স্নিগ্ধ প্রেমের মায়া

পর্ব - ৬

🟢

সময় দুপুর তিনটা। পড়ন্ত দুপুর। শীতের সময় রোদের উত্তপ্ততা এমনিতেও কম। এখন আরও কমে যাচ্ছে। রাস্তা-ঘাটে গাড়ির আনাগোনাও কম। নিস্তব্ধ দুপুরে রাস্তা দিয়ে ছুটে চলেছে আয়ানের কালোরঙা গাড়িটি। ড্রাইভিং সিটে বসে সে নিজেই ড্রাইভ করছে। পাশে গুটিসুটি মেরে বসে আছে প্রিয়া। পিছনের সিটে সারা ও সায়মা। বিয়ে সম্পূর্ণ হওয়ার পর সাহিদ কাজী অফিস থেকেই চলে গেছে।

আয়ানের সম্পূর্ণ মনোযোগ রাস্তায়। পাশে যে তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী বসে আছে এতে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। এদিকে প্রিয়ার অবস্থা নাজেহাল। একটু পর পর ভয়ার্ত দৃষ্টি ফেলছে আয়ানের উপর। ভাগ্য তাকে আজ ঠিক কোথায় এনে দাঁড় করালো! কোনোদিনও কথা না বলা মানুষটিই আজ তার স্বামী। একে প্রিয়া আয়ানকে ভয় পাচ্ছে। অন্যদিকে তার দ্বিতীয় ভয়, খান বাড়ির লোকজন। আদ্যো মেনে নিবে তো তাকে? নাকি এই হঠাৎ বিয়ের দ্বায়ভারটাও তার উপরেই পড়বে?

সারা-সায়মা একবার আয়ান ও প্রিয়াকে দেখছে। পরমুহূর্তেই নিজেরা দৃষ্টি বিনিময় করছে। ভাইয়ের ভাব-গতি তারা ধরতে পারছে না। আয়ান যদি প্রিয়াকে ভালোবেসেই থাকে তো একবারও ঠিকঠাক কথা বললো না কেনও?

ভিন্ন চারজন মানুষের মস্তিষ্কে ভিন্ন ভিন্ন ভাবনার মাঝেই গাড়ি এসে থামলো খান নিবাসের সদর দরজার সামনে। আয়ান প্রিয়া, সারা ও সায়মাকে গাড়ি থেকে নামতে বলল। তারা নামতেই সে গেলো গাড়ি পার্ক করতে।

তিনজন দরজার সামনে ঠায় দাঁড়িয়ে। কলিং বেল দেওয়ার সাহস একজনেরও হচ্ছে না। বুঝতে পারছে না আয়ানের এই হঠাৎ বিয়ের ব্যাপারটা কিভাবে নিবে সবাই?

কিছুক্ষণ পর আয়ান ফিরে এসে ওদের এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলো,

"এভাবে দাঁড়িয়ে আছিস কেনও? বাড়ির বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকবি নাকি?"

সায়মা ইতস্তত করে বলল,

"ভাইয়া, ভয় করছে!"

"ভয় করবে কেনও? সবাই আমার বিয়ে নিয়ে পাগল হয়ে ছিলো। বিয়ে করে ফেলেছি। এবার অবশ্যই আমার বউকে ঘরে তুলবে।"

'আমার বউ' কথাটা প্রিয়ার শ্রবণেন্দ্রিয় গোচর হতেই হৃৎপিণ্ড হঠাৎ লাফিয়ে উঠলো। অন্যরকম অনুভূতিতে ছেঁয়ে গেলো তনু-মন। কোনোদিন কি ভেবেছিলো এইভাবে ও আয়ানের বউ হয়ে যাবে?

