স্নিগ্ধ প্রেমের মায়া

পর্ব - ১৩

🟢

শীতের দুপুরের শীতল বাতাস ছুঁয়ে দিচ্ছে চারপাশ। প্রিয়ন্তী বসে বসে নিজের ভাবনায় মগ্ন হয়ে আছে। অধরকোণে ফুটে আছে এক চিলতে মিষ্টি হাসি। স্বজনী অবাক নয়নে চেয়ে আছে ওর দিকে। বুঝতে পারছে ওর মাথায় নিশ্চিত কোনো দুষ্টু বুদ্ধি ঘুরছে। কিন্তু এরকম তো কিছু করতে দেয়া যাবে না! নাহলে পুরো বিষয়টাই জগাখিচুরি হয়ে যাবে। অবশেষে প্রিয়ন্তীকে বুঝানোর জন্য মুখ খুলল,

"উল্টোপাল্টা কিছু ভাবছো নাকি প্রিয়ু? দেখো কোনো দুষ্টু বুদ্ধি করে থাকলে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো। আয়মান কিন্তু ওসব একদম পছন্দ করে না। পরে কিন্তু একটা ঝামেলা বেঁধে যাবে।"

প্রিয়ন্তী হাসি বন্ধ করে তাকালো স্বজনীর দিকে। বলল,

"তোমার কি আমাকে ওমন মনে হয়, ভাবি? আমি কেনও ঝামেলা বাঁধাতে যাবো?"

"ঝামেলা তো আর ইচ্ছে করে করবে না। তোমার দুষ্টু বুদ্ধিতে লেগে যাবে। পরিচয় ছাড়া যে আয়মানের সামনে যেতে চাইছো ভেবে দেখেছো কি হতে পারে?"

প্রিয়ন্তী গা ছাড়া ভাব করে বলল,

"কি আর হবে? আমি যাবো আমার কাজ করবো। তোমার দেবর কি ভাবলো না ভাবলো সেসব কে দেখতে যাচ্ছে?"

স্বজনী ঘাড় নাড়িয়ে বলল,

"তুমি আয়মানকে চিনো না তাই এমন বলতে পারছো। এই ছেলে মহা ঘাড়ত্যাড়া। আর সবচেয়ে বড় কথা ও অনেক সতর্ক মানুষ। একটু উনিশ থেকে বিশ হলেই ও তোমাকে সন্দেহ করা শুরু করবে। তারপর শুরু করবে নজরদারি। তখন পারবে তুমি প্রিয়ার পরিচয় বের করতে? আগেই যদি ভেবে বসে প্রিয়ার সাথে ভাবের পিছনে তোমার অন্য উদ্দেশ্য আছে, তাহলেই সব গোলমাল হয়ে যাবে।"

প্রিয়ন্তী বিরক্ত হয়ে মাথা নাড়ালো। বলল,

"তোমার দেবরটাই আস্ত একটা মুসিবত। এবার বুঝেছি কেনও বাবা উনাদের পছন্দ করেন না। এজন্যই বুঝি বাবা উনাকে বাড়িতে এলাউ করতো না।"

"এলাউ করতো না বিষয়টা এমন নয়। বাসায় এলে বাবা অবশ্যই বের করে দিতো না। কিন্তু আয়মানই কোনোদিন আসে নি।"

"ওই মুসিবত কারো বাড়িতে না আসাই ভালো। সেসব যাক

আমি সন্দেহ করার মতো কিছু করবো না। তুমি চিন্তা করো না।"

বলে প্রিয়ন্তী উঠে গেলো ওর পাশ থেকে। ছাদে হাটাহাটি করতে করতে ভেবে নিচ্ছিলো আগামী দিনগুলোর কিরকম হবে? স্বজনী ওর দিকে হতাশ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ভাবলো,

"এই মেয়ে যে কি করবে, কে জানে!"

*******

সূর্য ডুবে গিয়ে চাঁদের দেখা মিলেছে আকাশে। আয়ান অফিস শেষ করে বাড়ি ফিরছে। ড্রাইভিং করতে করতে ভাবছে প্রিয়ার কথা। হেনা বেগমের কথা শুনে ভুল বুঝেছিলো প্রিয়াকে। কতগুলো কথাও শুনিয়ে দিয়েছে কাল ওকে! অথচ মেয়েটা তো কিছু জানতোই না। রাগের মাথায় এতকিছু না বলে মাথা ঠান্ডা করে ওর কথা শোনা দরকার ছিলো। আজ বাড়ি গিয়ে একবার এই ব্যাপারে প্রিয়ার সাথে কথা বলা উচিত।

আয়ান বাড়িতে ঢুকে দেখলো সবাই একসাথে ড্রইং রুমে বসে আড্ডা দিচ্ছে। তাকে ঢুকতে দেখেই সবাই একসাথে চুপ হয়ে গেছে। আয়ান সোফায় বসে জুতো খুলতে খুলতে বলল,

"সারা, তোর পড়া নেই? কলেজ থেকে বাড়ি এসেই পড়াশোনা সব ভাসিয়ে দিস?"

