স্নিগ্ধ প্রেমের মায়া

পর্ব - ৭

🟢

"বিয়ে করে ফেলেছো?"

আয়ানের কথায় আয়মান অনেকটা বিস্ময় নিয়ে জিজ্ঞেস করলো। আয়ান বলল,

"হ্যাঁ ভাই। পরিস্থিতিটা এমন ছিলো, বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি।"

আয়মান বিরক্ত হয়ে বলল,

"বাধ্য হয়েছো? তোমাকে আবার কে বাধ্য করলো ভাইয়া? কোন মেয়ে তোমাকে এমন জাদু করলো যে রাতারাতি বিয়ে করে ফেললে? আমার কথা ভাবলে না? শেষে আমার অনুপস্থিতিতেই বিয়ে করে ফেললে?"

আয়ান ভাইয়ের কথায় হতাশ শ্বাস ফেলে বলল,

"আরে ভাই বিয়ের কোনো অনুষ্ঠান তো করি নি যে তোকে ছাড়া সব করে ফেলেছি! জাস্ট মেয়ে তুলেছি, কাজী অফিস নিয়ে বিয়ে করে বাড়ি এসেছি, শেষ!"

আয়মান হতবাক হয়ে বলল,

"তুলে নিয়ে বিয়ে করেছো?"

"হ্যাঁ।"

আয়মান নিশ্চিত হয়ে বলল,

"আমি বলেছিলাম না? এই মেয়ে জাদুই করেছে! কাল পর্যন্ত আমার ভালো-ভদ্র ভাইটা আজই মেয়ে তুলে বিয়ে করে ফেলল?"

আয়ান বিরক্তিতে 'চ' সূচক শব্দ করে বলল,

"আরে ভাই থাম! এতক্ষণ আম্মু পাগল করলো, এখন তুই শুরু করেছিস। কিসব উল্টাপাল্টা বকছিস? জাদু করতে যাবে কেনও? আমার মন চেয়েছে তাই বিয়ে করেছি।"

আয়মান কিছুক্ষণ ভেবে বলল,

"ঠিক আছে। তবে আমি আসার আগে কোনো অনুষ্ঠান হবে না। আমি আগামী বুধবার বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসবো। তারপর যা করার করো। আর হ্যাঁ, মেয়েটা কে? যার জন্য আমার ভাইটার এই আমূল পরিবর্তন?"

"সায়মার বান্ধবি প্রিয়া।"

আয়মান একটু আগে বিয়ের কথা শুনে যতটুকু অবাক হয়েছিলো তার থেকে দ্বিগুন অবাক হয়েছে প্রিয়ার কথা শুনে। বলল,

"প্রিয়া? কিন্তু প্রিয়ার তো আজ বিয়ে ছিলো তাই না?"

"হ্যাঁ ওর আজ বিয়ে ছিলো। আর আমি বিয়ের আগেই ওকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলাম।"

"যাই হোক, আমি আসার আগে কিন্তু কিছু করবে না। কোনো অনুষ্ঠান তো একদমই না।"

আয়ান ভ্রু কুঁচকে বলল,

"তুই কি ইন্ডিরেক্টলি আমাকে বাসর করতেও না করছিস?"

আয়ানের কথা শুনে আয়মান কান থেকে ফোন নামিয়ে স্ক্রিনে তাকালো। ভাবলো, এটা আসলেই তার ভাই তো? নাকি রং নাম্বারে কল গেলো। নাহলে এমন পরিবর্তন কি করে? সে বিরক্ত হয়ে আবার ফোনটা কানে তুলে নিলো। কটমট করে বলল,

"ওসব তোমার ঘরের ব্যাপার ভাই৷ আমি অনুষ্টানের কথা বলেছি।"

আয়ান পালটা উত্তর দিলো,

"কয়বার বললি এক কথা? আর ৫ টা দিনের ব্যাপার তুই আসলেই অনুষ্ঠান হলে হবে। তাও বারবার বলছিস দেখে ভাবলাম হয়তো এমন ভেবেছিস!"

