Mr and Mrs Twins

পর্ব - ৩৩

🟢

রাত প্রায় ১০টা,,,,

খাওয়া দাওয়া শেষ করে সবাই ড্রয়িংয়ে আসছে।তবে এখনো খাওয়া হয়নি বাড়ির স্থায়ী কারোর,,,শুধু আজমল,জিমান আর আরিফ আথেতেয়তা রক্ষার্তে খেয়ে নিয়েছে।,,,পাখিরা বসে আছে ড্রয়িংয়েই।সামনেই আছে জিসান,হৃদ,নিরাজ,জেসি,তার হাসবেন্ড রুরাব,আহিশ,,,আর আবিরদের ফ্রেন্ডগুলো।রুরাবের কথা আগেই জেনেছে পাখিরা,,,তাই তাকে দেখে এতোটা অবাক হয়নি।,,,অনাথ ছেলে সে।নিজের ব্যবসার কাজে এতদিন থাইল্যান্ড ছিলো।এখন আবার ফিরেছে।জেসিকে নিয়ে আলাদা প্ল্যাটে উঠতে চাইলেও চৌধুরী বাড়ির সবাই এতে অমত করেছে।,,,তাই নিজের সম্বল হিসেবে রুরাবের বাড়ি থাকলেও সে জেসিকে নিয়ে এখানেই থাকে।,,,,,,,খুবই মিশুক ছেলে সে।পরিচয় হওয়ার পর থেকেই পাখিদের চেতাচ্ছে।পাখিরাও হাসতে হাসতে জবাব দিচ্ছে।,,,সাথে বাকিরা তো আছেই।আবির নিবিড়কেও মাঝে মাঝে দেখা যাচ্ছে,,,এদিক ওদিক সবার সাথেই মিশে আছে তারা।,,,,,,,

এদিকে সেই কখন থেকে ড্রয়িংয়ে বসে থাকতে থাকতে খিদে পেয়ে গেছে দোয়েলের,,,,তবে লজ্জায় কাউকে কিছু বলতে পারছে না।মনে মনে ভাবলো,,বোন হলে এতক্ষনে ঠিকই চেচিয়ে নিজের খিদের কথা সকলকে জানান দিতো।।।,,,,,,চড়ুইয়ের খিদে না পেলেও একটু পর পর হামি তুলছে সে।হসপিটাল থেকে আসার পর তো আর ঘুমানোই হয়নি তার।,,,,,,,,

হাসি ঠাট্টার মাঝেই হঠাৎ চোখ গেলো আজিজ রাহমানের দিকে।পাখিরা স্থির দৃষ্টিতে তাকালো তার দিকে।,,,,নিরাজের কাছে শুনেছে যে বাবা এসেছে।মাঝে মধ্যে একটু আকটু দেখেছেও,, তবে তেমন চোখাচোখি হয়নি।,,,কিন্তু এখন তিনি পাখিদের দিকেই এগিয়ে আসছে।,,,,একদম সোফার সামনে এসে দাড়ালো তিনি।পাখিরা ছলছল দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে।আজিজের চোখেও অন্যরকম চাহনি,,,,সে যে কোনো কারনে অনুতপ্ত,,,তা তার চোখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে।,,,,কাপা কাপা হাত দুটো তিনি দুই পাখির মাথার উপর রাখলেন,,,,ধীর কন্ঠে বললেন...

"আমার দুইটা রাজকন্যা থাকা সত্বেও আজ আমি তাদের পিতা হওয়ার অধিকার নিয়ে তাদের সামনে দাড়াতে পারছি না।লজ্জাবোধ হচ্ছে আমার তোমাদের সামনে আসতে।,,,,,"

পাখিরা একসাথে কাতর কন্ঠে বলে উঠলো...

"বাবাহ!""