সারা এতক্ষণের হাসি হাসি মুখটা অন্ধকার করে বলল,

"পড়েছি তো। এখনই না আসলাম, একটু কথা বলতে।"

"এখনই? কাল থেকে তাহলে আমিই কথা বলছিলাম তাই না?"

প্রিয়া বুঝতে পারলো সারাকে উদ্দেশ্য করে বলা কথাটাতে তাকেও খোঁচা মারা হয়েছে। কাল রাতে ও প্রায় ১২ টা অব্দি সারা-সায়মার সাথে আড্ডা দিয়েছে। এজন্যই এই কথা। কিন্তু প্রিয়া কোনো জবাব না দিয়ে চুপ করে রইলো।

সায়মা বলল,

"কাল থেকে? তার মানে কি এর আগে তুমি কথা বলতে না?"

সায়মার কথা শুনে আয়ান কটমট করে তাকালো ওর দিকে। বলল,

"আমার কথা না, তোদের কথা বলছি। আগে তো হতোই, ইদানীং বেশি হচ্ছে। একদম রাত ১২ টা পর্যন্ত কথা বলতে হবে নাকি?"

সারা-সায়মা হতভম্ব হয়ে একে-অপরের দিকে তাকালো। আয়ান তাদের কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়ে নিজের রুমে চলে গেলো। প্রিয়া চুপচাপ মাথা নিচু করে বসে। বুঝতে পারছে না, সবার সামনে এই কথাটা বলা কি খুব বেশি প্রয়োজন ছিলো?

সায়ম অবাক কন্ঠে শুধালো,

"ভাইয়া বলতে চাইলো টা কি?"

আঞ্জুম খান বললেন,

"তোরা কাল রাত ১২ টা পর্যন্ত প্রিয়াকে আটকে রেখেছিলি। এজন্যই আয়ান এটা বলে গেলো। দেখিস, আজ রাতে কিন্তু মনে করে তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দিস ওকে।"

বুঝতে পেরে সারা-সায়মা সমস্বরে বলে উঠলো,

"ওওওওও!"

প্রিয়া মাথা নিচু করে হাত ঘঁষছে। লজ্জা পেয়েছে ভীষণ। এই লোক এমনিতে তাকে পাত্তাই দেয় না। অথচ সবার সামনে এমন একটা ভাব করে, যেনও কত ভালোবাসে!

পারভীন বললেন,

"প্রিয়া, যাও দেখো আয়ানের কিছু লাগবে কি না!"

প্রিয়া উপর-নিচ মাথা দুলিয়ে সায় জানালো। পরপর উঠে চলে গেলো উপরে। প্রিয়া চলে যেতেই সায়মা ফিসফিস করে সারার কানে কানে বলল,

"বিয়ের আগে প্রিয়াকে নিয়ে আমাদের সামনেই কত কথা বলেছে। আর এখন দেখো! আমার সন্দেহ হচ্ছে, এ আমাদের আয়ান ভাইয়া তো?"

সারা ভাবুক ভঙ্গিতে বলল,

"পরিবর্তন, পরিবর্তন । বিশাল পরিবর্তন! একটা দেখছি আয়ান ভাইয়ার। এখন ভয় হচ্ছে, আয়মান ভাইয়া আবার বিদেশী চামচিকা বিয়ে করে আনবে না তো?"

******

প্রিয়া গুটিগুটি পায়ে নি:শব্দে রুমে ঢুকলো। আয়ান তখন সবে ফ্রেশ হতে যাওয়ার জন্য শার্টটা খুলেছে। প্রিয়া তা দেখেই চোখে হাত দিয়ে পিছে ঘুরে গেলো। চেঁচিয়ে বলল,

"মেয়েমানুষের সামনে এভাবে কাপড় খুলছেন, লজ্জা-শরম কি ধুয়ে খেয়েছেন?"

আয়ান শার্টটা খুলে খাটে রেখে হতভম্ব হয়ে তাকালো ওর দিকে। কিছুক্ষণ চুপ থেকে খেঁকিয়ে উঠলো,

" সমস্যা কি তোমার? আমার রুমে আমি কি করবো না করবো তা কি তোমার অনুমতি নিয়ে করতে হবে নাকি? দোষ তোমার। তুমি নক না করেই রুমে ঢুকেছো কেনও?"

