অন্তরালের প্রণয়িনী

পর্ব - ৭

🟢

আনহার মনে সুবহার প্রতি রাগ আর ঘৃণা বেড়ে উঠছিলো। না চাইতেও খারাপ ব্যাবহার করছিলো সবার সাথে। বিয়ের ঝামেলায় কেউ আর এই বিষয়ে গুরুত্ব দেয়নি। এখানেও আনহার রাগ তাকে কেন সবাই এতো হেলাফেলা করবে? অরণ্যকে ছোট বেলা থেকেই পছন্দ করে আনহা সে না পেলে অন্য কারোরও হতে দিবেনা অরণ্যকে ভেবে নিয়েছিলো এটা। হলুদের অনুষ্ঠান প্রায় শেষ সুবহা নিজের রুমে এসেছে অনেক আগেই। এতো সময় ওয়াশরুমে ছিলো শাওয়ার নিয়েছে মাত্রই। আয়নার সামনে গিয়ে টাওয়ালের সাহায্যে ভেজা চুল গুলো মুছে নিচ্ছে পুরো মুখটা তার হলদে হয়ে আছে। মনে মনে ভাবছে —- ‘এরকম হলদেটে চেহারায় বিয়ের সাজটাই ভালো দেখাবেনা তার’

সুবহার মনে হলো দরজার সামনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে এতো রাতে আসলোই বা কে?ভালো করে দেখলে বুঝতে পারে আনহা এসেছে সুবহার রুমে আয়না থেকে চোখ সরিয়েছে দরজার পানে তাকিয়েছে সুবহা। মুখে হাসি টেনে আনহাকে ভিতরে আসতে বলেছে।আনহা ভিতরে এসেছে ঠিকই তবে কিছু না বলে দাঁড়িয়ে আছে সুবহার সামনে সুবহার বার বার মনে হচ্ছে আনহা কিছু বলতে চায় তাকে।

— ‘ কিছু বলবি আপু?’

সুবহার কথায় দ্রুত তার হাত ধরে বলছে সুবহা।

—‘ তুই অরণ্যের সাথে বিয়েটা ভেঙে দে সুবহা।’

সুবহার মুখে কথা নেই নির্বাক সে স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে রইল আনহার পানে হঠাৎ এমন কথার মানে বোধগম্য হচ্ছেনা তার।

—‘ বিয়ে ভেঙে দিবো মানে?’

—‘ সুবহা তুই একটা কথা বলতো? অরণ্যের সাথে কখনো আমি ছাড়া অন্য কোনো মেয়েকে দেখেছিস!’

মাথা নাড়িয়ে না সূচক উত্তর দিলো সুবহা।সুবহার উত্তর পেয়েই তড়িঘড়ি করে আনহা বলে উঠেছে আবারো —--

—‘ দেখিসনি কারণ আমি আর অরণ্য আমরা একে অপরকে ভালোবাসি।’

সুবহার হাতে থাকা পানির গ্লাসটা দপ করে মেঝেতে পড়েছে কাচের গ্লাসটা ভেঙে মুহুর্তেই কয়েক টুকরো হয়ে গেছে যেভাবে ভেঙেছে সুবহার মন। সুবহার মনে হলো আনহা মজা করছে তার সাথে।

—‘ কি বলছিস তুই আপু এগুলো কি সত্যি?বিয়ের কথাতো আজকে থেকে হচ্ছেনা তোদের মধ্যে এরকম কোনো সম্পর্ক থাকলে আগে বলিসনি কেন এটা?’