"না মা,,,,তোমরা আমায় এই ডাকে ডেকোনা,,,,,আমার অধিকার নেই তোমাদের মুখ থেকে বাবা ডাক শোনার।আমার দু দুটো রাজকন্যা,,,তাও আবার জমজ।পৃথিবিতে কটা বাবা এমন মেয়ে পায় বলোতো?,,,,কিন্তু এখন মনে হচ্ছে,,আমিই একমাত্র বাবা,,,যে কিনা এমন ভাগ্যবতী রাজকন্যাদের পেয়েও তাদের কদর করতে পারিনি।,,,,সব আমারই মুর্খতা,,,,সব আমার দোষ,,,আমি নিজেই দায়ী সব কিছুর জন্য।,,,"

বলতে বলতেই নিরবে চোখের জল ফেলছে আজিজ।পাখিরাও কাদছে।

"যেটা আমি বাবা হয়ে করতে পারিনি সেটা আমোজ কাকা হয়ে করে দেখিয়েছে।নিজেকে ধিক্কার দিতে ইচ্ছে হচ্ছে আমার।,,,,,পৃথীবির সবচেয়ে পাপী বাবা আমি,,,, জন্মের পর থেকে যে কিনা তার ফুলের মতো দুটো কন্যার সাথে পাপের পর পাপ করে যাচ্ছে।,,,,,,,আমায় তোমরা পারলে ক্ষমা করে দিও তোমরা,,,,এই পাপী বাবাকে তোমরা ক্ষমা করে দিয়ো।"

বলেই ডুকরে কেদে উঠলো আজিজ।পাখিরা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে বসা থেকেই জড়িয়ে ধরলো আজিজকে।আজিজও দু হাতে মেয়েদের আগলে নিলো,,,এ যেন এক অন্যরকম অনুভুতি,,,সবাই দেখছে এক বাবার করুন কাহন,,,বাবা হয়েও যে তিনি পাখিদের বাবা হতে পারেনি,,,,এই গভীর কথাটা যে তিনিই উপলদ্ধী করছেন।,,,,,,

পেটের ক্ষততে টান পড়ায় হঠাৎ দোয়েল আহ করে উঠলো,,,,আজিজ ছেড়ে দিলো মেয়েদের,,,,দুজনই পেটে হাত চেপে রেখেছে।,,,তখনই কোথা থেকে আবির আর নিবিড় এসে পাখিদের সামনে বসে তাদের হাতের উপর হাত দিয়ে বললো..

"ঠিক আছো তুমি?""

নিবিড় দোয়েলকে দেখতে দেখতে বললো...

"বেশি কষ্ট হচ্ছে দোয়েল? দেখাও আমায়?"

আবিরও তেমনি ব্যাস্ত হয়ে বললো..

"চড়াই,,,বলো?টান লেগেছে না?,,,একটু সামলে চলবে তো নাকি?,,,ডক্টরলে কল করছি.."

চড়ুই তাড়া দিয়ে বললো..

"আরেহ,,আপনি ব্যস্ত হবেন না,,,,ঠিক আছি আমি।,,"

দোয়েলও নিবিড়ের দিকে তাকিয়ে বললো..

"একটুই টান লেগেছে,,,তেমন কিছু নাহ,,"

নিবিড় চোখ ছোট করে জিঞ্জেস করলো..

"সত্যি তো?"

দোয়েল বললো..

"হুম,,,সত্যিই,,,"

শান্ত হলো আবির নিবিড়,,,,পাখিরা তাকালো আজিজের দিকে।,,,,

"আমি চেয়েও তোমাদের ভালো পাত্রের হাতে তুলে দিতে পারিনি।আসলে তখন তোমাদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় আসেনি,,,তখন চেয়েছিলাম তোমাদের বোঝা ছাড়াতে।,,,,,কিন্তু আমি ভুল ছিলাম।,,,,আর এখন তোমরা এনাদের বউ,,,আমি এনাদের কিছু বলার মুখ নেই,,,অন্য বাবারা নিজের মেয়ে জামাইকে যা বলে আমি চাইলেও তা বলতে পারবো না,,,,সেটা বড়ই বেমানান আমার মুখে।,,,"

নিবিড় মৃদু হেসে আজিজকে বললো..

