নেশাময় আসক্তি

পর্ব - ১

🟢

“মেঝ আম্মু, তোমার ছোট্ট মেয়েটাকে আমার সঙ্গে বিয়ে দেবে? ও বড় হলে আমি ওকেই বিয়ে করতে চাই!

সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটিকে কোলে নিয়ে কথাটা বলল অয়ন। তার কথা শুনে উপস্থিত সবাই স্তদ্ধ। কারো মুখে কথা নেই, তার বয়স মাত্র বারো বছর! এত অল্প বয়সেই তার বিয়ের ভাবনা, শুনে আশপাশের সবাই চমকে উঠে!

কথাটা কানে যেতেই পাশ থেকে কান্না জড়ানো গলায় আদিল বলে উঠল,

"আম্মু, আমি আমার বনু'কে এই বদের হাড্ডির সাথে বিয়ে দেবো না! ও শুধু আমাকে মাইর দেয়।

অয়ন আর আদিল,দুজন চাচাতো ভাই। আল্লাহ্'র রহমতে তারা দু'জন একই বছর, একই দিনে, প্রায় একই সময়ে জন্ম। মাত্র কয়েক মিনিটের এদিক-ওদিক। দু’ভাইয়ের মধ্যে অদ্ভুত মিল। তারা যতই ঝগড়া করুক, একে অপরকে ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারে না। আদিলে'র কথা শুনে অয়ন ভ্রু কুঁচকে তাকাল। ঠিক তখনই শিশুটিকে নিজের মায়ের কোলে দিয়ে আদিলে'র পিঠে ঠাস ঠাস করে কিল বসাল। আর তাতেই যেন শুরু হয়ে গেল দুই ভাইয়ের বিশ্বযুদ্ধ!

“কি বললি তুই? বাবই পাখি'কে আমার সঙ্গে বিয়ে দিবি না? তুই জানিস আমি কে?

আদিল আরও জোরে কেঁদে উঠল,

"আম্মু, অয়ন আমার বনু'কে বাবই পাখি বলছে কেন? বনু তো আমার, ওর না!

‘ওর না’এই কথাটা কানে যেতেই অয়ন আবার ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ল। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার শান্তা শেখ গর্জে উঠলেন,

– থামো দু’জন! কি শুরু করেছো, হ্যাঁ?

অয়ন মুখ বাঁকিয়ে বলল,

“তুমি আমার আম্মু হয়েও আমাকেই বকছো? আজ থেকে তুমি আমার আম্মু নও, তুমি আমার খালা!

অয়নে'র এই কথা শুনে উপস্থিত সবাই হেসে উঠল। তারপর শান্তা শেখ একটু ঝুঁকে ফিসফিস করে বললেন,

– শুনো বাবা, তুমি যদি আদিলে'র বোনকে বিয়ে করতে চাও, তাহলে তার সঙ্গে ঝগড়া করা যাবে না। মনে রেখো, যাকে বিয়ে করতে চাও, তার ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া করলে সে বিয়ে আর হয় না।

কথাটা শান্তা শেখ মজার ছলে বললেও অয়ন সিরিয়াস নিয়ে নেয়। সে ততক্ষণাক আদিল'কে বুকে জরিয়ে হাসতে হাসতে বলে উঠে,

“এমন কথা বলতে নেই আম্মু! যাও তারাতাড়ি ছেলের বউ'কে ঘরে তুলার জন্য তৈরি হও। শালাবাবু আর কেঁদো না, আমি তোমার সাথে আর ঝগড়া করবো না। আমার দশটা না পাঁচটা না একটা মাএ শালাবাবু বলে কথা। শাশুড়ী আম্মা তুমি তারাতাড়ি সুস্থ হয়ে বাসায় চলো, বউ ছাড়া ভালো লাগছে না!

হঠাৎ কারো গম্ভীর কন্ঠ ভেসে আসে,

"আমার একমাত্র মেয়েকে কোনো উজবুকের হাতে তুলে দেবো না আমি। তার এতোই যদি বিয়ে করার শখ থাকে তাহলে অন্য মেয়েকে বিয়ে করে নেক।

অয়ন ও কম নয়। সে ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে আওরায়,

“আপনার অনুমতি নেওয়ার জন্য আমি বসে নেই শ্বশুর আব্বা! বউ'টার আঠারো বছর পূর্ন হোক তারপর বুঝতে পারবেন আপনার মেয়ে কার হয় হু।