—‘ তোর কি মনে হচ্ছে সুবহা আমি মিথ্যা কথা বলছি এটাইতো? দাঁড়া আমি তোকে প্রমাণ দিচ্ছি।’

সুবহা শুধু দেখে যাচ্ছে আনহার কাজ। চোখে মুখে ভয়ের আবাস কথাগুলো এমন ভাবে বলছে সুবহার কেমন ঘটকা লাগছে।বার বার মনে হচ্ছে এটা ভুল এরকম কিছুই হতে পারেনা।আনহা নিজের ফোন থেকে অরণ্যের সাথে তার কয়েকটা ছবি বের এক এক সুবহাকে দেখাচ্ছে।ছবিগুলো দেখলে অন্য কারোর এটাই মনে হবে অরণ্যের ছোট বেলার ফ্রেন্ড সে এমন ছবি থাকতেই পারে। কিন্তু সুবহার যে ভালো লাগছেনা এসব তারই হবু বরের সাথে বোনের এমন ছবি নিতে পারছেনা সুবহা। মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে অন্যদিকে। আনহার মনে হলো তার কাজে সফল হতে পারেনি কিন্তু যেভাবেই হোক বিয়েটা ভাঙবে এই পন করেই এখানে এসেছে আজকে। নিজের ফোন থেকে একটা কল রেকর্ড বের করে শুবহার সামনে ধরেছে ফোনটা। অবাকের চুড়ান্ত সীমায় পৌঁছালো সুবহা কি শুনছে এসব!ঘুম জড়ানো কন্ঠে বার বার বলছে অরণ্য সে আনহাকে ভালোবাসে।তাহলে কি সুবহা ভুল করল!একটা ভুল মানুষকে এতোদিন ধরে পছন্দ করে এসেছে সে। সুবহা নিজেকে স্বাভাবিক করে কোনোরকমে বলেছে আনহাকে। —--

—‘ তুই এখন যা আপু আমার ঘুম পেয়েছে।’

—‘ আমি কি বলতে এসেছি তুই বুঝেছিসতো?’

সুবহার উত্তর দেওয়ার আগেই কিয়ানের গলা শুনতে পায়। নিজের রুমের যাচ্ছিলো কিয়ান না চাইতেও সুবহার রুমের দিকে চোখ পড়েছে তার। দরজা খোলা থাকায় সুবহার চিন্তিত মুখ আর আনহার চুরের মতো হাবভাব নজরে এসেছে তার। নিজেরকে হাড়ে হাড়ে চিনে ভালো মতলবে এতো রাতে সুবহার রুমে আসবেনা এটাও জানে।

—‘ তুই এতো রাতে এখানে কি করছিস?’

—‘ মানে কি বলতে চাইছিস তুই!আমি এখানে আসতে পারিনা?’

—‘ জীবনেতো আসতে দেখলাম না আজকেই কেন?তোরতো আবার মাথা ভর্তি জিলিপির পেচ ভয় হয় আমার।’

কিয়ানের কথায় রেগে চলে গেছে আনহা। কিয়ান সুবহার দিকে তাকিয়ে দেখলো ঠান্ডার মধ্যেও মুখটা কেমন ঘেমে গেছে চেহারা দেখে মনে হচ্ছে কোনো কিছু নিয়ে খুব ডিস্টার্ব।

—‘ কি হয়েছে সুবহা?’

আচমকা কিয়ানের কথা কানে আসাতে ভয় পেয়ে গেছে সুবহা শুকনো ঢোক গিলে জবাব দিয়েছে ভাইকে। —--

—‘ কিছু হয়নি ভাইয়া ঠিক আছি আমি।’

—‘ ঘুমিয়ে পড় কালকে আবার ঘুম থেকে উঠেই মুখে কয়েক কেজি আটা ময়দা লাগাতে হবে।’

কিয়ানের কথায় কষ্ট করে হাসে সুবহা এটা বুঝানোর জন্য তার কিছুই হয়নি পুরোপুরি ঠিক আছে। কিয়ানও বিশ্বাস করলো সুবহার মিথ্যা হাসি। বোনকে দরজা আটকে ঘুমিয়ে পড়তে বলে চলে গেছে সে।