সারা কিছু বলতে চাইলো। কিন্তু আয়ান সেই সুযোগ না দিয়ে কলিং বেল চাপ দিলো। প্রিয়া রীতিমতো ভয়ে কাঁপছে। ভয়ে আয়ানের পিছে গিয়ে নিজেকে আড়াল করে দাঁড়ালো। সারা-সায়মাও কিছুটা টেনশনে আছে। দুশ্চিন্তায় গলা শুকিয়ে কাঠ!

কিছুক্ষণ বাদে হাসিমুখে দরজা খুললেন পারভিন। ছেলেকে দেখে বললেন,

"আয়ান। এসে পড়েছিস তুই? আয় ভিতরে আয়।"

বলতে বলতে তার দৃষ্টি পড়লো সারা-সায়মার উপর। তারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ওদের দেখে পারভিন জিজ্ঞেস করলেন,

"তোরা এসে পড়েছিস? প্রিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ?"

সারা-সায়মার হয়ে উত্তর দিলো আয়ান। বলল,

"হ্যাঁ মা। প্রিয়ার বিয়েটা হয়ে গেছে।"

কথাটা বলে আয়ান প্রিয়ার হাত ধরে সামনে টেনে আনলো। দাঁড় করালো পারভিনের মুখোমুখি।

প্রিয়া ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলেছে। মানসিকভাবে প্রস্তুত হচ্ছে কড়া কিছু কথা শোনার। কিন্তু পারভিন খান পুরোপুরি চুপ। ছেলের সাথে বউ সাজে প্রিয়াকে মেনে নিতে পারছেন না। কোনোমতো ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন,

"প্রিয়া এখানে কেনও, আয়ান? তাও বউ সাজে।"

আয়ান স্বাভাবিকভাবে উত্তর দিলো,

"প্রিয়া এখন থেকে এখানেই থাকবে, মা। এটা এখন থেকে ওরও বাড়ি। আর হ্যাঁ, প্রিয়ার বিয়ে হয়েছে আমার সাথে। আমি প্রিয়াকে বিয়ে করে নিয়ে এসেছি। এখন থেকে ও এই বাড়ির বউ। এইবার ছেলের বউকে ভিতরে নিয়ে যাও, মা!"

হঠাৎ যেনও চারপাশে সবকিছু স্তব্ধ হয়ে পড়লো। সারা-সায়মা বিচলিত হয়ে একবার প্রিয়াকে দেখছে আরেকবার পারভিনকে। এখন কি উনি প্রিয়াকে কথা শুনাবে? কিন্তু প্রিয়ার তো কোনো দোষ নেই!

পারভিন খান ছেলের কথায় মূর্তি বনে গিয়েছিলেন। কিন্তু দ্রুতই ধাতস্থ হয়ে বললেন,

"তুই প্রিয়াকে তুলে নিয়ে বিয়ে করেছিস? প্রিয়ার তো আজ অন্য কোথাও বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো!"

আয়ান বিরক্ত ভঙ্গিতে বলল,

"বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু হয় নি। আমি ওকে তুলে নিয়ে বিয়ে করে ফেলেছি। এখন ঘরে নিয়ে যাও।"

ছেলের কথায় পারভিন বারবার বিস্মিত হচ্ছে। তুলে নিয়ে বিয়ে করেছে তাও কি অবলীলায় বলে দিচ্ছে! এমন নির্লজ্জকে কি করে পেটে ধরেছিলেন উনি?

প্রিয়াও অবাক হয়ে আয়ানের দিকে তাকিয়ে আছে। মনে মনে ভাবছে,

"একটা মানুষ কিভাবে মায়ের সামনে এমন নির্লজ্জের মতো বিয়ের কথা বলতে পারে? তাও তুলে নিয়ে গিয়ে! এমন লাজ-লজ্জাহীন লোকের সাথে কি আমাকে সারাজীবন সংসার করতে হবে?"

