এ কী বুদ্ধি দিলে তুমি?

লেখক: মীর মোঃ তানজিরুল ইসলাম

স্মৃতির ছাইচাপা কোণে লুকিয়ে থাকা শৈশবের কিছু বন্ধন কখনো পথ হারায় না, বরং নিয়তির অদ্ভুত টানে নতুন কোনো বাঁকে এসে মুখোমুখি দাঁড়ায়। অরণ্যের সবুজ নির্জনতায় একটি আচমকা বাক্য যখন জমে থাকা রহস্যের দেওয়াল তুলে দেয়, তখন সত্য আর ভুলের মধ্যবর্তী ব্যবধানটুকু ধোঁয়াশা হয়ে ওঠে। ভুল বোঝাবুঝির সেই আঁধার চিরে ভালোবাসার আলো কীভাবে একটি জীবনকে নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করে—এ যেন তারই এক অলৌকিক উপাখ্যান।

"এ কী বুদ্ধি দিলে তুমি?" গল্পটি লেখক মীর মোঃ তানজিরুল ইসলাম-এর অনুমতিক্রমে ৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে গল্পের বাহার-এ প্রকাশিত হয়েছে।

পর্ব ১

পর্ব ১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২

পর্ব ২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩

পর্ব ৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪

পর্ব ৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

এ কী বুদ্ধি দিলে তুমি? গল্পটি মীর মোঃ তানজিরুল ইসলাম-এর লেখা একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক ও ফ্যামিলি ড্রামা
পর্ব ৫

পর্ব ৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬

পর্ব ৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৭

পর্ব ৭

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৮

পর্ব ৮

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৯

পর্ব ৯

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ১০

পর্ব ১০ (সমাপ্ত)

সম্পূর্ণ পড়ুন

📖 গল্প সম্পর্কে

'এ কী বুদ্ধি দিলে তুমি?' গল্পটি তিন শৈশব বন্ধু—শান্ত, মাহির ও রবির আন্তরিক বন্ধুত্বের প্রেক্ষাপটে রচিত। ইংল্যান্ড থেকে মাহির দেশে ফিরলে সবাই মিলে রবির 'অরণ্য নীড়' রিসোর্টে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে। সেখানে শান্তর সাথে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পরিচিত হয় নাবিহা জান্নাত (ইরা) নামের এক রহস্যময় তরুণীর। ঘটনাক্রমে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে অচেতন হওয়া ইরা জেগে উঠে শান্তকে জড়িয়ে একটি প্রশ্ন করলে সৃষ্টি হয় চরম ড্রামা ও রহস্যের। ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে উন্মোচিত হয় ইরার জীবনসংগ্রাম ও আত্মহত্যার চিন্তা থেকে ফিরে আসার গল্প। শান্তর সহমর্মিতা ও ভালোবাসার প্রস্তাব ইরার জীবনকে নতুন আলো দেখায়। শেষপর্যন্ত বন্ধুদের সহযোগিতা ও পরিবারের সম্মতিতে তাদের শুভ পরিণয় ঘটে। গল্পটি সুন্দর কারণ এতে বন্ধুত্ব, রোমান্স ও রহস্যের এক অনন্য ভারসাম্য রয়েছে। সহজ ভাষাশৈলী, মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা এবং নাটকীয় মোড় গল্পটিকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

📝 সম্পাদকীয় মন্তব্য

সম্পাদক হিসেবে এই গল্পটি পাঠকদের সামনে তুলে ধরতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। মানবজীবনের জটিল সম্পর্ক ও বন্ধুত্বের চিরন্তন বন্ধন এতে অত্যন্ত সাবলীলভাবে চিত্রিত হয়েছে। শৈশবের স্মৃতি, একসাথে ছুটে চলা এবং বয়সের সাথে সাথে সম্পর্কের গভীরতা গল্পের মূল প্রাণ। হঠাৎ ঘটে যাওয়া নাটকীয় মোড় এবং রহস্যের সৃষ্টি পাঠককে শেষ পর্যন্ত উৎসুক করে রাখবে। হতাশা ও আত্মহত্যার মত সংবেদনশীল বিষয়কে কাটিয়ে ভালোবেসে বেঁচে থাকার ইতিবাচক বার্তা এতে রয়েছে। শান্ত চরিত্রটির ধৈর্য ও সহমর্মিতা পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। প্রকৃতির রূপ ও ভ্রমণকাহিনীর আবহ গল্পটিকে আরও উপভোগ্য করে তুলেছে। পারিবারিক টানাপোড়েন এবং অবশেষে ভালোবাসার জয় পাঠকদের মন ভালো করে দেবে। তরুণ প্রজন্মের আধুনিক চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধের সুন্দর প্রতিফলন এই লেখাটিতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। আশা করি, পাঠক এই গল্পটি পড়ে এক আনন্দদায়ক ও আবেগঘন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন।