নেশাময় আসক্তি

পর্ব - ৩২

🟢

"ভাইয়া আপনাকেও সত্যটা বলেনি সেই জন্য।

“ওহু, তেমন কোনো ব্যাপার নেই। আর তুই কি আমার কাছে কৈফিয়ত চাচ্ছিস?

আহি ডুকরে কেঁদে উঠল। চোখ থেকে টপটপ করে অশ্রু ঝরছে। সে বরাবরই ভীষণ সেনসিটিভ একটা মেয়ে। অল্প কথাতেই তার মন ভেঙে যায়। আর সেই কথা যদি তার সবচেয়ে কাছের মানুষটা বলে তাহলে তো কষ্টটা আরও গভীর হয়ে ওঠে। কাঁদতে কাঁদতেই সে বলল,

"আপনি এমন করে কথা বলছেন কেন? আমি কি ভুল কিছু বলেছি?

তার কণ্ঠ কেঁপে উঠল। ঠোঁট উল্টো করে কাঁদু কাঁদু কন্ঠে প্রতিধ্বনিত করে,

"আপনি এখন আর আগের মতো আমার সাথে কথা বলেন না, আগের মতো সময়ও দেন না। আচ্ছা অয়ন ভাই আমি কি পুরনো হয়ে গেছি বলে এমন করেন? আমিও কি ভাইয়ার মতো হারিয়ে গেলে আপনি খুশি হবেন?

কথাটা শুনে অয়নে’র বুকের ভেতর ধক করে উঠল। যেন কেউ হঠাৎ তার হৃদয়ে আঘাত করল। এক সেকেন্ডও দেরি না করে সে বিদ্যুৎ গতিতে আহি’কে নিজের বুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। এবং আহি’র সারা মুখে অজস্র চুমু দিতে লাগল। তারপর নিচু কণ্ঠে সে বলল,

“আই’ম সরি পাখি, আই’ম রিয়েলি রিয়েলি সরি! তোকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আমি কথাটা বলিনি। অনেক কষ্ট পেয়েছিস তাই না? তোর অয়ন ভাই দিন দিন সত্যিই অনেক পঁচা হয়ে যাচ্ছে। তোকে আর আগের মতো সময় দেয় না, উল্টো তোকে অকারণে কষ্ট দেয়।

সে একটু থামল। তারপর আহি’র চুলে হাত বুলিয়ে নরম কণ্ঠে ফিসফিস করলো,

“পাখি, তুই পুরনো হবি কেন? বউ আর ভালোবাসা কখনো পুরনো হয় না। পুরনো হয় প্রেমিকা কারণ সে হুট করে আসে আবার হুট করে চলে যায়। আর বউ আসে পবিত্র কালেমা পড়ে!

কথাটা শুনে আহি’র চোখের কোণে হালকা হাসি ফুটে উঠল। সে লজ্জা পেয়ে আবার অয়নে’র টি-শার্টের ভেতর মুখ লুকিয়ে ফেলল। অয়ন তাকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরে মৃদু হাসল।

“ওহু ঘটনা তো ঠিক লাগছে না। আজ এতো কাছাকাছি আসার মানে কি?

আহি গলা নিচু করে বলল,

"এমনি…

অয়ন সাথে সাথে মাথা নাড়ল।

“ওহু, আমি আমার দোয়েল পাখিকে চিনি। সে তো এমনি এমনি কিছু করে না, আর সেখানে আমি নো ওয়ে। তোর মাথায় কি চলছে বল তো?

আহি মেকি হাসি দিল।

"না মানে, কাল তো প্রথম রোজা। আমাকে ডেকে দিয়েন। আমিও আপনাদের মতো রোজা রাখবো।

কথাটা শুনে অয়ন যেন বজ্রাহত হলো। সে ভ্রু কুঁচকে তাকায়,

“না না, ওটা হচ্ছে না। যে মেয়ে দিনে সাতবার না খেলে থাকতে পারে না, সে আবার রোজা রাখবে? তারপর সকাল এগারোটা বাজতে না বাজতেই কান্নাকাটি শুরু করে দিবি। তার থেকে রোজা না থাকাই ভালো।

"উহু উহু আমি থাকতে পারবো! প্লিজ অয়ন ভাই, এটা আপনার সাথে আমার প্রথম রমজান। আমি আপনার সাথে সবগুলো রোজা করতে চাই। প্লিজ প্লিজ প্লিজ স্বামী জান!

কথাটা বলেই আহি যেন নিজেই একটু থেমে গেল। অয়ন অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখে স্পষ্ট বিস্ময়। এই প্রথম আহি তাকে “স্বামী জান” বলেছে। শব্দটা যেন সোজা গিয়ে অয়নে’র বুকের ভেতর ধাক্কা দিল। বুকের ভেতর কেমন অদ্ভুত এক দোলা লাগল তার। সে একটু ঝুঁকে নরম গলায় বলল,

“পাখি, কি বললি তুই?

