রজনীর গভীর সময় পাড়ি দিচ্ছে, সেই সাথে আবিরের গাড়ির স্পিড তরতরিয়ে বাড়ছে। হুট করেই আজ বাড়ি ফিরার তাড়া যেন বেড়ে গেলো তার। প্রনয়া পাখিটি তার জন্য অপেক্ষা করছে, এই একটি কথাই যেন আবিরের মন উতলা করেছে। চড়ুই পাখওর এই ছোট ছোট পরিবর্তন গুলো বেশ মজাদার খেল খেলছে আবিরের মনে। এই যে সেদিন অত রাত্তির পর্যন্ত না খেয়ে বসে ছিলো আবিরের জন্য। আজ আবার শাড়ি পড়ে অপেক্ষা করছে, ইশশশ এতটা সুখও আবিরের কপালে লিখা ছিলো... মেয়েটি কি তবে বউ বউ আচরন করা শুরু করে দিয়েছে?
বাড়ির মূল ফটকে ঘন ঘন বেল বাজিয়ে যায় আবির, তর যেন সইছেই না কিছুতেই। সাবিহা দরজা খুলতেই চরম উৎসাহ নিয়ে একটা হাসি দেয় আজ আবির। সাবিহাও আলতো হেঁসে বলে...
"এত লেট করলি বাবা.. মেয়েটা সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছে। ঘরে যা তো এবার..."
"ও খেয়েছে, আম্মু?"
"আমি খাইয়ে দিয়েছি অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে।"
"ভালো করেছো.."
"আমি তোর ডিনার..."
"তুমি ঘুমিয়ে পড়ো আম্মু.. আমি ডিনার করবো না। সন্ধ্যায় অনেক হেভি খাবার খেয়েছি..."
"ঠিক আছে. ঘরে যা তাহলে। মেয়েটাকে একটু বুঝিস বাবা.. ওকে আদর দিয়ে বললে তোর সব কথা শুনবে, বকিস না বাবা..."
আবির আলতো হেঁসে এগিয়ে যায় সিঁড়ির দিকে। নিজ রুমের সামনে এসে ঘন একটা নিশ্বাস নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চুল ঠিক করছে চড়ুই। কিন্তু আবিরের এতক্ষণের উচ্ছ্বাস রইলো না চড়ুইকে দেখে আর। মুহুর্তেই হাসি মুখ খানা বদলে গিয়ে রাগে পরিনত হয়। স্থির চোখ দুটি মুগ্ধ হওয়ার বদলে ঝলসে যাচ্ছে যেন তার।
আয়নায় তার প্রতিবিম্ব দেখে চড়ুই ঘুরে তাকায়, তাতে আবিরের মস্তিষ্ক আরো খারাপ হতে থাকে। মেয়েটা ঠোঁটের কোনে মিষ্টি একটা হাসি ঝুলিয়ে এগিয়ে আসে আবিরের দিকে। মিষ্টি সুরে বলতে নেয়....
"এসেছেন.. আপনার জন্য এই এতক্ষণ ধরে...."
কথা খানা সম্পূর্ণ করার আগেই আবিরের শক্তপোক্ত হাতের একটি থাপ্পড় এসে পড়লো চড়ুইয়ের বাম গালে। পড়ে যেতে নিয়েও নিজেকে সামলে নেয় চড়ুই, আবিরের হুঙ্কার তার শরীর কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো.।
" এটা পড়ে তুই সারা বাড়ি ঘুরে বেরিয়েছিস? এই তোর শাড়ি পড়ার ধরন? ছিহ... "
চড়ুইয়ের ঠোঁট কাপে, ছলছল চোখে শুধু চেয়ে দেখে সে আবিরকেই৷ প্রতিটি কথা তার হৃদয়ে গিয়ে লাগছে, কার জন্য এতক্ষণ অপেক্ষা করেছিলো সে?এই থাপ্পড়টার জন্য?...
আবির আরো একবার উপর থেকে নিচ পর্যন্ত পরক করে নেয় চড়ুইকে। পড়নে তার পাতলা একটি শাড়ি। সাথে পড়েছে স্লিভলেস ব্লাউজ। উপর দিয়েই তার লতানো কোমড়ের ভাজ, নাভি, বক্ষ গড়ন সবই যে দৃশ্যমান। এই মেয়ে এই শাড়ি পরে সারাদিন বাড়িতে ঘুরে বেরিয়েছে, এটা ভাবতেই যেন মাথা ফেটে পড়ছে আবিরের। বাড়িতে বাবা,চাচা,ভাইয়ের সহ আরো কত স্টাফ, ড্রাইভারের আনাগোনা। এর মাঝে এই মেয়ে এভাবে ছিলো....