"আপনি না বললেও আমি উত্তরটা দিচ্ছি বাবা,,,,আপনার মেয়েরা,,,আপনার রাজকন্যারা আমাদের কাছে ভালো থাকবে।,,,তাদের সর্বোচ্চ সুখ দেওয়ার চেষ্টা করবো বাবা,,,,কখনো চোখের আড়াল করবো না,,,,,আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন"

আজিজ অবাক হলো,,,,তবুও নিজেকে সামলে বললো..

"আমি জানি,,,আপনারা ওদের ভালো রাখবেন,,,আমি এটাও বুঝেছি ওরা আপনাদের থেকে অন্য কোথাও এত সুখী হবে না,,,,সত্যিই ওরা আমার ভাবনার চেয়েও আরো ভালো কিছু ডিজার্ভ করে।।,,আ্ আমি,,,আপনাদের কাছে চির কৃতঙ্গ থাকবো।"

আবির আজিজের মুখোমুখি দাড়িয়ে বললো..

"আপনি নয়,,,তুমি বলুন,,,,আর বাবা কখনো ছেলের কাছে কৃতগ্য থাকে না,,বাবা,, "

আজিজ অবাক হয়ে বললো..

"ত্ তোমরা আমায় ক্ষমা...."

আবির বললো..

"যেদিম আপনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে পাখিদের আপন করে নিয়েছেন?সেদিনই আপনার আর আমাদের সম্পর্ক পরিবর্তন হয়েছে,,,প্রপেশনাল নয়,,,পার্সোনাল রিলেশন।,,,বুঝলেন বাবা?"

,,,আজিজের চোখে জল মুখে হাসি,,,, এই ছেলেগুলো নিজে তার মেয়েদের দায়ীত্ব নিয়েছেন,,,সে বুঝতে পেরেছে এতদিন সে কত বড় ভুল করে গিয়েছেন।,,,,

আমোজেরও হাসি ফুটেছে,,,,পাখিরা মায়ের অভাব পুরন করতে না পারলেও,,এত বছর পর এই প্রথম তাদের বাবার ছায়া অনুভব করছে,,,এর থেকে খুশির আর কিছুই হতে পারে না,,,,

সব সামলে আমোজ বললো..

"এবার আমরা আসি বেয়াই,,"

আজমল বললো..

"আসি মানে?,,,এতরাতে কোথায় যাবেন?"

হেনলি বললো..

"বাড়ি ফিরবো তো,,,রাতের ট্রেনেই চলে যাবো "

সাবিহা বললো..

"না না,,,একি কথা,,,আজ থেকেই যাবেন সবাই,,,,এত রাত করে কোথাও যাওয়ার দরকার নেই,,,"

অনেক জোরাজুরির পরও থাকলো না আমোজ,আজিজরা।,,,রাতে রাতেই চলে গেলো,,,,তবে পাখিদের আবদারে হৃদ রয়ে গেলো।নিরাজকেও রাখতে চেয়েছিলো,,তবে তার মায়ের কথা চিন্তা করে আর বেশি জোর করলো না,,, এমনি তে নিরাজ নিজেও তেমন ইচ্ছা প্রকাশ করলো না থাকার।,,,

()()()()()()()()()()()

