ঝিলমিল রোদ্দুরে

পর্ব - ১০

🟢

রোদ্দুরের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল, ঝিলমিলের পায়ের তলায় মাটি সরে গেল, বাদবাকি সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। তারা অবাক হলেও, মনে হয় না অখুশি হয়েছে। কারণ, পরক্ষণেই সবার মুখে হাসি ফুটে উঠল। একমাত্র রোদ্দুর চোখমুখ শক্ত করে উঠে দাঁড়াল। উপস্থিত সবার দিকে তাকিয়ে বেশ জোরে একটা হুঙ্কার ছেড়ে বলল, 'আমি বিয়ে করব না।'

রেহানা খাতুন কিছু বলার আগেই সে গটগট করে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল। ঝিলমিল ওর মায়ের দিকে তাকাল, কিছু বলবে সেই ভাবনায়। কিন্তু মা'কেও বেশ খুশি মনে হচ্ছিল।

রেহানা খাতুন নীলিমার দিকে তাকিয়ে বললেন, 'মেজো বউমা, তুমি দাদু ভাইয়ের সাথে কথা বলো নাই?'

'না আম্মা, ওকে জিজ্ঞেস করার মত সেই সুযোগ পাই নাই।'

'আমার প্রস্তাবে কি তোমাদের কারো কোনো আপত্তি রয়েছে? যদি থাকে তবে তার কারণ সহ আমায় জানিয়ে দাও।'

কারোর'ই আপত্তি ছিল না। এরা কেউ কখনো শাশুড়ি মায়ের সিদ্ধান্তের উপর কথা বলে নাই। আজ'ও বলবে না।

শুধুমাত্র সাবরিনা বললেন, 'আমাদের আপত্তি দিয়ে কি দিয়ে আসে যায় আম্মা? রোদ্দুর কি রাজি হবে? ও এভাবে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল। আমার মনে হয়, ওর সাথে একবার ভালো করে কথা বলা দরকার। ওর যদি অন্য কোথাও পছন্দ থাকে.....'

'পছন্দ থাকলে সেটা সরাসরি বলে দিবে। বিয়ে করব না— এটা আবার কেমন কথা? বিয়ে কেনো করবে না?'

মনোয়ার সরকার এসে মাকে থামালেন এবং জানালেন তিনি নিজে রোদ্দুরের সাথে কথা বলে বিষয়টা পরিষ্কার করবেন।

এইদিকে ঝিলমিল স্তব্ধ! ভেবে নিয়েছিল, মা-বাবা বিয়ের কথা তুললে সে মোটেও গাঁইগুই করবে না। সোজা রাজি হয়ে যাবে। এটাও ভেবে রেখেছিল যে— বাড়ি থেকে কেউ যদি তাকে বলতো, পরীক্ষায় ফেল করলে বিয়ে দিয়ে দিব। তবে সে হাজারবার পরীক্ষায় ডাব্বা মেরে বসে থাকত। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে তাকে কখনো এসব কথা শুনতে হয় নাই। এই বাড়িতে, একই পরিবেশে থাকতে থাকতে কিছু সময় খুব বিরক্ত লাগতো বলেই মনে মনে এই বিয়ের ইচ্ছেটা পোষণ করে রেখেছিল। কিন্তু দাদি যেই মুহুর্তে রোদ্দুরের কথাটা বলল সে মুহূর্তে মনে হয়েছিল, সারাজীবন বিয়ে না করে এই বাড়িতে পড়ে থাকবে তাও রোদ্দুরকে নয়। অসম্ভব!

ঝিলমিল'ও সবাইকে আড়াল করে উঠে চলে গেল। বাবাকে বললে, বাবা নিশ্চয়ই তার কথা বুঝবে।

.

রোদ্দুরের রাগের সীমা ঠিক কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে সে নিজেও আন্দাজ করতে পারছে নাহ। বিয়ে কার সাথে হবে বা কী বিস্তারিত; এসব কিছু তার মাথার ধারে কাছেও আসে নাই। শুধুমাত্র 'বিয়ে' শব্দটা শোনামাত্র মেজাজ হারিয়ে ফেলেছে। সানিয়ার বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা, বন্ধুদের সামনে চরম অপমান কোনোটাই সে ভুল যায় নাই..... জীবন থাকতে ভুলতেও পারবে না। সে এইভাবেই এইরকম একা ঠিক আছে, কাউকে দ্বিতীয়বার জীবনের সাথে জড়িয়ে ফেলার মত ভুল করতে পারবে না।

ছোট চাচ্চু রোদ্দুরের খোঁজে ঘরের দরজায় কড়া নাড়লেন। রোদ্দুর ঘরের ভেতর থেকে জিজ্ঞেস করল, 'কে?'

