অল্প বেঈমানী মন

অল্প বেঈমানী মন

ছোটগল্প

লেখিকা: আফরোজা আঁখি

এক অনিচ্ছাকৃত বন্ধনে আবদ্ধ দুটি হৃদয় যখন নিজেদের অতীতের ছায়া আর বর্তমানের দায়িত্বের মাঝে দাঁড়ায়, তখন ভালোবাসা কি শুধু আবেগ নাকি দায়িত্বের নতুন রূপ হয়ে ওঠে? যেখানে একজনের ত্যাগ আরেকজনের নিরাপত্তায় পরিণত হয়, সেখানে সম্পর্ক কি শুধু বেঁচে থাকে, নাকি নতুন করে জন্ম নেয়?


এই গল্পটি লেখিকা আফরোজা আঁখি-এর অনুমতিক্রমে ২৬ জুন ২০২৬ তারিখে গল্পের বাহারে প্রকাশিত হয়েছে।

পর্ব ১

পর্ব ১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২

পর্ব ২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩

পর্ব ৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৪

পর্ব ৪

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৫

পর্ব ৫

সম্পূর্ণ পড়ুন

📝 সম্পাদকীয়

আফরোজা আঁখির “অল্প বেঈমানী মন” গল্পটি শুধু একটি প্রেমের কাহিনি নয়, বরং দায়িত্ব, ত্যাগ ও সম্পর্কের বিবর্তনের এক গভীর চিত্র। গল্পের নায়িকা প্রথমে বাধ্য হয়ে বিয়ে করলেও ধীরে ধীরে সন্তানের প্রতি ভালোবাসা তাকে মাতৃত্বের গভীর অনুভূতিতে পৌঁছে দেয়। নায়ক আদর প্রথম স্ত্রীর স্মৃতি বুকে ধরে রেখেও মেয়ের সুখের জন্য নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলেন, যা দেখিয়ে দেয় ভালোবাসা কখনো এক জায়গায় আটকে থাকে না। প্রত্যুষের হিংস্রতা ও অ্যাসিড অ্যাটাকের ঘটনা গল্পে সাসপেন্স যোগ করেছে, কিন্তু সেই সংকটই দুজনের মধ্যে প্রকৃত বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার জন্ম দিয়েছে। গল্পটি প্রমাণ করে যে দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকলে মানুষ পরস্পরকে বুঝতে শেখে এবং ভালোবাসা সময়ের সঙ্গে গভীর হয়। সৎ মায়ের প্রতি সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিবারের চাপ গল্পে বাস্তবতা যোগ করেছে। শেষ পর্যন্ত গল্পটি আশাবাদী বার্তা দেয়—ভালোবাসা শুধু হারানোর বেদনা নয়, বরং নতুন করে বাঁচার শক্তি। আফরোজা আঁখি সাধারণ চরিত্রের মাধ্যমে অসাধারণ আবেগ ফুটিয়ে তুলেছেন। এই গল্প পাঠককে শেখায়, সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো জোর করে আসে না, বরং সময় ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয়।