———

রাত হয়েছে অনেক ঘুম নেই সুবহার চোখে বার বার আনহার বলা কথাগুলো মনে পড়ছে তার। সত্যিই কি অরণ্য আনহাকে ভালোবাসে?তখনকার কল রেকর্ড ছবিগুলো দেখেতো যে কেউ বলে দিবে এটা অরণ্য আর আনহার মধ্যে কোনো গভীর সম্পর্ক আছে।এমনই যদি হয় তাহলেতো সুবহা তাদের মাঝখানে এসে ভুল করেছে কিন্তু সুবহা যে সেই ছোট বেলা থেকে পছন্দ করে অরণ্যকে। শুধু একটা কল রেকর্ড আর কতোগুলো ছবির ভিত্তিতে কি এতো গুলো মানুষের স্বপ্ন ভেঙে দেওয়া উচিত হবে সুবহার!এখনতো সবাই জেনে গেছে বিয়ের বিষয়টা তার আব্বু চাচ্চুকেই যদি অপমানিত হতে হয় মানুষের কাছে। ভাননায় ছেদ পড়লো সুবহার বালিশের পাশে থাকা ফোনটায় রিংটোন বাজতেই দরফরিয়ে উঠেছে। হঠাৎ এমন হলো কেন?গলাটা কেমন শুকিয়ে এসেছে বেশি কিছু না ভেবে বেড সাইড টেবিলে রাখা পানির গ্লাস থেকে পানি খেয়ে নিয়েছে। ফোনটা চোখের সামনে আনলে কারোর আননোন নাম্বার ভেসে উঠেছে। মনে মনে ভাবছে সুবহা। ‘ এতো রাতে আমাকে কে ফোন দিবে?’ এই নাম্বারটা কি কোনোভাবে অরণ্যের!ফোন কলটা রিসিভ করতেই অপরিচিত কন্ঠস্বর ভেসে আসে ফোনের ওপাশ থেকে।

—‘ শুনতে পাচ্ছো সুবহা!’

—‘ হ্যাঁ শুনতে পাচ্ছি আপনি কে বলছেন?’

—‘ আমাকে তুমি চিনো তোমাদের বাড়িতে অনেকবার গিয়েছি আমি।’

বিজ্ঞাপন

সুবহা কিছু সময় ভেবে উত্তর দিলো —--

—‘ আপনি কি ভাইয়ার ফ্রেন্ড? ’

—‘ না আমি তোমার আপুর ফ্রেন্ড সাথে অরণ্যেরও।’

—‘ চিনেছি এবার আপনি আদ্রীশ ভাইয়া তাইনা?’

—‘ ঠিক চিনেছো। ’

—‘ এতো রাতে ফোন দিলেন যে ভাইয়া,কোনো দরকার?’

—‘ আমি তোমাকে একটা কথা জানাতে ফোন দিয়েছি সুবহা বিশ্বাস করবে কিনা জানিনা তবে আমার মনে হলো বলা দরকার তাই বলছি।’

—‘ হ্যাঁ বলুন। ’

—‘ আনহা আমার ছোট বেলার ফ্রেন্ড তুমি ওর বোন যেহেতু আমার বোনের মতোই তাই তোমাকে সাবধান করছি অরণ্যের সাথে বিয়েটা তুমি করোনা সুবহা। এখনো কিন্তু সময় আছে বিয়ে ভাঙার।’

সুবহার হাত কাঁপছে তার মানে কি আনহা ভুল কিছু বলেনি তখন! বুকের ভিতরে চেপে রাখা অজানা কষ্টে চোখ বেয়ে দুফোটা পানি গড়িয়ে পড়ল তার। নিরবতা দেখে আদ্রীশ আবারো বলে উঠেছে।

—‘ শুনতে পারছো সুবহা?’