কথাটা বলেই অয়ন বড় বড় পা ফেলে কেবিন থেকে বেরিয়ে যায়। তার পিছু পিছু আদিল,

"ভাই রাগ করিস না প্লিজ। আমার বনু'কে তোর সাথেই বিয়ে দেবো, তবুও দাঁড়া এখন।

🌸🖤

অতীতের স্মৃতিগুলো একের পর এক চোখের সামনে ভেসে উঠতেই আনমনে হেসে ওঠে অয়ন। জানালার কাঁচের বাইরে তাকিয়ে থাকা মানুষটা বুঝতেই পারে না, আজ থেকে ঠিক ছয় বছর আগে যে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল, আজ সেই দেশেই আবার ফিরছে সে। নিজের মাতৃভূমিতে পা রাখতে চলেছে দীর্ঘ ছয় বছর পর, সেটাও আবার বাসার কাউকে কিছু না জানিয়েই। এই চলে যাওয়ার পেছনে যে নামটা সবচেয়ে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে, সে নামটা ‘আহি’।

আহি—তার চাচাতো বোন এবং তার জীবনের একমাত্র ভালোবাসা! ছয় বছর আগে একটা মুহূর্তের দুর্বলতা সবকিছু ওলটপালট করে দিয়েছিল।

নিজেকে কন্টোল করতে না পেরে আহি'র ঠোঁটে হালকা একটা চুমু দিয়েছিল…আর তাতেই অয়নে'র জীবনের মোড় ঘুরে যায়। তার বাবা আর চাচা মিলে তাকে পাঠিয়ে দেয় ইউএসএ। তবে অয়ন একা যায়নি। তার সঙ্গে ছিল আদিল, তার একমাত্র শালা, আবার তার জীবনের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আদিল ছাড়া অয়নে'র একটা মুহূর্তও চলে না। বিদেশের মাটিতে সেই ছয়টা বছর একে অপরের সঙ্গেই কেটেছে, ঝগড়া, হাসি, আড্ডা আর নির্ভরতায়। অয়ন স্মৃতির ঘোরে এতটাই ডুবে ছিল যে, হঠাৎ বাস্তবে ফেরে গালে জোরালো একটা থাপ্পড়ে।

সব বুঝে উঠার সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠে....

“শাউ*য়ার নাতি! তোর জ্বালায় কি স্বপ্নেও বউ'টার সঙ্গে একটু রোমাঞ্চ করতে পারবো না?

"চুপ কর বেয়াদব! সারাদিন-রাত শুধু বউ বউ বউ! তোর লাইফে বউ ছাড়া আর কেউ নেই নাকি?

অয়ন বাঁকা হেসে চোখ সরু করে বলে,

“না, কেউ নেই। আমার লাইফে বউ'ই সব! তোর মতো রসকসহীন মানুষ কী বুঝবে, বউ আসলে কী জিনিস! ভাবছি বাসায় গিয়ে সর্ব প্রথম বউ'টাকে জড়িয়ে ধরে একটা শক্তপোক্ত চুমু খাবো। তোর বাপে তো এক চুমুতেই আমাকে বনবাসে পাঠিয়ে দিয়েছিল। এবার তো পার্মানেন্ট চলে এসেছি! দেখি এবার তোর বাপ কী করে! বেশি বাড়াবাড়ি করলে ডিরেক্ট তুলে নিয়ে বিয়ে করে ফেলবো!

দাঁত কিঁচিয়ে আদিল বলে উঠে,

"ওই বা*লটাই তো পারিস! তোর ভেতরে এতো এনার্জি কই থেকে আসে কে জানে?

বিজ্ঞাপন

“এই এনার্জি তোর বোনের শরীরে ডোনেট করবো! যাতে সে.....

অয়ন কথা শেষ করতে না করতেই আদিল বলল

"রাকিব তোর কাছে কস্টিপ থালকে দে, এ বা*লডার মুখ আঁটকে দেয়।

“সর ছকিনার আব্বা, তোর কমদামী কস্টিপে আমার মুখ বন্ধ হবে না। এই মুখ শুধু তোর বোন'টাই বন্ধ করতে পারবে নিজের ভালোবাসা দিয়ে।

অয়ন চোখ টিপে কথা গুলো বলল। তা দেখে রাকিব হাসতে হাসতে লুটোপুটি খাচ্ছে, কিন্তু আদিল গম্ভীর হয়ে বসে আছে।

ঠিক তখনই শেখ মঞ্জিলের সামনে এসে থামে গাড়িটা। রাকিব ব্রেক কষার আগেই অয়ন দরজার হাতল চেপে ধরে। গাড়ি পুরোপুরি থামার অপেক্ষাও করে না সে, এক লাফে নেমে পড়ে। বুকের ভেতর জমে থাকা ছয় বছরের অস্থিরতা তাকে আর স্থির থাকতে দেয় না। এক দৌড়ে সদর দরজার দিকে ছুটে চলে।

পেছন থেকে আদিলও নেমে পড়ে। সে অয়নে'র গতি দেখে হালকা শ্বাস ছাড়ে। অয়ন এই সময় কী করতে পারে, সেটা তার অজানা নয়।