"আমার চোখের সামনে থেকে বিদেয় হ তুই, এক্ষুনি...."
চড়ুই আর সহ্য করতে পারলো না। টইটম্বুর আঁখি জোড়ার পানি আড়াল করে ছুটে গেলো ওয়াশরুমের ভিতরে। আবির চেয়েও দেখে না আর তার দিকে।
অস্থিরতায় সারা ঘর জুড়ে পায়চারি করে যায় সে, এসির টেম্পারেচার কমিয়ে শীতল করে তোলে ঘরটি। তবুও যেন ভেতরকার আগুন নেভে না। গায়ের কোর্টটা খুলে ছুড়ে ফেলে দেয় কোথাও। টগবগে মস্তিষ্কের ভার কমাতে এগিয়ে গিয়ে ডিভানে বসে দু হাটুতে হাত ভর দিয়ে নিজের চুল খামছে বসে থাকে সে।
কিছুটা সময় অতিবাহিত হয়, নীরবতার মাঝে হঠাৎ ঠক ঠক আওয়াজে কারো এগিয়ে আসার শব্দ কানে বাজে তার। চোখের সামনে এসে থামে একজোড়া স্টিলেটো পরিধিত পা। ফর্সা, মসৃন পা দুটোর নিম্ন ভাগে কোনো বস্ত্র নেই। কে এলো? চড়াই পাখি? নাহ, তার পা জোড়া নয় এটি, আবির নিখুঁত ভাবে চেনে তার বউটির পা।
ধীরে ধীরে চোখ তুলে সামনে তাকায় আবির। ভাসমান হয় ইরিনের কামুক হাসি যুক্ত মুখখানা। মেয়েটার পড়নে আবিরেরই একটি শার্ট। থাইয়ের উপরে পড়া ছোট্ট কাটা জিন্স প্যান্ট, যার ফলে হাটুরও উপর থেকে তার মসৃন পা জোড়া দৃশ্যমান।
ভ্রু কুঁচকায় আবির, রুষ্ট কন্ঠে জিজ্ঞেস করে...
"তুমি এখানে কেন? "
ইরিন নিজের হাসি আরেকটু চওড়া করে। কোমড় বাঁকিয়ে এক কদম এগিয়ে আবিরের দিকে হাত বাড়িয়ে দিতে চেয়ে মোহনীয় কন্ঠে উত্তর দেয়....
"দেখলাম তোমায় টায়ার্ড লাগছে, তাই ভাবলাম একটু.... "
বলতে বলতেই আবিরের গলার কাছে হাত ছোয়াতেই আবির মুখ ঘুরিয়ে নেয়, আস্তে করে ইরিনের হাত খানাও নিজের শরীর থেকে সরিয়ে দেয়।
"গেট আউট ইরিন... তোমার এসব ভালো লাগছে না আমার... "
ইরিন সরে না, আর না তার মাঝে কোনো প্রকার হতবিহ্বল ভাব লক্ষ হয়। সে নিজের কামুক হাসিখানা বজায় রেখেই বলে....
"তাহলে,, এটা তো নিশ্চয়ই ভালো লাগবে তোমার আবির... "
বলতে বলতেই সে মুহুর্তে নিজের শরীরে থাকা শার্টের বাটন গুলো খুলে দু হাতে উন্মুক্ত করে ধরে শার্টটি। দৃশ্যমান হয় তার ভেতরগত শরীরের লোভনীয় ভাজ। সম্পূর্ণই যেন তুলে ধরেছে সে আজ আবিরের সামনে, কালো রঙের অন্তর্বাস খানার ভাজে লুকিয়ে রাখা গুপ্ত প্রলোভনে আকৃষ্ট করার এক চেষ্টা।
একজন সত্যিকারের জোয়ান মার্দ কখনোই উলঙ্গ নারীকে উপেক্ষা করতে পারে না, সেখানে ইরিনের মতো পার্ফেক্ট ফিগারে আবিরের পুরুষালি সঙ্গতি জাগ্রত হবে না তা কি করে হয়?
