"আমার হৃদয় পোড়ানোর অসীম ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছো তুমি মোম।,,,,এই যে,, আজ সারাটা দিন পোড়াচ্ছো,,,, পুড়িয়ে পুড়িয়ে দগ্ধ করে তুলছো?,, আবার তোমার মুগ্ধতায় ভরা মুখশ্রী দেখিয়ে জ্বলন্ত হৃদয়টাকে শীতলও করে তুলছো।, এ কেমন যন্ত্রনা মোম?,,কেন পোড়াও তুমি আমায়?,,,,, থাকতে পারবো না তো তোমাকে ছাড়া।এই যে চলে এলাম,,,,পারিনি তো।,,,,,,তোমায় দুরে যেতে দেবো না মোম,,তোমার আধার জীবনে তারাবাজি জ্বালাবোই আমি,,,,কথা দিলাম।,, "
বলতে বলতেই আলতো করে মোমের হাতে মাথা রাখলো নভ।,,,কখন যে ক্লান্ততায় ভরা চোখ দুটি বুজে এলো,,,তা জানা নেই তার।,,,,ভোরের আলোয় চোখ ছুটে যায় নভের।,,, মোমকে দেখলো,,,সেই আগের মতোই ঘুমাচ্ছে।।,, আলতো হাসলো নভ,,
"আজ যেতে হবে মাই জুলিয়েট।,,তবে আবার ফিরবো আমি,,তোমার অগোচরে তোমার সন্নিকটে।"
মোমের কপালে ঠোঁট ছুইয়ে নিঃশব্দে বেরিয়ে গেলো নভ।,,,
***দিন চলছে এমন ভাবেই।,,,আজ ষোল দিন হলো মোম নভের দেখা পায় না।,,,তার সাথে কথাও হয় না।,,,এদিকে এই বাড়িতে আর মন টিকছে না মোমের।,,নোভা,ইশু,লিজা,রুবির সাথে ভালো কিছু সময় কাটলেও পলি আর আখির কথা গুলো কেমন তীর ছুড়ে মোমের বুকে।,,,কয়েকবার রুবি, নোভা,অবনদের কাছে চলে যাওয়ার কথাও বলেছে,,,তবে তাদের সাফ মানা, নভ তাকে বাড়ির বাইরে এক পা রাখতেও না করেছে।,,,,,এর মধ্যে লুসিয়ানকে একটুও সহ্য হয় না মোমের।দিনের বেলায় হুটহাট রুমে এসে পড়ে,,,যেতে বললেও যেতে চায় না,,,বাজে ভাবে তাকানো,বাজে ইঙ্গিত,,সব মিলিয়ে এক প্রকার ভয়েই আছে মোম।,,,,,,তবে সেসবই ভুলে যায় যখন নভকে দেওয়া কষ্টের কথা তার মনে পড়ে।কেউ না জানুক,,,সে তো জানে নভ তার কথাতেই কষ্ট পেয়ে বাড়ি আসে না।,,,, আচ্ছা?নভ কি সত্যিই তাকে ভালোবেসেছে?ভালোবাসলে বুঝি এভাবে দুরে থাকা যায়?,,,তাহলে তার যে খুব কষ্ট হচ্ছে?,,, প্রকাশ না করলেও সেও তো নভের প্রতি কিছুটা হলেও দূর্বল।,,,তবে এই দূর্বলতাকে একটুও প্রশ্রয় দিতে চায়না মোম।,,,সে চায়না দ্বিতীয় বার ভালোবাসার যন্ত্রণায় ভুগতে,,, আর না চায় নভকে,, হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট উপলব্ধি করাতে।,,,লোকটা যে সইতে পারবে না।,,,
"আসতে পারি?"
ভাবনার বিভোর কাটলো মোমের,,,,জানালার বাইরে থেকে মুখ ফিরে তাকালো দরজার দিকে।৷,, ইশু দাড়িয়ে। সাথে তেজ,,,, মুহুর্তেই খুশিতে ভরে উঠলো মোমের চিত্ত।,,,দ্রুত উঠে গিয়ে তেজকে বললো...