প্রিয়ার ভাবনার মাঝে পারভিন খান ওকে ডাক দিলেন। তবে সেই কন্ঠস্বরে কোনো রাগ নয় বরং স্নেহ মিশে ছিলো। তিনি প্রিয়াকে বললেন,

"প্রিয়া। ঘরে আসো, মা।"

পারভিন খান সমাদরে পুত্রবধূকে বাড়িতে তুললেন। ছেলে একটা দোষ করেছে, সেটার বোঝাপড়াও তিনি ছেলের সাথেই করবেন৷ এজন্য প্রিয়ার সাথে রাগারাগি করার কোনো মানে হয় না!

মাকে মেনে নিতে দেখে আয়ান, সারা, সায়মা তিন ভাই-বোন সস্থির নিশ্বাস ফেলল। মা যেহেতু প্রিয়াকে মেনে নিয়েছেন তাহলে বাড়ির কারো কিছু বলার কোনো প্রশ্নই আসে না। সারা-সায়মা তো অনেক খুশি সব স্বাভাবিক থাকতে দেখে!

******

পারভিন প্রিয়াকে নিয়ে ড্রইংরুমের সোফায় বসালেন। কন্ঠ উঁচিয়ে ডাকলেন সবাইকে। কয়েক মুহুর্তে ড্রইংরুমে উপস্থিত হলো খান বাড়ির সবাই। আরোশী বলল,

"প্রিয়া? বউ সাজে এখানে!"

সবার দৃষ্টিতে উঁপচে পড়ছে বিস্ময়। প্রিয়া একবারও তাদের মুখের দিকে তাকায়নি। সে মাথা নিচু করে বসে আছে। তার পাশে বসেছে পারভিন। আরোশীর কথার উত্তরে তিনি প্রিয়ার থুতনী ধরে নত মুখটা একটু উঁচু করলেন। হাসিমুখে বললেন,

"আমার ছেলে বউ এনেছে। প্রিয়াকে বিয়ে করেছে ও। আমার তো বউ খুব পছন্দ হয়েছে। তোমাদের কেমন লাগলো?"

আয়ান ও প্রিয়ার বিয়ের কথা শুনে সবাই একইসাথে বিস্মিত ও খুশি। যে ছেলে বিয়ে করবে না বলে এত হূলস্থুল করলো সে নিজেই বিয়ে করে এনেছে! এর থেকে অবাক করার মতো বিষয় আর কিছু আছে?"

আঞ্জুম খান তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে চেয়ে আছেন নাতির দিকে। সে ছেলে সোফার এক কোণায় পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে। গভীর মনোযোগ হাতে থাকা ফোনে। নাতির সাথে কথা বলা জরুরি ভেবেই তিনি সায়মাকে বললেন,

"সায়মা, প্রিয়াকে রুমে নিয়ে যাও। আপাতত তোমার একটা নতুন থ্রি-পিস দাও। এই ভারি শাড়িতে বদলে ফেলুক।"

সায়মা খুশিমনে প্রিয়াকে নিয়ে হাটা দিলো উপরে।

এবার বাড়ির বড়রা রীতিমতো হামলা করলো আয়ানের উপর। পারভিন রেগে বললেন,

"আম্মা, ওকে জিজ্ঞেস করুন কি দরকার ছিলো এভাবে বিয়ে করার? ওর যখন প্রিয়াকে পছন্দ ছিলো আগে বলতো, আমরা ওর মায়ের সাথে কথা বলে বিয়ে করিয়ে আনতাম। এভাবে মেয়ে তুলে আনা কোনো ভদ্র বাড়ির ছেলের কাজ?"

"মা, বিয়ে করা ফরজ কাজ। এখন তুলে নিয়ে করলাম না দেশের মানুষ জানিয়ে করলাম এটা তো ম্যাটার না!"

পারভিন খান হতাশ! উনি কি বলল আর ছেলে কি জবাব দিলো। তিনি আবারও বললেন,

"আম্মা, আমি জিজ্ঞেস করি নি বিয়ে কেনও করেছে। আমি বলেছি আমাদেরও তো বলতে পারতো!"

