আচ্ছা ঠিক আছে। বুঝতেই পারছেন এটা ম'রা বাড়ি। কতদিন আগে থেকে ভাইকে খবর পাঠানো হচ্ছে, অথচ এমন একটা দিনে তিনি আপনাদের পাঠালেন যে যে মূল ভূমিকায় ছিল উনি মা'রা গেলেন। যাইহোক, আসুন আমার সাথে।'
রোদ্দুর জিজ্ঞেস করল, 'কোথায় যাব?'
তিনি হেসে বলল, 'চিন্তার কারণ নেই। আপনারা জানতে চান না, কেনো আপনাদের ডাকা হয়েছে। আচ্ছা ভালো কথা, মনোয়ার ভাই আপনাদের কে হয়?'
'আমাদের চাচ্চু।' ঝিলমিল উত্তর দিল।
'নিজের?' উনি প্রশ্ন করল।
'হুম।'
সে বলল, 'আমাকে আধা ঘন্টা সময় দিন দয়া করে। আমি ভেতর থেকে একটু আসছি। আপনারা আমার সাথে আসুন।'
ঝিলমিল আর রোদ্দুর দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুগতে ভুগতে ওর পিছু পিছু গেল। তিনি একটা ছোট্ট ঘরে এনে ওদের বসাল। তারপর বলল, 'আপনারা যাবেন না কিন্তু। একটু বসুন, আপনি আসছি।'
সে দ্রুত পায়ে চলে গেল। ঝিলমিল আর রোদ্দুর একে অপরের দিকে তাকাল। তারা কিছুই বুঝতে পারছে না। সব কেমন ঝাপসা ঝাপসা! যিনি মা'রা গেছেন, তার সাথে ছোট চাচ্চুর কি সম্পর্ক? ওরা আর আবোল তাবোল ভাবনা ভেবে জল ঘোলা করতে চাইল না।
তিনি আধা ঘন্টার কথা বললেও, ১৫ মিনিটের মাথায় ফিরে এলো। ওদের মুখোমুখি একটা চেয়ার টেনে বসল। কোনো ভূমিকা ছাড়াই বলতে শুরু করলেন, 'আমার নাম শেফালী। যিনি মারা গেছেন তিনি আমার খুব কাছের একজন। সম্পর্কে খালাতো বোন, তবে নিজের না। উনি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় ওনার ছেলেমেয়ে কেউ সাক্ষাৎ করতে আসে নাই। এই নিয়ে আফসোস ছিল। আপনারাই বলুন, একটা মানুষের তিনটে ছেলেমেয়ে অথচ কাউকে পাশে পেলেন না; আফসোস তো থাকবেই। জীবনে বহুত কষ্ট পেয়েছেন। প্রথম যেটা উনার সাথে খারাপ হলো, সেটা হচ্ছে ওনার বিয়েটা। আপনার চাচ্চুর সাথে ওনার সম্পর্ক ছিল দীর্ঘদিনের। কিন্তু সেসব বাড়িতে জানাজানি হওয়ার আগেই একরাতে তার বিয়ে হয়ে গেল। জোর করেই পরিবার থেকে বিয়ে দিয়েছে, প্রচুর কান্নাকাটি করেছে, বাঁধা দিয়েছে কিন্তু কাজ হয় নাই। সাধারণভাবেই মনোয়ার ভাইয়ের সাথে তার সম্পর্ক শেষ হয়ে গেল। লজ্জায় শেষ দেখাও করতে পারল না। আমাকে দিয়েই খবর পাঠিয়েছে। কাহিনী এখানে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ হলো না। সুমি আপা নিজেকে দোষারোপ করতে শুরু করল। ওখানে সংসার শুরু করার পরেও মন পরে ছিল আরেক জায়গায়। স্বামীর বাড়িতে শান্তি পায় নাই। ওরাও প্রচুর অত্যাচারী ছিল। তাও দশটা বছর টিকে ছিল, এরইমধ্যে দুটো ছেলে একটা মেয়ে হয়েছিল। সুমি আপাকে যখন আমরা ফিরিয়ে এনেছিলাম তিনি তখন প্রায় পাগল হয়ে গেছেন। ওই বাড়ি থেকে বাচ্চাগুলোকে রেখে দিলেন। অর্থাৎ তাকে পাগল করে দেওয়ার জন্য তার শ্বশুরবাড়ির মানুষ সমস্ত ছক কষে রেখেছিলেন। দিনের পর দিন বাচ্চাগুলোকে না দেখতে পেয়ে কী একটা বাজে অবস্থা হয়ে গেল। মনোয়ার ভাইয়ের কথা ভুলেই গিয়েছিল, কিন্তু একা থাকার ফলে সেসব মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। তার ধারণা, একজন মানুষকে ঠকানোর ফলে তার সাথে এসব হচ্ছে। নিশ্চয়ই মনোয়ার ভাই তাকে অ'ভিশা'প দিয়েছিলেন। এভাবেই দিন কাটছিল। সেই যে অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়লেন গতকাল তার সমাপ্তি ঘটল। অনেক কষ্টে আপনাদের ঠিকানা খুঁজে খবর পাঠিয়েছিলাম। অন্তত মৃ'ত্যুর আগে যদি শেষ দেখাটা করতে পারে। আপার ইচ্ছে ছিল, ক্ষমা চাইবে নিজের অপরাধের জন্য। কিন্তু সম্ভব হলো না, মানুষটা চলেই গেল। মানুষের যখন ভালোবাসা দরকার তখন ভালোবাসা পায় না, আর এখন সে চলে গেছে; ভালোবাসার দরকার নাই, সহমর্মিতার দরকার নেই তবুও মানুষ এসেছে একনজর দেখার জন্য। কান্নাকাটি করছে, তার সাথে কাটানো ভালো সময়গুলো মনে করছে, কী লাভ এসব করে? সময় থাকতে করে নাই, ফিরেও তাকায় নাই। মানুষের ধর্ম বুঝি এমনই! আচ্ছা, আপনাদের চাচ্চু কি এখনও আপর উপর রাগ করে আছে? উনি এলেন না যে?'