"ভাইয়া,আপনি?,,,, উনিও এসেছে তাই না??কোথায় উনি?".
তেজ চুপ রইলো,,দেখতে লাগলো মোমের ব্যাকুলতা।,,,
" কি হলো ভাইয়া,,,,বলেন?"
তেজ হাসলো,,,যা সব সময়ই তার মুখে থাকে,,,,
"নভ তো আইয়ে নো,,,,অঅন তুই এক্কানা তাতাই রেডি ও ছাই,,,,এক জাগাত যামু আনডা,,,"
ভ্রু কুচকালো মোম..
"কোথায়?"
ইশু বললো..
"তুই রেডি হ তো,,,,,,দ্রুত,,,"
মোম কথা বাড়ালো না,,,,তেজ চলে যেতে যেতে বললো...
"তাতাই আয়,,,,আই বই রইছি তোরলাই।"
ইশু ঢুকে মোমকে নর্মাল একটা ড্রেস বের করে দিলে রেডি হওয়ার জন্য।,,,
"তোমরা যাবে না আপু?"
ইশু স্বাভাবিক ভাবেই বললো..
"উহুম,,,তেজ বললে তোকে নিয়ে হসপিটাল যাবে,,,বাট কেন সেটা বলেনি "
মোম কিছু একটা চিন্তা করলো,,, বুঝেও গেলো কেন যাবে হসপিটাল,,,,আমার সেই দূর্বিষহ যন্ত্রনা।,,,এক মাস প্রায় শেষ কিনা,,,,কিন্তু আজ ভাইয়া আসবে না তাকে নিতে??,,,,মোয়ান ভাইয়া তো সব সময় এই সময়টায় তার বোনির পাশে থাকে। তাহলে আজ??,,,
আর ভাবলো না মোম,,,দ্রুত রেডি হয়ে তেজের সাথে বের হলো হসপিটালের উদ্দেশ্যে।,,,,,,,মোয়ান আসেনি,,,তবে থেরাপি দেওয়ার আগে তেজের ফোন দিয়ে মোমের সাথে বেশ কিছু কথা বলেছে।,,,,নতুন চাকরি,,কি একটা কাজ আছে,তাই আসতে পারেনি বললো।,,,,এই কথা শুনে মোম কিছুটা কষ্ট পেলেও মোয়ানের হাবিজাবি ম্যাজিকাল কথায় আবার কিটকিটিয়ে হেসে নিয়েছে।,,,,,
থেরাপি শেষে আগের মতোই কেবিনে দেওয়া হলো মোমকে।,,,,পাশে কেউ নেই,,,খুব একা লাগছে এই মুহুর্তটা।,,,তেজ ও আসছে না অনেকক্ষণ।,,,, হাত পা সব অবস,,,উঠে বসার শক্তি অবশিষ্ট নেই মোমের।,,এটা তো হওয়ারই কথা।,,,আনমনেই চোখ থেকে একফোটা জল গড়িয়ে পড়লো বালিশে।,,,চোখ বুজলো মোম।
ধীর পায়ে কেউ যেন কেবিনে প্রবেশ করছে।,,,দেখার প্রয়াস চালালো মোম,,,,ধীরে ধীরে চোখ খুলে যাকে দেখলো,,,অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে হৃদয় কেপে উঠলো তার।,,,,একদমই আশা করেনি লোকটিকে,,,,আপন মনেই ঠোট দুটো আলতো ছড়ালো,,,,বাম গালে ছোট্ট টোলটিও দৃশ্যমান হলো,,,,
