চোরাবালি

চোরাবালি

ছোটগল্প

লেখক: আজেরিন হিরানুর

“চোরাবালি” একটি আবেগঘন বাংলা রোমান্টিক ছোটগল্প। মায়ের আত্মহত্যার শোক, পরিবার ভাঙার যন্ত্রণা, শৈশব থেকে লালন করা একতরফা ভালোবাসা এবং হৃদয়ভাঙা বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় একটি জীবন।


এই গল্পটি লেখিকা আজেরিন হিরানুর-এর অনুমতিক্রমে ৯ জুন, ২০২৬ তারিখে গল্পের বাহারে প্রকাশিত হয়েছে।

পর্ব ১

পর্ব ১

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ২

পর্ব ২

সম্পূর্ণ পড়ুন

পর্ব ৩

পর্ব ৩

সম্পূর্ণ পড়ুন

📝 সম্পাদকীয়

আজেরিন হিরানুরের চোরাবালি গল্পটি একতরফা ভালোবাসা, মানসিক নির্ভরতা এবং ভাঙা স্বপ্নের বেদনাময় উপাখ্যান। গল্পের শুরুতেই রাত্রির মায়ের আত্মহত্যা ও পারিবারিক ভাঙনের ঘটনা কাহিনিকে গভীর আবেগের ভিত্তি দিয়েছে। মা হারানোর পর নিহালের প্রতি রাত্রির নির্ভরতা ধীরে ধীরে অপ্রকাশিত প্রেমে রূপ নেয়, যা গল্পের মূল চালিকাশক্তি। লেখিকা অত্যন্ত আবেগঘন ভাষায় একটি কিশোরী মনের একাকীত্ব, আকাঙ্ক্ষা এবং ভুল বোঝা অনুভূতিগুলো তুলে ধরেছেন। রাত্রির দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বর্ণিত ঘটনাগুলো পাঠককে তার সুখ, আশা এবং হতাশার খুব কাছাকাছি নিয়ে যায়। নিহাল চরিত্রটি সচেতন প্রতারক না হলেও তার উপস্থিতি রাত্রির মনে যে স্বপ্ন তৈরি করেছিল, সেই স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার অভিঘাত গল্পের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ। গল্পে "চোরাবালি" নামটির প্রতীকী ব্যবহারও লক্ষণীয়, কারণ রাত্রি অজান্তেই এমন এক অনুভূতির গভীরে ডুবে যায়, যেখান থেকে ফিরে আসা সহজ নয়। সমাপ্তিতে কোনো নাটকীয় প্রতিশোধ বা অলৌকিক মিলন নেই, বরং রয়েছে বাস্তব জীবনের নির্মম সত্য। লেখিকা দেখিয়েছেন, সব ভালোবাসা প্রাপ্তিতে শেষ হয় না; কিছু ভালোবাসা মানুষের ভেতরে আজীবন বয়ে বেড়ানো ক্ষত হয়ে থাকে। সব মিলিয়ে চোরাবালি একটি হৃদয়বিদারক অথচ বাস্তবধর্মী গল্প, যা পাঠকের মনে দীর্ঘসময় ধরে বিষণ্ণতার রেশ রেখে যায়।