—‘ হ্যাঁ..বলুন আপনি।’

—‘ আমি চাইনা তুমি,অরণ্য বা আনহা কারোর জীবনই নষ্ট হোক তোমরা সবাই আমার খুব কাছের তাই তোমাকে বলছি —--

আনহা আর অরণ্য একে অপরকে ভালোবাসে সেই কলেজ লাইফ থেকে অরণ্য কেবল তার আব্বু আম্মুর কথা রাখতেই তোমাকে বিয়ে করছে।

আদ্রীশ আরো কিছু বলতে চাইছিলো কিন্তু সুবহা সুযোগ দেয়নি আর তাড়াহুড়ো করে কথা বলে ফোন কেটে দিয়েছে।

———

দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে আদ্রীশ এতো বড় ডাহা মিথ্যা কথা বলতে বুক কেঁপেছে তার কিন্তু কি করবে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটাকে যে বড্ড ভালোবাসে কিভাবে দেখবে তার চোখের পানি।এই রাত বিরেতে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলেছে আদ্রীশকে। একমাত্র বেস্টি মনে প্রাণে ভালোবাসে সেই কলেজ লাইফ থেকে না করতে পারেনি। জানে সে কোনোদিনও পাবেনা আনহাকে কিন্তু আনহার খুশিতে সে নিজেও খুশি।একবারের বলাতেই আনহার কথায় ছুটে চলে এসেছে তার সাথে দেখা করতে। অরণ্যের সাথে সুবহার বিয়েটা যে আনহা মেনে নিতে পারেনি এটা তার বিহেভিয়ার দেখেই বুঝেছিলো আদ্রীশ। আনহা আর আদ্রীশ দুজনেই নিজেদের গাড়ি নিয়ে এসেছে এতো রাতে কোনো দোকানপাট বা ক্যাফের দরজা খোলা নেই।রাস্তায় জনমানবের কোনো উপস্থিতি নেই একা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে কেবল আনহা আর আদ্রীশ দুজনে। আনহা গভীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে আদ্রীশের মুখ পানে। ফোনটা কান থেকে সরাতেই উদ্বিগ্ন হয়ে বলতে শুরু করেছে।

—‘ কি..কি বলেছে সুবহা বিয়েটা ভাঙবেতো?’

আদ্রীশের মনে মনে অনুসূচনা হচ্ছে এমন মিথ্যা কথা বলে।আনহার চটপটানি দেখে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জবাব দিয়েছে তাকে।

—‘ তুই কি এসব ঠিক করছিস আনহা?’

—‘ কিসের কথা বলছিস তুই, কোনটা ঠিক নয় আদ্রীশ?ভালোবাসার জন্য মানুষ কতো কি করে আমিও অরণ্যকে পেতে সবকিছু করতে রাজি।’

—‘ ভালোবাসা পাওয়ার জন্য বোনের সাথে বেঈমানী করবি?’

আনহার পছন্দ হলোনা আদ্রীশের কথাটা। বাড়িতে কেউ জানেনা আনহা এতো রাতে বেরিয়ে এসেছে জানবেই বা কি করে সবাইতো সুবহার বিয়ে নিয়ে ব্যাস্ত মাঝেমধ্যে আনহার মনে হয় বাবা মা তাকে কুড়িয়ে পেয়েছে না হলে বড় মেয়ে হওয়া সত্বেও সবাই সুবহাকেই এতো ভালোবাসে কেন? আদ্রীশকে বিদায় জানিয়ে চলে যায় আনহা। আদ্রীশ তাকিয়ে আছে সেদিক পানে মনে মনে বলছে—- ‘ নিজের স্বার্থ ছাড়া কি তুই কখনোই আমার কাছে আসবিনা আনহা!’