"অয়ন ভাই…

অয়ন ভ্রু তুলে তাকাল।

“ওহু তারপর কি বললি?

"কি বললাম?

“একটু আগেই তো বললি আবার এখনই ভুলে গেলি। বল না সেটা আবারও।

আহি চোখ ঘুরিয়ে বলল,

"এটা আপনার সাথে প্রথম রমজান সেটাই তো বললাম।

“মাইর দেবো কিন্তু!

আহি চমকে উঠল। তারপর লজ্জায় কাচুমাচু হয়ে গেল। তার গাল লাল হয়ে উঠেছে। মাথা নিচু করে খুব আস্তে বলল,

"স্বামী জান বলেছি!

কথাটা বলেই সে লজ্জায় দ্রুত অয়নে’র বুকের সাথে আরও মিশে গেল। অয়নে’র ঠোঁটের কোণে ধীরে ধীরে হাসি ফুটে উঠল। সে আলতো করে আহি’র চিবুক তুলে ধরল। মেয়েটার লাজুক মুখটা দেখে তার বুকটা নরম হয়ে গেল। তারপর খুব যত্ন করে আহি’র কপালে ঠোঁট ছোঁয়াল। নিচু গলায় ফিসফিস করে বলল—

“বউ আমার এতো ভালো কবে হলো হুম? আমাকে স্বামী জান বলছে, লাইক সিরিয়াসলি! আমি এখন কোথায় যাবো বল তো?

আহি লজ্জায় নুয়ে গেল। তার গাল দুটো লাল হয়ে উঠেছে। অয়নে’র চোখের দিকে তাকাতেও কেমন যেন সংকোচ লাগছে। হঠাৎ অয়ন একটু ঝুঁকে তার কানের কাছে ঠোঁট এনে খুব ধীরে ধীরে ফিসফিস করে বলল,

“বউ, একটা কথা বলি?

আহি সঙ্গে সঙ্গে মাথা নাড়ল।

" না না! আপনি এখন পঁচা পঁচা কথা বলবেন, আমি জানি। তাই আপনি চুপ করে থাকেন।

মূহুর্তেই অয়নে’র ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি টেনে নিয়ে হুট করে আহি’র কোমর এক ঝটকায় জড়িয়ে নিল। আহি অবাক হয়ে উঠল।

"অয়ন ভাই না প্লিজ...

কিন্তু সে কিছু বুঝে ওঠার আগেই অয়ন তাকে নিজের খুব কাছে টেনে নিল। আহি’র বুকের ধুকপুকানি অয়ন স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছে। অয়ন ধীরে ধীরে মাথা ঝুঁকিয়ে তার গলার কাছে মুখ গুঁজে দিল। নরম গলায় আওরাল,

“আমি তোর কাছে যাইনি বরং তুই নিজে এসেছিস ধরা দিতে। সো আমি যতক্ষণ না ছাড়ছি, ততক্ষণ আমার আলিঙ্গনেই থাকবি!

আহি ছটফট করে উঠলো,

"কিন্তু অয়ন ভাই...

তার বাকিটা আর শেষ করতে পারল না। অয়ন আলতো ভাবে তার ঠোঁটে আগুল ছুঁয়ে তার কথা থামিয়ে দিল। তাদের দুজনের নিঃশ্বাস একে অপরের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। আহি’র চোখ বন্ধ হয়ে এলো অজান্তেই। অয়ন মুচকি হেসে আহি'র থুতনিতে চুম্বন কাঁটে এবং ফিসফিস করে,

“বউ একটু বেশি পাগলামো করলে সামলে নিস প্লিজ!

সেহরি খাওয়ার জন্য শেখ বাড়ির প্রায় সবাই উঠে পড়েছে। শুধু একজন বাদে, আর সে হচ্ছে আহি! সে এখনো গভীর ঘুমে ডুবে আছে। চাদর মুড়িয়ে একেবারে গোল হয়ে ঘুমাচ্ছে। যেন পৃথিবীর কোনো চিন্তাই তার নেই। অয়ন অনেকক্ষণ ধরেই তাকে ডাকছে। কিন্তু কোনো সাড়া নেই।

সে আবারও বলল,

“এই পাখি উঠ না সেহরি খেতে হবে তো।

আহি একটু নড়ল, কিন্তু আবার আগের মতোই ঘুমে তলিয়ে গেল। অয়ন দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

“ইয়া আল্লাহ, এ কেমন মেয়ে!