এতগুলো কথা বলে শেফালী নামের মহিলা রোদ্দুরের দিকে প্রশ্নের বাণ ছুঁড়ে থামল।
ঝিলমিল আর রোদ্দুর এতক্ষণ চুপ করে থাকলেও এইবার নড়েচড়ে বসল। রোদ্দুর বলল, 'উনি জানতেন না। যাকে দিয়ে খবর পাঠিয়েছিলেন, তার সাথে আমার দেখা হয়েছিল।'
ওরা ছোট চাচ্চুকে একটা অন্যরকম মানুষ হিসেবে আবিষ্কার করেছিল। রোদ্দুর তার সাথে মিশেছে একদম বন্ধুর মত। কিন্তু কখনো মনের অন্দরে থাকা কথাগুলো তিনি কাউকে জানান নাই, ঘুণাক্ষরেও জানতে দেন নাই।
শেফালী নামের উনি হয়ত ভাবছিলেন, উনার কথা উপস্থিত ওরা বিশ্বাস করতে পারছে না। তিনি ব্যাপারটা স্বাভাবিকভাবে নিয়েই ঘর থেকে কিছু পুরোনো সাদাকালো ছবি, হাতে লেখা চিঠি নিয়ে এলেন।
ঝিলমিলের খুব বেশি খারাপ লাগল। একটা মানুষের হাতেগোনা কয়েক বছরের ছোট্ট জীবনে কত অজস্র দুঃখ থাকে। এই দুঃখগুলো চোখে দেখা যায় না, হাত দিয়ে ছোঁয়া যায় না, অনুভব'ও করা যায় না। ভীষণ ব্যক্তিগত এসব, নিজের ভেতর চেপে রাখতে রাখতে একসময় নিজের অনুভূতিই ভোঁতা হয়ে যায়, ম'রে যায়।
ঝিলমিল আর রোদ্দুর যেনো তার কথাগুলো অবিশ্বাস না করে এইজন্য তিনি বিভিন্ন প্রমাণপত্র দেখালেন। বলে দিলেন, 'মনোয়ার ভাই যেনো কোনো দাবি না রাখে, কোনো অভিযোগ না রাখে। একটা মানুষ মা'রা গেছে, শেষ সময়ে ভীষণ আফসোস করেছিল, ওই সময়টাতেও কিছু করার ছিল না।'
কথাবার্তা শেষে ঝিলমিল আর রোদ্দুর উঠে গেল। এখানে এসে অনেক বড় একটা কাহিনী জানতে পেরেছে, যা জানার কথাই ছিল না তাদের। ফেরার পথে শেফালী জিজ্ঞেস করলেন, 'আচ্ছা মনোয়ার ভাই বিয়ে করেছিলেন তাইনা?'
ঝিলমিল বলল, 'না। উনাকে একসময় বাড়ি থেকে বিয়ের জন্য খুব চাপ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চাচ্চু বলেছিল, বিয়েশাদী খুব প্যারার বিষয়। আর এসব প্যারা আমার ভালো লাগে না। তার অনিচ্ছাতেই বিয়ে হয় নাই।'
শেফালী বিষন্ন সুরে বলল, 'ওহ।'
আহা, দু'জন মানুষের মধ্যে একসময় ভালোবাসা ছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে কাউকে কারো পাওয়া হলো না। একেকজন যোজন যোজন দূরে থেকে একে অপরকে মনে রেখেছে ঠিক। ভালোবাসা বোধহয় কিছু ক্ষেত্রে এমন'ই অদ্ভুত আর অবিনাশী। ঝিলমিল আর রোদ্দুর বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেল।
ওনার একটা কথা ঝিলমিলের মস্তিষ্কে গেঁথে গেছে। 'যখন মানুষের ভালোবাসার দরকার নাই, তখন ভালোবাসার অভাব হয় না। আর যখন দরকার তখন মানুষ ভালোবাসা পায় না।'
কথাটা তিনি ঠিকই বলেছেন। ওখান থেকে বের হওয়ার পর রোদ্দুরের'ও কেমন মুড অফ হয়ে গেছে, কথা বলে নাই। ঝিলমিলের'ও কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে না।
সে ওই ভাবনায় মত্ত। ভালোবাসা হয়তো একটু একটু করে উপলব্ধি করতে পারছে। হৃদয়ের অনুভূতি, তার জন্য মনের মধ্যে কিছু একটা অনুভব করা, কখনো কখনো দায়বদ্ধতা, আদর, মায়া, আবেদন, শ্রদ্ধাবোধ, শাসন, কৃতজ্ঞতা, মুগ্ধতা, সুখ-দুঃখ, একজনের প্রতি অপরজনের সম্মান— সবটাই তো ভালোবাসা। মনের মধ্যে বিষাদ ছুঁয়েছে আগেই তারপরও ঝিলমিলের মুখে বসন্তের ফুলের মত হাসি ফুটে উঠল।
.