ইরিনের ধারনাই ঠিক হলো, আবিরের দৃষ্টি আটকায় ইরিনের সুগঠিত বক্ষ ভাঁজে। বার বার উত্তেজিত ঢোক গেলার কারনে লোকটির কন্ঠনালী নড়ে। কপালের পাশ বেয়ে বিন্দু বিন্দু ঘাম পরিলক্ষিত হয়।
ইরিন চমৎকার হাসে। এইতো সময়.. নিজের শরীরের শার্টটি এবার দু পাশের কাধ থেকে নামিয়ে এগিয়ে আসে আবার আবিরের কাছে।
এদিকে তখন রাগে অভিমানে ওয়াশরুমে ঢুকে গেলেও চেঞ্জ করার মতো জামা নিতেই ভুলে বসেছে চড়াই। এতক্ষণ কান্নার পর নিজেকে শান্ত করে উঠে দাঁড়িয়ে চেঞ্জ করতে গিয়েই লক্ষ্য হলো বিষয়টি। তাই নিজেকে সামলে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজা খুলে বেরিয়ে আসে জামা নেওয়ার জন্য। কিন্তু রুমে পা রাখতেই এমন একটা দৃশ্য চোখের সামনে দেখে থমকে যায় সে। মুখ থেকে কথা বের হয় না আর, চেয়ে থাকে শুধু সামনের দুটো মানব মানবীর দিকে। একবার ইরিনের দিকে তো একবার আবিরের দিকে তাকিয়ে দেখে সে। আবিরের দৃষ্টিতে দৃষ্টি মিলে তার। মেয়েটার চোখে ভয় নেই, রাগ নেই, কেমন যেন একটা অসহায়ত্বের ছাপ। নিরেট ভাবে চেয়ে থাকে শুধু সে।
ইরিন এগিয়ে এসে আবিরের উপর চড়ে বসতে গেলেই আবির কঠিন হাতে তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দ্রুত গতিতে উঠে দাঁড়ায়। বড় বড় কদম ফেলে এগিয়ে এসে হঠাৎই দু হাতের আজলে চড়ুইয়ের মুখখানি তুলে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয় তীব্র গতিতে।
নিজেকে সামলে বসে সেদিকে তাকাতেই হতভম্ব হয়ে যায় ইরিন, আবির উন্মাদের মতো চড়ুইয়ের ঠোঁট চুষতে। দিশা হারিয়ে ধীরে ধীরে গলা বেয়ে নেমে এসে মুখ ডোবায় চড়ুইয়ের বিভাজিকায়। কেঁপে ওঠে চড়ুই বার বার। আবিরের শার্ট খামছে ধরে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালায় সে.. আবিরের উন্মোচিত হাত নেমে এসে ছুয়ে যায় চড়ুইয়ের পাতলা কোমড়, কি যেন এক নিঙ্গড়ানো অনুভুতি।
ইরিনের দিকে চোখ যেতেই তার বিহ্বলিত মুখটি লক্ষ্য করে চড়ুই। দুষ্টু চড়াই যেন এটাই চাইছিলো। সে জিতে গেছে এমনটি বোঝানোর জন্য ইরিনের দিকে তাকিয়ে বাঁকা হেঁসে আবিরের চুল খামচে ধরে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরে আরেকটু গভীর ভাবে৷
ইরিন তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে এতে যেন, পরাজয় মেনে নিতে না পেরে রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে শব্দযুক্ত কদমে আবিরের রুম ত্যাগ করে সে।
এদিকে আবিরের চরম অবস্থা, দিক বিদিক ভুলে যায় সে। একটু আগেই ঘৃণার চোখে দেখা মেয়েটাকে এই মুহুর্তে সাক্ষাৎ একটি অমৃতের ভান্ডার রুপে গ্রহণ করার এক উন্মত্ত তৃষ্ণায় আকুলিত হয় সে। এলোমেলো হাতে চড়ুইয়ের সম্পূর্ণ ছুঁয়ে দিতে দিতে পিঠের দিকে স্লিভলেস ব্লাউজটির হুক খুলতে গেলেই হঠাৎ চড়ুই ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেয় তাকে। ভকড়ে যায় আবির। চড়ুইয়ের হঠাৎ এমন আক্রমণের মানে বুঝে উঠতে পারে না সে। তড়িতেই মুখ থেকে বেরিয়ে এলো পরিচিত শব্দ...
"ওয়াট হ্যাপেইনড উইথ ইউ... "
চড়ুই শক্ত চোখে তাকিয়ে থাকে শুধু আবিরের দিকে। কোনো উত্তর পাওয়া যায় না। আবির ঢোক গিলে নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে ফের প্রশ্ন করে...
"চেঞ্জ করো নি কেন এখনো?"
এই বারে চড়ুই নিজের রুষ্ট গলায় উত্তর দেয়...
"মন চায় নি তাই করিনি। আমি এভাবেই থাকবো। "
"আমায় নিজের দিকে সিডিউজ করতে চাইছো? "
"হ্যা..."
চড়ুইয়ের এক কথায় উত্তর..
"তাহলে দূরে ঠেলে দিলে কেন আবার, কাছে আসো... "
বলতে বলতেই আবির এগিয়ে আসতে গেলে চড়ুই দু কদম পিছিয়ে তর্জনী তাক করে আবিরের দিকে। জোর গলায় বলে...