আয়ান সোজাসাপটা জবাবে প্রিয়া থতময় খেয়ে গেলো। চোখ ছোট ছোট করে ঘুরলো আয়ানের দিকে। বলল,

"এটা আপনার রুম ছিলো। যেহেতু কাল থেকে এই রুমে আমিও থাকছি তাই রুমটা আমারও। না পোঁষালে আমাকে অন্য একটা রুম দিতেই পারেন। আমি মাইন্ড করবো না।"

আয়ান ড্র‍য়ার থেকে ট্রাউজার আর টি-শার্ট নিতে নিতে বলল,

"তোমার মাথায় কি সমস্যা আছে? আজ সকালে সকাল গোসল করে সবার সামনে প্রমাণ করলে আমাদের সম্পর্ক একদম স্বাভাবিক। আবার এখনই বলছো রুম দেয়ার কথা। সবাই তো ভাববে আমি বউকে রুম থেকে বের করে দিয়েছে।"

এতটুকু বলে থামলো আয়ান। পরপর ভ্রু গুছিয়ে তাকালো ওর দিকে। তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ওকে পরখ করে বলল,

"এইসব করে আমাকে সবার কাছে কালার করতে চাইছো কেনও?"

সকালের গোসলটা নিয়ে আয়ান আবার কথা বলাতে প্রিয়ার মেজাজ এমনিতেই চটে গেছে। সেখানে আয়ান আবার ঢুকালো কালার করার কথা। চেঁতে-টেতে একাকার হয়ে বলল,

"সবসময় উল্টোপাল্টা কথা ছাড়া আপনার মুখে কিছু নেই? এই আপনি চুপ থাকলেই ভালো। আমার জন্য ভালো, এই ঘরের জন্য ভালো, এই দেশের জন্য ভালো। অনুগ্রহ করে, আপনি চুপই থাকবেন। যেহেতু মুখ খুললে ভালো কিছু বলতেই পারেন না, তবে আপনার চুপ থাকাই শ্রেয়।"

আয়ান একইভাবে প্রতিত্তোর করলো,

"আমি চুপ থাকলে দেশের জন্য ভালো? কিন্তু দেশবাসীর উপকার করে আমার কি লাভ?"

প্রিয়া বুঝলো কথার তালে তালে ও ভুল কথা বলে ফেলেছে। দেশের কথাটা বলা উচিত হয় নি। এজন্য আয়ান এখন ওকে খোঁচা মেরে কথা বলছে। তাই ভুল শুধরে নিয়ে বলল,

"আপনি কি দেশের শ*ত্রু? দেশের উপকার করতে চাইছেন না। ওকে ফাইন, দেশের উপকার করা লাগবে না। আপনি চুপ থেকে আমার উপকার করে দিয়েন তাহলেই হবে।"

আয়ানের ত্যাড়া উত্তর,

"হ্যাঁ আমি চুপ থাকি, আর তুমি বকবক করে আমার মাথা নষ্ট করতে থাকো। তোমার উপকার করে আমার ক্ষতি বই লাভ হবে না। তো কেনও করবো আমি তোমার উপকার?"

প্রিয়া ভালো মুডেই রুমে এসেছিলো। কিন্তু আয়ানের কথা শুনে ওর সুপ্ত মেজাজটা আস্তে আস্তে চটে যাচ্ছে। মেজাজ বেশি চটে গেলে ও কিছু একটা বলে ফেলবে। আর আয়ান যেই মানুষ, সেটা নিয়েও ওকে কথা শোনাতে ছাড়বে না। তাই এই মুহুর্তে ঘর থেকে চলে যাওয়াই প্রিয়ার উপযুক্ত মনে হলো। তবে শেষ উত্তরটা দিতে সময় ব্যয় করলো না,

"মানুষের উপকার মন থেকে করা উচিত। লাভ-ক্ষতির হিসাব করলে মানুষের উপকার করা হয় না। আপনি ওসব বুঝবেন না। আপনি লাভ-ক্ষতির হিসেব নিয়েই পড়ে থাকুন।"

আয়ান কিছু বলার আগেই প্রিয়া ছুটে চলে গেছে রুমের বাইরে। নিচ থেকে ভেসে আসছে মৃদু কোলাহল। হয়তো রাতের খাবারের আয়োজন করা হচ্ছে। আয়ান নিজের সমস্ত ভাবনাকে ছুটি দিয়ে ফ্রেশ হওয়ার জন্য ওয়াশরুমে ঢুকলো।

পনেরো মিনিট পর আয়ান টাওয়াল দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে বের হলো ওয়াশরুম থেকে। পড়নে ব্যাল্ক ট্রাউজার আর ওয়াইট টি-শার্ট। টাওয়ালটা হাতে নিয়েই বিছানায় বসলো ও। চোখ বুঝে একবার নেড়ে-চেড়ে দেখলো প্রিয়ার শেষ কথাটা। পরপর মুচকি হেসে আওড়ালো,

"মানুষের উপকার করার সময় আসলেই লাভ-ক্ষতির হিসাবটা করা হয় না। তোমার জীবন অন্যকেউ নষ্ট করার খেলায় মেতেছিলো। আর আমি কোনোদিক না ভেবেই বিয়ে করে বসলাম। এটা কি লাভ? নাকি ক্ষতি?"