'আমি....চাচ্চু, দরজা খোল।'

রোদ্দুর দরজা খুলে দিয়ে আবার নিজের জায়গায় এসে বসল। ছোট চাচ্চু ঘরে এসে চারিদিকে তাকিয়ে বললেন, 'বাবাহ কতদিন পর তোর ঘরে পা রাখলাম।'

রোদ্দুর কিছুই বলল না, মুখ ভার করে রইল। তিনি পুনরায় বললেন, 'আমি বাবা তোকে জ্ঞান দিতে আসি নাই। জ্ঞান দিলে আবার বলবি, নিজেই এখনও বিয়ে করো নাই আর আমাকে আসছ বিয়ের কথা বলতে! কী তাইতো? এটাই তো বলবি তাইনা?'

'বিয়ে-শাদী তোমার অন্যকিছু বলার থাকলে সেটা বলো। আমি বিয়ে করব না। আমাকে দয়া করে তোমরা সবাই এসবের মধ্যে জড়িয়ে নিও না। আমি একলা মানুষ, একলাই থাকতে চাই।'

রোদ্দুর ঘড়িতে সময় দেখল। প্রায় চারটা বাজে। ছোট চাচ্চুর উদ্দেশ্য পুনরায় বলল, 'আমার যাওয়ার টাইম হয়ে গেছে। একটু বাদেই রওনা দিব।'

'আমাকে বলে লাভ আছে? মাকে গিয়ে বল। বিয়ে করবি না সেটাও বল আর চলে যাবি তাইও গিয়ে বল।'

রোদ্দুর চাচ্চুর দিকে তাকাল। মাথা ঝাঁকিয়ে জানাল, সে তাই করবে। নিজের কাপড়চোপড় গোছাতে গোছাতে ভাবল, দাদির মাথায় হঠাৎ কি করে এই ভাবনা এলো যে সে ঝিলমিলের সাথে তার বিয়ে ঠিক করে বসে আছেন। এত জল ঘোলা করে লাভ নেই, সে তো বিয়েই করবে না এখন পাত্রী ঝিলমিল হোক বা সানিয়া। এই যে আজ ঢাকা ফিরবে সহজে আর বাড়িই ফিরবে না। ইচ্ছে হলে বছরে একদিন! যার যার তাকে দেখতে ইচ্ছে করবে তারা যেনো সরাসরি ঢাকা চলে আসে। সব ভাবনা-চিন্তা শেষে রোদ্দুর ঘর ছেড়ে বের হলো‌। দাদির ঘরে উঁকি দিয়ে দেখল, এই মুহুর্তে সেখানে কেউ নেই।

সে সরাসরি গিয়ে বলল, 'দাদি আমি আজকে চলে যাচ্ছি'

'কোথায় যাচ্ছ দাদুভাই?'

'ঢাকা।'

'আজই যাবে? আর দু'টো দিন.....'

'সম্ভব না দাদি। আজ চলে যাব, এমনটাই ভেবে এসেছিলাম। অনেক কাজকর্ম পড়ে আছে, আর থাকা সম্ভব নয়।'

'ঠিক আছে। যাওয়ার ইচ্ছে যখন পোষণ করেছ, তখন যাবে। আর আগে আমাকে বলো, আমি একটু আগে যে কথাটা বললাম সে সম্পর্কে তোমার মতামত কি?'

রোদ্দুর সহসা বলে দিল, 'আমি তো তখনই বলে দিয়েছি। আমি এখন বিয়েশাদী করব না।'

'এখন করবে না? ঠিক আছে। তবে বলো, তুমি কবে বিয়ে করতে চাও? ঝিলমিল ততদিন অপেক্ষা করবে।'

'ওর অপেক্ষা করতে হবে কেনো? আমি বিয়েই করব না। তোমরা যদি ঝিলমিলের বিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করো তবে ওর বিয়ে দিয়ে দাও। মাষ্টার কাকার ছেলে সাইফুলের সাথে মনে হয় ওর সম্পর্ক আছে। তোমরা সেখানে কথা বলে দেখতে পারো।' রোদ্দুর একটু রেগেই কথাটা বলল।

বিজ্ঞাপন

রেহানা খাতুন বললেন, 'ঝিলমিলকে নিয়ে তোমার ভাবতে হবে না। তুমি নিজের কথা বলো। তোমার কি কাউকে পছন্দ যার কারণে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছো না? যদি পছন্দ থাকে তাহলে সেটাও তোমার পরিবারকে জানানো উচিত।'

দাদির কথাগুলো বেশ ভারিক্কি মনে হচ্ছে। সাধারণত তিনি তুই করেই সম্বোধন করেন। হঠাৎ তুমি সম্বোধন করায় রোদ্দুরের ভেতরে সাজানো কথাবার্তা গুলো এলোমেলো হয়ে গেল।