"আমার কসম লাগে, আজ আপনি আমায় বাজে ভাবে ছুয়েছেন তো... "
আবিরের পা থেমে যায় সেখানেই। মেয়েটাকে উপেক্ষা করতে পারবে না সে কোনো ভাবেই। তর্ক করারও ইচ্ছে হচ্ছে না খুব একটা। কঠিন ঢোক গিলে সরে গিয়ে কেবিনেটের কাছে এগিয়ে যেতে যেতে শরীরে জড়ানো শার্টটি খুলে ফেলে সে৷ কেবিনেটের এক কোন থেকে হাতের আদলে তুলে নিয়ে একটি শার্ট গায়ে পড়তে গেলেই চড়ুই এসে ছো মেরে শার্টটা কেড়ে নেয় আবিরের থেকে। আবির বুঝে উঠতে পারে না কি করছে মেয়েটা।বিরক্ত হয়ে ভ্রু কুঁচকে বলে ওঠে...
"আরেহ.. সমস্যাটা কি তোমার? "
চড়ুই কোনো উত্তর দেয় না, কেবিনেটের অপর পাশ থেকে আরেকটি শার্ট তুলে আবিরের হাতে গুঁজে দেয়। তারপর হঠাৎই এক পাশের জমিয়ে রাখা শার্ট সবগুলো নিয়ে বারান্দায় চলে যায়। আবির নীরবে তাকিয়ে দেখে শুধু মেয়েটার কান্ড। চড়ুই আবার রুমে আসে, ড্রয়ার থেকে লাইটারটা নিয়ে আবার এগিয়ে যায় বারান্দায়। আবিরকে এগোতে দেখে শব্দ করে বাইরে থেকেই লক করে দেয় বারান্দার দরজাটি। আবির আর চেয়েও দেখতে পারে না মেয়েটার কান্ড। চড়ুইকে ডাকেও না আর। এভাবে না হোক, সেভাবে সে ঠিকই জানবে মেয়েটার মতলব। দ্রুত ফ্রেশ হয়ে ল্যাপটপটা নিয়ে বসে বিছানায়। ঘরের প্রতিটি কোনে কোনে ক্যামেরা। নিজের রুমের বারান্দার ক্যামেরার ফুটেজ চেক করতেই আবিরের চোখ ছানাবড়া। বারান্দার এক কোনে লোহার ঝুড়িতে দাও দাও করে আগুন জ্বলছে। সেই আগুনেই একের পর এক আবিরের শার্ট গুলো ফেলছে চড়ুই। মেয়েটার এমন পাগলামোর কারন কি হঠাৎ... বুঝে পায় না আবির। এরপর কিছু একটা ভেবেই সারাদিনের ফুটেজ চেক করতেই আবির হেঁসে ফেলে নিমেষেই। তার মানে ম্যাডামের জ্বলছে। ইরিনের পড়া শার্টগুলোই যত্নের সহীত পুড়িয়ে ফেলছে সে।
চড়ুই রুমে আসছে বুঝতে পেরেই আবির তারাতাড়ি ল্যাপটপটা বন্ধ করে রেখে ব্ল্যাঙ্কেট মুড়িয়ে এক পাশে শুয়ে পড়ে বিছানায়। খুব ইচ্ছে করছে মেয়েটাকে আরেকটু জ্বালানোর।
চড়ুই এলো, আবিরকে বিছানায় ঘুমাতে দেখে নীরবে পাশ থেকে বালিশ আর পাতলা কম্বলটা নিয়ে ডিভানে গিয়ে শুয়ে পড়ে সে। আবির বুঝেও নড়চড় করে না। ভেবেছিলো মেয়েটা আবার একটা কান্ড করবে বিছানায় ঘুমানো নিয়ে। কিন্তু তার কিছুই হলো না। আবির আর কথা বাড়ায় না, নীরবে চোখ বুজে নেয় একটু ক্লান্তি নাশের জন্য। তবে চড়ুই থাকতে আদেও তা সম্ভব?
আধঘন্টা না পাড় হতেই হঠাৎ ধপাস করে কিছু একটা পড়ার শব্দে চোখ মেলে তাকায় আবির। কি হলো তা দেখার জন্য দ্রুত চড়ুইয়ের দিকে ফিরতেই দেখলো ডিভান সম্পূর্ণ খালি। চোখ নামিয়ে একটু নিচের দিকে তাকাতেই আবির আর নীরব থাকতে পারলো না, হু হা করে গা কাঁপিয়ে হেঁসে ওঠে ছেলেটি৷ ওদিকে ঘুম ঘুম কন্ঠে চড়ুই বিরক্ত নিয়ে বকবকিয়ে ওঠে.....
"কোন পটলের পোংটা আমায় ফেললি রে... তোর ঠ্যাং আমি ভেঙে দেবো...."