নভ এগিয়ে এলো মোমের কাছে।,,,,মোম কাতর দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো নভের দিকে। আজ কতগুলো দিন পর এই চেহারাটা দেখছে সে।,,, কিন্তু চেহারায় আগের মতো হাসি নেই,,,প্রাণবন্ত ভাবটাও নেই।,,কেমন যেন রুক্ষ।,,,চোখ দুটো লাল,,,চুলগুলোও এলোমেলো,,,খোচা খোচা দাড়িগুলোও একটু বড় হয়ে গেছে,,,,লোকটা সত্যিই কষ্টে ছিলো এই কটা দিন?,,,
হাত বাড়িয়ে মোমের চোখের পানি টুকুন মুখে দিলো নভ।,,বুক থেকে সরে যাওয়া চাদরটাও গলা পর্যন্ত টেনে দিলো,,,,খেয়াল করলো মোমের ডান হাত কাপছে,,,মেয়েটা নিজের শক্তি ব্যবহার করছে হাত উঠানোর।সর্বোচ্চ প্রয়াশ চালাচ্ছে নিজ হাতে নভকে একটি বার ছুয়ে দেওয়ার,,,,উহুম,লজ্জা কাজ করছে না,,,কাজ করছে এক রাশ অনুভূতি।,,,
তবে ব্যর্থ মোম,,,পারলো নিজের নেতিয়ে পড়া হাতটা তুলতে। পারলো না নভকে একটু ছুয়ে দিতে।শুধু করুন ভাবে চেয়ে রইলো নভের পানে।,,,,
দেরি হলো না,,,একটু পরেই মোমের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হলো।নভ নিজেই মোমের অবস হাতটা ধরলো। তুলে নিজের গালে ছোয়ালো।,,,একটু ঘসে মোমের হাতের তালুতে চুমু খেলো গভীর ভাবে। মোম অপলক তাকিয়ে রইলো,,,তবে অনুভব করতে পারলো না নভের উষ্ণ ঠোঁটের ছোয়া।শরীরটা অবশ কিনা??,,,
সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মোম আলতো স্বরে উচ্চারণ করলো..
"আ্ আপনি,,,,এ্ এসেছেন?স সত্যি?"
নভ দ্রুত নিজের ডান হাতের তর্জনী আঙুল মোমের ঠোঁটে চেপে ধরলো। যার অর্থ, "কথা বলো না"
নভ চুপ রইলো,, শুধু অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়েই রইলো মোমের দিকে।,,,, একটু পর তেজ এলো,,হাতে খাবারের প্লেট।,,,তাকে দেখে নভ উঠে নিজের হাত পরিষ্কার করে আসলো,,।মোমকে ধরে উঠিয়ে নিজের বুকের সাথে মোমের পিঠ হেলান দিয়ে বসালো।,,তেজ থেকে প্লেটটা নিয়ে নিজের হাতে খাইয়ে দিতে লাগলো মোমকে।,,,মোমের যেন সব ঘোলাটে লাগছে,,,অবাক নয়নে তাকিয়ে রইলো নভের দিকে। তা দেখে নভ বললো..