আরও কয়েকবার ডাকার পরও যখন কাজ হলো না, তখন বাধ্য হয়ে সে নিচে ডাইনিং টেবিলে চলে গেল। সবাই প্রায় খাওয়া শেষ করে ফেলেছে। অয়ন তাড়াতাড়ি কিছু খেয়ে নিল। তারপর একটা প্লেটে খাবার নিয়ে উপরে ফিরে এল। রুমে ঢুকেই আবার একই দৃশ্য। আহি ঠিক আগের মতোই ঘুমাচ্ছে। অয়ন মাথা নাড়ল।

বিজ্ঞাপন

সে প্লেটটা টেবিলে রেখে বিছানার কাছে গেল। তারপর দুহাত দিয়ে আহি’কে টেনে তুলে বসানোর চেষ্টা করল।

“দোয়েল পাখি প্লিজ এবার উঠে পড়। নয়তো আযান দিয়ে দেবে।

আহির মাথা দুলে আবার অয়নে’র কাঁধে পড়ে গেল। সে আধো ঘুমে বিড়বিড় করল,

"আর পাঁচ মিনিট ওয়েট করুন অয়ন ভাই।

“তোর পাঁচ মিনিটে তো দুনিয়া শেষ হয়ে যাবে!

কিন্তু আহির ঘুম আর ভাঙে না। এভাবেই কিছু সময় কেটে গেল। হঠাৎ দূরের মসজিদ থেকে মাইকে ভেসে এলো ঘোষণা—

❝সেহরির আর পাঁচ মিনিট বাকি আছে!

কথাটা যেন বাজের মতো পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে আহি লাফিয়ে উঠে বসে।

"কিহহহহ?

অয়ন কিছু বোঝার আগেই আহি তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। সে দৌড়ে ওয়াশরুমে ঢুকে গেল। অয়ন হতভম্ব হয়ে বসে রইল। এক মিনিটের মধ্যেই আহি আবার বের হয়ে এল। চুল এলোমেলো, চোখ আধো ঘুমে ভরা। সে দ্রুত এসে বসে বলল,

"অয়ন ভাই তারাতাড়ি খাইয়ে দিন! সময় নেই একদম। আরেকটু আগে ডাক দিতে পারলেন না? আপনার বউ রোজা থাকতে চেয়েছে আর আপনি আহাম্মকের মতো তাকিয়ে ছিলেন!

অয়ন কিছু বলল না। শুধু চুপচাপ প্লেটটা হাতে তুলে নিল। তারপর নিজের হাতে আহি’কে খাওয়াতে লাগল। আহি তাড়াহুড়ো করে কয়েক লোকমা খেল। তারপর মুখ ঘুরিয়ে বলল,

"অয়ন ভাই৷ আর খাবো না।

অয়ন চোখ রাঙিয়ে তাকাল।

“খাবি না মানে? চুপচাপ পুরোটা খেয়ে নে। পরে খিদের জন্য কান্নাকাটি করলে কিন্তু মাইর দেবো।

আহি ভ্রু কুঁচকে বলল,

"আমাকে আপনার কি বাচ্চা মনে হয় নাকি?

অয়ন ঠোঁট চেপে হাসল।

“তা কয়েক ঘণ্টা পরেই দেখা যাবে।

অনেক বুঝিয়েও আর বেশি খাওয়াতে পারল না। ঠিক তখনই, মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে এলো। আহি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। সে উঠে বিছানার দিকে হাঁটতেই অয়ন তার হাত ধরে ফেলল।

“কোথায় যাচ্ছিস?

"ঘুমাবো।

অয়ন অবাক হয়ে তাকাল।

“ঘুমাবো মানে?

"হুম!

“নামাজ কে পড়বে শুনি? আমি মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে আসছি। তুই এখানেই পড়ে নে। আর নামাজ শেষ করে আবার ঘুমানো যাবে না।

আহি বিস্মিত নয়নে তাকিয়ে রয়,

"কেন?

“আমি কুরআন পড়ব আর তুই শুনবি!

আহি আধো ঘুমে মাথা নাড়ল।

"আচ্ছা…

অয়ন ওযু করে জায়নামাজ হাতে নিল। তারপর ভোরের ঠান্ডা বাতাসে দরজা খুলে পাশের মসজিদের দিকে হাঁটতে শুরু করল।

আর এদিকে আহিও ধীরে ধীরে ওয়াশরুমের দিকে এগোল,।

প্রায় আধ ঘণ্টা পর অয়ন জায়নামাজ হাতে নিয়ে রুমে ঢুকল। রুমে ঢুকেই চোখ পড়ে আহি এখনও তার জায়নামাজে বসে আছে। অয়নে’র মনে সেই দৃশ্যটা স্পর্শ করল; মুগ্ধতার এক অদ্ভুত অনুভূতি ভেসে উঠল। সে ধীরে ধীরে আহি’র পাশে এগিয়ে এল। সাবধানে বসে গিয়ে জায়নামাজের আহি’র পাশে। তারপর অয়ন কথা না বাড়িয়ে, ধীর কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত শুরু করল।

