মৌরিন আহমেদ
✒ Writer ID: GB-A004
পাঠকদের উদ্দেশ্যে
নেহাৎ শখের বশে লিখি; পেশাগত জায়গা ভিন্ন। তাই লেখায় প্রচুর ভুলত্রুটি আছে। পাঠকের প্রতি অনুরোধ যেকোনো ধরনের ভুল বা অসংগতি চোখে পড়লেই জানাবেন; আমি শুধরে নিতে প্রস্তুত। আমার লেখা পড়বেন, আলোচনা-সমালোচনা করবেন। এই নগণ্য লেখাকে ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা ✨❤️
সম্মাননা স্মারক
বইটই-তে প্রকাশিত ই-বুকসমূহ
গল্পের বাহার পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের প্রিয় লেখিকা মৌরিন আহমেদ -এর প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। রোমান্টিক, থ্রিলার ও কিশোর লাইফ ভিত্তিক গল্পের মাধ্যমে তিনি পাঠকদের আবেগ, টানটান উত্তেজনা ও কৈশোরের অনুভূতির এক জীবন্ত জগতে নিয়ে যান। তাঁর কাহিনির সাবলীল বর্ণনা, বাস্তবধর্মী চরিত্রচিত্রণ এবং সূক্ষ্ম আবেগধারা আমাদের সাহিত্যভাণ্ডারকে নীরবে সমৃদ্ধ করছে। তাঁর এই নিষ্ঠা, সৃজনশীলতা ও লেখালেখির ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অটুট থাকুক—এটাই আমাদের আন্তরিক প্রত্যাশা।
লেখকের উল্লেখযোগ্য গল্পসমুহ
| সম্পূর্ণ নাম | মৌরিন আহমেদ |
|---|---|
| ছদ্মনাম | নেই |
| জন্মস্থান | রংপুর |
| বর্তমান ঠিকানা | রংপুর |
| পেশাগত জীবন | BDS শিক্ষার্থী |
| শখের কাজ | বই পড়া ও টুকটাক লেখা |
| সর্বশেষ প্রকাশিত গল্প | গুঞ্জরনের নীড়ে |
| GB-তে প্রকাশিত মোট গল্প | ৫ টি |
লেখকের উদ্দেশ্যে পাঠকের কথা
রামিসা আনজুম ইপ্সি
মৌরিন আপু, সত্যি বলছি—আপনার লেখা না পড়লে আমার দিনটাই যেন ঠিকভাবে শেষ হয় না। নতুন পর্ব কবে দেবেন এই ভাবনাটা প্রায়ই মাথায় ঘোরে, মাঝেমধ্যে তো চুপচাপ গিয়ে পেজটা খুলে দেখি কিছু আপডেট হলো কিনা। আপনার গল্পের চরিত্রগুলোকে এত আপন লাগে যে মনে হয় তারা যেন আমারই পরিচিত মানুষ, তাদের সুখ-দুঃখগুলোও নিজের মতো করে অনুভব করি। অনেক লেখাই পড়েছি, কিন্তু আপনার লেখার মতো করে মন ছুঁয়ে যায় খুব কমই। কখনো কখনো ভাবি, আপনি কি বুঝতে পারেন—আপনার প্রতিটা নতুন লেখা কারো জন্য ছোট একটা আনন্দের কারণ হয়ে দাঁড়ায়? আপনি হয়তো শুধু গল্প লিখছেন, কিন্তু আমাদের মতো পাঠকদের জন্য এগুলো অনেক বেশি কিছু।
সায়েম আহমেদ
অফিসের কাজের চাপের মাঝে অনেক সময় মাথাটা এমনিতেই ভার হয়ে থাকে, কিন্তু আপনার গল্পগুলো পড়লে অদ্ভুত একটা শান্তি পাই। বাসায় ফিরে একটু সময় পেলেই দেখি নতুন পর্ব এসেছে কিনা—না থাকলেও আগেরগুলোই আবার পড়ি। সারাদিনের ক্লান্তির পরে আপনার লেখা যেন নিজের মতো করে একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গা দেয়। গল্পের চরিত্রগুলোকে এত বাস্তব লাগে যে মনে হয় তাদের জীবনটা চোখের সামনেই ঘটছে। হয়তো আমি খুব বেশি মন্তব্য করি না, কিন্তু প্রতিটা নতুন পর্ব চুপচাপ পড়ি আর মনে মনে ধন্যবাদ দিই।
মাইশা জাহান
আপু সারাদিনের কাজ শেষ করে একটু বসলে আপনার গল্পটাই পড়ি। নতুন পর্ব দিলে খুব ভালো লাগে, মনে হয় নিজের জন্য একটু সময় পেলাম। আপনার গল্পগুলো খুব আপন লাগে, তাই চুপচাপ অপেক্ষা করি পরের পর্বের জন্য। লিখে যান আপু, পড়তে খুব ভালো লাগে। 🎈🎈🎈🎈❤❤
তানভির হাসান
আপনার গল্পগুলো পড়তে বসলে কখন যে সময় কেটে যায় বুঝতেই পারি না। চরিত্রগুলোর অনুভূতি এত জীবন্তভাবে তুলে ধরেন যে মনে হয় সবকিছু চোখের সামনে ঘটছে। তবে একটা ছোট্ট আক্ষেপ রয়ে যায়—পর্বগুলো এত ছোট হয় যে মন ভরে না। পড়তে পড়তেই শেষ হয়ে যায়, তারপর অপেক্ষা শুরু হয় পরের পর্বের জন্য। যদি সম্ভব হয়, একটু বড় পর্ব দিলে আমরা পাঠকেরা আরও বেশি তৃপ্তি পেতাম। তবুও লিখে যান আপু, আপনার গল্পের অপেক্ষায় থাকি সবসময়।