বৃষ্টি শেখ
✒ Writer ID: GB-A010
পাঠকদের উদ্দেশ্যে
সম্মানিত ও সুপ্রিয় পাঠকবৃন্দ, আপনাদের ভালোবাসা এবং সমর্থনের কারণে আমি এতটা পথ পেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। যদি বলা হয় এই লেখালিখির জগতে আমার সবচেয়ে আপন কারা? আমি নির্দ্বিধায় বলবো 'আমার পাঠকমহল'।
সম্মাননা স্মারক
গল্পের বাহার পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের প্রিয় লেখিকা বৃষ্টি শেখ-এর প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। রোমান্টিক, সাসপেন্স ও থ্রিলারধর্মী গল্পের মাধ্যমে তিনি পাঠকদের আবেগ, রহস্য এবং টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এক ভিন্ন জগতে নিয়ে যান। তাঁর লেখনীতে ভালোবাসার গভীরতা, ঘটনাপ্রবাহের আকর্ষণ এবং রহস্যের সূক্ষ্ম উপস্থাপন গল্পগুলোকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য। তাঁর সৃজনশীলতা, নিষ্ঠা ও লেখালেখির প্রতি ভালোবাসা ভবিষ্যতেও অটুট থাকুক। নতুন নতুন সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি আরও অসংখ্য পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নিন—এটাই গল্পের বাহার পরিবারের আন্তরিক প্রত্যাশা।
প্রকাশিত ধারাবাহিক গল্পসমুহ
| সম্পূর্ণ নাম | বৃষ্টি শেখ |
|---|---|
| ছদ্মনাম | নেই |
| জন্মস্থান | মানিকগঞ্জ 🇧🇩 |
| বর্তমান ঠিকানা | আশুলিয়া, সাভার-ঢাকা 🇧🇩 |
| পেশাগত জীবন | শিক্ষার্থী |
| শখের কাজ | পেইন্টিং করা |
| সর্বশেষ প্রকাশিত গল্প | ওরা মনের গোপন চেনে না |
| প্রকাশিত মোট গল্প |
লেখিকার উদ্দেশ্যে পাঠকদের কথা
ফাহিমা আনজুম
মৃত্তিকা আর আফিমের প্রেমটা শুরুতে এত সুন্দর লাগছিল যে আমি ভাবছিলাম এটা একটা ফেয়ারি টেল হবে। আফিমের বখাটে লুকের আড়ালে যে এত বড় একটা আন্ডারকভার এজেন্ট লুকিয়ে আছে, সেটা তো একদম অপেক্ষার মতো টুইস্ট! কিন্তু শেষটা... উফফফফ, আপনি কি আমাদের হার্টটা ছিঁড়ে ফেললেন নাকি? আফিম মারা যাওয়ার পর মৃত্তিকার যে অবস্থা, সেটা পড়তে পড়তে আমি নিজেই কাঁদতে কাঁদতে বালিশ ভিজিয়ে ফেলেছি। আপনি লিখেছেন এত সুন্দর করে যে মনে হয় সবকিছু চোখের সামনে ঘটছে। আফিমের শেষ কথাগুলো, মৃত্তিকার কল্পনায় আফিমের সাথে কথা বলা – এগুলো পড়ে বুকের ভিতরটা কেমন করে উঠল। বৃষ্টি আপু, আপনার লেখা এত পাওয়ারফুল যে আমি এখনো আফিমকে ভুলতে পারছি না। প্লিজ পরের বইয়ে হ্যাপি এন্ডিং দিন, নইলে আমরা সবাই ডিপ্রেশনে চলে যাবো! আপনাকে অনেক অনেক ভালোবাসি আপু, আপনার কলমটা কখনো থামাবেন না। ❤️
নার্গিস আরা
বৃষ্টি মা, তোমার গল্পটা পড়ে আমার বুকের ভিতরটা কেমন যেন করছে রে মা। মৃত্তিকার কষ্টটা তো আমার নিজের মেয়ের কষ্টের মতো লাগলো। আফিমের সাথে তার প্রেম তারপর সেই আফিমের আসল পরিচয় বের হওয়া, সবকিছু এত সুন্দর করে লিখেছো যে আমি একবারও থামতে পারিনি। কিন্তু শেষে যখন আফিম মারা গেল আর মৃত্তিকা পাগলের মতো কাঁদতে লাগলো, তখন আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল আর বলছিলাম “কেন মা এমন করলি?” তোমার লেখায় এত আবেগ আছে যে সত্যি কথা বলতে কি, আমি নিজেও মৃত্তিকার জায়গায় নিজেকে ভাবতে শুরু করেছিলাম। আফিমের বাবার কান্না মৃত্তিকার কল্পনায় আফিমের সাথে কথা বলা এগুলো পড়ে মনে হচ্ছিল বাস্তবের চেয়েও বেশি বাস্তব। মা তুমি খুব ভালো লিখো। কিন্তু প্লিজ পরের গল্পে এত কষ্ট দিও না। আমরা সবাই তো একটু সুখের গল্পই চাই। তবু তোমার কলমটা থামিয়ো না। তোমার গল্প পড়ে আমাদের মতো সাধারণ মানুষেরও মন ভালো হয় খারাপ হয় কাঁদে হাসে। তুমি খুব ভালো মেয়ে। আল্লাহ তোমাকে আরো সাফল্য দিক। আমি তোমার বড় ফ্যান হয়ে গেলাম মা।