'হা করো"
ঘোর কাটলো মোমের।খিদে পেয়েছে কিনা জানা নেই।তবে নভের হাতে খাওয়ার ইচ্ছেটা আর অবলোকন করতে পারলো না।বাধ্য মেয়ের মতো খেতে লাগলো নভের হাতে।তেজ "বাইরে আছি" বলে চলে গেলো।
()()
বাড়িতে নিচতলার একটি রুমের বিছানায় শুয়ে আছে মোম।একটু আগেই হসপিটাল থেকে ফিরেছে তারা,,,তেজ ড্রাইভ করেছে।মোম আর নভ পেছনের সীটে বসেছে।,,সারাটা রাস্তা নভ মোমকে নিজের সাথে আগলে রেখেছে। বাড়ি ফেরার পরেও পাজা কোলে করে নিচে রুমে দিয়ে গেছে।,,,বাড়ির অনেকেই প্রশ্ন করেছে,মোমের এই অবস্থা কেন,,,তবে নভ সামলে নিয়েছে।আর বলেছে,আজ মোম মিচতলার রুমটাতেই থাকবে,,শরীরের এই অবস্থা নিয়ে সিড়ি ভাঙা লাগবে না।,,,
নভ বেরিয়েছে।কোথায় গেছে জানা নেই মোমের।নভ যে তার সাথে তেমন কথাও বলছে না।,,,,
রুমটা মোমের খুব একটা পছন্দ হয়নি।,,বিছানার পাশের জানালাটা দিয়ে আখিকে দেখা যাচ্ছে।বাগানের ফুল গুলোর আগাছা পরিষ্কার করছে।,,,,সাথে নীলও আছে।,,,এতদিনে মেয়েটা বেশ হামাগুড়ি দিতে শিখেছে।৷ এই যে এখন হামাগুড়ি দিতে দিতে পাশের গুদাম ঘরটাতে ঢুকলো।৷,,, মোম আলতো হাসলে নীলের দিকে তাকিয়ে।,,,
"কিরে?,,তোরও চাই নাকি?"
ইশুর কথায় চোখ ঘুরিয়ে তার দিকে তাকালো মোম,,,দৃষ্টি এমন বোঝালো,যে কি বলছে বুঝতে পারছে না।তা দেখে ইশু হেসে বললো...
"মানে এরকম একটা কিউট বেবি তোরও চাই নাকি??বলবো নাকি?বিয়ে দিয়ে দিতে,,তারপর বাসর, তারপরই তো কিউট বেবি।"
মোম হাসলো,,,,মুহুর্তেই আবার মিলিয়ে গেলো সেই হাসি,,,তার যে এসব স্বপ্ন দেখা বারন।তার যে আয়ু খুবই স্বল্প।এই সামান্য আয়ু নিয়ে এতোসব যে সম্ভব নয়।,,,
ঘোর কাটলো নোভার ডাকে..
"কিরে?কোথায় হারালি?"
উত্তর দিলো না মোম। শুধু মলিন হাসলো।,,,
বাড়িতে তেমন কেউ নেই,,, নোভা,ইশু,রুবি,লিজা,আখি আর নীল।,,লিজা এতোক্ষণ মোমের কাছেই ছিলো,,,একটু আগেই কল আসায় বেরিয়ে গেলো।রুমি মোমের জন্য স্যুপ বানাচ্ছে রান্নাঘরে।,,,,
হঠাৎই ভেসে এলো আখির আর্তনাদ...
"নীল,,,,'.
সবাই তাকালো জানালার দিকে,,,,গুদামঘরটা দাও দাও করে জ্বলছে।,,,,,তার দিকেই ছুটছে আখি,,,তবে পৌছাতে পারলো না,,,তার আগেই লিজা পেছন থেকে টেনে ধরলো তাকে,,,,
" ভাবি,কি করছো তুমি??ওদিকে যাচ্ছো কেন?,,,"
"আমার নীল,,,নীল সোনা,,,, ও পুড়ে যাবে,,,ওকে বাচাও,,,,আমার নীলকে বাচাও,আমায় যেতে দাও।"
পাগলের মতো ছোটার চেষ্টা করছে আখি,,,তবে পারছে না,,,লিজা তাকে আটকে রাখছে,,রুবিও সেখানে উপস্থিত হলো,,, নোভা আর ইশুও ছুটে বেরিয়ে গেলো,,,,,,সবাই মিলে আখিকে আটকাচ্ছে,,,এই মুহুর্তে ওকে ঐ আগুনের মধ্যে যে যেতে দেওয়া যাবে না।,,তাতে বিপদ বাড়বে বলে কমবে না।,,,বাড়ির দারোয়ান বালতি ভরতি পানি এনে একের পর এক ছুড়ছে আগুনের দিকে।,তাতেও যেন আগুন নিভছে না।,,,
------
কেউ একটা যেন ঐ গুদাম ঘরে ঢুকলো,, আগুনকে ঠেকিয়ে,,,এমনটাই মনে হলো আখির কাছে। প্রানে যেন একটু পানি ফিরে এলো,,,তার মেয়েটা বাচবে??,,
আখিকে শান্ত হতে দেখে সবাই তার দৃষ্টি অনুসরণ করে তাকালো গুদাম ঘরের দিকে।,,দেখলো ওখান থেকে মোম খুরাতে খুরাতে নীলকে এক হাতে জড়িয়ে বেরিয়ে আসছে,,,
সবার চোখ ছানাবড়া,,, মোম কখন আসলো?,,আর ও হাটছে কি করে?,,,,
মোম বেরিয়ে আসলো ঠিকই,,তবে আর নিজের সাথে যুদ্ধ করতে পারলো না।,,ভর ছেড়ে দিলো শরীরের।,,,পড়লো মাটিতে,,,নীলও পড়লো,,।এই অবস্থা দেখে বাকিরা এগিয়ে এলো মোমের কাছে,,,মোম নীলকে কাপা কাপা হাতে আখির দিকে এগিয়ে দিয়ে বললো...