আহি সোফায় পা মুড়ে আরাম করে বসে আছে। টিভিতে কার্টুন চলছে, চোখ দুটো পর্দায় আটকে আছে। হাতে তার চমচম, এই চমচম তার ভীষণ প্রিয়। শেখ মঞ্জিলে এই মেয়েটার জন্য মিষ্টির কখনো অভাব হয় না। বাহারি সন্দেশ, রসগোল্লা, চমচম,সবই থাকে। আর অদ্ভুত নিয়মে, আহি ছাড়া কেউ সেগুলোয় হাত দেয় না। চমচমে এক কামড় দিতেই ঠোঁটের কোণে হালকা হাসি ফুটে ওঠে তার। ঠিক সেই মুহূর্তে, সদর দরজা প্রচণ্ড বেগে খুলে যায়।

হঠাৎ শব্দে আহি চমকে ওঠে। কার্টুনের দিকে তাকানো চোখ দুটো ধীরে ধীরে দরজার দিকে ঘুরে যায়। মুহূর্তেই তার দৃষ্টি আটকে যায় একজনের ওপর। বিশ্বাস হয় না। হাতের চমচমটা আলগা হয়ে যায়। বুকের ভেতর অজানা একটা কাঁপুনি শুরু হয়। রুমেট সবাই নিঃশব্দে তাকিয়ে আছে সেই কাঙ্ক্ষিত ছেলেটার দিকে।

অয়ন আর কিছু বোঝে না। এক মুহূর্তে সে আহি'র কাছে পৌঁছে যায়। কোনো কথা নয়, কোনো ভূমিকা নয়, সোজা তাকে কোলে তুলে নেয়। আহি চমকে উঠে দুহাত অজান্তেই অয়নে'র কাঁধে জড়িয়ে ধরে। অয়ন তাকে ঘুরিয়ে নেয় একবার, দুবার।অয়ন ধীরে ধীরে আহি'কে কোল থেকে নামিয়ে দেয়। তারপর তার দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে আনমনে বলে উঠে,

“Oh my God… she is my Oriental Magpie Robin.

মূহুর্তেই তার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। আজ ছয় বছরের জমে থাকা ভালোবাসার বিস্ফোরণ হচ্ছে। অয়ন যেন সমস্ত অপেক্ষা, সমস্ত না বলা কথা, সমস্ত রাতের দীর্ঘশ্বাস এক নিমিষে আহি'র ঠোঁটে ঢেলে দেয়। রুমের সবাই হতবিহ্বল। কেউ কিছু বলে না, সবাই শুধু একজন আরেকজনের দিকে তাকায়। আর আহি? সে ভয়ে চোখ বন্ধ করে রেখেছে।

বেশ কিছু সময় কেটে যায়। আহি'র দম বন্ধ হয়ে আসছে। বুকের ভেতর বাতাস আটকে গিয়ে মাথা ঝিমঝিম করছে। সে প্রাণপণে নিজেকে অয়নে'র হাত থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে, কিন্তু শক্তির লড়াইয়ে সে কোথাও পেরে উঠছে না। অয়নে'র গ্রিপটা যেন লোহার মতো—নির্দয়, নির্লিপ্ত। উপায় না দেখে, শেষ অস্ত্রটাই ব্যবহার করে আহি। এক মুহূর্তের দ্বিধা, তারপর সমস্ত শক্তি জমা করে অয়নে'র মেইন পয়েন্ট বরাবর সজোরে ঘুষি বসিয়ে দেয়। পরিণাম সঙ্গে সঙ্গেই। অয়ন হঠাৎ ছিটকে সরে যায়।

মুখ বিকৃত হয়ে আসে ব্যথায়। দুই হাঁটু ভেঙে সে মেঝেতে বসে পড়ে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সে দাঁত কামড়ে ব্যথা চেপে রাখে। ঠিক তখনই মহিবুল শেখ রক্তিম দৃষ্টি তাকিয়ে আছে। সেই দৃষ্টিতে আছে ক্রোধ, আর বিপদের আগাম বার্তা দেয়। সেই চোখের দিকে তাকিয়েই অয়ন দাঁত খিঁচিয়ে বলে ওঠে—

“বা*লের শ্বশুর আব্বা! কেমন মেয়ে পয়দা করেছেন, যে নিজের হাতে নিজের গুরুত্বপূর্ণ সম্বল চাঙ্গে দিতে চায়। আল্লাহ গো কি ব্যথা, এই চিকনা মেয়ের শরীরে এত শক্তি কেমনে কি?

আহি দৌড়ে নিজের বাবাকে জরিয়ে ধরে,

"আব্বাজান! এইটা সেই জাওড়া না, যে আমাকে চুমু দিয়েছিল অনেক বছর আগে? ছিঃ ছিঃ, ওয়াক থু এই জাওড়া আবারও আমাকে চুমু দিল?