আয়মান দাঁতে দাঁত চেপে বলল,

"এখন বউকে গিয়ে আবার বলে বসো না, তোমার দেবর বাসর করতে নিষেধ করেছে!"

আয়ান মুচকি হেসে বলল,

"না না, বউয়ের চোখে আমার ভাইটাকে খারাপ করতে পারি নাকি আমি?"

আবার শক। এই ভাইটা এত বউ বউ করছে কেনও?আয়মান ধাপ করে সোফায় বসে পড়লো। বলল,

"মাথাটা ঘুরছে ভাইয়া। আর চমক আমি নিতে পারছি না! বাসার সবাই সুস্থ আছে তো? নাকি কেউ অজ্ঞান-টজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে? আচ্ছা আমি ফোন রাখছি। জলদিই ফিরছি বাংলাদেশ!"

"আচ্ছা ঠিক আছে। রাখি।"

কল কেটে আয়মান কিছুটা সময় নিলো ধাতস্থ হওয়ার জন্য। কোনো মেয়ের দিকে নজর না দেয়া ভাই হঠাৎ বিয়ে করে ফেলল। তাও কিভাবে? মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে! তাও মেয়েটার বিয়ের আগমুহূর্তে। আবার মেয়েটা কে? ছোট বোনেরই বান্ধবি!

এতগুলো ধাক্কা সইতে গিয়ে আয়মানের মাথা সত্যিই ঘুরছে। ভাইয়ের পরিবর্তন মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছে তার। চুপচাপ সোফায় বসে মস্তিষ্কে নেড়ে-চেড়ে দেখছে আয়ানের বলা কথাগুলোই।

লন্ডনে বিশাল এক এপার্টমেন্ট তার। পড়াশোনার জন্য প্রায় ৭ বছর আগেই পাড়ি দিয়েছিলো বিদেশে। পড়াশোনা চলাকালীন সে থাকতো হোস্টেলে। সেই পড়াশোনা শেষ হয়েছে আরও দু'বছর আগে। এরপর থেকেই লন্ডনের এই এপার্টম্যান্টটা নিজের নামে কিনে নিয়েছে। ব্যবসায়িক কাজে এখনও অবস্থান করছে লন্ডনে। তবে এইবার হয়তো সময় এসেছে স্বদেশে ফিরে যাওয়ার। ফ্লাইটের টিকেট কনফার্ম করেই সকাল থেকে আয়ানকে কল লাগাচ্ছিলো। ফোন না ধরতে দেখে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলো। অবশেষে ফোন রিসিভ হতে দেখে যাও সস্থির নিশ্বাস ফেলেছিলো, আয়ানের কথাগুলো শুনে সেসব স্বস্তি মুহুর্তে যেনও উড়ে গেলো!

হঠাৎ শব্দ করে বেজে উঠলো কলিং বেল। অসময়ে এমন ডিস্টার্বে বিরক্ত হলো আয়মান। তবুও গেট খুলতে সোফা থেকে উঠে দাঁড়ালো সে। গেট খুলে নাতাশাকে দেখে ওর বিরক্তি যেনও হুড়হুড় করে সপ্তম আকাশে চড়লো।

আয়মান কিছুক্ষণ আগেই ফিরেছে বাইরে থেকে। রুমে ঢুকে কিছু চেঞ্জও করে নি। ব্লাক জিন্স ও হোয়াইট শার্ট পড়নে। ফুল হাতা শার্টের হাতা কনুই পর্যন্ত ফোল্ড করা। উপরের দুইটা বোতাম খোলা থাকার ফলে ফর্সা বক্ষস্থল উন্মুক্ত। জিম করা পেটানো শরীর। ফর্সা মুখের গালভর্তি চাপদাড়ি। সিল্কি চুলগুলো এলোমেলো। নাতাশাকে দেখেই মুখশ্রীতে এতক্ষণের হতভম্বতা সরে গিয়ে জায়গা করে নিয়েছে গাম্ভীর্যতা।