নিচে আয়ানের ডাক আসতেই সে উঠে চলে গেলো।

*******

প্রিয়া এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে। আয়ানের পাশের চেয়ারটা খালি। বসবে কি বসবে না ভেবে ইতস্তত করছে। বসে পড়লে যদি আয়ান রুমে গেলে এক গাদা কথা শোনায়?

পারভিনের কন্ঠস্বর কানে আসতেই ভাবনা থেকে বের হলো প্রিয়া। তিনি বলছেন,

"দাঁড়িয়ে আছো কেনও? বসে পড়ো।"

প্রিয়া কিছু বলতে চাইলে আয়ান তার আগেই বলল,

"বসছো না কেনও?"

বলে ইশারায় তার পাশের চেয়ারটাই দেখালো। ইশারা পেতেই প্রিয়া সন্তুষ্টচিত্তে বসে পড়লো সেখানে। পারভিন নিজে এটা ওটা এগিয়ে দিচ্ছেন ওকে। সাথে নাসরিন তো আছেই।

******

খাওয়া-দাওয়া শেষে পিয়াস এসে বসেছে রুমে। স্বজনী নিচে শাশুড়ীর সাথে সব গুছিয়ে রাখছে। রুমে বসেই মনে পড়লো আয়মানের কথা। কাল-বিলম্ব না করে কল লাগালো ওর নাম্বারে।

আয়মান প্রত্যেকবারের মতো এবারও ফোন রিসিভ করেই বলল,

"শা*লা, ওইসময় ফোন দিয়েছিলাম ধরলি না কেনও?"

পিয়াস স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল,

"মিটিংয়ে ছিলাম, দুলাভাই।"

আয়মান প্রথম কথার বিপরীতে কিছু বলতে যেয়েও চুপ হয়ে গেলো। মস্তিষ্কে দ্বিতীয় কথাটা মাথায় ঢুকতেই বলল,

"আমি তোর কোন বোনের জামাই লাগি যে দুলাভাই ডাকলি?"

"সেটা তো আমিও জানতে চাই। শা*লা ডাকবি কেন?"

"ওইটা ডাকাই যায়। তাই বলে তুই আমাকে দুলাভাই ডাকবি? বোনের জামাই তো বানাবি না, উলটো এমন দুলাভাই ডাকলে অন্য মেয়েরাও বিবাহিত ভেবে দূরে ভাগবে।"

আয়মানের এমন কথায় পিয়াস হাসি চাঁপতে পারলো না। হাসতে হাসতে বলল,

"হয়েছে থাম। বিয়ে তোর করা লাগবে না।"

আয়মান এখনও সিরিয়াস মুডে। এখানে হাসির কিছু হয়েছে বলে তার মনে হয় না। গম্ভীর মুখে বলল,

"নিজে বিয়ে করে ফেলেছো। আমার ভাই-ও করেছে। কয়দিন পর দুইদিক থেকে চাচ্চুও হয়ে যাবো। তো ওদের চাচি লাগবে না?"

পিয়াস ওর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে অন্য কথায় চলে গেলো। বলল,

"আয়ান ভাইয়ার বিয়ের কথায় মনে পড়লো, প্রিয়া ভাবির পিক নিয়ে দেখানোর কথা ছিলো তোর। আর যে দিলি না!"

আয়মান হতাশ কন্ঠে বলল,

"আর বলিস না। সায়মাকে বলেছিলাম পিক দিতে। ওই মেয়ে বলে, সরাসরি এসে ভাবিকে দেখো। এখন পিক পাঠাবো না।"

পিয়াস বিড়বিড় করে বলল,

"হয়ে গেলো!"

মুখে উত্তর দিলো,

"না হলে আর কি করার? তুই আসলেই দেখিস তাহলে!"

*******

পরদিন পিয়াস গেলো প্রিয়ন্তীর ভার্সিটিতে। ট্রান্সফারের সমস্ত ব্যবস্থা করে ফিরে এলো বাড়িতে। বুধবার আয়মানের দেশে ফেরার দিন। আর প্রিয়ন্তী ঠিক তার আগেরদিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার গিয়ে পৌছাবে চট্টগ্রাম। এছাড়া ওদের খালার বাড়িতেও কথা বলা শেষ। তিনিও হাসিমুখেই রাজি হয়ে গেছের প্রিয়ন্তীকে রাখার জন্য। এবার শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষার পালা....!

স্নিগ্ধ প্রেমের মায়া গল্পটি তিয়াশা চৌধুরী-এর লেখা একটি জনপ্রিয় পারিবারিক ও রোমান্টিক থ্রিলার গল্প