কথাগুলো শোনার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ যেন অয়নে'র মাথার উপর ভেঙে পড়ে। চোখ বড় করে আদিলে'র দিকে তাকিয়ে সে গর্জে উঠে,

“দেখেছিস শালা, তোর বোনের জন্য সাত সাগর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে চলে আসলাম। আর এই বজ্জাত মাতারী বলছে আমি নাকি জাওড়া? কাছে আয় শালীর মাইয়া আরো দুইটা চুম্মা দেই!

আহি আরও গুটিয়ে যায়। ভয়ে তার হাত কেঁপে উঠছে, বুক অচেনা রকম চাপা অনুভূতিতে ভারাক্রান্ত। ঠিক তখনই মহিবুল শেখ হঠাৎ অয়নে'র সামনে এসে দাঁড়ালেন, কণ্ঠে বজ্রকণ্ঠের তীব্রতা।

- বেয়াদব ছেলে! তোমার লাজ-লজ্জা বলতে কিছু নেই? কোথা থেকে হুট করে এসে আমার মেয়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লে। ভাইজান, আপনি কিছু বলবেন না?

জাহিদ শেখ একবার চশমার ফাঁক দিয়ে তাকালেন, তারপর নির্বিকার ভঙ্গিতে সোফায় ফিরে বসলেন। তিনি জানেন যা-ই বলুক, তার অবাধ্য ছেলে কারও কথাই শুনবে না। তাই চুপ থাকা বুদ্ধিমানের কাজ। আদিলে'র কাঁধে ভর দিয়ে অয়ন কষ্টকর হলেও উঠে দাঁড়াল। ঠোঁট বাঁকিয়ে ব্যঙ্গমিশ্রিত হাসি ফুটিয়ে সে বলল—

“মাননীয় শ্বশুর আব্বা! যেখানে আমার বংশের ধাতে লজ্জা নামক কোনো বস্তু নেই, সেখানে আমার আবার লজ্জা আসবে কোথা থেকে শুনি? আর আমি আপনার মেয়ের উপর আমি ঝাঁপিয়ে পড়িনি। আপনার মেয়েই তো বলেছিল, আসো জান, আসো আমার কিউট ঠোঁটে একটা চুমু দিয়ে যাও। আমি জাস্ট আপনার মেয়ের কথা রেখেছি। আর আপনার ভাইজান কি বলবে, শুনি? আমি তো কোনোদিন নিজের বাপের কথাই অনুসরণ করি নি। তাহলে আপনার ভাইয়ের কথায় কী সুখে শুনবো বলেন তো?

কথা শেষ করে সে ধীরে ধীরে আহি'র দিকে এগোল। আহির ভয়ঙ্কর মুখ, কাঁপতে থাকা দেহ, সবই তার নজরে। অয়ন তার ভয়ে ভরা চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,

“আমি আপনারা মেয়ে থেকে শুরু করে আপনার পুরো গুষ্টির লোকের কথাও শুনতে রাজি। যদি আপনি আপনার এই চমচমকে আমার হাতে তুলে দেন। মনে রাখবেন, জামাই কিন্তু খাসা মা*ল, এখনো পর্যন্ত কোনো বেডির চোখের দিকে তাকাই নি। সে এতোটাই দয়াল যে…

অয়ন বাকি কথা শেষ হওয়ার আগেই আদিল তার মুখ চেপে ধরে এবং ফিসফিস করে,

"ভাই তোর মুখটা একটু অফ রাখ। ভুলে যাচ্ছিস কেন আমরা এখন শেখ মঞ্জিলে উপস্থিত।

“So What? তোর কি মনে হয়, আমি তোর বাপকে দেখে ভয় পাই। নো নো…

সামনে তাকিয়ে মহিবুল শেখ কে দেখা মাএ অয়ন তোঁতলাতে তোঁতলাতে আওরায়,

“আ আ আ আ আম্মা তোমার ছেলে এতো গুলো বছর পর দেশে এসেছে তার জন্য এক গ্লাস বিষ তো দাও, ওহ্ নো শরবত দাও।

সে উল্টো হয়ে হাঁটতে থাকে আর বিরবির করে,

“আদিল আমি কিন্তু এমনি এমনি চলে যাচ্ছি। আবার কেউ যেন এটা না ভাবে তাকে দেখে আমি ভয় পেয়ে চলে যাচ্ছি। আর এই লেডি রুমে দেখা করিস তোর জন্য চমচম এনেছি!

বিজ্ঞাপন
নেশাময় আসক্তি গল্পটি বন্যা সিকদার-এর লেখা একটি জনপ্রিয় স্পেশাল রোমান্টিক গল্প