সে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বলল, 'না... পছন্দ না। কাকে আবার পছন্দ করব? আমি এমনিতেই বিয়ে করতে চাচ্ছি না। যদি পরে কখনো মনে হয় বিয়ে করা উচিত তাহলে করব।'

'ঠিক আছে। কোথায় যেনো যাবে বলছিলে, যাও।'

রোদ্দুর দাদির রাগ-অভিমান বুঝল। কিন্তু এখন আর কিছু বলতে ইচ্ছে করল না। বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। ঝিলমিল'ও এই ঘরেই আসতে নিয়েছিল। রোদ্দুরকে দেখে আড়ালে ছিল। সে চলে যেতেই আড়াল থেকে বেরিয়ে এলো। হাতে তখন দাদির দেওয়া সেই গলার হার'টা। সেটা সে ফেরত দিয়ে দিল। রেহানা শুধুমাত্র দু'জনের কর্মকান্ডগুলো দেখলেন, কোনো কথা বললেন না।

রোদ্দুর চলে গেল। বাড়ির কারোর'ই মন মেজাজ ভালো নেই। রোদ্দুর মুখ গোমড়া করে বেরিয়ে গেছে। যাওয়ার আগে মাকে বলেছে, 'আমি আর তোমাদের এই বাড়িতে আসছি না। দাদির মাথা থেকে যদি এই বিয়ের ভূত নামে, তবেই আসব।'

নীলিমা নিজেও শাশুড়ির সিদ্ধান্তের সাথে একমত। ঘরে বিবাহযোগ্যা মেয়ে থাকতে বাইরের কাউকে বরণ করে নিয়ে আসার তো কোনো প্রয়োজন'ই পড়ে না। ছেলেকে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, কিন্তু সে কিছুতেই বুঝতে চাইছে না। বারবার এক বুলি, 'আমি বিয়ে করব না।'

শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে মাহফুজ সরকার ছেলেকে ধমক দিয়ে বললেন, 'এখন তো মনে হচ্ছে তোমাকে একা ছেড়ে দেওয়াটাই ভুল হয়েছে। কাউকে মানছ না, কারো কথা শুনছ না; নিজে যা বুঝছ তাই করছ। তাহলে তো আর মা-বাবাকে দরকার নাই। নিজেই এখন সবকিছু করছ, তাই করো।'

এখানে রোদ্দুর কিছু বললে আরও তর্ক বাড়বে। তাই সে চুপচাপ বিদায় নিয়ে চলে এলো। বাড়ি থেকে বের হয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। বাব্বাহ, বাঁচা গেছে।

.

রাতে শোয়ার আগে ঝিলমিল মাকে ডেকে নিয়ে এলো নিজের ঘরে। সেখানে এসে বলল, 'মা আমি কিন্তু রোদ্দুরকে বিয়ে করতে পারব না।'

'বিয়ে-শাদীর ব্যপারে আমি কিছু জানি না। আম্মা তো বললেন'ই। আমি আম্মার মুখের উপর কখনো কথা বলি নাই। তিনি আজ পর্যন্ত সংসারের মঙ্গলের জন্য যা যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোনোটাই বিফলে যায় নাই। আমার মনে হয় না, তোদের নিয়ে এই সিদ্ধান্তটা ভুল। আর তোর'ই তো ভালো, ঘরের মেয়ে ঘরেই থাকতে পারবি।'

ঝিলমিল কিছু বলতে পারল না। এরপর বাড়িতে আরও কিছুদিন কেটে গেল। সবকিছু আগের নিয়মেই চলছে, কোথাও কোনো ফারাক নেই। বিয়ের ব্যাপারে কেউ আর কথা বলে নাই। ঝিলমিলের এখন মনে হচ্ছে, তার বিয়ে না হলেই বেশ ভালো হবে। শিউলিকে রোদ্দুরের কথাটা বলেছিল, তারপর থেকে প্রতিদিন নিয়ম করে সে ঝিলমিলকে ক্ষ্যাপাতে ভোলে না।

আজ দেখা হতেই বলল, 'কী রে! দুলাভাই আসবে না? কবে আসবে ভাই আবার? বিয়ে খাবো তো।'

'নিজে বিয়ে করে নিজে খা। আমার বিয়ে নিয়ে উঠে পড়ে লাগিস না।'