"ও্,,ওকে নিন, ভ্ ভাবি,,"
আখি দৌড়ে এসে তুলে নিলো নীলকে।বুকে ঝাপটে ধরলো তার নারি ছেড়া রত্নকে।,,,,বাকিরা সবাই মোমকে সামলাতে লাগলো।,,,
ঘন ঘন শ্বাস ফেলছে মোম।পুরো শরীর ঘেমে নেয়ে একাকার।,,,হাত দুটো থরথর করে কাপছে।,,চেয়েও আর তুলতে পারলো না।,,,অচল হয়ে পরে রইলো সবুজ ঘাসের উপর।,,,
()()()
হাতে করে একটদ মলম নিয়ে মোমের রুমে ঢুকলো আখি।নভকে দেখেই মাথা নত করলো।,,,,
"ভাইয়া,,,আমি একটু মোমের সাথে কথা বলতে চাই,,"
নভ যেন কিছুটা ধারণা করতে পারলো,,,তাই আর দিরুক্তি করে নি।,,মোমের দিকে তাকিয়ে শক্ত কন্ঠে বললো...
"বাড়িতেই আছি।,,,ইচ্ছে হলে প্রয়োজনে ডাকতে পারো।,,,"
মোম উত্তর দিলো না,,আর না নভ অপেক্ষা করলো না উত্তরের।চলে গেলো বাইরে।,,,মোম আলতো হাসলো একটু আগের কথা মনে করে।,,,।
মোমকে কোনো মতে ঘরে নিয়ে আসার পর নোভা সবটা ফোন করে জানিয়ে দিয়েছে,, প্রায় ১০ মিনিট পরেই নব হন্তদন্ত হয়ে বাড়ি ফিরলো।,,,এসেই মোমকে শোয়া থেকে তুলে শক্ত করে জরিয়ে ধরলো।,,,সামনে ডক্টরও ছিলো,সাথে বাড়ির বাকিরা তো আছেই।অবনরাও ফিরে এসেছিলো তখন।,,,,তবে নভ যেন কাউকে খেয়ালই করলো না।পাগলের মতো বলতে লাগলো...
"আর ইউ ওকেয় মোম??,,ঠিক আছো তো??বলো??কোথাও লেগেছে তোমার??বলো মোম??সত্যি করে বলো?"
,,,,
"কোথায় হারালে মোম??"
আখির কথা ভাবনা থেকে বের হলো মোম।ফিরে তাকালো তার দিকে।
"ক্ কই কিছু না তো ভাবি।,,আপনি এখানে??কিছু বলবেন??"
আখি মাথা নোয়ালো,,,নিচু স্বরে বললো...
"আজ তুমি যা করলে,,, তার জন্য আমি আজীবন চির ঋণি থাকবো তোমার কাছে।"