জানালার গ্রীল ঘেসে দাড়িয়ে আছে দোয়েল,,,নিবিড়ের রুমে,,,,রুমটা বেশ ভালোই সাজানো হয়েছে।,,,,কাচা ফুল দিয়ে,,,রজনীগন্ধা,গোলাপ,,আরো নানা রঙের ফুলের সুভাসে মো মো করছে রুমটা।হালকা আলোও জ্বলছে।একটু পরেই দরজায় খিল দেওয়ার শব্দে পেছন ফিরে তাকালো দোয়েল।,,,নিবিড় এসেছে।নির্মল হাসছে সে।,,,,,ধীর পায়ে এগিয়ে এলো দোয়েলের কাছে, স্থির দৃষ্টি দিয়ে একবার সম্পুর্ন পর্যবেক্ষন করলো দোয়েলকে।দোয়েল একটু ভয় পাচ্ছে,,,এখন যদি নিবিড় তার অধিকার চায়,,,নিবিড় হাত বাড়িয়ে দিয়ে দোয়েলের হাত আলতো ধরলো।,,,,,মুহুর্তেই হাত ছাড়িয়ে নিলো দোয়েল।দু কদম পেছালো,,,, নিচের দিকে এদিক ওদিক তাকিয়ে আমতা আমতা করে বললো...

"আ্ আসলে,,,আ্ আমি.... বিয়েটা হুট করেই,,,,আমি র্ রেডি নই...."

কথাটা বলেই চোখ খিচে বন্ধ করে রাখলো দোয়েল,,,,,

নিবিড় কিছুক্ষন চুপ করে রইলো,,,,এরপর ধীর পায়ে এগিয়ে এলো।,,,,ফু দিলো দোয়েলের মুখে,,,,তাতেই চোখ খুলে ফেললো দোয়েল।,,নিবিড় হাসলো,,,সেই মনমাতানো হাসি,,,,একটু পরে দোয়েলের কপালে পড়া চুলগুলো সরাতে সরাতে বললো..

"আমার বোকা বউটা,,,,"

শিহরন বয়ে গেলো দোয়েলের শরীর বেয়ে।,,,এতটা তীব্রতা কথায়?,,,

"তুমি ভাবলে কি করে আমি তোমার এই অবস্থায় তোমার কাছে নিজের অধিকার নিয়ে আসবো?,,,"

দোয়েল ফ্যালফ্যাল দৃষ্টিতে তাকালো।,,,,নিবিড় আরেকটু এগিয়ে এলো,,, দোয়েলের হাত দুটো নিজের হাতের মুঠোয় নিলো,,,,এবার আর দোয়েল বাধা দিলো না তাকে।

"কিন্তু তাই বলে আমার আগের অধিকার গুলোও ছিনিয়ে নিবে তুমি?,,,এটাতো ঠিক না বউ,,,"

দোয়েল ভ্রু কুচকে বললো...

"মানে?"

"এই যে তুমি,,, তোমায় ছুতে বাধা দিচ্ছো?,,,আমি কি আগে তোমায় ছুই নি?,,,"

দোয়েল বুঝলো ব্যপারটা।তবে কিছুই বললো না।

"বিয়ে করলে অধিকার বাড়ে বউ,,,কমে নাহ।সেই হিসেবে আমি আমার অধিকার পুরোপুরি না বাড়ালেও একটু বাড়াতে চাই।,,,,"

দোয়েল বুঝলো না,,,নিবিড় আবার শব্দহীন হাসলো।তারপর নিজের বাম হাত দিয়ে দোয়েলের ডান গাল ছুলো।হাতটা ধীরে ধীরে কানের নিচে নিয়ে গেলো।,,,,,একটু থেমে হঠাৎই এগিয়ে এসে দোয়েলের ঠোটে নিজের ঠোট ডুবিয়ে দিলো।,,,দোয়েল হতভম্ব হলো,,,,তবে তা বেশিক্ষন টিকলো না,,,,নিবিড়ের হালাল স্পর্শ তা টিকতে দিলো না,,,,মোহিত হলো নিবিড়ে সে।অনুভব করতে লাগলো নিবিড়ের কেয়ার যুক্ত ভালোবাসা গুলোয়,,,,,ইশশশ,,,এভাবেও কেউ ভালোবাসে,,,,নিবিড় তার প্রনয় পাখিতে মোহিত হচ্ছে ঠিকই,, তবে দোয়েল যাতে কোনো কারনে ব্যথা না পায় সেই দিকেও খেয়াল রাখছে।,,,,,দোয়েল নিজের ডান হাতটা নিবিড়ের বুকে রাখলো,,,,চেপে ধরলো নিবিড়ের বুকের কাছের গেঞ্জিটা,,,,।

একটু পর নিবিড় ছেরে দিলো তাকে।,, কপালে কপাল ঠেকিয়ে বললো...

