কুহক রহস্য

কুহক রহস্য

ছোটগল্প

লেখক: মীর মোঃ তানজিরুল ইসলাম

ধূলিমলিন অতীতের বুক চিরে যখন কোনো প্রাচীন আসবাব ঘরে ঠাঁই নেয়, তখন তার সাথে নিঃশব্দে প্রবেশ করে এক অমোঘ মায়াজাল। মধ্যরাতের নিঃস্তব্ধতা ভেঙে যখন পাতার পর পাতা অদৃশ্য হতে শুরু করে, তখন যুক্তি আর বাস্তবের সীমানা এক অলৌকিক কুয়াশায় ঢাকা পড়ে যায়।


এই গল্পটি লেখক মীর মোঃ তানজিরুল ইসলাম-এর অনুমতিক্রমে ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গল্পের বাহারে প্রকাশিত হয়েছে।

পর্ব ১

পর্ব ১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২

পর্ব ২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩

পর্ব ৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪

পর্ব ৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫

পর্ব ৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৬

পর্ব ৬

সম্পূর্ণ পড়ুন

📝 সম্পাদকীয়

প্রাচীন কোনো সামগ্রীর সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস কেবল স্মৃতির স্মারক নয়, কখনো কখনো তা বয়ে আনে গা শিউরে ওঠা অজানা রহস্য। আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ একটি পুরোনো বুকশেলফ যখন পড়ার ঘরে স্থান পায়, তখন স্বাভাবিক পারিবারিক আবহে ধীরে ধীরে দানা বাঁধতে থাকে এক ব্যাখ্যাতীত অলৌকিক ঘটনা। বইয়ের পাতা নিঃশব্দে শূন্যে মিলিয়ে যাওয়ার মতো অদ্ভুত কাণ্ড পাঠককে প্রথম থেকেই এক ধরনের ঘোর ও টানটান কৌতূহলের মধ্যে আটকে রাখে। বর্ণনার প্রাঞ্জলতা এবং ঘরোয়া আড্ডার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে রহস্যের জাল বোনার শৈলীটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। প্রতিটি চরিত্রের নিজস্ব মেজাজ, বুদ্ধিমত্তা ও রসবোধের মেলবন্ধন গল্পটির গতিকে একঘেয়ে হতে দেয়নি। ভয় এবং কৌতূহলের ভারসাম্য বজায় রেখে লেখক অতিপ্রাকৃত উপাদানকে যুক্তির আলোয় পরীক্ষা করার এক সুন্দর প্রয়াস দেখিয়েছেন। জমিদার আমলের রক্তক্ষয়ী অতীত এবং বুকশেলফটির নামকরণের নেপথ্য কারণ প্রকাশ পাওয়ায় কাহিনীর বিস্তার আরও আকর্ষণীয় রূপ নেয়। শেষ পর্যন্ত রহস্যের পূর্ণ সমাধান না দিয়ে তাকে স্বাভাবিকতার মোড়কে রেখে দেওয়া পাঠক মনে এক দীর্ঘস্থায়ী শিহরণ তৈরি করে। সাবলীল ভাষা ও চিত্রকল্পের ব্যবহারে এটি বাংলা মৌলিক রহস্য সাহিত্যের ধারায় একটি চমৎকার সংযোজন। রহস্যপ্রেমী পাঠকদের কল্পনার খোরাক জোগাতে এই রচনাটি নিঃসন্দেহে একটি দারুণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

👁️ ৬ বার পড়া হয়েছে | 💬 ০টি মন্তব্য