———

ভোর হয়েছে অনেক আগেই বাড়িতে বিয়ের তোড়জোর চলছে মেহমানদের আনাগোনা আর গান বাজনায় জমজমাট চারিপাশ। সুবহা ঘুম থেকে উঠতে দেরি করছে বলে তার আম্মু আর চাচি মিলে ডেকে গেছেন একবার দরজা খুলেনি তখন। সুবহাকে ফোন দিয়েও পায়নি কিয়ান তাই নিজেই চলে এসেছে বোনকে ডাকতে। ভাইয়ের ডাকাডাকিতে বাধ্য হয়েই দরজা খুলেছে সুবহা। কিয়ান সুবহাকে নিচে আসতে বলেই চলে গিয়েছে।

কিরণ আর তার কাজিনরা সবাই এসেছে সুবহাকে দেখতে সাথে অরণ্যের আম্মুও পাশাপাশি বাড়ি পূর্ব পরিচিত তাই ওতো নিয়মকানুন বাধা নিষেধের ধার ধারেননি কেউই। বাড়ি ভর্তি মেহমানেদের সামনে যখন সুবহা এসে বললোে সে এই বিয়ে করবেনা মুহুর্তেই সবার চোখ মুখ থেকে খুশির ঝিলিক সরে গিয়ে চিন্তারা এসে ভীর জমিয়েছিলো। কিয়ান কিরণ সবাই কৌতুহল নিয়ে তাকিয়ে আছে সুবহার দিকে তাদের মনে একটাই প্রশ্ন সুবহার হঠাৎ করে এমন কথা বলার কারণ কি?এতো মানুষের দৃষ্টি নিজের দিকে দেখে কেমন অস্বস্থি হচ্ছিলো সুবহার। চলে যেতে চাইলে জাহিদ হোসেন মেয়েকে আটকায়।

—‘ বিয়ে করবেনা মানে কি প্রিন্সেস?’

—‘ আমি যখন বলছি কারণ আছে আব্বু এই বিয়েটা ভেঙে দাও তুমি। ’

অরণ্যের আম্মুর চোখে মুখে রাগ এতো মানুষের সামনে এভাবে অপমান নিতে পারলেন না তিনি সুবহার কাছে এসে হাত টেনে নিজের দিকে ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করেছেন তাকে। —-

—‘ বিয়ে করবেনা মানে?তোমার কি অন্য কাউকে পছন্দ এরকম যদি হয় তাহলে আগে কেন বললেনা সুবহা?এতো লোকজনকে দাওয়াত করা হয়েছে সবাই জানে তোমাদের বিয়ের ব্যাপারে এক বাড়ি লোকের সামনে এভাবে অপমান করতে খারাপ লাগলোনা তোমার!’

সুবহা অরণ্যের আম্মুর হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে জবাব দেয়।

—‘ আপনি যা বুঝবেন তাই আন্টি আমি যা বলার বলে দিয়েছি আর কিছু বলতে পারবোনা।’

কথাটা বলেই চলে গেছে সুবহা পুরো রুম জুড়ে নিস্তব্ধতা কারোর মুখেই কোনো কথা নেই স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে সবাই সুবহার যাওয়ার পানে। অরণ্যের আম্মু জাহানারা সুলতানার ভালো লাগেনি সুবহার আচরণ এভাবে সবার সামনে অপমান করলো এক হাটুর বয়সী মেয়ে!ওনার ছেলের জন্য এমন মেয়ে পছন্দ করেছিলেন বলে এখন পস্তাচ্ছেন তিনি সুবহার আম্মু আব্বু কারোরই বোনো বারণ শুনেননি কিরণসহ বাকি সবাইকে নিয়ে রাগ দেখিয়ে চলে গেছেন সুবহাদের বাড়ি থেকে। তবে যাওয়ার আগে সুবহার আব্বুকে সুবহার কাজের জন্য কথা শুনাতেও ছাড়েননি। কিরণ শত চেষ্টা করেও আটকাতে পারেনি মাকে।এদিকে জাহিদ হোসেনের লজ্জায় মাথা কাটা যাচ্ছে কিন্তু নিজের মেয়ের মেয়েকেই বা ভুল বুঝবেন কিভাবে সে যে না ভেবেচিন্তে কিছু করার মেয়ে নয়। —--

বিজ্ঞাপন
অন্তরালের প্রণয়িনী গল্পটি আফরোজা আঁখি-এর লেখা একটি জনপ্রিয় পারিবারিক রোমান্টিক গল্প