তৈয়বুর রহমান এনাম
✒ Writer ID: GB-A001
পাঠকদের উদ্দেশ্যে
“ আমি আমার লেখা গল্পগুলো সাধারণত আপনাদের একটু বিনোদন দেয়া উদ্দেশ্যে লিখে থাকি। আশা করছি আপনারাও আমাকে এই ব্যাপারে পর্যাপ্ত সুযোগ ও সুবিধা প্রদান করবেন। আমি আমার লেখা গল্পগুলো সাধারণত আপনাদের একটু বিনোদন দেয়া উদ্দেশ্যে লিখে থাকি। আশা করছি আপনারাও আমাকে এই ব্যাপারে পর্যাপ্ত সুযোগ ও সুবিধা প্রদান করবেন। ”
সম্মাননা স্মারক
বইটই-তে প্রকাশিত ই-বুকসমূহ
গল্পের বাহার পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের প্রিয় লেখক তৈয়বুর রহমান -এর প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে তিনি নিয়মিত সায়েন্স ফিকশন ও ভৌতিক গল্পের মাধ্যমে আমাদের পাঠকদের কল্পনা ও রহস্যের ভিন্ন এক জগতে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর শব্দচয়ন ও ভাবনার সূক্ষ্মতা নীরবে আমাদের সাহিত্যভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর এই নিষ্ঠা ও সৃজনযাত্রা অব্যাহত থাকুক—এটাই আমাদের বিনীত প্রত্যাশা।
লেখকের উল্লেখযোগ্য গল্পসমুহ
| লেখকের সম্পূর্ণ নাম | তৈয়বুর রহমান এনাম |
|---|---|
| ছদ্মনাম | নেই |
| জন্মস্থান | ভোলা জেলার মূল শহরে ২০০০ সালের ২৭ জানুয়ারী তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন। |
| বর্তমান ঠিকানা | বরিশাল জেলার সদর থানা (নথুল্লাবাদ) |
| পেশাগত জীবন | ছাত্র এবং চাকুরিজীবী |
| শখের কাজ | সায়েন্স ফিকশন গল্প লিখতে ভালোবাসেন। |
| সর্বশেষ প্রকাশিত গল্প | মহাজাগতিক স্পেসিস |
| GB-তে প্রকাশিত মোট গল্প | ৫ টি |
গল্প সম্পর্কে পাঠকদের মতামত
লেখকের এই গল্পটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, তিনি শুধু একটি কাহিনি বলেননি—একটি অনুভূতির ভেতর দিয়ে পাঠককে হাঁটিয়েছেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গল্পের গতি ছিল মসৃণ, কোথাও অপ্রয়োজনীয় টানাপোড়েন নেই, আবার কোথাও অতিরিক্ত তাড়াহুড়োও নয়। চরিত্রগুলোর সংলাপ স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত, বিশেষ করে প্রধান চরিত্রের মানসিক দ্বন্দ্ব খুব সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
গল্পের পরিবেশ নির্মাণ ছিল দারুণ শক্তিশালী।
কয়েকটি বর্ণনাতেই লেখক এমন এক আবহ
তৈরি করেছেন, যেখানে পাঠক নিজেকে সেই
দৃশ্যের অংশ মনে করতে বাধ্য হন। ভাষা সহজ
হলেও গভীর—যা গল্পটিকে সব বয়সের পাঠকের
জন্য গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
সবচেয়ে ভালো লেগেছে গল্পের শেষ অংশটি।
সেটি একদিকে চমকপ্রদ, অন্যদিকে ভাবনার
খোরাক জোগায়। পড়া শেষ হওয়ার পরও গল্পের
রেশ কিছুক্ষণ মনে থেকে যায়—এটাই একজন
সফল লেখকের বড় অর্জন।
লেখকের কাছে ভবিষ্যতে এমন আরও শক্তিশালী
ও হৃদয়স্পর্শী গল্পের প্রত্যাশা রইল।
সায়েম আহমেদ
লেখকের এই গল্পটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, তিনি শুধু একটি কাহিনি বলেননি—একটি অনুভূতির ভেতর দিয়ে পাঠককে হাঁটিয়েছেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গল্পের গতি ছিল মসৃণ, কোথাও অপ্রয়োজনীয় টানাপোড়েন নেই, আবার কোথাও অতিরিক্ত তাড়াহুড়োও নয়। চরিত্রগুলোর সংলাপ স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত, বিশেষ করে প্রধান চরিত্রের মানসিক দ্বন্দ্ব খুব সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
গল্পের পরিবেশ নির্মাণ ছিল দারুণ শক্তিশালী।
কয়েকটি বর্ণনাতেই লেখক এমন এক আবহ
তৈরি করেছেন, যেখানে পাঠক নিজেকে সেই
দৃশ্যের অংশ মনে করতে বাধ্য হন। ভাষা সহজ
হলেও গভীর—যা গল্পটিকে সব বয়সের পাঠকের
জন্য গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
সবচেয়ে ভালো লেগেছে গল্পের শেষ অংশটি।
সেটি একদিকে চমকপ্রদ, অন্যদিকে ভাবনার
খোরাক জোগায়। পড়া শেষ হওয়ার পরও গল্পের
রেশ কিছুক্ষণ মনে থেকে যায়—এটাই একজন
সফল লেখকের বড় অর্জন।
লেখকের কাছে ভবিষ্যতে এমন আরও শক্তিশালী
ও হৃদয়স্পর্শী গল্পের প্রত্যাশা রইল।
সায়েম আহমেদ
লেখকের এই গল্পটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে, তিনি শুধু একটি কাহিনি বলেননি—একটি অনুভূতির ভেতর দিয়ে পাঠককে হাঁটিয়েছেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গল্পের গতি ছিল মসৃণ, কোথাও অপ্রয়োজনীয় টানাপোড়েন নেই, আবার কোথাও অতিরিক্ত তাড়াহুড়োও নয়। চরিত্রগুলোর সংলাপ স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত, বিশেষ করে প্রধান চরিত্রের মানসিক দ্বন্দ্ব খুব সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
গল্পের পরিবেশ নির্মাণ ছিল দারুণ শক্তিশালী। কয়েকটি বর্ণনাতেই লেখক এমন এক আবহ তৈরি করেছেন, যেখানে পাঠক নিজেকে সেই দৃশ্যের অংশ মনে করতে বাধ্য হন। ভাষা সহজ হলেও গভীর—যা গল্পটিকে সব বয়সের পাঠকের জন্য গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।