আয়ান বলল,

"আরেহ, মা! তুমি বুঝতে পারছো না। আমি তো তোমাদের সারপ্রাইজ দিলাম। অনেকদিন ধরে ছেলের বউ আনতে চাইছিলে না? এই নাও, আজ আমি এনে দিলাম।"

"বিয়েটা এত সহজ? কাউকে না জানিয়ে জাস্ট মেয়ে তুলে করে ফেললাম? তাও মেয়েটার বিয়ের দিন! এই, এর আগে তোর মাথাটা কি তোর ঘাড়ের উপর ছিলো না? নাকি মাথার বুদ্ধি-সুদ্ধিগুলো সব পৃথিবী ভ্রমণে বেড়িয়েছিলো?"

"পৃথিবী ভ্রমণে বেড়িয়েছিলো, মা। আজ ফেরত এসেছে। আর আমি আজই মেয়ে তুলে বিয়ে করে ফেলেছি!"

আয়ানের উত্তরে বেকুব বনে গেলো সবাই। তবে পারভিন হার মানবেন না। তিনি গম্ভীর কন্ঠে জবাব দিলেন,

"মেয়েটার বিয়ের দিন তোর একদমই এমন করা উচিত হয় নি!"

"দুনিয়ার উচিত-অনুচিত আমি জানি না। আমি শুধু সেটাই করেছি যেটা আমার উচিত মনে হয়েছে।"

আঞ্জুম খান এতখন দুই মা-ছেলের কাহিনি দেখছিলেন। এতক্ষণ পর মুখ খুললেন। বললেন,

"ওর আরেকজনের সাথে বিয়ে হচ্ছিলো আয়ান!"

আয়ান বিরক্ত হয়ে তাকালো দাদির দিকে। বলল,

"কার সাথে বিয়ে হচ্ছিলো, না হচ্ছিলো সেটা আমার জানার বিষয় না। বিষয় হচ্ছে, আমার সাথে বিয়ে হয়ে গেছে তাই আমার বউ! আর কোনো কাহিনি করবেনা তোমরা।"

বলে আয়ান উঠে দাঁড়ালো। উপরে উঠে নিজের রুমের দরজার সামনে এসেই থেমে গেলো কদম। প্রিয়া এখন ওর রুমেই আছে। এই ভেবে ও এগিয়ে গেলো গেস্টরুমের দিকে। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আশেপাশে কেউ আছে কি না পরখ করলো। কাউকে দেখতে না পেয়ে রুমে ঢুকেই দরজাটা বন্ধ করে ফেলল।

******

পারভিন খান কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে সোফায় বসে পড়লেন। তিনি হা-হুতাশ করে বললেন,

"দেখেছেন আম্মা? এই ছেলেকে আমি পেটে ধরেছিলাম? বিয়ের মাত্র কয়েক ঘন্টা এতেই আমার বউ, আমার বউ করে মাথা খেয়ে ফেলছে! আরে বাবা, বউয়ের সামনে গিয়ে বউ বউ কর না! গুরুজনদের তো একটু সম্মান করবি? এমন নির্লজ্জতা পেলো কার থেকে ও?"

তার কন্ঠে ঝরে ঝরে পড়ছে আফসোস। অথচ বাকিদের মুখে চাপা হাসি। নাসরিন হাসি আটকিয়ে বললেন,

"থাক ভাবি। আর কষ্ট পেও না। আমাদের ছেলের লজ্জা-শরম কম। হা-হুতাশ করে আর লাভ হবে না!"

আঞ্জুম খান দুই বউয়ের কথা শুনে হতবাক। ভ্রু কুঁচকে বললেন,

"কি এমন করলো আমার নাতিটা যে এভাবে দোষ খুঁজে বেরাচ্ছো তোমরা? বিয়ে করেছে বউ বউ করবে না? এতে লজ্জার কি হলো? আমার নাতিকে নিয়ে আমি গর্বিত!"