''তুমি সম্পুর্ন সুস্থ হওয়ার আগে আমি আমার সম্পুর্ন অধিকার খাটাবো না মিস এটম,,,,তবে টুকটাক তো থাকবেই,,তা তুমি চাও,,বা না চাও,,,,,এখন আজকের গিফ্টটা দাও আমায়?"

দোয়েল অবাক হয়ে বললো..

"গিফ্ট?"

"হুম,,,,এই যে আমরা বিয়ে করে ফেলেছি,,,তার গিফ্ট,,,"

"এ্যা!!কিন্তু এখন তো আমার কাছে দেওয়ার মতো..."

"আছে,,,আমি গিফ্ট হিসেবে যা চাই,,,তা আছে তোমার কাছে,,,,দেবে তো?"

"ক্ কি চান আপনি?".

''আমি চাই,,,,,,বিয়ের গিফ্ট হিসেবেচ তিমি আমার পাশেই ঘুমাবে প্রতিদিন,,,এটা তো দিতেই পারো তাই না?"

দোয়েল শুনলো,,, তারপর হঠাৎই ফিক করে হেসে দিলো,,,নিবিড়ও হাসলো।,,,,,,,

'"""""""""""""""""

এদিকে অনেকক্ষণ অপেক্ষার পরও চড়ুই না আসায় আবির নিজেই বিরক্ত হয়ে বের হলো রুম থেকে,,,,খুজতে খুজতে চড়ুইকে পেয়েও গেলো,,,,,সেই রুমে,,,যেখানে আগে পাখিরা থাকতো,,,,,দরজাটা খোলাই ছিলো,,,,ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়লো চড়ুইকে।খাটে ঘুমিয়ে আছে সে।,,,হায় কপাল,,,,আমি এতক্ষণ এর জন্য ওয়েট করছি,,,আর এ কিনা এখানে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে,,,,?"

এসব ভাবতে ভানতেই আবির এগিয়ে গেলো চড়ুইয়ের কাছে,,,,,পাজাকোলে তুলে নিয়ে নিজের রুমের দিকে হাটা ধরলো।,,,,,

ঘুমের মধ্যেই চড়ুই অনুভব করলো সে ভাসছে,,,,আরামও লাগছে।,,,,আরেকটু গুটিসুটি মেরে ঘুমাবে বলে মুখটা বামে ঘুরাতেই মুহুর্তে চেনা ফার্ফিউমের ঘ্রাণে মাতোয়ারা হল চড়ুই,,,,,হঠাৎই তড়িৎ গতিতে চোখ খুললো।,,,,নিজেকে আবিরের কোলে দেখে যতটুকু অবাক হওয়ার কথা ঠিক ততটুকুই অবাক হলো।,,,, কিছু বলতে যাবে তার আগেই আবির তাকে রুমের খাটে বসিয়ে দিয়ে দরজার কাছে যেতে যেতে বললো...

"আজ আমাদের বাসর,,,,তুমি ভুলে গেলে?"

বলতে বলতেই দরজায় লক করলো।,,,,এরপর এগিয়ে এলো চড়ুইয়ের দিলে,,,,চড়ুই কাপা কাপা কন্ঠে বললো...

"মানে?,,, ব্ বিয়ে করেছি বলে কি এখন..."

"করতে হবে,,,,বাসর করতে হবে আমার সাথে।,,,,বিয়ে করেছি কেন?,,, বাসর করার জন্যই তো নাকি?"

মি. এন্ড মিস. টুইন্স পর্ব ৩৩ গল্পের ছবি