এই যেনও নাতাশার দৃষ্টির তেষ্টা মেটানোর উপকরণ। দরজা খোলার পর এক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে আয়মানের দিকে। আয়মান এতে আরও বিরক্ত হলো। শার্টের বোতাম লাগাতে লাগাতে খেঁকিয়ে উঠলো,

"কি হয়েছে তোমার? এখন আমার রুমে কি করছো?"

নাতাশা বাংলাদেশী হলেও তার মধ্যে বাঙালিয়ানার ছিটেফোঁটাও নেই। সবসময় ওয়েস্টার্ন ড্রেস, এমনকি চুলও ওয়েস্টার্ন স্টাইলেই ছোট করে কাটা। সে মা-বাবার সাথে লন্ডন প্রবাসী। তবে বাংলাদেশেও আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। সেখানে তারা খুব কমই যায়। আয়মানের যাওয়ার কথা শুনেই সে পরিবারে অনেকটা চাপ সৃষ্টি করে নিজেও আয়মানের সাথে যাওয়ার পরিকল্পনা করে ফেলেছে। সেই খবরটাই জানাতে এসেছিলো ওকে৷ কিন্তু আয়মানের ধমক খেয়ে থতমত খেয়ে গেলো নাতাশা। ইতস্তত করে বলল,

"আমার তোমার সাথে কিছু কথা ছিলো আয়মান।"

"কি বলতে এসেছো জলদি বলো।"

আয়মান বেশ ভালো করেই জানে যে নাতাশা তাকে পছন্দ করে। এজন্য সবসময় তাকে এড়িয়ে চলে। তবে এই গায়ে পড়া মেয়েটার পিছু ছাড়ানো মুশকিল। পাশাপাশি এপার্টম্যান্ট থাকায় আরও সুবিধা পেয়েছে। এমনকি সবাইকে বলে বেড়িয়েছে ও আয়মানের গার্লফ্রেন্ড!

আয়মানের রাগী কন্ঠস্বর শুনেও সে দমে গেলো না। বলল,

"তুমি তো বুধবার বাংলাদেশ যাচ্ছো। আমিও ওইদিনই যাচ্ছি। তো আমি বলছিলাম কি, যদি আমরা দুইজন একসাথেই যাই তো?"

আয়মান গম্ভীর কন্ঠে বলল,

"কেনও? আমার সাথে যেতে হবে কেনও? তুমি তোমার মা-বাবার সাথে যাও।"

"মা-বাবা তো যাচ্ছে না। এবার আমি একাই যাচ্ছি বাংলাদেশ।"

"একা যাচ্ছো তো একাই যাও। আমার পিছে পড়ছো কেনও? আমি তো এই বার গেলে আর আসছি না! তখন তো একা ফিরতেই হবে তাই না? তাহলে একাই যাও।"

নাতাশা বলল,

"আসার সময় চাচ্চু দিয়ে যাবে নয়তো বাবা গিয়ে নিয়ে আসবে। এখন তোমার সাথে যাই? আমি মেয়ে মানুষ, একা গেলে যদি কোনো বিপদ হয়?"

"বিপদ তুমি সেধে দাওয়াত দিলে আমার সাথে যাওয়ার কি প্রয়োজন?"

সোজা-সাপটা উত্তরে নাতাশা চুপ হয়ে গেলো। মনে মনে খুঁজে নিলো কি বলা যায়৷ অত:পর মিনমিনিয়ে বলল,

"একদিনেরই তো ব্যাপার। আয়মান প্লিজ!"