শেষের কথাটা বললেন একটু ভাব নিয়ে। যেনও আসলেই গর্বে ফুলে উঠছেন। পারভিন খান বললেন,

"এই আপনিই ওকে লায় দিয়ে আরও তুলেন মাথায়। এবার নাত-বউকেও তুলবেন।"

"ও কথা আমাকে বলো না, মা। মাথায় তুমি কতটা তুলেছো বোঝাই গেছে।"

পারভিন হঠাৎ নিজের ভাব-ভঙ্গি পরিবর্তন করে ফেললেন। আহ্লাদিত হয়ে বললেন,

"তুলবো না আবার? বউ তো আমার খুব পছন্দ হয়েছে। আমার ছেলের পছন্দ আছে বলতে হবে! এজন্যই তুলে আনার রাগটা প্রিয়ার সামনে ঝাড়ি নি। এমনিতেই নতুন বিয়ে হয়েছে, মেয়েটা ঘাবড়ে আছে। ওর সামনে কিছু বললে আরও ঘাবড়ে যেতও। তোমদের সবাইকে বলছি, ভালোবেসে ঘরে তুলেছি প্রিয়াকে। সবাই ওর সাথে সেভাবেই থাকবে যেনও দ্রতই এই নতুন পরিবেশে আমাদের সাথে মানিয়ে নিতে পারে। আমি বিশ্বাস করি, প্রিয়া পারবে!"

নাসরিন বললেন,

"এটা ঠিক বলেছো, ভাবি। তবে আয়েশার ব্যাপারটা?"

"এটা ওখানেই শেষ নাসরিন। আমার ছেলে যাকে পছন্দ করবে, সেই এই বাড়ির বউ হবে। এটা সেই পুরাতন যুগ নয় যে ছেলে-মেয়েদের উপর নিজেদের পছন্দ চাঁপিয়ে দেয়া হবে। আয়েশার মায়ের সাথে আমি কথা বলে নিবো। সমন্ধটা ক্যান্সেল! এখন শুধু ওদের নতুন জীবনের জন্য দোয়া করো সবাই।"

******

আয়ান রুমের দরজা বন্ধ করে সস্থির নিশ্বাস ফেলল। এতক্ষণ সবার একের পর এক প্রশ্নবাণে জর্জরিত হচ্ছিলো। সবাই ভেবেই নিয়েছে ও প্রিয়াকে ভালোবেসে বিয়ে করেছে। কিন্তু আসল কারণটা তো সেই জানে। আর অন্য কাউকে জানাবেও না।

এতক্ষণে আয়মান কয়েকবার কল করেছে। রুমে ঢুকে এসিটা অন করে আয়ান খাটে বসে ভাইয়ের কল ব্যাক করলো।

কল রিসিভ হতেই ওপাশ থেকে ভেসে এলো আয়মানের অস্থির কন্ঠস্বর,

"কি হয়েছে ভাইয়া? কল ধরছিলে না কেনও? ঠিক আছো তুমি? বাসার সবাই ঠিক আছে?"

আয়ান ভাইকে আশ্বস্ত করে বলল,

"রিল্যাক্স আয়মান! আমি ঠিক আছি আর বাড়ির সবাইও ঠিক আছে। কল রিসিভ করতে পারি নি, কারণ আমি ব্যস্ত ছিলাম।"

"কি কাজে ব্যস্ত ছিলে ভাই যে আমার কলই রিসিভ করতে পারলে না?"

আয়ান দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,

"বিয়ে করে ফেলেছি ভাই!"

স্নিগ্ধ প্রেমের মায়া গল্পটি তিয়াশা চৌধুরী-এর লেখা একটি জনপ্রিয় পারিবারিক ও রোমান্টিক থ্রিলার গল্প