আহি, মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে রইল। সে কখনো এত শান্ত, এত মধুর কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত শোনেনি। প্রতিটি শব্দ যেন হৃদয়ের গভীরে ঢুকে মিশে গেল। তার হৃদয়ে এক অজানা শীতলতা, এক প্রশান্তি ছড়িয়ে পড়ল। অয়নে’র কুরআন পড়া শেষ হলে অমন আবেশে আহি আনমনে ফিসফিস করে বলল,

"অয়ন ভাই, আপনি এতো সুন্দর করে কোরআন তেলাওয়াত কিভাবে শিখলেন?

অয়ন কেবল মুচকি হাসল। চোখের কোণে নরম উজ্জ্বলতা ফুটল। তারপর ধীর কণ্ঠে বলল,

“কোরআন তেলাওয়াত সবার কণ্ঠেই সুন্দর লাগে কিন্তু তুই যখন যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসিস, অথবা যাকে নিজের জীবনের অংশ মনে করিস, তখন সেই কণ্ঠের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি আয়াত তোর কাছে আরও মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে!

আহি কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে সেই কথা মেনে নিল। তার চোখে মুগ্ধতা আর অজানা শান্তির মিশ্রণ। কিছুক্ষণ পর অয়ন উঠে দাঁড়াল। ধীরে ধীরে তার কাঁধে চাদর জড়িয়ে নিল এবং রাস্তায় হাঁটার জন্য বেরিয়ে গেল। আর আহি? সে ধীরে ধীরে আবারও ঘুমের দেশে তলিয়ে গেল।

সকল দশ-টা বাজতে না বাজতেই আহি অয়নে'র পিছু পিছু ঘুরতেছে। আজ প্রথম রোজা বিধায় অফিসে যায়নি, না গিয়েও একটা বিপদে পড়েছে বটে। আহি তার দিকে তাকিয়ে থাকে, কাছে এসে বসে থাকে, এতে ভিষণ অস্বস্তি হয় তার। কিন্তু কিছু করার নেই, আহি তার কাছে আসে কারণ তার খিদে লেগে গিয়েছে কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারবে না। অয়ন আগেই বারন করেছিল কিন্তু সে শুনেনি। আহি ধীরে ধীরে অয়নে’র মুখোমুখি হয়ে বসে পড়ে মুখ গোমড়া করা। এবার অয়ন চোখ তুলে বলল,

“কি চাই?

আহি নিচু স্বরে জবাব দেয়,

"কিছু না,

“তাহলে এসেছিস কেন?

আহি ঠোঁটের কোণে হাসি ঝুলিয়ে ফিসফিসিয়ে আওরাল,

"আপনি আমার সোয়ামি হন না, তাই গল্প করতে আসলাম।

“রুম থেকে বের হ।

"কেন?

“ডিস্টার্ব করছিস ভিষণ।

"ওমা কখন আপনাকে আমি ডিস্টার্ব করলাম?

“নো টকিং, এবার রুম থেকে বেরিয়ে যা রাতে আসবি।

মূহুর্তেই আহি অয়নে'র পাশে এসে বসে যায় এবং মুখ বাকিয়ে বলে উঠে,

"বললেই হলো নাকি, রুম কি আপনার একার? আমি একশোবার রুমে আসবো তাতে আপনার কি?

“আমার কিছু না তবে আমার থেকে দূরত্ব বজায় রেখে বস।

আহি আরেকটু এগিয়ে এলো,

"আপনার কাছেই বসবো কি করবেন আপনি? দরকার হলে কোলে উঠে বসবো। আপনার বিয়ে করা বউ আমি বুঝতে পেরেছেন।

মূহুর্তেই অয়ন দাঁত খিঁচিয়ে চেঁচিয়ে উঠলো,

“ওই আলুর চপের বাচ্চা দিনে আমার থেকে দূরে দূরে থাকবি৷ তুই কাছে থাকলে আমার রোজা হালকা হয়ে যাবে। তোর মতো স্যা*** আস্তাগফিরুল্লাহ্ নাউজুবিল্লাহ্। আল্লাহ মাফ করো আমায়, এই মাতারী আমার রোজা খাইয়া ছাড়বে!

বিজ্ঞাপন
নেশাময় আসক্তি গল্পটি বন্যা সিকদার-এর লেখা একটি জনপ্রিয় স্পেশাল রোমান্টিক গল্প