বারবার রিকুয়েষ্ট করায় শেষ পর্যন্ত হার মানলো আয়মান। বলল,

"আমরা একই ফ্লাইটে যাচ্ছি, দ্যাট'স ইট। বাংলাদেশ পৌছে তোমার রাস্তা আলাদা আর আমার রাস্তা আলাদা। মাথায় ঢুকেছে?"

নাতাশা সায় জানালো আয়মানের কথায়।

"তাহলে এখন তুমি যেতে পারো।"

বলে আয়মান উত্তরের অপেক্ষা না করে দুম করে দরজা বন্ধ করে দিলো।

নাতাশা মনে মনে হতাশ হলো এতক্ষণেও আয়মান ওকে ভিতরে ঢুকতে বলে নি বলে। এরপর মুখের উপরই দরজা বন্ধ করে দেয়া। কমপক্ষে ভদ্রতা করে হলেও ভিতরে যাওয়ার কথা বলতে পারতো!

কিন্তু আয়মান সেসব ভদ্রতার ধারে-কাছেও নেই। স্বভাবে সে ঠিক ভাইয়ের মতোই ঘাড়ত্যাড়া। নিজের মন-মর্জির মালিক। পারভিনের ধারনা এই দুইজন পেটে থাকতে তিনি কোনো দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। হয়তো কোনোভাবে পড়ে গিয়েছিলেন। দুইবারই হয়তো এমন কিছুই হয়েছিলো! তাই তার দুই ছেলেরই ঘাড়ের রগ কিছুটা ত্যাড়া।

আয়মান গেট বন্ধ করে সস্থির নিশ্বাস ফেলল। পড়নের শার্ট খুলে ছুড়ে মারলো সোফায়। টি-টেবিলের উপর রাখা ফোনটা তুলে কল করলো পিয়াসের নাম্বার। দু'বার রিং হতেই তৃতীয় বারে রিসিভ হলো কল। ভেসে এলো উচ্ছল কন্ঠস্বর,

"হ্যালো আয়মান। কেমন আছিস?"

"আব্বে শা*লা এটা কেমন আছি না আছি জিজ্ঞেস করার সময়?"

পিয়াস কটমট করে বলল,

"আমার কোন বোনকে বিয়ে করে মাথায় তুলে রেখেছিস তুই? এভাবে শা*লা শা*লা করিস কেনও?"

আয়মান নিরুদ্বেগ হয়ে বলল,

"আমি যাকেই বিয়ে করবো হিসেবে সেটা তোর বোন, ভাবি দুইটাই হবে। এর একটা স্পেশাল কারণ হলো, ভাবি বাদে দুনিয়ার সব মেয়ে তোর ছোট বোন। সেই হিসেবে হলি না আমার শা*লা?"

"তোর স্পেশাল লজিক তুই ভাজা করে খা। আমাকে কল কেনও দিয়েছিস সেটা বল!"

"গুড নিউজ জানাতে ফোন দিয়েছিলাম। তুই আছিস বোন নিয়ে!"

পিয়াস ভ্রু কুঁচকে বলল,

"গুড নিউজ? কিসের রে?"

"দুইটা আছে। কোনটা আগে শুনবি? অল্প গুড নিউজ না বেশি গুড নিউজ?"

"বেশি গুড নিউজটাই আগে শুনি!"

বন্ধুর সাথে কথা বলার সময় আয়মানের সেই গাম্ভীর্যের মুখোশ খুলে পড়েছে। এখন কেউ দেখলে ভাববে পুরোদস্তুর এক হাসি-খুশি মানুষ! অথচ এই বিশেষ রূপটি শুধুই আপনজনদের জন্য!

আয়মান হাসি-হাসি মুখ করে বলল,

"আগামী বুধবার দেশে ফিরছি আমি।"

"এটা তো অল্প গুড নিউজ। বেশি গুড নিউজটা কি?"