'শোন, বান্ধবীর বিয়ে খাওয়ার যে মজা সেটা দুনিয়ার আর কোনো খাওয়াতেও নাই। নিজের বিয়েতে তো নাই'ই। বান্ধবীর বিয়েতে যে বরের দিক থেকে তার ভাই-বন্ধুরা আসে, তাদের সাথে লাইন মারার সুযোগ থাকে। নিজের বিয়েতে এত এত ড্যাশিং ড্যাশিং বয় থাকতে তো ওই একজনকেই চোখ দিয়ে গিলে খেতে হয়। হবু দুলাভাইয়ে যের বউ বিয়ে কর প্লিজ। রোদ্দুর ভাইয়ের বন্ধুদের দরকার।'

'ওর কথা বলবি না আমাকে। ওকে তো আমি কখনোই বিয়ে করব না। অভদ্র ছেলে একটা! জানিস, কথায় কথায় বেয়াদবি করে। ধমক দেয়। ওর সাথে আমার জীবনেও মানবে না। দেখিস কা'টা'কা'টি, হা'না'হা'নি, মা'রা'মা'রি বেঁধে যাবে। আসলে ওর সাথে আমার কেনো? পৃথিবীর কোনো মেয়েই টিকবে না। দুনিয়ার ঘাড়ত্যাড়া! এটা সময় থাকতে থাকতে বুঝে গেছে বলেই তো ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে, আমি কখনো বিয়েই করব না। যত্তসব ফালতু নাটক।' ঝিলমিল চোখ ছোট ছোট করে বলল।

শিউলি বলল, 'সে যাইহোক না কেনো, তোমার যে বিবাহের ফুল ফুটে গেছে সেটা আমি ভালো করেই বুঝতে পারছি। দয়া করে সেই ফুল শুকিয়ে ঝরে যাওয়ার আগে গলার মালা হিসেবে পড়ে নাও জানেমান!'

ঝিলমিল রাগ করে উঠে চলে গেল।

.

রোদ্দুরের শুধুমাত্র মায়ের সাথে কথা হয়। বাবার সাথে মাঝখানে একদিন কথা বলেছিল। ছোট চাচ্চুর সাথে মাঝেসাঝে কথা হয় আর কী! দাদির খোঁজখবর নেওয়া হয়, তিনি ভালোই আছেন আবার মাঝে মাঝে শরীর খারাপ থাকে।

বিকালে রায়হান ফোন করল। রোদ্দুর রিসিভ করতেই বলল, 'পরশু আসছিস তো?'

রোদ্দুর কানে ফোন চেপে দু'হাতে তোয়ালে নেড়ে দিতে দিতে বলল, 'কোথায়?'

'আমার বিয়েতে।'

'তোর বিয়ে?' রোদ্দুর কেমন অজানা ভঙ্গিতে প্রশ্ন করল।

রায়হান ভারি অবাক হয়ে বলল, 'হ্যাঁ। তোকে তো কতদিন আগে থেকেই বলেছিলাম। গতকাল'ও বললাম। দোস্ত তুই ঠিক আছিস?'

'ওহ হ্যাঁ। আমি একটু অন্যমনস্ক ছিলাম তাই মাথা থেকে তোর বিয়ের কথা বেড়িয়ে গেছে। আসব, আসব ইনশাআল্লাহ। বাকিরা সবাই আসবে?'

'হ্যাঁ আসবে।'

'ঠিক আছে রাখছি।'

গত দুয়েকদিন যাবত রোদ্দুর নিজেও লক্ষ্য করছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মাথা থেকে হুটহাট বেড়িয়ে যাচ্ছে। আজ দুপুরে রান্না করার পর চুলা অফ করতে ভুলে গিয়েছিল। পরে পোড়া পোড়া গন্ধ অনুসরণ করে চুলা অফ করল, ততক্ষণে রান্না পুড়ে গিয়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল'ও অফিসে যাওয়ার সময় মেইন দরজা লক করতে ভুলে গিয়েছিল, বাড়ি ফিরে এসে দেখে দরজাটা কোনোমতে ভেজানো। কী হলো কে জানে? কবে জানি আবার নিজেই নিজেকে ভুলে বসে থাকে।

রোদ্দুর মাথা থেকে সব ধরণের অসহ্য চিন্তাগুলো সরাতে চায়, কিন্তু কোনোভাবেই পারছে না। সানিয়াও মাথার মধ্যে জটলা পাকিয়ে দিয়েছে আর ওইদিকে বাড়ির ব্যপারটা তো পুরো মাথা হ্যাং করে রেখেছে। আপাত দৃষ্টিতে তাকে একজন সুখী মানুষ মনে হলেও সত্যিকার অর্থে তার মনের মধ্যে মোটেও সুখ নেই। আছে শুধু দুঃশ্চিন্তা, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা.......!

.

বিজ্ঞাপন
ঝিলমিল রোদ্দুরে গল্পটি আফিয়া আফরিন-এর লেখা একটি জনপ্রিয় রোমান্টিক ও রহস্যময় গল্প