আয়মান কথাটুকু বলতে যতটুকু খুশি ছিলো পিয়াসের পরের কথা শুনে তার হাসি মুখটা চুপসে গেলো। মুখশ্রীতে আবার লেপ্টে এলো গম্ভীরতা। আয়ানের বিয়ের খবরটা না বলে জিজ্ঞেস করলো,

"আমি আসার খবরটা তোর জন্য খুশির না?"

পিয়াস হাসি চেঁপে বলল,

"এমন আমি কখন বললাম? বললাম তো গুড নিউজ। এবার পরের নিউজটা দে।"

পিয়াসের ভাব-ভঙ্গি এমন যেনও আয়মানের আসা কিংবা যাওয়া নিয়ে তার কোনো আগ্রহ নেই। কিন্তু মনে মনে ভীষণ খুশি সে। আয়মান আর সে একইসাথে পড়াশোনা করেছে। কিন্তু পিয়াস দুইবছর আগেই বাংলাদেশে এসে পড়েছে। এক বছর হয় বিয়েও করে ফেলেছে। কিন্তু আয়মান এখনও লন্ডনে। এই নিয়ে রাগারাগিও কম হয় নি! এতদিনে আয়মান ফিরছে শুনে পিয়াসের খুশির অন্ত ছিলো না। তবে ভিতরকার সেই আনন্দ আয়মানের সামনে প্রকাশ করে নি। পিয়াসের বিয়েতে না আসার হিসাবটা এখনও বাকি রয়েছে আয়মানের সাথে। যদিও পিয়াস জানে আয়মান তার বিয়েতে আসলে বিশৃঙ্খলা বই অন্য কিছু হতো না। তবুও বেস্টফ্রেন্ড বলে কথা!

পিয়াসের নিরুৎসাহিত ভাব-ভঙ্গি আয়মানের পছন্দ হলো না। বলে বসলো,

"যেহেতু আমার আসার খবরে তুই খুশি না, তাই আমি পরের নিউজটা জানাতে আগ্রহী নই।"

"অর্ধেক বলে ফেলে রাখবি কেন? বাকিটুকও বল।"

"তুই খুশি না তো বলে কি করবো?"

"বলতে বলেছি ভাই! এভাবে এক্সাইটমেন্ট বাড়িয়ে পালাস না।"

"পালানোর মতো মানুষ পেলে পালিয়ে যেতাম। এমন মীরজাফর বন্ধু আর ভাই রাখতাম না!"

পিয়াস কথাটা বুঝতে পেরে সন্দিহান হয়ে বলল,

"আমাকে মীরজাফর বললি, ইট'স ওকে! কিন্তু আয়ান ভাইকে কেন? সে কি করলো?"

এবার আয়মান কিছু লুকালো না। পিয়াসের থেকে কোনো কথা লুকিয়ে ওর পেটের ভাত হজম হয় না। আপাতত দুঃখটা ওর সাথেই শেয়ার করতে হবে। বলল,

"আয়ান ভাই আমাকে ছাড়াই বিয়ে করে ফেলেছে!"

"তোকে ছাড়াই বিয়ে করে ফেলেছে মানে? তুই আর আয়ান ভাই কি একসাথে বিয়ে করার প্লানিং করেছিলি নাকি?"

আয়মান বিরক্ত হয়ে বলল,

"আমায় পুরো কথাটা শেষ করতে দিবি?"

পিয়াস ভিতরকার কৌতুহল দমন করতে চাইলো। বলল,

"হ্যাঁ, আচ্ছা বল।"

আয়মান বলতে লাগলো,

"আমাদের ছোট বোন সায়মার বান্ধবির আজ বিয়ে ছিলো। আর ভাইয়া বিয়ের আগমুহুর্তে মেয়েটাকে তুলে কাজি অফিসে নিয়ে বিয়ে করে ফেলেছে।"

স্নিগ্ধ প্রেমের মায়া গল্পটি তিয়াশা চৌধুরী-এর লেখা একটি জনপ্রিয় পারিবারিক ও রোমান্টিক থ্রিলার গল্প